মে মাসের প্রথম দিনটি ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ হিসেবে পৃথিবীর অনেক দেশেই পালিত হয়। বাস্তবিক অর্থে, আমরা কি আদৌ শ্রমিক দিবসের মর্যাদা বা তাৎপর্যকে স্বীকার করছি? বিগত কয়েক বছরে শিল্পকারখানাগুলোয় বড় ধরনের সহিংসতা হয়েছে, এমনকি বন্ধ হয়েছে বেশ কয়েকটি! কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছে! ফলে, বেড়েছে বেকারত্ব! এর পেছনে রয়েছে একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল, যারা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আড়ালে নিজেদের ফায়দা লুটছে! কারখানাগুলোয় ন্যায্য পারিশ্রমিক না দেওয়া, সব ধরনের প্রাপ্য ছুটি থেকে বঞ্চিত করা, উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না করা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা ইত্যাদি নানাবিধ অন্যায় সহ্য করে শ্রমিকরা কেবল দুবেলা দুমুঠো খাওয়ার জন্য সবকিছু মাথা পেতে নিচ্ছেন!
কেবল ওপরে উল্লিখিত সমস্যাগুলোই নয়, আরও বহু সমস্যা রয়েছে যা লিখে হয়তো শেষ করা সম্ভব হবে না! সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমস্যাগুলো নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করে, সুনিশ্চিত সমাধানের মাধ্যমে শ্রমিকদের উপযুক্ত মজুরি প্রদান করতে হবে। সর্বোপরি মানুষকে ভালোবাসা আর একে অন্যের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই হলো প্রতিটি বিবেকবান ব্যক্তির নৈতিক দায়িত্ব।
আসিফ আল মাহমুদ
আকবরশাহ মাজার, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম ৪২০২
[email protected]