গেল মৌসুমে লা লিগার শিরোপা ঘরে তুলেছিল বার্সেলোনা। তুমুল সম্ভাবনা জাগিয়েও সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়তে হয় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে। শেষ চারে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৬ ব্যবধানে হেরে বেজেছিল বিদায়ঘন্টা।
দ্বিতীয় লেগে ৪-৩ ব্যবধানে হারের ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে নাখোশ ছিলেন বার্সা ম্যানেজার হান্সি ফ্লিক। একাধিক সিদ্ধান্তে হয়েছিলেন ক্ষিপ্তও। এতদিন পর সেই আচরণের শাস্তি পেলেন তিনি। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ও ২০ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়েছে তাকে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২৮ লাখ টাকার বেশি।
তবে শাস্তি কেবল তিনি একাই পাননি। সমপরিমাণ অর্থ ও ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়েছেন ক্লাবটির সহকারী কোচ মার্কাস সর্গেরও। ক্লাবটির মাঠের দুই তারকা লামিনে ইয়ামাল ও রবার্ট লেভানডফস্কিকেও জরিমানা গুনতে হচ্ছে।
একইসঙ্গে সমর্থকদের লাগামহীন উদযাপনের কারণে আরও ৭৭৫০ ইউরো জরিমানা হয়েছে ব্লুগ্রানাদের। গতকাল (শুক্রবার) উয়েফা গভর্নিং বডির ডিসিপ্লিনারি কমিটি এই শাস্তির ঘোষণা দিয়েছে।
গত মে মাসে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ইন্টারের কাছে হারের ম্যাচে রেফারির বেশকিছু সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হন ফ্লিক। দেখান রেফারির সঙ্গে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও। একইভাবে ক্ষিপ্ত ছিলেন সহকারী কোচ মার্কাস সর্গ। সে কারণে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া এই দুই কোচ আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচে বার্সার ডাগআউটে দাঁড়াতে পারবেন না।
অ্যান্টি-ডোপিং কর্মকর্তার নির্দেশাবলী না মানায় একইসঙ্গে দুই তারকা লামিনে ইয়ামাল ও লেভান্ডফস্কি শাস্তি পেয়েছেন। দুজনেরই জরিমানা হয়েছে ৫ হাজার ইউরো করে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ লাখ টাকার কিছু বেশি।
সমর্থকদের অতি উদযাপনের কারণে জরিমানা হয়েছে বার্সেলোনার। ২ হাজার ৫০০ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে আতশবাজি পোড়ানোয় আর সমর্থকরা বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করায় ৫ হাজার ২৫০ ইউরো জরিমানা হয়েছে। সবমিলিয়ে দর্শকদের আচরণে স্প্যানিশ ক্লাবটিকে ৭৭৫০ ইউরো বা প্রায় ১১ লাখ টাকা গুনতে হচ্ছে।
দর্শকদের ঘটনায় জরিমানা হয়েছে ইন্টার মিলানেরও। ক্লাবটির সমর্থকরা জনসাধারণের চলার পথে বাধা সৃষ্টি করায় ২২ হাজার ইউরো এবং আতশবাজি পোড়ানোয় আরও ১১ হাজার ৫০০ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে তাদের গুনতে হবে প্রায় সাড়ে ৪৭ লাখ টাকা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজির কাছে ৫-০ গোলে হেরেছিল ইন্টার।
নিলয়/