ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইজারল্যান্ডকে রুখে দিল কাতার ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান
Nagad desktop

নাহিদ রানা: রূপকথাও হার মেনেছে যেখানে

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৪, ১০:২১ এএম
নাহিদ রানা: রূপকথাও হার মেনেছে যেখানে
ছবি :মামুন হোসেন

রূপকথার গল্পে অনেক নায়ক থাকেন। স্বপ্নের ডানা মেলে ইচ্ছেমতো সেই নায়কের বীরত্ব গাঁথা লেখা হয়ে থাকে। কিন্তু বাস্তবের নাহিদ রানার কাছে যেন সেই রূপকথার গল্পের নায়কও হার মেনেছে! কি বিস্ময়কর উত্থান? বয়স মাত্র ২১। তবে প্রথম বল হাতে তুলে নিয়েছেন ২০২১ সালে ১৮ বছর বয়সে। মাত্র ৩ বছরেই খুলে গেছে জাতীয় দলের দরজা। তাও অভিজাত টেস্ট ক্রিকেটে। খেলেননি কোনো বয়সভিত্তিক দলে। ঘরোয়া ক্রিকেটে হইচই করার মতো এমন কোনো সাফল্য নেই, যা তাকে নিয়ে আসবে লাইমলাইটে। শুধুমাত্র গতি দিয়েই জাতীয় দলে প্রবেশ করে নাহিদ রানা রূপকথাকেও হার মানিয়েছেন।

এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন, যাদের জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে কতো পরিশ্রম করতে হয়েছে। পারফর্ম করার পরও দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারেন জাকের আলী। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেছেন। ২২ গজে ফিনিশারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ভালো করে গেছেন নিয়মিত। উইকেটের পেছনেও গ্লাভস পরে নিয়মিত সাফল্য পেয়েছেন। জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা তার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু তিনি ডাক পাচ্ছিলেন না। এ নিয়ে কানাঘুষা-সমালোচনাও চলতে থাকে। অবশেষে অনেক প্রতীক্ষার পর জাকের আলী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পান। তাও আলিস ইসলাম ইনজুরিতে পড়লে। সে তুলনায় নাহিদ রানার কাছে মনে হবে জাতীয় দলে খেলা কতো সহজ!

নাহিদ রানা যদি সে রকম কিছু মনে মনে ভেবেও থাকেন, তাহলে তার সে ভাবনাকেও ভুলও বলা যাবে না। জাতীয় দলে খেলার জন্য যে সব ধাপ পার হয়ে আসতে হয় নাহিদ রানাকে তার কোনো কিছুই করতে হয়নি! ১৮ বছর বয়সে ক্রিকেটে আনুষ্ঠানিক হাতেখড়ি  রাজশাহীর ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমিতে। এর আগ পর্যন্ত তিনি এসেছেন নিজ থেকেই।  টেনিস বল, টেপ টেনিস বল দিয়ে পাড়ায় খেলতেন। প্রথমে টেনিস বল হাতে বল করতে গিয়ে দেখেন বেশ জোরে হচ্ছে। তারপর সেই গতি আরও বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকেন। এভাবেই এগোতে থাকে তার ক্যারিয়ার। কিন্তু এ পর্যন্ত আসতে তিনি পরিবার থেকে প্রচণ্ড বাধার মুখে পড়েছিলেন। পারিবারিক শর্ত ছিল এসএসসি পাস করতে পারলে ক্রিকেট কোচিংয়ে ভর্তি করে দেওয়া হবে। খেলা পাগল নাহিদ রানা এসএসসি পাস করার পর পরিবার থেকে তাকে ক্লেমন একাডেমিতে ভর্তি করে দেওয়া হয়। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শুধুই সামনে এগিয়ে চলা, নিজেকে মেলে ধরা।

ক্লেমন একাডেমিতে ভর্তি হওয়ার পর জাতীয় দলের সাবেক পেসার রাজশাহীর আরেক সন্তান আলমগীর কবীরের নজরে পড়েন চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই তরুণ। নজরে আসেন জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তরও। তারাই তাকে বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ করে দেন। সেটি ছিল এনসিএল। সেই মৌসুমে তিনি দুটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। খুব একটা নজরে পড়েননি। কিন্তু পরের মৌসুমে তিনি ঝড় তোলেন। গতির সঙ্গে নেন উইকেটও। ৬ ম্যাচ খেলে তার ঝুলিতে জমা পড়েছিল আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ উইকেট। ব্যস, শুরু হয় দুরন্ত গতিতে পথ চলা। আর রুখে কে? ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট আসর বিপিএলে খুলনা টাইগার্সের হয়ে দুই ম্যাচ খেলে উইকেট দুটি নিলেও গতি দিয়ে তিনি লাইমলাইটে চলে আসেন। নজরে পড়েন সর্বত্র। যার ফলশ্রুতিতে তিনি এখন টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ১০৩তম ক্রিকেটার। এখানে প্রবেশ করার সময় তার নামের পাশে আছে ১৫টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৬৩টি উইকেট। সেরা বোলিং ইনিংসে ৬২ রানে ৫ উইকেট। ম্যাচে ১২৭ রানে ৯ উইকেট। লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছেন ৪টি। উইকেট নিয়েছেন ১০টি। আর টি-টোয়েন্টি ৫ ম্যাচ খেলে নামের পাশে উইকেট ৪টি।

ঘরোয়া আসরে নজরে পড়ার পর নাহিদ রানাকে এইচপি (হাইপারফরম্যান্স ইউনিট)তে ডাকা হয়। এ ছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ক্যাম্পে ছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নিতে পারেননি। কিন্তু জাতীয় দলের জন্য কোনো পরীক্ষা দিতে হয়নি। গতকাল তার মাথায় ক্যাপ পরিয়ে দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এ সময় তিনি তার কাছে দেশের জন্য ভালো কিছু প্রত্যাশা করার কথা বলেন।

টেস্ট ক্যাপ পরলেও তার বোলিং দেখার জন্য খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। কারণ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত টস জেতার পর বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলে নাহিদ রানার বোলিং দেখার জন্য সবাই উদগ্রীব হয়ে উঠেন। কারণ তিনি যে গতিময় বোলার তা সাধারণ ক্রীড়ামোদীরা জানতে পেরেছেন জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর। ১৪৯.৭০ গতিতে বোলিং করা নাহিদ রানার বোলিং দেখার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হওয়াটা স্বাভাবিকই। ইনিংসের নবম ওভারে বল হাতে তুলে নেওয়ার পর তিনি নিয়মিত ১৪০-এর ওপরে বোলিং করে গেছেন। শুরুতে নিজের গতি ধরে রাখতে পারলেও উইকেট নিয়ে কিন্তু সবার মন ভরাতে পারেননি নাহিদ রানা। তবে শেষ সেশনে তা পুষিয়ে দেন ৩ উইকেট নিয়ে। তার শিকারও ছিল বেশ মোটাসোটা। দুই সেঞ্চুরিয়ান কামিন্দু মেন্ডিস (১০২) ও  অধিনায়ক ধনঞ্জায়া ডি সিলভার (১০২) সঙ্গে প্রভাত জয়াসুরয়িার (১) উইকেট নিয়ে তার প্রতি সবার প্রত্যাশার মাঝে আনন্দের রেনু ছড়িয়ে দেন। প্রথম দুই সেশনে ৩ স্পেলে ৮ ওভার বোলিং করে ৫৮ রান দিয়ে উইকেট শূন্য ছিলেন। সেখানে চতুর্থ স্পেলে ৬ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। তার বোলিং ফিগার ছিল এমন, ১০-২-৮৭-৩।

দিনশেষে নাহিদ রানাকে নিয়ে পেস বোলিং কোচ আন্দ্রে অ্যাডামস করেছেন ভূয়সী প্রশংসা। তিনি বলেন, ‘সে প্রতিভাবান, দ্রুত গতিসম্পন্ন। তার প্রায় প্রতিটি বল ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে ছিল। তার বোলিং অ্যাকশনও সুন্দর। সে মাত্রই শুরু করেছে। সে ঠিক এতটাই কাঁচা। তার অনেক কিছু শেখার আছে। সে খুবই মেধাবী।’

ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ এএম
ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, যারা গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট। আর এই ম্যাচের জন্য শুরুর একাদশে এসেছে চমক।

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমগুলো মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে দানিলো, অ্যালেক্স সান্দ্রো ও ম্যাথিউস কুনহার নাম সামনে এনেছিল। তবে শুরুর একাদশে তাদের সুযোগ মেলেনি। ইবানিয়েজ, দগলাস সান্তোস ও ইগর থিয়াগোকে নিয়ে শুরুর একাদশ সাজিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ব্রাজিল একাদশ: অ্যালিসন বেকার (গোলরক্ষক), ইবানিয়েজ, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহায়েস, মার্কুইনহোস, দগলাস সান্তোস, কাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকুয়েতা, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ইগর থিয়াগো ও রাফিনিয়া।

মরক্কো একাদশ: ইয়াসিন বুনু (গোলরক্ষক), নুসাইর মাজরাউই, আশরাফ হাকিমি (অধিনায়ক), ইসা দিওপ, শাদি রিয়াদ, এল আইনাউই, আইয়ুব বুয়াদ্দি, উনাহি, ব্রাহিম দিয়াজ, সাইবারি ও বিলাল এল খানুস।

সালমান/

অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইজারল্যান্ডকে রুখে দিল কাতার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:০৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ এএম
অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইজারল্যান্ডকে রুখে দিল কাতার
ছবি: সংগৃহীত

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল কাতার। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের (৯৪) গোলে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে হার এড়াল এশিয়ার দেশটি। 

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১টায় গ্রুপ ‘বি’-এর ম্যাচে মুখোমুখি হয় তারা।

ম্যাচের ১৩ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর হেডে বল নিচে নামার পর সেটির দিকে দ্রুত ছুটে যান রেমো ফ্রয়লার। বলের কাছে পৌঁছালে কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা ফাউল করে বসেন তাকে। রেফারি তাৎক্ষণিকভাবে পেনাল্টির বাঁশি  বাজান এবং আবুনাদাকে হলুদ কার্ড দেখান। পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এমবোলো।

৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ এএম
৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরে অংশ নেওয়া একমাত্র দল ব্রাজিল। সর্বোচ্চ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আরও একটি রেকর্ড নিজেদের দখলে রেখেছে। সেটি হলো ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে নিজের উদ্বোধনী ম্যাচে হারের মুখ দেখেনি সেলেসাওরা।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ব্রাজিল হেরেছিল যুগোস্লাভিয়ার কাছে ২-১ গোলে, ১৯৩০ বিশ্বকাপে। প্রথম বিশ্বকাপের পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপেও নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারে তারা। ১৯৩৪ বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে ৩-১ গোলে হারে হলুদ জার্সিধারীরা।

স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের সেই হারের পর কেটে গেছে ৯২ বছর। এই সময়ে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে হারাতে পারেনি কেউ।

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আজকের ম্যাচে ব্রাজিল এই ধারবাহিকতা ধরে রাখতে পারবে? নাকি মরক্কো এখানেই থামিয়ে দেবে ব্রাজিলকে? সেটা সময়ই বলে দেবে।

সালমান/ 

নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:১৮ এএম
নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য
নেইমার। ছবি: সংগৃহীত

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে ব্রাজিল। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ‘নাম্বার টেন’ নেইমারকে ছাড়াই নামতে হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। এতে ভাঙতে যাচ্ছে তাদের ৪০ বছরের ঐতিহ্য।

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় শুরু হবে ম্যাচ।  

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো-এর তথ্য অনুযায়ী, চোটের কারণে উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে পারছেন না নেইমার। এর ফলে ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে ১০ নম্বর জার্সিধারী কোনো খেলোয়াড় থাকবে না। 

এর আগে, এমন ঘটনা ঘটেছিল ১৯৮৬ বিশ্বকাপে। তখন ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সিধারী ছিলেন কিংবদন্তি জিকো। স্পেনের বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে শারীরিক সমস্যার কারণে তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন না। ফলে সক্রেটিস অধিনায়কত্ব করেন এবং ব্রাজিল ১-০ গোলে জেতে।

সালমান/

পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:০০ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:১২ এএম
পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড
ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচের ১৩ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে তা থেকে গোল আদায় করে নেন ব্রিল এমবোলো। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে কাতার। 

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১টায় গ্রুপ ‘বি’-এর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সুইজারল্যান্ড ও কাতার।

ম্যাচের শুরুতেই দুদলের সামনেই সুযোগ এসেছিল। কিন্তু তারা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। ১৩ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর হেডে বল নিচে নামার পর সেটির দিকে দ্রুত ছুটে যান রেমো ফ্রয়লার। বলের কাছে পৌঁছালে কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা ফাউল করে বসেন তাকে। রেফারি তাৎক্ষণিকভাবে পেনাল্টির বাঁশি  বাজান এবং আবুনাদাকে হলুদ কার্ড দেখান। পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এমবোলো।

শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধের বাকিটা সময় আক্রমণাত্মক খেলে সুইজারল্যান্ড। যদিও আর কোনো গোলের দেখা পায়নি তারা। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইউরোপীয় দলটি।

সালমান/