ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গৃহকর্মী রোবট! দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন বাজি রাখছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রামিসার মৃত্যু, অপরাধীর শাস্তি এবং সমাজের দায় বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে নাচোলে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মৎস্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন জাতিসংঘ: উন্নয়ন অংশীদার নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নদী-খাল কিছু নেই তবুও নির্মাণ হচ্ছে ব্রিজ শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কেটে নিলেন পৌর বিএনপির নেতা বানিয়াচংয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত ৫০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ২ প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র নর্ডিক দেশসমূহ: প্রকৃতি, সমৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান, জানালা, বই-খাতা বিক্রির অভিযোগ শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা হাম-উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় পানিতে ডুবে ১৩ মাসের শিশুর মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ পুশইন বন্ধে ভারতকে ১০-১২টি চিঠি দিয়েছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ ঘোষণা
Nagad desktop

এলপিজি সংকট: বাড়ি থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার

প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
এলপিজি সংকট: বাড়ি থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার ভারতের বেঙ্গালুরুর একটি বাড়ি থেকে দুই ব্যক্তি এলপিজি সিলিন্ডার চুরি করেছেন।

চুরির একটি সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন লোক একটি স্কুটারে করে টার্গেট করা বাড়িটির দিকে আসছেন। তারা হেলমেট পরা থাকায় তাদের মুখ দেখা যাচ্ছিল না।

একজন স্কুটারে করে বাড়িতে প্রবেশ করেন ও অন্যজন বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন।

কয়েক মিনিট পর বাড়ির ভেতরে যাওয়া লোকটি স্কুটারে দুটি সিলিন্ডার নিয়ে বেরিয়ে আসেন। এরপর তারা স্কুটার চালিয়ে চলে যান।

গত বৃহস্পতিবার এই রাজ্যে উগাদি উৎসব উদযাপন হচ্ছিল।

পুলিশ চুরির ঘটনাটি তদন্ত শুরু করলেও অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মধ্যে রান্নার গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে এলপিজি সিলিন্ডারের ঘাটতির কথা বলেছেন, আবার অনেকে ইন্ডাকশন হট প্লেট কিনেছেন। -এনডিটিভি

অমিয়/

হাজার বছরের রহস্য, উত্তর মিলল পায়রার যকৃতে!

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
হাজার বছরের রহস্য, উত্তর মিলল পায়রার যকৃতে!
ছবি: সংগৃহীত

এক আশ্চর্যজনক সহজাত অনুভূতি পায়রাদের বাড়ি ফেরার পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

প্রাণীরা দিকনির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে। কেউ নক্ষত্র অনুসরণ করে, কেউ গুরুত্বপূর্ণ স্থানচিহ্ন মনে রাখে। পাখি, মাছ ও কচ্ছপ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে এক ধরনের কম্পাস হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের অবস্থান ও দিক নির্ধারণ করে। তবে তারা ঠিক কীভাবে এটি করে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

পায়রা এমন একটি সুপরিচিত পাখি, যা এক দিনে শত শত কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ সংবাদ, বার্তা ও সামরিক তথ্য আদান-প্রদানের জন্য এদের ব্যবহার করে আসছেন।

বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে এই রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছেন যে, পায়রা কীভাবে পথ না হারিয়ে নির্ভুলভাবে চলাচল করে। কেউ মনে করেন, তাদের চোখের আলোক-সংবেদনশীল অণুগুলো চৌম্বকীয় সংকেত শনাক্ত করতে সাহায্য করে। আবার অন্যদের মতে, এই প্রক্রিয়া ঘটে ঠোঁট বা অন্তঃকর্ণে।

জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব অ্যানিমেল বিহেভিয়রের গবেষক মার্টিন উইকেলস্কি বলেছেন, ‘চৌম্বকীয় অনুভূতি প্রায় ১০০ বছর ধরে একটি রহস্য হয়ে রয়েছে’।

নতুন এক গবেষণায় উইকেলস্কি ও তার সহকর্মীরা পায়রার দিকনির্ণয়ের রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করেন। তারা পাখিটির শরীরে চৌম্বকীয় সংকেতের উৎস খুঁজতে গিয়ে একটি অপ্রত্যাশিত স্থানে- যকৃতে শক্তিশালী সংকেতের সন্ধান পান।

গবেষকদের মতে, পায়রার যকৃতে থাকা বিশেষায়িত রোগপ্রতিরোধী কোষ লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে ফেলে এবং লোহা সঞ্চয় করে।

জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ক্রিশ্চিয়ান কার্টস জানান, বিজ্ঞানীরা যখন সাময়িকভাবে ওই কোষগুলো নিষ্ক্রিয় করে পায়রাগুলোকে উড়তে দেন, তখন তারা কার্যত পথ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়।

কার্টস বলেন, ‘পাখিগুলো কোনোভাবেই পথ খুঁজে পাচ্ছিল না’।

এ পর্যবেক্ষণ থেকে গবেষকদের ধারণা, লোহাসমৃদ্ধ যকৃতের এসব কোষ পায়রার দিকনির্ণয় ক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তবে পাখিদের এই চৌম্বকীয় কম্পাস সব সময় সমানভাবে কাজ করে না। মেঘলা দিনে তা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। 

গবেষকদের মতে, এর কারণ হলো পাখিরা দিকনির্ণয়ের জন্য সূর্যের অবস্থানকেও ব্যবহার করে।

বিজ্ঞানীরা আগেও ধারণা করেছিলেন যে, রোগপ্রতিরোধী কোষ চৌম্বকীয় সংবেদনের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। গত ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত নতুন গবেষণাটি এ বিষয়ে প্রথম পূর্ণাঙ্গ তত্ত্ব উপস্থাপন করেছে।

গবেষণায় অংশ না নেওয়া ম্যাসাচুসেটস বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণগত বাস্তুবিদ আলবার্ট কাও বলেন, ‘আমি কখনোই এটি অনুমান করতে পারতাম না। কিন্তু ব্যাখ্যাটি শোনার পর তা যথেষ্ট যৌক্তিক মনে হয়েছে।’

গবেষকদের মতে, যকৃতের এসব রোগপ্রতিরোধী কোষ স্নায়ুতন্তুর খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। বন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-লেখক ক্লিভিয়া লিসোস্কি বলেন, ‘‘সম্ভবত এভাবেই তারা তাদের ‘চৌম্বকীয় অনুভূতি’ মস্তিষ্কে প্রেরণ করে এবং পায়রাদের দিকনির্ণয়ে সহায়তা করে”।

গবেষকরা মনে করছেন, পাখি ছাড়াও ইঁদুরের মতো অন্যান্য প্রাণীও একই ধরনের চৌম্বকীয় ‘জিপিএস’ ব্যবহার করতে পারে। 

তবে বাইরের বিশেষজ্ঞদের মতে, পায়রারা সত্যিই এভাবেই দিকনির্ণয় করে কি না এবং সংকেতগুলো কীভাবে মস্তিষ্কে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

গবেষণায় পায়রার যকৃতে সবচেয়ে শক্তিশালী চৌম্বকীয় সংকেত পাওয়া গেলেও একই ধরনের রোগপ্রতিরোধী কোষ ঠোঁট, প্লীহাসহ শরীরের অন্যান্য অংশেও রয়েছে।

পশুচিকিৎসাবিষয়ক রোগ বিশেষজ্ঞ সাইমন স্পিরো এবং জীববিজ্ঞানী হ্যাল ড্রেকস্মিথ এক সম্পাদকীয় নিবন্ধে লিখেছেন, এই চৌম্বকীয় ধাঁধার সম্ভবত একক কোনো উত্তর নেই। 

তাদের মতে, পাখিরা কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন পদ্ধতিতে চৌম্বক ক্ষেত্র শনাক্ত করতে পারে- সেটি দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ হোক কিংবা নির্দিষ্ট কোনো গন্তব্য খুঁজে বের করার প্রয়োজন হোক।

তারা লিখেছেন, ‘প্রকৃতপক্ষে, অন্ধকারে বাড়ি ফেরার একাধিক উপায় থাকা বিচক্ষণতার পরিচায়ক হতে পারে’। সূত্র: এপি

অমিয়/

বিশ্ব সমুদ্র দিবস আজ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:০৮ এএম
বিশ্ব সমুদ্র দিবস আজ
ছবি: সংগৃহীত

রি-ইমাজিন’ বা ‘নতুন করে ভাবো’–প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ৮ জুন বাংলাদেশেও পালিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব সমুদ্র দিবস-২০২৬। বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি সমুদ্রের সুরক্ষায় এবার মানুষের সঙ্গে সাগরের বিদ্যমান সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এবারের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে– ‘নতুন করে ভাবো: আমাদের চেনা জগতের বাইরে, সমুদ্রের সঙ্গে এক নতুন সম্পর্ক।’ 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৬ সালের শুরুতেই আন্তর্জাতিক জলসীমার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ঐতিহাসিক ‘হাই সিস ট্রিটি’ (বিবিএনজে চুক্তি) কার্যকর হওয়ার পর এবারের সমুদ্র দিবসটি বিশ্বজুড়ে বাড়তি তাৎপর্য বহন করছে। পরিবেশবাদীরা বলছেন, দীর্ঘ সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটারের বেশি উপকূলরেখা থাকা এই অঞ্চলে সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি সরাসরি প্রভাব ফেলছে মৌসুমি বায়ু ও কৃষিতে। ক্রমাগত বাড়ছে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রকোপ, যা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।

দিবসটি উদযাপনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সচেতনতামূলক র‌্যালি, সেমিনার, সমুদ্র উপকূল পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও শিশুদের চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা।

১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে ধরিত্রী সম্মেলনে প্রথম সমুদ্র দিবসের প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তী সময়, ২০০৮ সালে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে ৮ জুনকে ‘বিশ্ব সমুদ্র দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল
ছবি: সংগৃহীত

আজকের দিনে তিন বা চার সদস্যের নিউক্লিয়ার পরিবার সামলাতেই অনেকের নাভিশ্বাস ওঠে। সেখানে এক ছাদের নীচে প্রায় ২০০ জন সদস্যের বসবাস- শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই বাস্তব। মিজোরামের বখতাওং গ্রামের ‘চানা পরিবার’ দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের বৃহত্তম যৌথ পরিবার হিসেবে পরিচিত। পরিবারের কর্তা জিওনা চানা ২০২১ সালের ১৩ জুন ৭৬ বছর বয়সে মারা গেলেও তার গড়ে তোলা বিশাল পরিবার আজও একই ছাদের নিচে বসবাস করছে।

৩৯ স্ত্রী, ৯৪ সন্তান- বিশ্বজোড়া পরিচিতি

জিওনা চানা মাত্র ১৭ বছর বয়সে তার প্রথম স্ত্রী জাথিয়াঙ্গিকে বিয়ে করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মোট ৩৯টি বিয়ে করেন এবং ৯৪ সন্তানের জনক হন। মৃত্যুর সময় তার পরিবারে ৩৮ জন জীবিত স্ত্রী, ৮৯-৯৪ জন সন্তান এবং বহু নাতি-নাতনি ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা ১৮০ থেকে ২০০-এর কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানা যায়।

‘নিউ জেনারেশন হোম’- এক বিশাল পারিবারিক সাম্রাজ্য

চানা পরিবারের বাসভবনের নাম ‘ছুয়ান থার রান’, যার অর্থ ‘নতুন প্রজন্মের বাড়ি’। চারতলা এই বিশাল ভবনে রয়েছে শতাধিক ঘর। পরিবারের সদস্যরা আলাদা কক্ষে থাকলেও রান্নাঘর, খাবার ব্যবস্থা এবং বহু দৈনন্দিন কাজ যৌথভাবে পরিচালিত হয়। বাড়িটির মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি কিচেন, কর্মশালা, কৃষিকাজের পরিকাঠামো এবং অতিথিদের থাকার ব্যবস্থাও।

সংসার পরিচালনা যেন কর্পোরেট ম্যানেজমেন্ট

এত বড় পরিবারের দৈনন্দিন পরিচালনা অনেকের মতে একটি মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার সমতুল্য। পরিবারের প্রথম স্ত্রী জাথিয়াঙ্গি দীর্ঘদিন ধরে গৃহপরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করছেন। কে রান্না করবেন, কে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করবেন, কে কৃষিকাজ বা অন্যান্য উৎপাদনমূলক কাজে যুক্ত থাকবেন- সবই নির্দিষ্ট নিয়মে ভাগ করা থাকে।

প্রতিদিনের রান্না শুনলে অবাক হবেন

পরিবারের সদস্যসংখ্যার কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী প্রয়োজন হয়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিদিন ৯০ কেজি চালের ভাত, আলু, ডাল ও সবজি রান্না হয়। মাংসের দিনগুলিতে কয়েক ডজন মুরগি রান্না করা হয়। বিশাল অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে কাঠের উনুনে রান্না করেন পরিবারের নারীরা।

শুধু পরিবারপ্রধান নন, ধর্মীয় গোষ্ঠীর নেতাও

জিওনা চানা ছিলেন লালপা কোহরান থার নামে একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রধান। ১৯৪২ সালে তার বাবার প্রতিষ্ঠিত এই গোষ্ঠী বহুবিবাহকে অনুমোদন করে এবং বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা কয়েক হাজার বলে অনুমান করা হয়। 

চানা সম্প্রদায়ের সদস্যরা কৃষিকাজ, ছুতোরের কাজ, কুটিরশিল্পসহ নানা উৎপাদনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্বনির্ভর জীবনযাপন করেন।

পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র

চানা পরিবারের অনন্য জীবনযাত্রা বহু বছর ধরেই দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কৌতূহলের বিষয়। মিজোরামের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে তাদের বাড়ি। বিশ্বের বৃহত্তম যৌথ পরিবারের জীবনযাপন কাছ থেকে দেখার জন্য এখনও বহু মানুষ বখতাওং গ্রামে যান।

জিওনা চানা আজ নেই, কিন্তু তার গড়ে তোলা পরিবার আধুনিক নিউক্লিয়ার পরিবারের যুগে যৌথ পারিবারিক ব্যবস্থার এক বিরল ও বিস্ময়কর উদাহরণ হিসেবে আজও বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয়।

গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর
ভিডিও থেকে

রাস্তায় চলাচলের সময় অসতর্কভাবে গাড়ির দরজা খোলার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদে এমনই একটি ঘটনা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে।

রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা একটি গাড়ির দরজা হঠাৎ খুলে দেওয়ায় সেটিতে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি মোটরসাইকেল। এতে একজন নিহত এবং অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাড়ি রাস্তার পাশে পার্ক করা। গাড়ির চালক আশপাশের যানবাহনের গতিবিধি না দেখেই হঠাৎ দরজা খুলে দেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল দরজাটিতে সজোরে আঘাত করে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী দুজনই কয়েক মিটার দূরে ছিটকে পড়েন। 

ভিডিওতে দেখা যায়, চালকের মাথায় হেলমেট থাকলেও পেছনে বসা আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল না; তিনি পাগড়ি পরিহিত ছিলেন। দুর্ঘটনায় পেছনের আরোহী গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।

জানা যায়, আহত মোটরসাইকেল চালককে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

সিসিটিভিতে ধারণ হওয়া ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নেটিজেনদের একাংশের মতে, গাড়িচালকের অসতর্কতা এবং রাস্তার পরিস্থিতি যাচাই না করেই দরজা খোলার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। 

অন্যদিকে, কেউ কেউ মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত গতিকেও দায়ী করছেন।

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় নির্ধারণ করা হবে। 

সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ির দরজা খোলার আগে রিয়ার ভিউ মিরর ও পাশের আয়নায় দেখে পেছনের পরিস্থিতি নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেক দেশে এ জন্য ‘ডাচ রিচ’ পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়, যেখানে চালক বা যাত্রী বিপরীত হাত দিয়ে দরজা খোলেন; এতে স্বাভাবিকভাবেই শরীর ঘুরে পেছনের রাস্তা দেখার সুযোগ তৈরি হয়। 

এ ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। 

বিশেষজ্ঞরা রাস্তার পাশে পার্ক করা যানবাহনের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল ও সাইকেল চালকদের গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।

অমিয়/

আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি!

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি!
ডা. শরীফ হোসাইন/ ছবি: সংগৃহীত

ফুটবলপ্রেমী আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও দন্ত চিকিৎসায় বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টাল সার্জন ডা. শরীফ হোসাইন।

শুক্রবার (৫ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।

ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনার জার্সি পরে অথবা নিজেকে দলটির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে আসা রোগীরা বিনা ভিজিটে দাঁত ও মুখ গহ্বরের বিভিন্ন সমস্যার চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারবেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দন্ত চিকিৎসা সেবায়ও বিশেষ ছাড় পাবেন তারা।

এ বিষয়ে ডা. শরীফ হোসাইন বলেন, ‌‘ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছি। শুধু আর্জেন্টিনার খেলার দিন এই সুবিধাটুকু দেওয়া হবে।’

একজন চিকিৎসকের এমন অভিনব উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

আমান/