রাজধানীর দনিয়া কলেজ কেন্দ্রে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে এসেছেন মুনা। ভোট দিতে পেরে তিনি খুবই উচ্ছ্বসিত। খবরের কাগজকে তিনি বলেন, ‘ভোট দেওয়ার আগে খুবই এক্সাইটেড ছিলাম। ভোট দেওয়ার পর খুবই ভালো লাগছে।’
মুনা জানান, ভোট দিতে গিয়ে তিনি প্রথমে স্যার তার কাঙ্খিত মার্কা খুঁজে পাননি, এতে তিনি কিছুটা অবাক হন। না থাকার কারণ মনে মনে ভাবতে থাকেন। পরে জানতে পারেন এই আসনে তার কাঙ্খিত প্রার্থী নেই। তারা জোটের প্রার্থীকে আসনে ছেড়ে দিয়েছে। পরে সেই মার্কায় তিনি ভোট দেন।
ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি সেভেন সেমিস্টারের ছাত্রী সাদিয়া প্রথমবারের মতো ভোট দেন দনিয়া কলেজ কেন্দ্রে। তিনি ২০২৪ সালে ভোটার হয়েছিলেন। কিন্তু তখন ভোট দেননি।
খবরের কাগজকে তিনি বলেন, ‘প্রথম ভোট দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। ভোট দেওয়ার আগে তেমন কোনো টেনশন কাজ করেনি। ভয়ও কাজ করেনি। ২ মিনিটেই ভোট দিয়েছি। ২০২৪ সালে আমি ভোটার হয়েও ভোট দিতে আসিনি। কারণ তখন আমার পছন্দের দল জামায়াত ছিল না।’
মায়ের সঙ্গে আগে ভোটকেন্দ্রে এলেও এবার নিজেই ভোট দিতে এসেছেন ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রাইসা রহমান। তিনি বলেন- ‘এবার নিজে ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে। আগে আমি আব্বু-আম্মুর সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে আসতাম। তারা ভোট দিতেন। আমি বাইরে দাঁড়িয়ে দেখতাম। এবার আর দেখতে হয়নি। নিজেই ভোট দিয়েছি। ভোট দিতে পেরে অন্যরকম একটা ভালোলাগা কাজ করছে। ভোট দেওয়ার আগে কিছুটা টেনশন কাজ করেছিল। কিন্তু ভোটটা খুব সহজেই দিয়েছি। ভেবেছিলাম অনেক লম্বা লাইন থাকবে। কিন্তু আমাকে লাইনেই দাঁড়াতে হয়নি।’
ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি কলেজের ছাত্র তাহমিদুর রহমান আগে থেকেই চিন্তাভাবনা করে এসেছেন প্রথম ভোটটা কাকে দেবেন। তিনি বলেন, ‘এনআইডি কার্ড করার পর যখন প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ আসে, তখন আমি আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখি কাকে ভোট দেব। যারা দেশের জন্য ভূমিকা রেখেছেন আমি তাদেরকেই ভোট দিয়েছি। ভোট দেওয়ার আগে কিছুটা না নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু ভোট দিতে গিয়ে সেই নার্ভাসনেসটা আর থাকেনি। সব মিলিয়ে কয়েক মিনিটেই ভোট দিয়েছি। প্রথমবার ভোট দিতে পেরে ভালোই লাগছে।’
পলাশ/অমিয়/