ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর অবসর ভাবনায় কর্তোয়া ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার কাতারের সামনে সুইজারল্যান্ড চ্যালেঞ্জ লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
Nagad desktop

জাপা নিষিদ্ধ চায় জামায়াত-এনসিপি, বিএনপি নীরব কঠিন পরিস্থিতিতে জাপা

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:২১ এএম
কঠিন পরিস্থিতিতে জাপা
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী

প্রতিষ্ঠার পর সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি এখন জাতীয় পার্টি (জাপা)। দলটি নিষিদ্ধ হবে কি না, এ নিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে তুমুল আলোচনা। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে। তবে এ মুহূর্তে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি এ বিষয়ে নীরব থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে দলটি।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে গত রবিবার জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি দাবি জানিয়েছে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার। ওই বৈঠকে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে বিএনপি নেতারা কোনো কথা বলেননি। জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন নেতা খবরের কাগজকে জানিয়েছেন, জাপা ইস্যুতে বিএনপি নীরবতা অবলম্বন করায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। 

এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী খবরের কাগজকে বলেন, ‘এই মুহূর্তে অনেকেই জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার কথা বলছেন। জাতীয় পার্টি কখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেনি। তাই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা বা কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার আইনগত দাবি উঠতে পারে না। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী যেসব কাজ করলে একটি দলের নিবন্ধন বাতিল হতে পারে, এমন কোনো কাজ জাতীয় পার্টি কখনোই করেনি।’ তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগও নেই। যারা জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি তুলছে, তাদের এ দাবি অযৌক্তিক।’

জাপা মহাসচিব বলেন, ‘দল নিষিদ্ধ করার দাবিতে আমরা ভীতসন্ত্রস্ত নই। আমরা আশা করছি, সরকার ভ্রান্ত দাবিতে ভ্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না।’ 

দলের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো আঘাত এলে জবাব দিতে হবে। আমরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে করব। প্রয়োজনে সবাইকে ঢাকায় আসতে হবে। জাতীয় পার্টি ব্যান করার চক্রান্ত নস্যাৎ হয়ে যাবে।’ 

১৯৮২ সালে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। প্রায় চার বছর সামরিক শাসন জারি রাখার পর ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি এরশাদ জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। সেই বছরের ৭ মে তিনি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেন। নির্বাচনে বিএনপি বাদে আওয়ামী লীগসহ ২৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন। জাতীয় পার্টির জন্য সেটিই ছিল প্রথম বিপর্যয়। 

১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এরশাদকে বেশ কয়েকটি মামলায় আসামি হয়ে জেলে যেতে হয়। তবে কারাগারে থেকেও এরশাদ রংপুরের পাঁচটি আসন থেকে নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠনের পর এরশাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি দুর্নীতির মামলা করা হয়। তবে ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে জয়লাভ করায় দলের নেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। এরশাদ জেলে বন্দি থাকেন ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। 

সেই বছর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে ওঠে জাতীয় পার্টির। এরশাদের দল ৩২টি আসনে জয় পায়। এরপর এরশাদ মুক্ত হন। টানা পাঁচ বছর জাতীয় পার্টিকে বড় কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি। 

১৯৯৮ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোটের পাশাপাশি জোটে জাতীয় পার্টিকেও টানার চেষ্টা চলে। জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযম, শায়খুল হাদিস আজিজুল হকের সঙ্গে এরশাদও মিন্টো রোডে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তবে পরের বছর এরশাদ ওই জোট গঠনের প্রক্রিয়া থেকে সরে আসেন। কিন্তু জাপার তৎকালীন মহাসচিব নাজিউর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে সে সময় দলের একটি অংশ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) নামে চারদলীয় জোটে থেকে যায়। এ ঘটনায় জাপায় আরক দফা ভাঙনের সূত্রপাত হয়। 

এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি আবারও ক্ষমতাসীন হলে জাতীয় পার্টি চাপে পড়ে যায়। তবে দল নিষিদ্ধ বা কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মতো কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি দলটিকে। প্রথমদিকে কিছুটা চাপে পড়লেও সে সময় বিএনপির সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করে চলে দলটি।

তবে ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটে শরিক হয়। জাপা সে নির্বাচনে ২৭টি আসনে জয়লাভ করে। এরপর সাড়ে ১৫ বছর জাপাকে তেমন অসুবিধায় পড়তে হয়নি। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনগুলোতে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করে নির্বাচনে এসেছে। এ তিনটি নির্বাচনের পরে জাপা প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসে। 

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নানা নাটকীয়তার জন্ম দেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তখন তিনি ও তার ভাই জি এম কাদের বিএনপিবিহীন একতরফা নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু এরশাদপত্নী রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাপার বড় অংশ নির্বাচনে শরিক হয়। প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসলেও মন্ত্রিসভার সদস্য হন জাপার শীর্ষ নেতারা। এরশাদকে পরে মন্ত্রী পদমর্যাদায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত হিসেবে জাতীয় সংসদে নিয়ে আসা হয়। 

২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির আসন ভাগাভাগির খবর এলেও তা অস্বীকার করেছেন জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ চাপের মুখে জাপাকে নির্বাচনে নিয়ে গেছে। এতে তার দলের শীর্ষ নেতারাও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।

তবে ওই নির্বাচনের পর জাপায় বড় ভাঙন ধরান এরশাদপত্নী রওশন এরশাদ। দেবর জি এম কাদেরের সঙ্গে অনেক বছরের দ্বন্দ্ব শেষে তিনি সর্বশেষে আরেকটি ব্র্যাকেটবন্দি জাতীয় পার্টির জন্ম দেন। এর কিছুদিন যেতে না যেতে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। এরপর আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে জাতীয় পার্টির রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জোরদার করে তোলে এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদসহ কয়েকটি দল। 

এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৫ আগস্টের পর রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিন দফায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, তার স্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য শেরীফা কাদেরসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। 

গত সপ্তাহে জাপা নিষিদ্ধের দাবি আরও জোরদার করে তুলেছে গণঅধিকার পরিষদ। কয়েক দিন আগে এই দাবিতে নুরুল হক নুরের দলটি জাতীয় পার্টির কার্যালয় অভিমুখে মিছিল নিয়ে গেলে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ দমাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ সময় নুরুল হক মারাত্মক আহত হন। নুর গুরুতর অসুস্থ হয়ে এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওই ঘটনার পর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। 

জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছে নুরের দল গণঅধিকার পরিষদ। এরই মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জাপা নিষিদ্ধ করার দাবি উঠলে দলটি বড় ধরনের চাপে পড়ে। প্রতিষ্ঠার ৩৯ বছরে জাতীয় পার্টিকে এত কঠিন পরিস্থিতিতে আর পড়তে হয়নি। 

বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবি: খবরের কাগজ

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের বর্তমান কাঠামো দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার আনতে সক্ষম হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ ও ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এতে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে।’

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের বিদ্যমান কর ও রাজস্ব কাঠামোর বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের নজির নেই। বর্তমান ব্যবস্থার মধ্যে থেকে এ লক্ষ্য অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ দেখা যাবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটের রূপরেখা পর্যালোচনা করে সে ধরনের কোনো কার্যকর সংস্কারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।’

তবে বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘কয়েকটি পণ্যের ওপর কর হ্রাস, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।’

সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এত অল্প সময়ের ব্যবধানে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনা নজিরবিহীন। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলছে।’

বাজেটে সুশাসন ও জবাবদিহিতার ঘাটতির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাজেটে স্পষ্ট কোনো রূপরেখা নেই।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বড় বাজেট মানেই বড় ব্যয়ের সুযোগ; আর সেখানে জবাবদিহিতা না থাকলে দুর্নীতির ঝুঁকিও বাড়ে। বাজেটে দুর্নীতি রোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উল্লেখ নেই, যা উদ্বেগজনক।’

রিফাত/

জনকল্যাণমুখী বাজেটের দাবিতে বাসদের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
জনকল্যাণমুখী বাজেটের দাবিতে বাসদের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোসহ জনকল্যাণমুখী বাজেটের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ঢাকা মহানগর শাখা। 

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা বাজেটের বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত ‘অসম’ বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবি জানান।

সমাবেশে বাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘সরকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট ঘোষণা করেছে, তা মূলত ঋণনির্ভর। বাজেটের ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা এবং সুদ বাবদ ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা সরকারের দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আইএমএফের পরামর্শে জনগণের ওপর পরোক্ষ করের বোঝা বাড়ানো হয়েছে, অথচ ধনীদের স্বার্থে উৎস কর কমানো হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষির মতো জনকল্যাণমুখী খাতগুলো অবহেলিত রেখে সামরিকসহ অনুৎপাদনশীল খাতে বরাদ্দে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ও দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে।’

জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যু থামানো যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে এটিকে ‘জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি’ বা মহামারি হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান তারা।’

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধেরও দাবি জানান বাসদ নেতারা। পাশাপাশি, বিগত সরকারের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে ‘দাসত্বের চুক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের আহ্বান জানানো হয়।

বাসদ ঢাকা মহানগর শাখার ইনচার্জ নিখিল দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, নগর নেতা আহসান হাবিব বুলবুল, জাকির হোসেন ও রুখসানা আফরোজ আশা। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন নগর নেতা খালেকুজ্জামান লিপন।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

চট্টগ্রামে যুবলীগের মিছিল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
চট্টগ্রামে যুবলীগের মিছিল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
ছবি:সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের একটি ঝটিকা মিছিল বের হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজের পর বায়েজিদ এলাকা থেকে এ মিছিলটি বের করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, মিছিলে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

স্থানীয়রা জানান, নামাজ শেষে হঠাৎ করেই কয়েকজন ব্যক্তি দলবদ্ধ হয়ে সড়কে বের হয়ে আসেন এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য মিছিলটি করেন, পরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। মিছিলটি বায়েজিদ এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। মিছিলে কারা কারা ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

রিফাত/

সীমান্তে ‘পুশইন’ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতার পরিপন্থী: চরমোনাই পীর

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম
সীমান্তে ‘পুশইন’ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতার পরিপন্থী: চরমোনাই পীর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। ছবি: খবরের কাগজ

সীমান্তে ভারতের ‘পুশইন’ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের আচরণ দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পঞ্চগড় জেলা শাখার আয়োজনে জেলা কার্যালয়ে দোয়া অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, ‘সীমান্তে যে পুশইনের কার্যক্রম আমরা লক্ষ্য করছি, তা সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক ও মানবতাবিরোধী। যেভাবে মানুষকে অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে ফেলা হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’

সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। এ জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিনি বিজিবিকে ধন্যবাদ জানান।’

ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রেজাউল করীম বলেন, ‘এ ধরনের আন্তর্জাতিক আইনবহির্ভূত আচরণ থেকে সরে এসে আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। প্রয়োজনে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও আলোচনা হতে পারে।’

বাজেট প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা ছাড়া কোনো বাজেট জনগণের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর-ভ্যাট দিচ্ছে। তাই জনগণের অর্থ কোন খাতে কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা জাতির সামনে পরিষ্কার থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাজেটের সুফল তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। সরকার যদি জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, তাহলে দেশের ও মানুষের কল্যাণ হবে।’

 রনি মিয়াজী/রিফাত/

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সিলেটে জেলা বিএনপির আনন্দ মিছিল

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম
বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সিলেটে জেলা বিএনপির আনন্দ মিছিল
ছবি: খবরের কাগজ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ‘উন্নয়নমুখী, জন-বান্ধব ও দূরদর্শী’ আখ্যায়িত করে সিলেটে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা বিএনপি। 

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে নগরীর ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্ট প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের হুইপ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ এমপি বলেন, ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট দিয়েছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে অনুমোদিত এই বাজেটের মূল দর্শন হলো জনগণের কল্যাণ, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা একটি বৈষম্যহীন ও আধুনিক রাষ্ট্র নির্মাণের সুস্পষ্ট রূপরেখা।’

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘ দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াই এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে। এটি বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।

সমাবেশে বক্তারা বাজেটের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরে বলেন, ‘সাড়ে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষায় মূল্যস্ফীতি ৭-৮ শতাংশের মধ্যে রাখার প্রত্যয় এই বাজেটকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় চাল, ডাল, মাছ, মাংস, চিনি, লবণ, তেল ও মসলাসহ প্রায় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান তারা।’

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, অতীতের মতো বাজেট ঘোষণার পর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এবার থাকবে না। বক্তব্যে বাজেট উপস্থাপনায় সিলেট অঞ্চলের ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করে বলা হয়, ১৯৭২ সাল থেকে এ পর্যন্ত দেশের ৫৫টি বাজেটের মধ্যে সিলেট বিভাগ থেকে সবচেয়ে বেশি ৩০টি বাজেট সংসদে পেশ করা হয়েছে। যার মধ্যে সাবেক সফল অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান একাই ১২টি বাজেট পেশ করে ইতিহাস গড়েছেন।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহজামাল নুরুল হুদা, মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, নাজিম উদ্দিন লস্কর; উপদেষ্টা কামরুল হাসান শাহীন; যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, তাজরুল ইসলাম তাজুল, আনোয়ার হোসেন মানিক, আবুল কাশেম, আব্দুল আহাদ খান জামাল, শাকিল মোর্শেদ, জসিম উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, সাহিদুল হক সুহেল, মাহবুব আলম, অর্জুন ঘোষ, মনিরুল ইসলাম তুরন, ড. নাজিম উদ্দিন, সুমেল আহমদ চৌধুরী, রায়হান এইচ খাঁন, আশরাফুল আলম বাহার, জুবের আহমেদ ও আব্দুল মুতাকাব্বির সাকি প্রমুখ।

রিফাত/