ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অনূর্ধ্ব-১৫ ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় পড়া চলছে রায় শুনতে আদালতে রামিসার বাবা মেসিকে ছাড়াই হন্ডুরাসকে হারাল আর্জেন্টিনা বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭ সাংবাদিক দল বদলের উৎসব, ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনায় যোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২১ কক্সবাজারে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করল ব্রাজিল শরীয়তপুরে উচ্ছ্বাসে মাতলেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই নতুন উপ-উপাচার্য নিয়োগ দুই দিনেও সিদ্ধান্ত হলো না শূন্যরেখায় আটকে থাকা ১০ জনের পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঘিরে উত্তেজনা, লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফকে ধাওয়া নড়াইলে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রাসুল (সা.) যেভাবে চুল রাখতেন রামিসা হত্যাকাণ্ড: আদালতে আনা হলো আসামি সোহেল-স্বপ্নাকে যুক্তরাষ্ট্রে উৎসবের কাছে গোলাগুলি, আহত ১২ মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে আজ থেকে সোনারগাঁয় ফয়জুলের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার দাবিতে মানববন্ধন সক্ষমতা বাড়াতে সুপরিকল্পিত বাজেটের তাগিদ টেকনাফ দিয়ে মাছ ধরা নৌকায় মানবপাচার প্রাকৃতিকভাবেই এইচআইভি দমনে সক্ষম দুই নারীর গল্প ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক নিশ্চিহ্নের পথে শেরেবাংলার জন্মভিটা শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ আম পাড়া নিয়ে ব্যস্ত মৌসুমি শ্রমিকরা মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি খুলনায় ধারাবাহিক খুন-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০
Nagad desktop

১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি

প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম
আপডেট: ১০ মে ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি
ছবি: খবরের কাগজ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রবিবার (১০ মে) বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে আজ ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করছি।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ঈদের আগেই আমরা আশা করছি এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আবারও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করব। আমাদের এই নাম ঘোষণার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সারা দেশ থেকে এনসিপিতে যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের যারা পরিশ্রমী, গ্রহণযোগ্য, যারা মানুষের উপর কখনো জুুলুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বা তাদের পর্যায়ে অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না; তারা অন্য যে কোনো রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তারা এনসিপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে। আমরা সার্বিকভাবে যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল থেকে যদি কেউ আসতে চায়, তাদেরকেও সুযোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

নিচে বিভাগ অনুযায়ী প্রার্থীদের নাম তুলে ধরা হলো-

রংপুর বিভাগ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, বোদায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শিশির আসাদ ও দেবীগঞ্জ উপজেলায় পৌর মেয়র প্রার্থী মাসুদ পারভেজ। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমরান চৌধুরী নিশাত, বোচাগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা এম এ তাফসির হাসান, ফুলবাড়ি পৌরসভায় পৌর মেয়র প্রার্থী শিহাব হোসেন, ঘোড়াঘাটে পৌর মেয়র পদপ্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান ও হাকিমপুরে পৌর মেয়র প্রার্থী রায়হান কবির।

এদিকে নীলফামারীর জলঢাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাইদ লিয়ন, নীলফামারী সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ড. কামরুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সদরের পৌর মেয়র প্রার্থী মো. মাসুম মিয়া, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহ সুলতান নাসির উদ্দিন আহমেদ, রংপুরের সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ ও গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে খাদিমুল ইসলাম এনসিপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহীর গোদাগাড়িতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আতিকুল রহমান, চাঁপাইনবাগঞ্জের গোমস্তাপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মাসুদ, নওগাঁর নেয়ামতপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশাল আহমেদ, বাদলগাছীতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদ মোর্শেদ আজম ও ধামুরহাটে পৌর মেয়র প্রার্থী মাহফুজার রহমান চৌধুরী রুবেল।

এদিকে বগুড়ার শিবগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম, দুপচাঁচিয়ায় পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক, বগুড়া সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এ এম জেড শাহরিয়ার, নাটোর সদর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী আব্দুল মান্নান, পাবনার চাটমোহর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী খন্দকার আক্তার হোসেন, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ আদনান ও উল্লাপাড়া পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আল-মামুন লিয়ন।

সিলেট বিভাগ

হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. কামাল আহমেদ, হবিগঞ্জ সদর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মাহবুবুল বারী চৌধুরী, মৌলভীবাজারের রাজনগরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খালেদ হাসান, কুলাউড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু রুকিয়ান, সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ওবায়েদ আহমেদ, কানাইঘাটে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বোরহান উদ্দিন ইউনূস, ওসমানী নগরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজি মো. মোশাহিদ আলী, জৈন্তাপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকারিয়া ও গোয়াইনঘাটে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মনসুরুল হাসান।

ময়মনসিংহ বিভাগ

শেরপুর সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া, সদর পৌর মেয়র প্রার্থী নূর ইসলাম, জামালপুর সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মো. শামিম, নেত্রকোণার খালিয়াজুড়িতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মুশফিকুর রহমান মিন্টু, বারহাট্টায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল হক চৌধুরী বাবলু, নেত্রকোণা সদর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী সোহাগ মিয়া প্রিতম, ময়মনসিংহের তারাকান্দায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম, ভালুকায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল ইসলাম, হালুয়াঘাটে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু হেলাল ও ধোবাউড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সাইফুল্লাহ।

ঢাকা বিভাগ (উত্তর)

কিশোরগঞ্জ সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আহনাফ সাইদ খান, তাড়াইলে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকরাম হোসেন, করিমগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী খায়রুল কবির, ঢাকার সাভারে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাবদুল্লাহ রনি, মানিকগঞ্জ সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুল ইসলাম, দৌলতপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আব্দুল্লাহ, টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহদী হাসান, টাঙ্গাইল পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মাসুদুর রহমান রাসেল, ভূঞাপুর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী হাসান ইমাম তালুকদার, শফিপুর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মাওলানা আনসার আলী, নরসিংদী সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফ ইবনে সারওয়ার ও গাজীপুরের কালিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শোয়েব মিয়া।

ঢাকা বিভাগ (দক্ষিণ)

নারায়ণগঞ্জের সেনারগাঁওয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী তুহিন মাহবুব ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আলী নেওয়াজ।

ফরিদপুর বিভাগ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম সবুজ, নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র প্রার্থী নাজমুল হুদা, ফরিদপুর পৌরসভায় মেয়র সাইদ খান, মাদারীপুর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মো. হাসিবুল্লাহ ও গোপালগঞ্জে পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী ফেরদৌম আমেনা।

খুলনা বিভাগ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাদশা, ভেড়ামারায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস টনি, বাগেরহাটের চিতলমারীতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইশতিয়াক হোসেন, ফকিরমারীতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী লাবিব আহমেদ, মোংলা পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো. রহমত উল্লাহ, বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার, যশোরে বাঘারপাড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াহিয়া জিসান, নোয়াপাড়া পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী শাহজাহান কবির, খুলনার চালনায় মেয়র প্রার্থী এস এম এ রশিদ, চুয়াডাঙ্গা সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খায়রুল বাশার বিপ্লব, জীবননগর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী সোহেল পারভেজ, মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী শাকিল আহমেদ ও ঝিনাইদহ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী তারেকুল ইসলাম।

রিফাত/

নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০
ছবি: খবরের কাগজ

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আগমন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফল উৎসব অনুষ্ঠানের মঞ্চ দুই দফায় প্রকাশ্যে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। 

এ সময় হামলাকারীরা মঞ্চের সামনে থাকা চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করেন এবং প্যান্ডেল খুলে ফেলেন। প্রতিবাদ করতে গিয়ে এনসিপির অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তবে ছাত্রদল এ ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে। 

গত শুক্রবার রাতে এবং শনিবার বিকেলে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের কুলিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের কুলিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রূপগঞ্জ উপজেলা এনসিপি ফল উৎসবের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর। ফল উৎসবকে ঘিরে শুক্রবার থেকে প্যান্ডেল ও মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল।

ওই দিন সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সুলতান মাহমুদের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন মঞ্চ ও প্যান্ডেল ভেঙে ফেলা হয় বলে এনসিপি অভিযোগ করেছে। ওই ভাঙচুরের পর স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ফল উৎসব সফল করার লক্ষ্যে আবারও প্রস্তুতি নেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা।

পরদিন শনিবার একদল হামলাকারী আবারও মঞ্চ এবং মঞ্চের সামনের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করেন। খুলে ফেলা হয় প্যান্ডেল। 

ঘটনার সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলায় এনসিপির রূপগঞ্জ উপজেলা যুগ্ম সদস্যসচিব ফারাবি হাসান, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুগ্ম সদস্যসচিব ইউসুফ মোল্লা, জাতীয় যুবশক্তি কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাতসহ এনসিপির অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে এনসিপি দাবি করেছে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উপস্থিত এনসিপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন,  নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সুলতান মাহমুদের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ফল উৎসবের প্যান্ডেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছেন। পুলিশের সামনেই তারা হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটান। 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘আমি এসব ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমার ব্যাপারে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহাফুজুর রহমান হুমায়ুন বলেন, ‘যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা আমাদের দলের কেউ না।’ 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সরকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, এনসিপির ফল উৎসবকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ‎

শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নেতা-কর্মীরা।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের প্রেমতলা এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পুরো মিছিলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে দেখানো হয়। ইতোমধ্যে ভিডিওটি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন লোক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি করা হয়। মিছিলের সামনে একজন জাতীয় পতাকা বহন করছেন এবং তার পেছনে ব্যানার হাতে নেতা-কর্মীরা সড়ক প্রদক্ষিণ করছেন। এ সময় তারা শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। 

পাশাপাশি শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর পক্ষেও স্লোগান দিতে শোনা যায়। পুরো মিছিলটি জেলা মোটরশ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পালং ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শেখ সেলিমের ফেসবুক আইডি থেকে সরাসরি দেখানো হয়। ইতোমধ্যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, বিষয়টি আমিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। দুপুরের দিকে প্রেমতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বিধান মজুমদার/রিফাত/

তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

দেশে চলমান চরম অর্থনৈতিক মন্দা, কর্মসংস্থানহীন বাজেট এবং জ্বালানি সংকটের কারণে তীব্র খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে ‘সৈনিক’ হিসেবে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

শনিবার (৬ জুন) দলের এক প্রয়াত নেতার স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

কৃষি খাতের সংকটের কথা উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিশ্ববাজারে সংকটের কারণে দেশে সার আমদানিতে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ, তেল ও সারের অভাবে শীতকালীন সেচ ও উৎপাদন ব্যাহত হলে দেশে তীব্র খাদ্য সংকট এবং দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। অর্থনৈতিক মন্দা ও সামাজিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশ চরম নৈরাজ্যের দিকে যাচ্ছে।’

দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের চরম অবনতির চিত্র তুলে ধরে জি এম কাদের বলেন, ‘মানুষ চাকরি হারাচ্ছে, মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির এবং সাধারণ মানুষের আয় সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ও তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, যা সামনে আরও বাড়বে। নতুন বাজেটে কর্মসংস্থানের কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। মানুষ যদি খেতে না পারে, কথা বলতে না পারে, তবে তারা কীভাবে বাঁচবে?’

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় পার্টির অতীত সুশাসনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির আমলে দেশে শান্তি ও সুশাসন ছিল, মানুষের জীবনযাত্রায় কোনো ভয়ভীতি বা অনিশ্চয়তা ছিল না। জনগণ আজ আবারও জাতীয় পার্টির সেই স্থিতিশীল শাসনের কথা মনে করছে।’

রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান অস্থিরতার মধ্যে দলীয় সাংগঠনিক অবস্থান জোরদার করার তাগিদ দিতে গিয়ে জাপা চেয়ারম্যান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জি এম কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন পরিষ্কারভাবে দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়ে গেছে। এক পক্ষ সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তান আমলের মতো সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, ভিন্ন মতাবলম্বীদের দোসর বা দালাল আখ্যা দিয়ে নাজেহাল করছে। তারা সাধারণ জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, নির্যাতিত মজলুম মানুষও এর বিরুদ্ধে আস্তে আস্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।’

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ সমস্ত ওয়ার্ড ও থানার কমিটিগুলো পুনর্গঠন করতে হবে এবং সেখানে তরুণ ও ত্যাগী নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিতে হবে।

মাঠপর্যায়ে সাতটি টিম কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি সামনের দিকে অনিশ্চিত ও অস্থির। এই পরিস্থিতিতে জনগণ জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের সুসংগঠিত সৈনিক প্রয়োজন। দেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের সংগ্রামে শামিল হতে হবে।’

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫
ছবি: খবরের কাগজ

লালমনিরহাটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোতালেব হোসেন এবং একটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষও রয়েছেন। 

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর জেলা শহরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হঠাৎ একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। মিছিলের পরপরই পুলিশ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। অভিযানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি মামলায় তারা অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন সুমন বলেন, ‘জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনস্বার্থে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বকুল/রিফাত/

জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন: বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন: বাংলাদেশ ন্যাপ
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) বলেছে, ২০ শতাংশ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করে তুলবে। একই সঙ্গে জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলটি।

শনিবার (৬ জুন) বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

তারা বলেন, ‘সরকারের বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অন্যায্য ও গণবিরোধী। ভোক্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, বিদ্যুতের মূল্যহ্রাসের জন্য গণশুনানির আয়োজন করা হোক। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিদ্যুতের মূল্য কমানোর বিকল্প পথের সন্ধান করা যেতে পারে। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে কোনো যৌক্তিক কারণে মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে তা বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু বিইআরসি ও সরকার সে পথে না হেঁটে মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার অনৈতিক, অযৌক্তিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘সম্প্রতি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে মানুষ নানামুখী চাপের মধ্যে রয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি শুধু গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করবে না, বরং এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জনজীবনের ওপরও পড়বে।’

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করে তারা বলেন, ‘চলতি বছরই সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। কিন্তু মাত্র তিন মাস পার হতে না হতেই সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা বৃদ্ধি করা হলো এবং বিদ্যুতের দামও প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হলো। এতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা চলছে।’

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে নেতৃদ্বয় বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জনমত উপেক্ষা করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি দেশবাসীকে হতবাক ও উদ্বিগ্ন করেছে। এরই মধ্যে সরকার দুবার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। এখন আবার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হলো। এর ফলে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্যও বেড়ে যাবে, যার চাপ সাধারণ মানুষের ঘাড়েই এসে পড়বে।’

দলটির নেতারা অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার অথবা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘জনগণের কল্যাণ ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তোলে- এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিরত থাকতে হবে।’

অমিয়/