ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর অবসর ভাবনায় কর্তোয়া ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার কাতারের সামনে সুইজারল্যান্ড চ্যালেঞ্জ লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
Nagad desktop

৭ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে বিদায় বাংলাদেশের

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৫৪ পিএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৫, ১১:২০ পিএম
৭ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে বিদায় বাংলাদেশের
ছবি : সংগৃহীত

আবারও তীরে এসে ডুবল তরী। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে জেতার পথে থাকা ম্যাচের শেষদিকে ৭ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ রানের পরাজয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো বাংলাদেশ নারী দলের। এই ৭ বলে বাংলাদেশের বোর্ডে রান যোগ হয়েছে মাত্র ১।

পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করা বাংলাদেশ নারী দল হারল টানা পঞ্চম ম্যাচ। এরমধ্যে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও তৃতীয় হারের তিক্ত স্বাদ পেল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আম্পায়ারের ভুল কপাল পুড়িয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাজে ফিল্ডিংয়ে হারের পর সেমিফাইনালের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখার ম্যাচে আকস্মিক ধসে ৭ রানে পরাজিত সরোয়ার ইমরান শীষ্যরা। ফলে নিশ্চিত হয়ে গেছে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দারুণ বোলিংয়ে ২০২ রানে শ্রীলঙ্কার মেয়েদের আটকে রাখার পর পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে ১৯৫ রান পর্যন্ত যেতে পেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নামা লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ৪৪ রানে হারিয়ে বসে ৩ উইকেট। যার শুরুটা হয়েছিল দলীয় ২ রানে রুবিয়া হায়দারের বিদায়ে। এরপর দলীয় ২৪ রানে রানআউট হন ফারজানা হক (৭)। সোবহানা মোস্তারিও ব্যর্থ হন দায়িত্ব নিতে। মাত্র ৮ রানে ফেরেন সাজঘরে।

দ্রুত ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশের হাল ধরেন তিনে নামা শারমিন আক্তার ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ৮২ রানের জুটি গড়ীন এই দুই ব্যাটার। দলীয় ১২৬ রানে শারমিন আক্তার ব্যক্তিগত ৬৪ রানে চোট পেয়ে ছাড়েন মাঠ। সেটাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশ নারী দলের জন্য। জয়ের জন্য তখন দরকার ছিল ৮৭ বলে ৭৭ রান।

অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি রানের গতি ধরে রাখলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি বাকি সতীর্থরা। স্বর্ণার সঙ্গে ৫০ রানের জুটিতে ম্যাচ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। ২৯ বলে ২৭ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের জয়ের। এরপরও সেই ম্যাচ জেতা হয়নি।

শেষ ১২ বলে যখন জয়ের জন্য দরকার ১২ রান। প্রথম বল ডট দেন রিতু মনি। পরের বলে নেন একটি সিঙ্গেল। তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নেন নিগারও। চতুর্থ বলে রিতু বোল্ড হয়ে যান। পঞ্চম বল ডট দিয়ে ওভারের শেষ বলে ১ রান নেন রাবেয়া।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ৯। বোলিং করতে আসেন লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু। টানা ৪ বলে তুলে নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় উইকেটটি নাহিদা হন রানআউট। প্রথম বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন রাবেয়া। তৃতীয় বলে আশার প্রতীক হয়ে থাকা নিগার বড় শট খেলে ক্যাচ দেন সিল্ভার হাতে। ৭৭ রান করেও তিনি পারেননি দলকে জেতাতে। আবারও লেগ বিফোরে উইকেট পান প্রতিপক্ষের অধিনায়ক আতাপাত্তু। এবার শিকার নাহিদা। পঞ্চম বলে বাউন্ডারির কাছাকাছি উড়িয়ে মেরেও কেবল ১ রান পান নিশিতা। 

শেষ বলে দরকার ৮ রানের। চোট নিয়েও মাঠে ফেরা শারমিন শেষ বলে ব্যাটের সঙ্গে বলের সংযোগ ঘটাতে পারেননি। বাংলাদেশ পরাজিত হয় ৭ রানে। টানা ৫ পরাজয়ে নিশ্চিত হয়ে যায় বিদায়। শারমিন অপরাজিত ছিলেন ৬৪ রানে। ৯ উইকেটে বাংলাদেশ করতে সমর্থ হয় ১৯৫ রান।

চামারি আতাপাত্তু শিকার করেছেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। দুটি পেয়েছেন সুগন্ধিকা ও ১ উইকেট পেয়েছেন উদেশিকা। ৮৫ রান করে ম্যাচসেরা হাসিনি পেরেরা।

নিলয়/

অবসর ভাবনায় কর্তোয়া

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ এএম
অবসর ভাবনায় কর্তোয়া
থিবো কর্তোয়া। ছবি: সংগৃহীত

সিয়াটলে বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ শিবিরে চলছে মিশরের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতি। এর মাঝেই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ মুখগুলোর একজন, থিবো কর্তোয়া ভাবিয়ে তুললেন বেলজিয়ান ফুটবল সমর্থকদের। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপই হতে পারে জাতীয় দলের জার্সিতে তার শেষ বড় টুর্নামেন্ট।

২০১১ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হওয়া কর্তোয়া এখন বেলজিয়ামের অন্যতম নির্ভরতার নাম। ১০৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই গোলরক্ষক কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে স্বীকার করেছেন, নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় হয়তো চলে এসেছে, ‘এখনই ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা উচিত কি না জানি না, তবে এই টুর্নামেন্টের পর আমি জাতীয় দলে না থাকার সম্ভাবনাই বেশি, থাকার সম্ভাবনার চেয়ে। আমি এখনো আরও কয়েক বছর খেলতে চাই। কিন্তু তখন নিজের শরীরেরও যত্ন নিতে হয়। আমার পরিবার এখানে এসেছে, কারণ এটি আমার শেষ টুর্নামেন্টও হতে পারে।’

তবে অবসরের সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত নয় বলেও জানিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই গোলরক্ষক। বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স এবং ড্রেসিংরুমের পরিবেশ তার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে, ‘যদি আমাদের বিশ্বকাপ ভালো যায়, আর যদি দলের ভেতরের ইতিবাচক পরিবেশটা বজায় থাকে। এর পর আমাকে কোচ, (টেকনিক্যাল ডিরেক্টর) ভিনসেন্ট মানার্ট এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে হবে।’

কর্তোয়ার ভাবনায় পরিবর্তন আনার পেছনে ভূমিকা রেখেছে সাম্প্রতিক কয়েকটি মৌসুমও। সাবেক কোচ ডোমেনিকো তেদেস্কোর সময়ে কিছু আন্তর্জাতিক বিরতিতে না খেলেও চলত তার। সেই অভিজ্ঞতা তাকে উপলব্ধি করিয়েছে বিশ্রামের গুরুত্ব, ‘আমি লক্ষ্য করেছি, ওই আন্তর্জাতিক বিরতিগুলোতে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়া যায় এবং জিমে শান্তভাবে কাজ করা যায়। এ ছাড়া গত দেড় বছরে আমার বেশ কিছু ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা ও চোট হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আপনি ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি ভাবতে শুরু করেন। আমি দায়িত্ব নতুনদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছি। সেনে (ল্যামার্স) এবং মাইক (পেন্ডার্স)-এর মতো অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসছে।’

ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে শরীরের সঙ্গে সমঝোতা করেই এগোতে হচ্ছে কর্তোয়াকে। গত বসন্তে চোট কাটিয়ে ফেরার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে, বিশেষ করে কোয়াড্রিসেপসের চোট তাকে বেশ ভুগিয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে উজাড় করে দিতে প্রস্তুত বেলজিয়ান গোলরক্ষক, ‘হ্যাঁ, আমি খুবই ক্ষুধার্ত (সফল হওয়ার জন্য), দলের অন্য সবার মতোই। আমি খুব ভালো অনুভব করছি এবং ম্যাচটির জন্য মুখিয়ে আছি। বসন্তে ফেরার জন্য আমি খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি। চোটটা দুর্ভাগ্যজনক ছিল। কারণ তখন আমি নিজেকে প্রায় অপরাজেয় মনে করছিলাম। কিন্তু এখন আমি আমার মান ধরে রাখতে এবং মনোযোগ ধরে রাখতে প্রস্তুত।’

আগামী বৃহস্পতিবার বেলজিয়াম তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ‘জি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ইরান ও নিউজিল্যান্ড।

ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৩ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ এএম
ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার
গোলের পর উদ্‌যাপনে কাইল লারিন। ছবি: সংগৃহীত

ঘরের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জয় দিয়ে রাঙাতে পারল না কানাডা। বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে কাইল লারিনের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।

ড্রয়ের সুবাদে এই প্রথম কোনো বিশ্বকাপে পয়েন্ট পেল কানাডা। এর আগে, ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬ ম্যাচ খেলে ৬টিতেই হেরেছিল তারা। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে ড্রয়ের মধ্য দিয়ে নিজদের পয়েন্টের খাতা খুলল তারা।

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার দিকে কানাডার টরেন্টোর বিএমও ফিল্ডে প্রথমবারের মতো একে অপরের মুখোমুখি হয় দুই দল।  

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে কানাডা। ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোলের সুযোগ আসে তাদের সামনে। কিন্তু জোনাথান ডেভিডের সেই সুযোগ হাতছাড়ার খেসারত দিতে হয় গোল হজমের মধ্য দিয়ে। 

তিন মিনিট পরেই ম্যাচের ২১ মিনিটে বসনিয়াকে গোলের আনন্দে ভাসান জোভো লুকিচ। ডান দিক থেকে ইভান বেসিকের নেওয়া কর্নারটি নিয়ার-পোস্টে পেয়ে ফ্লিক করে লুকিচের দিকে বাড়িয়ে দেন সিয়াদ কোলাসিনাচ। সেখান থেকে হেডে কানাডার জাল কাঁপান বসনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বসনিয়া। 

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে কানাডা। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে আসে সুযোগ। বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলাকে পরাস্ত করেন জোনাথন ডেভিড। কিন্তু তার নেওয়া শট গোললাইনে ঠেকিয়ে দেন কোলাসিনাচ। তার পায়ে লেগে বলটি বারপোস্টে লেগে ফিরে যায়। এতে বিপদমুক্ত হয় বসনিয়া। 

বসনিয়ার সামনেও সুযোগ ছিল লিড বাড়ানোর। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে কানাডার ভুলে ডি-বক্সের কাছে বল পেয়ে যান এরমেদিন দেমিরোভিচ। কিন্তু কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপিউকে একা পেয়েও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন তিনি। 

অন্যদিকে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণভাগে একাধিক পরিবর্তন আনেন কানাডার কোচ জেসি মার্শ। এর ফল পাওয়া যায় ৭৯ মিনিটে। বদলি মাঠে নামা কাইল লারিনের কোনাকুনি শট বসনিয়ার ডিফেন্ডারের শরীরে লেগে জালে জড়ায়। এতে পুরো স্টেডিয়াম ফেটে পড়ে উল্লাসে। মাঠে নামার মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যেই কানাডাকে খেলায় ফেরান লারিন। 

ম্যাচের বাকি সময় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণেও কোনো গোলের দেখা পায়নি দুই দল। এতে ১-১ গোলে ড্রয়ের মধ্য দিয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

সালমান/

লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:০৭ এএম
লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে কানাডা এবং বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। প্রথম দেখায় স্বাগতিকরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। জোভো লুকিচের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে বসনিয়া। 

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার দিকে কানাডার টরেন্টোর বিএমও ফিল্ডে গড়ায় ম্যাচটি। 

ম্যাচের শুরু থেকেই বসনিয়াকে চেপে ধরে কানাডা। ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করে তারা। তানি ওলুয়াসেয়ির পাস থেকে পাওয়া বল পেনাল্টি বক্সের কাছে ফাঁকায় পান জোনাথান ডেভিড। সেখান থেকে তার নেওয়া জোরালো শটটি রুখে দেন বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলজ। 

গোলবঞ্চিত হওয়ার তিন মিনিট পর ২১ মিনিটে গোল হজম করে কানাডা। ডান দিক থেকে ইভান বেসিকের নেওয়া কর্নারটি নিয়ার-পোস্টে পেয়ে ফ্লিক করে জোভো লুকিচের দিকে বাড়িয়ে দেন সিয়াদ কোলাসিনাচ। সেখান থেকে হেডে গোল আদায় করে নেন বসনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। 

এতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বসনিয়া। 

সালমান/

কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:২৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:২৬ এএম
কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। মেক্সিকোর পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজন হলো কানাডায়। দেশটিতে বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেব। 

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে কানাডার টরেন্টোতে আয়োজিত জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সবচেয়ে আলোচিত ছিল বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি, ফ্রেঞ্চ হিপ-হপ শিল্পী ভেগেড্রিম এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেবের যৌথ পরিবেশনা। 

সঞ্জয়ের পারফরম্যান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি দেশের ফুটবল সমর্থকদের মধ্যেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতেই কানাডার প্রথম অধিবাসী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। আদিবাসী বংশোদ্ভূত কানাডীয় সংগীতশিল্পী উইলিয়াম প্রিন্স ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে দেশের প্রথম অধিবাসীদের ঐতিহ্য তুলে ধরেন। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহি বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘সির সির’ পরিবেশন করেন। এরপর মঞ্চে জেসি রেয়েজ ও এলিয়ান্নার ‘ইলুমিনেট’ গান পরিবেশিত হয়।

এছাড়া বিশ্বখ্যাত তারকা মাইকেল বুবল, অ্যালানিস মরিসেট, অ্যালিসিয়া কারা, উইলিয়াম প্রিন্স ও ইলিয়েনার পরিবেশনাও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

সালমান/

প্রেরণার নাম ম্যাকগিন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:০০ এএম
প্রেরণার নাম ম্যাকগিন
জন ম্যাকগিন। ছবি: সংগৃহীত

মূলত আধুনিক ফুটবল অবকাঠামো, দলীয় প্রচেষ্টা ও বাছাই পর্বের শেষ দিকে ভাগ্যের ছোঁয়ায় প্রায় তিন দশক পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে এসেছে স্কটল্যান্ড। দলটিতে সেই অর্থে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় মাপের কোনো ফুটবলার নেই। কোচ স্টিভ ক্লার্কের ভরসা মিডফিল্ডে জন ম্যাকগিন ও স্কট ম্যাকটমিনের অভিজ্ঞতা। ডিফেন্স ও স্ট্রাইকিংয়ের মধ্যে মেলবন্ধন গড়ে দিতে পারেন দীর্ঘদিন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলা ম্যাকগিন এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও নাপোলির হয়ে খেলা ম্যাকটমিনে। ৩১ বছর বয়সী ম্যাকগিন ভিলার জার্সিতে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন। ২০১৮ থেকে খেলেছেন ২৭৩ ম্যাচ। সেখানে ২৮ গোল প্রমাণ করে প্রয়োজনে তিনি কতটা অ্যাটাকিং। ২০১৬ থেকে প্রায় এক দশক স্কটল্যান্ড জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। ৮৬ ম্যাচে করেছেন ২০ গোল। 

একসময় জন ম্যাকগিন নিজেও বিশ্বাস করতেন না যে, তিনি কোনোদিন স্কটল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপাবেন। বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। অথচ আজ তিনিই স্কটিশ ফুটবলের অন্যতম নির্ভরতার প্রতীক, সমর্থকদের হৃদয়ের নায়ক এবং দলের অনুপ্রেরণার উৎস। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা স্কটল্যান্ডের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও আত্মবিশ্বাসের গল্পে ম্যাকগিন যেন এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে স্কটল্যান্ডের হয়ে খেলতে পারব, বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করব।’ ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলছিলেন তিনি।  

অন্যদিকে স্কট ম্যাকটমিনের জন্ম-বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডে। ইপিএলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলোয়াড় রেড ডেভিলদের হয়ে খেলেছেন লম্বা সময়। ১৭৮ ম্যাচে করেছেন ১৯ গোল। এরপর ২০২৪ থেকে আছেন ইতালিয়ান সিরি-আ’র ক্লাব নাপোলিতে। ৬৭ ম্যাচ খেলে করেছেন ২২ গোল। তবে বাবার সূত্রে স্কটল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খেলাটাই বেছে নিয়েছেন ২০১৮ সালে। তখন থেকেই দেশটির ফুটবলে অন্যতম বড় মুখ তিনি। ৭০ ম্যাচে করেছেন ১৫ গোল।