ফজরের নামাজের পর দুনিয়াবি কথা বলার আগে নিজের জায়গায় বসে এই আমলগুলো করা সুন্নত ও অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।
১. পরিপূর্ণ হজ ও উমরার সওয়াব লাভের আমল
জামাতের সঙ্গে ফজর পড়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকা এবং এর পর দুই রাকাত নামাজ (ইশরাক) পড়া।
পুরস্কার: পরিপূর্ণ একটি হজ ও একটি উমরার সওয়াব। (তিরমিজি)
২. অনিষ্ট ও গুনাহ থেকে বাঁচার দোয়া (১০ বার)
ফজরের পর কারও সঙ্গে কথা বলার আগে নিজের জায়গায় বসে এই দোয়াটি ১০ বার পড়ুন: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ইয়ুহয়ি ওয়াইয়ু মিতু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।
ফজিলত: ১০টি নেকি লাভ, ১০টি গুনাহ মাফ, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি এবং সারা দিন শয়তান ও অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা।
৩. জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া (৭ বার)
ফজর ও মাগরিবের পর এই দোয়াটি ৭ বার পড়ুন: اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করুন। (আবু দাউদ)
৪. বরকতময় জীবনের প্রার্থনা
রাসুলুল্লাহ (সা.) ফজরের পর এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের জন্য দোয়া করতেন: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিয়া, ওয়া রিজকান তায়্যিবা, ওয়া আমালাম মুতাকাব্বালা।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি। (ইবনে মাজাহ)
৫. শত্রুর মোকাবিলায় সাহায্য প্রার্থনা
যেকোনো বাধা বা শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে এই দোয়াটি পাঠ করুন: اللَّهمَّ بِكَ أُحَاوِلُ، وَبِكَ أَصَاوِلُ، وَبِكَ أَقَاتِلُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বিকা উহাবিলু, ওয়াবিকা উসাবিলু, ওয়াবিকা উকাতিলু।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনার সাহায্যেই আমি চেষ্টা করি, আপনার সাহায্যেই আক্রমণ প্রতিহত করি এবং আপনার সাহায্যেই লড়াই করি।