বর্তমানে বাংলাদেশের রাস্তায় নিত্যদিনের সঙ্গী তিন চাকার ইজিবাইক। ইজিবাইক যেমন আমাদের পথচলাকে সহজ ও দ্রুত করেছে ঠিক তেমনি প্রতিদিন হাজার হাজার দুর্ঘটনা ঘটছে এই ইজিবাইকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটু চোখ রাখলেই প্রতিদিন দেখা যায় মৃত্যুর খবর। ইজিবাইক ও প্যাডেলচালিত রিকশার মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য, এর মডেলের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় ইজিবাইক শক্তিশালী মোটর দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় বেশ দ্রুতগতি সম্পন্ন, তিন চাকা হওয়ায় এর ভারসাম্য কম নিয়ন্ত্রণ খুব সাবধানে নিতে হয় যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন। অন্যদিকে প্যাডেচালিত রিকশা কম দ্রুত হওয়ায় এতে দুর্ঘটনার হার অনেক কম। যেহেতু এগুলো আমাদের জীবনকে সহজ করছে এগুলো নিষিদ্ধ করলেও থামানো যাবে না। ইজিবাইকগুলো খুবই হালকা ও ভঙ্গুর, যার কারণে এর নিয়ন্ত্রণ অনেক সময়ই কঠিন। এর ভেতরে কোনো সেফটি ইকুইপমেন্ট নেই যেমন এয়ার ব্যাগ, ভালো শকম্যানেজমেন্ট যা বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদকরা চাইলেই কম খরচে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। রেজিস্টার ইজিবাইকের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এ ছাড়া চালকদের লাইসেন্সের বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে যাতে রাস্তায় অনভিজ্ঞতার কারণে দুর্ঘটনা না ঘটে। এর মাধ্যমে সংখ্যা কমবে, রাস্তায় দুর্ঘটনাও কম ঘটবে।
জুবায়ের মাহমুদ
শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]