দক্ষিণ চট্টলার চন্দনাইশ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা ও জনবলের তুলনায় রোগীর চাপ অত্যন্ত বেশি। ফলে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। যদিও একই উপজেলায় দোহাজারী ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল রয়েছে। উভয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, কিন্তু পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে সাধারণ মানুষ অনেক ক্ষেত্রেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। যা জনমনে সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চন্দনাইশ সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকার কারণে ভেতরে ময়লার ডাস্টবিন পাশে রোগীর স্থান হচ্ছে। হাসপাতালের ভেতর-বাহিরসহ আশপাশে ছড়ানো-ছিটানো ময়লা-আবর্জনা দেখা যায় প্রতিনিয়ত। একই সঙ্গে বেলকনিতেও দুর্গন্ধ ও ময়লা পানি জমা থাকে। ফলে রোগজীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা দেখা যায়। আর উন্মুক্ত নালায় জমানো পানিতে মশা-মাছির উপদ্রব দেখা যাচ্ছে।
চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এলাকাবাসীর পক্ষ জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে এবং হাসপাতালের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উন্নত চিকিৎসাসেবার সর্বোচ্চ মানোন্নয়ন বৃদ্ধি, জরুরি ল্যাব স্থাপন, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ক্লিনার নিয়োগ এবং প্রত্যেক দিন হাসপাতালের ভেতর-বাহিরসহ আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি বেশ জরুরি এবং নালায় ফগার মেশিন দিয়ে নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার গুণমান নিশ্চিত করতে সচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি বৃদ্ধির মাধ্যমে রোগীদের বেড ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংস্কার করার জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, নবনির্বাচিত এমপি জসীম উদ্দীন আহমেদ এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন
সংগঠক ও কলামিস্ট, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম
[email protected]