ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধস, শতাধিক প্রাণহানির শঙ্কা

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৭:৫৭ এএম
আপডেট: ২৫ মে ২০২৪, ০৮:০০ এএম
পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধস, শতাধিক প্রাণহানির শঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

পাপুয়া নিউগিনির একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৫ মে) ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা ধারণা করছেন, শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। 

দেশটির উত্তরাঞ্চলের এনগা প্রদেশের পোরগেরা-পাইলা জেলার মুলিতাকার ছয়টি গ্রামে একই সময়ে ভূমিধস হয়। আশপাশের মানুষের ধারণা, এতে ৮০ থেকে ১০০ বাড়ি মাটির নিচে চাপা পড়েছে। 

এনগার প্রাদেশিক প্রশাসক স্যান্ডিস সাকা বলেন, ‘বিধ্বংসী এই ভূমিধসকে নজিরবিহীন প্রাকৃতিক বিপর্যয় মনে করা হচ্ছে। এতে মানুষের জানমালের যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষতির হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। পুলিশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এলাকাটিতে পাঠানো হয়েছে।’ 

ভূমিধসে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সেগুলো পরিষ্কার করা হচ্ছে বলেও খবর এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। প্রশাসক স্যান্ডি সাকা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য জাতীয় সরকার ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী এলিজাবেথ লারুমা অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমকে জানান, এটি যখন ঘটেছে তখন ছিল ভোর, সবাই ঘুমে ছিল। আর এর মধ্যেই পুরো গ্রাম চাপা পড়েছে। শতাধিক মানুষ মাটির নিচে চাপা পড়তে পারে বলে অনুমান করেন তিনি। ভূমিধসের ফলে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় শহরের নিজস্ব জ্বালানি এবং পণ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লারুমা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

কঙ্গোতে নৌকাডুবে ৮০ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৩:৫৩ পিএম
কঙ্গোতে নৌকাডুবে ৮০ জনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি, সংগৃহীত

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) কোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) মাই-এনডোম্বে প্রদেশের মুশি শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে কোয়া নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি। তিনি এক্সে এক বিবৃতিতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপর্যয় যাতে না ঘটে তার জন্য এই ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি ভুক্তভোগীদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার নির্দেশও দিয়েছেন।

মাই-এনডোম্বে প্রদেশের গভর্নর রিটা বোলা দুলা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, রাতের যাত্রার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে কঙ্গোতে নৌকা দুর্ঘটনা সাধারণ ঘটনা। সূত্র: আল-জাজিরা

ইসরাত চৈতী/অমিয়/

ভারতে ফের মানবদেহে বার্ড ফ্লু শনাক্ত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
ভারতে ফের মানবদেহে বার্ড ফ্লু শনাক্ত
প্রতীকী ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চার বছরের এক শিশুর শরীরে বার্ড ফ্লু শনাক্ত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১১ জুন) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ডব্লিউএইচও জানায়, গত ফেব্রুয়ারিতে ওই চার বছরের শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। জ্বরের সঙ্গে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের লক্ষণ ছিল তার। পরে পরীক্ষা করে তার শরীরে বার্ড ফ্লু ধরা পড়ে। পরীক্ষা করে দেখা যায়, বার্ড ফ্লু ভাইরাসের এইচ৯এন২ ধরনে সংক্রমিত হয়েছে শিশুটি। মে মাসে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ডব্লিউএইচও জানায়, শিশুটি বাড়িতে হাঁস-মুরগির সংস্পর্শে এসেছিল। সেখান থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শিশুটির পরিবারের আর কেউ সংক্রমিত নন। কারও শরীরেই ভাইরাস পাওয়া যায়নি। বলা হয়েছে, মানবদেহে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণের ক্ষেত্রে ভারতে এটি দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে ২০১৯ সালেও একটি সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছিল।

১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে এক টার্কির দেহে প্রথম এইচ৯এন২ ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছিল। সাধারণত হাঁস-মুরগির বার্ড ফ্লু হয়ে থাকে। মানুষের ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নজিরবিহীন। সূত্র: রয়টার্স

রাশিয়ার বিমান হামলায় কিয়েভে শিল্প-কারখানায় আগুন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৯:০৫ এএম
রাশিয়ার বিমান হামলায় কিয়েভে শিল্প-কারখানায় আগুন
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে কিয়েভের একটি শিল্প-কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া আরও পাঁচ অঞ্চলে বাসাবাড়ির ক্ষতিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলেছে, গত মঙ্গলবার রাতে রাশিয়া ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর মধ্যে পাঁচটি আঘাত আনতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি ২৪টি ড্রোনও উৎক্ষেপণ করা হয়। রাজধানী কিয়েভের সামরিকপ্রধান সেরহি পপকো টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে বলেছেন, ‘রাজধানীতে পৌঁছানোর আগে সব অস্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।’ 

কিয়েভের গভর্নর বলেছেন, কিয়েভের একটি শিল্প স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে। ফলে আগুন লেগেছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত আগুন নেভাতে কাজ করেছে ১০৫ জনেরও বেশি ব্যক্তি। তারা ৩০ রকমের সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে। সূত্র: রয়টার্স 

ছেলে দোষী হলেও আইনের প্রতি সম্মানের প্রতিশ্রুতি বাইডেনের

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:৫৭ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:৫৭ এএম
ছেলে দোষী হলেও আইনের প্রতি সম্মানের প্রতিশ্রুতি বাইডেনের
প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ছেলে হান্টার বাইডেন। ছবি: সংগৃহীত

আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় ছেলেকে (হান্টার বাইডেন) দোষী সাব্যস্ত করে জুরিবোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান বজায় রাখবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত মঙ্গলবার (১১ জুন) এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি। 

বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, এক সপ্তাহ ধরে বিচারকাজ চলার পর মঙ্গলবার ৫৪ বছর বয়সী হান্টারকে দোষী সাব্যস্ত করেন ১২ সদস্যবিশিষ্ট জুরিবোর্ড। বাইডেনপুত্রের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে উইলমিংটনের আগ্নেয়াস্ত্রের দোকান থেকে একটি রিভলবার কেনার অভিযোগ আনা হয়। 

আগ্নেয়াস্ত্রটি কেনার সময় তিনি নিজের মাদকাসক্তি নিয়ে ফেডারেল কাগজপত্রে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। সে সময় নিজের মাদকাসক্তির কথা গোপন করেছিলেন তিনি। এ ঘটনায় হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ এনেছেন সরকারি আইনজীবীরা।

প্রথম অভিযোগ, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় মিথ্যা তথ্য দেন হান্টার। দ্বিতীয় অভিযোগ, অস্ত্র বিক্রেতার নথিপত্রেও মিথ্যা তথ্য থাকার বন্দোবস্ত করেন তিনি। আর তৃতীয় অভিযোগ, হান্টার বাইডেন অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন। 
প্রমাণিত অপরাধগুলোয় সর্বোচ্চ সাজা দাঁড়ায় ২৫ বছর। সর্বোচ্চ সাজা হওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও হান্টারকে কারাভোগ করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। হান্টার হলেন দেশটির ইতিহাসে প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সন্তান, যিনি ফৌজদারি মামলায় বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন।

বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট, তা ঠিক; কিন্তু আমি তো একজন বাবাও। সে (হান্টার) এখন যে ধরনের মানুষ, তাকে নিয়ে আমরা গর্বিত। হান্টার আপিল করার কথা ভাবছেন।’ এমন অবস্থায় মামলায় ছেলের বিরুদ্ধে যে ধরনের সাজাই ঘোষণা করা হোক না কেন বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান বজায় রাখবেন বলে জানিয়েছেন বাইডেন। 

আগামী নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে বাইডেন যখন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যস্ত তখনই এমন সিদ্ধান্ত আসল আদালত থেকে। এতদিন ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের আদালতে হান্টারের বিরুদ্ধে বিচার চলাকালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কোনো শুনানিতে অংশ নেননি। যদিও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিয়মিত শুনানিতে উপস্থিত থাকতেন। মঙ্গলবার রায় ঘোষণার পর বাইডেন ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে যান। সেখানে গিয়ে ছেলেকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধবিরতি চুক্তির জবাব দিল হামাস

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:৫১ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:৫১ এএম
যুদ্ধবিরতি চুক্তির জবাব দিল হামাস
যুদ্ধ বিধ্বস্ত ফিলিস্তিন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির জবাব দিয়েছে হামাস। গোষ্ঠীটির এক জ্যেষ্ঠ নেতা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ইসরায়েলের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।

গত মঙ্গলবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে লড়াইয়ের ‘সম্পূর্ণ অবসান’ চেয়েছে হামাস; পাশাপাশি হামাস ও তার মিত্র গোষ্ঠী ফিলিস্তিন ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে) জানিয়েছে, তারা এ যুদ্ধের অবসানে ইতিবাচকভাবে সমঝোতায় আসতে প্রস্তুত। 

এর আগে গত সোমবার রাতে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মতি দেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। সেখান থেকে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তী সময়ে স্থায়ী রূপ নেবে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি কাতার ও মিশরও মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্ব পালন করেছে। তারাও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর জবাব জমা দেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত করেছে।

হোয়াইট হাউসের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, হামাসের জবাব দেওয়ার বিষয়টি গোটা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এবং তারা গোষ্ঠীটির অনুরোধ খতিয়ে দেখছেন। গত মঙ্গলবার প্রথম ভাগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন জানান, যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রশ্নে নিজ অবস্থান সম্পর্কে তাকে আশ্বস্ত করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। 

প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উত্থাপিত প্রস্তাবিত চুক্তিটি তিন ধাপের। এতে যুদ্ধবিরতি, জিম্মি ও বন্দি মুক্তি এবং যুদ্ধের পর গাজার অবকাঠামো পুনরায় গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। 

ইসরায়েল অবশ্য শুরু থেকেই গাজা থেকে পুরোপুরিভাবে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে নারাজ। এ বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবে তারা কী উল্লেখ করেছে, সেটি আর প্রকাশ করা হয়নি। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রস্তাবিত চুক্তিটি থেকে তাদের উল্লিখিত বিষয়গুলো কতটা ভিন্ন, তা-ও এখনো অস্পষ্ট। 

যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ওই পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছে বলে জানালেও সেটির জন্য পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেননি নেতানিয়াহু। অন্যদিকে, তার মন্ত্রিসভার কট্টর ডান সদস্যরা ওই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে জোট ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন। তারা গোটা চুক্তিটিকে হামাসের কাছে আত্মসমর্পণ হিসেবেই দেখছেন।

গত মঙ্গলবার তেলআবিবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন ব্লিঙ্কেন। এ সময় অনেক ইসরায়েলি তার হোটেলের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের হাতে ছিল হামাসের হাতে জিম্মি থাকা স্বজনদের ছবি। 

অনেকে এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেও স্লোগান দেন, বলেন- ‘চুক্তি করার ব্যাপারে আমরা আপনার ওপর আস্থা রাখি ব্লিঙ্কেন।’

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। 

গোলাবর্ষণ, বিমান হামলা ও স্থল অভিযানে এ পর্যন্ত ৩৭ হাজারের চেয়েও বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। নিহতদের বেশির ভাগই নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধ। আন্তর্জাতিক মহল এ নিয়ে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশসহ ইসরায়েলকে থামার অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু তাদের কথায় কান দেয়নি দেশটি। এমনকি যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেও তারা রাফা, মধ্য গাজার মতো এলাকাগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে। সহায়তা প্রবেশের ক্ষেত্রেও বাধা তৈরি করে রেখেছে। সব মিলিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে গাজার জনজীবন। সূত্র: বিবিসি