পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে অভিষেক শর্মা ও অধিনায়ক শুভমান গিলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭২ রান। তখন মনে হচ্ছিল দুশো ছাড়িয়ে যাবে ভারতের দলীয় সংগ্রহ। কিন্তু মাঝের ওভারে ভারতের রানের লাগাম টেনে ধরে বাংলাদেশের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে ভারত।
জয় পেতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য এখন ১৬৯ রান। চলমান এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচও হারেনি ভারত। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই রান তাড়া করা টাইগাররা তাই একটু হলেও স্বপ্ন দেখতে এই রান চেজ করে ম্যাচ জেতার।
ম্যাচের শুরুর ৩ ওভারে ১৭ রান তুললেও পরের ৩ ওভারে অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিল চার-ছয়ের ঝড় তুলে দলের পাওয়াড় প্লেতে দলীয় সংগ্রহ নিয়ে যান ৭২ রানে। প্রথম উইকেটের পতন হয় দলীয় ৮৩ রানে রিশাদের বলে শুভমান গিল বাউন্ডারে তানজিম হাসান সাকিবের হাতে ক্যাচ দিলে।
তিনে নামা শিভম দুবেও ফিরে যান সাজঘরের রিশাদের বলেই। এরপরও বড় শট খেলার প্রচেষ্টায় থাকেন অভিষেক শর্মা। কিন্তু বিপত্তি বাধে ১২তম ওভারে। দুই উইকেটের পতন হয় নিয়ে মোস্তাফিজের ওভারে। রানআউটে ফেরেন ৩৭ বলে ৭৫ রানের দানবীয় ইনিংস খেলা অভিষেক। রিভিউ নিয়ে ফেরান সূর্যকুমার যাদবকে। ১২ ওভার শেষে ১১৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা খেই হারায় ভারত।
পরের ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান খরচ করে বাংলাদেশ। দারুণ বোলিংয়ে ভারতের রানের চাকার গতি মন্থর করে দেন রিশাদ, নাসুম ও তানজিম। এসময় একটি উইকেট শিকার করেন তানজিম।
পরের ৪ ওভারে মাত্র ৪টি চার মারেন ভারতের ব্যাটাররা। এতেই স্পষ্ট যে কতটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ভারতকে আটকে রেখেছে বাংলাদেশের বোলাররা। ইনিংসের শেষ ওভার করতে এসে আগে দুই ওভারে বেধড়ক পিটুনি খাওয়া সাইফউদ্দিন খরচ করেন মাত্র ৪ রান। শেষ বলে আউট করেন হার্দিক পান্ডিয়াকে। ফলে ১৬৮ রানেই থেমে যায় দুশোর অধিক করার সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলা ভারত।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট পেয়েছেন রিশাদ হোসেন। সমান ১টি করে উইকেট পেয়েছেন তানজিম, সাইফউদ্দিন ও মোস্তাফিজ।