দেশের চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা বিআইটি গঠনের এক দফা দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমরণ অনশনে বসে গত ১০ আগস্ট। অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম- সরকারপক্ষের এ ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথাই নেই! এদের দাবির শতভাগ যৌক্তিকতায় বাংলাদেশের সব ছাত্র সংগঠন অনশনরতদের সঙ্গে দেখা করে একাত্মতা ঘোষণা করে, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।
কিন্তু সরকারের রথী-মহারথীদের টনকই যেন নড়ছিল না! শেষ পর্যন্ত ১৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত স্বারক (৫৭.০০.০০০০.০০০.০৫২.৯৯.০০০২.২৫-১৫৫)-এ আন্দোলনের যৌক্তিকতা পরীক্ষান্তে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেন। যাদের সাচিবিক সহায়তা প্রদানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মির্জা মোহাম্মদ আলী রেজাকে নিযুক্ত করা হয়। তবে কমিটির চতুর্থক্রমে থাকা ডুয়েটের উপাচার্যের ভূমিকায় আদৌ নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে কি না, তাতে সংশয় প্রকাশ করছেন আন্দোলনকারীরা। বলা বাহুল্য, যৌক্তিক এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের যৌক্তিক এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পরিবর্তে মনগড়া এবং সাজানো কোনো সমাধানের চেষ্টা পরিলক্ষিত হলে আন্দোলনকারীদের পিঠ দেয়ালেই ঠেকে যাবে। এহেন পরিস্থিতি তৈরি হলে তা সরকার, শিক্ষার্থী, দেশ- সবার জন্যই অকল্যাণকর হবে। মনে রাখতে হবে- শিক্ষার্থীদের এক দফার আন্দোলন কোনো ব্যক্তিস্বার্থে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থে।
মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ্
বারইয়ারহাট, মিরসরাই, চট্টগ্রাম-৪৩২৬
[email protected]