জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ কে হচ্ছেন, সেই আলোচনা এবার নতুন মোড় পেল। হামজা চৌধুরী, জামাল ভঁইয়াদের গুরু হিসেবে ক্রিস কোলম্যানকে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রেখেছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্মকর্তারা।
কিন্তু ওয়েলসের সাবেক কোচকে পেতে বড় বাধা ছিল অর্থ। সেই অর্থ জোগানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দারস্ত হয় বাফুফে। সেখান থেকে সবুজ সংকেত মিলেছে। অর্থাৎ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দিতে রাজি। কিন্তু এরপরও আটকে যাচ্ছে প্রক্রিয়া। কারণ, কোলম্যানের এজেন্টের সঙ্গেই নাকি এখন বনিবনা হচ্ছে না বাফুফের।
রবিবার (১৭ মে) জাতীয় স্টেডিয়ামে ৪৯তম জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করতে এসে সাংবাদিকদের এই তথ্য দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তিনি বলেন, ‘ক্রিস কোলম্যানকে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে ফুটবল ফেডারেশন মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের জন্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সম্মতি জ্ঞাপন করেছে। তবে কোলম্যানের এজেন্টের সাথে বাফুফের আলোচনা ও বোঝাপড়া এখনো শেষ হয়নি।’
প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, ‘যদি কোনো কারণে কোলম্যানের সাথে চুক্তি না হয়, তবে বিকল্প হিসেবে দ্বিতীয় একজন পছন্দ করে রাখা হয়েছে। তার সাথে চুক্তি করা হবে।’
সেই দ্বিতীয় জনকে, সে নামটি অবশ্য উল্লেখ করেননি আমিনুল।
এদিকে জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠে নতুন করে ঘাস লাঘানোর কাজ চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে চার বছরের সংস্কার কাজ শেষে গত বছর এই মাঠে ঘাস লাগানো হয়েছিল। ১০ লাখ টাকা খরচ করে লাগানো সেই ঘাস মাত্র ১০ মাস পরই তুলে ফেলতে হয়েছে। অথচ এতে ম্যাচ হয়েছে মাত্র ৮টি। এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা এমনভাবে মাঠটি তৈরি করতে চাই, যাতে এটা যে পর্যন্ত ব্যবহার করার কথা, সেই পর্যন্তই ব্যবহার করা যায়। কিন্তু তার আগেই যদি আবার সংস্কার করতে হয়, তার মানে ডাল মে কুচ কালা হে।’
এবারের সংস্কার কাজ বাফুফে নিজেদের ও ফিফার অর্থায়নে করছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রত্যাশা, এবার ভালো একটি গ্রাউন্ড পাওয়া যাবে।
রবিন/রিফাত/