ঈদুল আজহা মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এদিনে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা হয়। তবে প্রতি বছর ঈদের সময় দেখা যায়, কোরবানির পর পশুর বর্জ্য সঠিকভাবে অপসারণ না হওয়ায় নগরজুড়ে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ, ভেঙে পড়ে স্যানিটেশন ব্যবস্থা, আর জনস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকিতে পড়ে।
এ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা শুধু ব্যক্তিগত অসচেতনতার ফল নয়; বরং অনেক সময় এটি পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতির ঘাটতির প্রতিফলন। যদিও প্রশাসন প্রতি বছর নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলে, বাস্তব মাঠপর্যায়ে অনেক সময়ই কার্যকারিতা দেখা যায় না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ না হলে শহরের রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি এমনকি ড্রেনেজ ব্যবস্থায়ও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
সমস্যা সমাধানে চাই সমন্বিত উদ্যোগ। ঈদের আগেই প্রয়োজন যথাযথ পরিকল্পনা, জনসচেতনতা কার্যক্রম ও প্রশাসনের তৎপর তদারকি। নির্ধারিত স্থানে কোরবানি, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করলেই ঈদের আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় থাকবে। একই সঙ্গে নগরজীবনের স্বাভাবিকতাও রক্ষা পাবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নাগরিক সমাজের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করি।
নুসরাত জাহান অর্পিতা
শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]