বিপর্যয়কর ও বিভীষিকাময় এক পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও থানাগুলোতে পুলিশি সেবা এবং নানা ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযানে দেখা যাচ্ছে গতিশীলতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সেবার মানসিকতা নিয়ে পথেঘাটে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখছেন সাধারণ মানুষ। এতে করে জনমনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে। অন্যদিকে জনবান্ধব বা মানবিক পুলিশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সংস্কারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও প্রতিদিনই নানা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করে ও সাধারণ মানুষসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশ বাহিনীর কাঠামো অনেকটাই ভেঙে পড়ে। সেখান থেকে এখন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত এই বাহিনীর সদস্যদের মনোবলও আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়েও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা তথা ‘চেইন অব কমান্ড’-এর ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পদক্ষেপ লক্ষ করা যাচ্ছে বলেও মনে করেন তারা।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম খবরের কাগজকে বলেন, ‘সরকার পতনের পর পুলিশে বড় ধরনের বিপর্যয় হয়েছে। পুলিশকে আবারও ঢেলে সাজানো হয়েছে। আমরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে একজন কনস্টেবল পর্যন্ত যোগাযোগ বাড়িয়েছি। তাদের শতভাগ পেশাদারত্ব নিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন রাস্তা থেকে শুরু করে থানাসহ সব জায়গাতেই শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। মানুষ এখন সেবাও পাচ্ছেন।’
আইজিপি বলেন, ‘থানাকে চাঙা করতে হবে, জাগিয়ে তুলতে হবে। সে জন্য প্রতিটি থানায় নাগরিক কমিটি বা সিটিজেন ফোরাম গঠন করা হয়েছে। সেখানে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, রাজনীতিবিদসহ অনেকেই কাজ করছেন। আমরা চেষ্টা করছি।’
বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আবদুল কাইয়ুম খবরের কাগজকে বলেন, পুলিশ আগের চেয়ে ভালো করছে। তবে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে একটু সময় লাগবে। কারণ সরকার পতনের পর পুলিশের মনোবল একেবারে ভেঙে পড়েছিল, তারা ট্রমার মধ্যে ছিল। তিনি বলেন, দুষ্টরা পালিয়ে গেছেন, কিছু গ্রেপ্তারও হয়েছেন। আবার চাকরি যাওয়ার আতঙ্ক আছে অনেকের মধ্যে। তবে এখন ভালোর দিকে যাচ্ছে। পুলিশ বাহিনী সঠিক নেতৃত্বের হাতে আছে।
সড়কে বাড়ছে শৃঙ্খলা, চেষ্টা করছে পুলিশ
গত সপ্তাহের একদিন বেলা দেড়টার দিকে ধানমন্ডির রাসেল স্কয়ার মোড়ে অপেক্ষমাণ রিকশাচালক মো. সাজুর (৪৫) সঙ্গে কথা হয়। জীবিকার প্রয়োজনে এক হাত দিয়ে কষ্ট করে রিকশা চালান তিনি। জামালপুর সদরের নান্দিনা গ্রামের বাসিন্দা সাজু থাকেন ঢাকার ফার্মগেট এলাকায়। সাজু বলেন, ‘নারকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে বাম হাতটি বগলের অংশ থেকেই চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি। এরপর সংসারের ঘানি টানতে ১৫ বছর ধরে এক হাত দিয়েই ঢাকার অলিগলিতে রিকশা চালাচ্ছি। পঙ্গু হওয়া সত্ত্বেও আগে রিকশা চালানোর সময় বিভিন্ন সড়কের মোড়ে পুলিশ বা আনসার সদস্যদের টাকা দিতে হতো। টাকা ছাড়া চাকা ঘোরাতে দিত না। এখন অবশ্য সেই চিত্র আর নাই। কেউ কিছু বলে না। পুলিশও এখন আর টাকা চায় না, বরং সহযোগিতা করে।’
এ সময় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরসংলগ্ন এই মোড়ে মিরপুর-নিউ মার্কেট সড়কে যানবাহনের মোটামুটি চাপ দেখা যায়। সেখানে মোড়ের ওপর দাঁড়িয়ে যানজট নিরসনের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের এএসআই হাফিজুর রহমান। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়কে আগের চেয়ে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
একই দিন বেলা ২টায় পান্থপথ-গ্রিন রোড সিগন্যালে অবস্থানকালে দেখা যায় ভিন্ন রকম চিত্র। এখানে চৌরাস্তার মুখগুলোতে চারজন পুলিশ সদস্য দাঁড়িয়ে দুই হাত বাড়িয়ে সিগন্যাল বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু অধিকাংশ মোটরবাইক, রিকশা ও একশ্রেণির প্রাইভেট কারচালক বেশ বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ‘সিগন্যালের ধার ধারি না’ এমনই মনোভাব ছিল তাদের। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আবার একশ্রেণির পথচারী হুটহাট করে রাস্তা পারাপার হচ্ছিলেন। ঢাকা মেট্রো গ-৩৪-৪১৪২ নম্বরের একটি টয়োটা প্রিমিও কার এবং ঢাকা মেট্রো হ ৪০-৮২৮০ নম্বরের একটি স্কুটি বাইকসহ কয়েকটি যানবাহন সিগন্যালের সীমা অতিক্রম করে সড়কের মোড়ের প্রায় অর্ধেক পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানেও অবশ্য ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম তাদের যেকোনো উপায়ে আটকে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।
সেখানে স্বল্প আলাপে কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘সবই তো দেখছেন। মানুষ কেন জানি আইন মানতে চায় না। আমরাও আর সেভাবে জোর করি না। জনগণ আইন মানলে ট্রাফিক পরিস্থিতির স্বাভাবিকভাবেই অনেক উন্নতি হবে।’
এদিন বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার মোড়েও প্রায় একই চিত্র লক্ষ করা যায়। যেখানে ট্রাফিক পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টাও লক্ষ করা যায়। কিন্তু এখানেও অনেক পথচারী ও যানবাহনের চালক ট্রাফিক আইন অমান্য করে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করছিলেন।
এ সময় সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য আবদুল হালিম খবরের কাগজকে বলেন, ‘সড়কের শৃঙ্খলা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে চালকদের মধ্যে খুব অসহনশীলতা দেখা যাচ্ছে। চালকদের ধৈর্য খুব কম। এগুলো আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি।’
যানজট কমাতে সড়কে ব্যারিকেড
সেদিন দুপুরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তেজগাঁও, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর ও বেইলি রোড ঘুরে দেখা যায়, আগের চেয়ে এসব এলাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফিরেছে। রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে যানজট নিরসনে পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ। এর অংশ হিসেবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও তেজগাঁও লাভ রোডে ছিল ‘ডাইভারশন’।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে (আড়ংয়ের মোড়) দেওয়া হয়েছিল ব্যারিকেড। দেখলে মনে হবে রাস্তা বন্ধ। এখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট রাসেল। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘যানজট নিরসনে শ্যামলী রোড হয়ে আসা মিরপুর রোডের কলাবাগান ও নিউ মার্কেটগামী যানবাহগুলোকে ইউটার্ন নিতে বলা হচ্ছে। যানজট কমানোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই সড়কে রিকশার চলাচল নিষেধ থাকলেও অনেক সময় আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা সড়কে ঢুকে পড়ছে। তবে এ বিষয়ে আমরাও কঠোর হয়েছি। যেকোনো মূল্যে সড়কে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কাজ করে যাচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।’
এই সড়কে মোটরসাইকেলচালক আরফান খবরের কাগজকে বলেন, ‘ব্যারিকেড দেওয়ার আগে এই সড়কে ভয়াবহ যানজট লেগে থাকত। একটি সিগন্যাল পার হতে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যেত। এখন ইউটার্ন নেওয়ার কারণে যানজট কমেছে।’
থানায় মিলছে আন্তরিক সেবা
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন পাল্টে গেছে ঢাকার অধিকাংশ থানার পুলিশের আচরণ ও কর্মকাণ্ড। এখন থানায় মানুষ সেবা পাচ্ছেন বলেও জানা গেছে। সম্প্রতি একদিন আদাবর থানায় গেলে সেখানে জিডি করতে আসা শাহীনের সঙ্গে কথা হয়। শাহীন খবরের কাগজকে বলেন, ‘কয়েক দিন আগে রাতে গ্যারেজ থেকে আমার দুটি অটোরিকশা চুরি হয়েছে। থানায় এসেছি ডিজি করতে। জিডি করেছি। পুলিশ যথেষ্ট আন্তরিকতা দেখিয়েছে। থানায় পুলিশের সেবার মান বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে।’
আদাবর থানার ডিউটি অফিসার এসআই ইব্রাহিম খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমাদের এই থানায় দিনে ২০টির মতো জিডি হয়। তবে মামলা তেমন নেই বললেই চলে। আগের চেয়ে অপরাধ কিছুটা হলেও কমেছে। এ কারণে মামলা-জিডিও কম।’
৫ আগস্টের প্রেক্ষাপটে ঢাকার সবচেয়ে অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে মোহাম্মদপুরের নাম এসেছিল। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং, ছিনতাইকারী, ডাকাতি ও মাদকের কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল, যা ওই সময় খুবই আলোচনায় ছিল। তবে যৌথ বাহিনীর অভিযান ও থানা-পুলিশের তৎপরতায় সেই মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় এখন অপরাধ আগের চেয়ে অনেকটা কমেছে বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ।
সম্প্রতি মোহাম্মদপুর থানায় গিয়েও দেখা গেছে, ডিউটি অফিসার একজন সেবাপ্রার্থীকে আন্তরিকতার সঙ্গে আইনি বিষয়ে সহযোগিতা করছিলেন। পুলিশি সেবা নেওয়া মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা ইসমাইল খবরের কাগজকে বলেন, ‘বুধবার রাতে বাসে চলাচলের সময় আমার মোবাইল ফোন চুরি হয়। কীভাবে চুরি হয়েছে বুঝতে পারিনি। তাই থানায় এসে জিডি করলাম। থানা থেকেও আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি। ভালো লাগছে।’
এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী ইফতেখার হাসান খবরের কাগজকে বলেন, ‘মোহাম্মদপুরে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ঘটনায় সরকার পতনের আগে ও পরে গড়ে শতাধিক মামলা হতো। এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় কমেছে মামলার সংখ্যা।’ তিনি বলেন, ‘পুলিশ শক্ত হাতে অপরাধ দমনে সচেষ্ট হওয়ায় মোহাম্মদপুরে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও কিশোর অপরাধ কমে এসেছে। এখন মাসে গড়ে এই থানায় মামলা হয় ৭০ থেকে ৭৫টি। এ ছাড়া কোর্ট থেকে এখন মামলা আসে না বললেই চলে। থানায় কেউ মামলা করতে এলে আমরা কাউকে ফেরাই না। পুলিশ জনগণের সেবক। সেভাবে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
যে সংকটের মাঝে কাজ শুরু করেছে পুলিশ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়টায় অন্যান্য এলাকার তুলনায় রাজধানী ঢাকা ছিল সবচেয়ে বেশি উত্তাল-অগ্নিগর্ভ। এ ছাড়া সরকার পতনের পর থানাগুলোতে আগুন দিয়ে মামলার নথি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গাড়িতে আগুন, আসবাবপত্র ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র-গোলাবারুদ লুটসহ সব মিলিয়ে পুলিশে নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়। এই অবস্থার মধ্যে থেকে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ নেন। ওই প্রেক্ষাপটে প্রথম অবস্থায় পুলিশ টহলেও বের হতো না। থানায় বসার মতো চেয়ার-টেবিল ছিল না। আসবাবপত্র, কম্পিউটারসহ সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হয়। সেখান থেকে বর্তমানে পুলিশের কর্মকাণ্ডে অনেক উন্নতি হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকালে হতাহত পুলিশ
পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ বিভাগের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা কামরুল আহসান খবরের কাগজকে জানান, গত জুলাই ও আগস্টের আন্দোলনকালে বাংলাদেশ পুলিশের ৪৪ জন সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন ২ হাজার ৪৬৬ জন পুলিশ সদস্য, যাদের মধ্যে ৪৮২ জনের অবস্থা গুরুতর।
পুলিশকে জনবান্ধব করতে চলছে প্রচেষ্টা
সম্প্রতি ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) এক অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, নগরবাসীর জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যরা নগরবাসীকে নতুন করে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
একই দিন রাজধানীর বাড্ডায় পুলিশ, ছাত্র-জনতা ও স্থানীয় নাগরিকদের সমন্বয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, ‘আমাদের কাজের মাধ্যমে পুলিশকে মানুষের আস্থার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। আমরা আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে চাই। আপনারা যেকোনো প্রয়োজনে আসবেন, আমরা সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’