চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন সকালে শুনানি করে বৈধ ঘোষণা করা হলেও বিকেলে বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ঋণখেলাপি থাকা এবং মনোনয়নপত্রে হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন চট্টগ্রাম-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. নুরুল আমিন।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে শুনানি করে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
জামায়াতের অভিযোগে বলা হয়, সরোয়ার আলমগীর তার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় নিজের আর্থিক দায়, বিশেষ করে ব্যাংকঋণ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন। নির্বাচন আচরণবিধি ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী ঋণখেলাপি হলে অথবা হলফনামায় মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তার মনোনয়ন বাতিলযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল আমিন অভিযোগ করেন, সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বকেয়া ঋণ থাকার তথ্য রয়েছে, যা ইচ্ছাকৃত গোপন করা হয়েছে। এ ধরনের তথ্য গোপন নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং এতে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হয় বলেও আপিলে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি ইসি অভিযোগটি করেছিলেন তিনি।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল আমিনের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসমাইল গণি বলেন, বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের ঋণখেলাপির যে আদেশ হাইকোটের ছিল সেটি আমরা সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে স্থগিত করে দিয়েছি। আমাদের ওই আদেশটি নির্বাচন কমিশনকে দেখানোর পর নির্বাচন কমিশন বিকেলে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে দেন।
এ বিষয়ে সরোয়ার আলমগীর বলেন, আমাকের সকালে বৈধ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু বিকালে কিভাবে বাতিল করা হলো সেটি আমার আইনজীবীরা খতিয়ে দেখছেন।
অমিয়/