রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হচ্ছে শনিবার (১৬ নভেম্বর)। এ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর যেসব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে তার মধ্যে বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে সফলতা অনেক বেশি। গত ১০০ দিনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুর শীর্ষেও ছিল বিচার বিভাগ। বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, এমনকি নিম্ন আদালতেও ব্যাপক কর্মতৎপরতা দেখা গেছে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের সার্বিক সহযোগিতা এবং নতুন প্রধান বিচারপতির উদ্যোগের কারণে সংস্কারের পথ অনেকটা সহজ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতির পরামর্শে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ব্যাপক রদবদল করে সরকার। এ ছাড়া বিগত সরকারের দোসর বিবেচনায় হাইকোর্টের বিতর্কিত বিচারপতিদের বিচারিক কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া, নিম্ন আদালতে বিচারক বদলির নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে ফেরাতে সংশ্লিষ্ট মামলা নিষ্পত্তি, কুইক রেন্টালের দায়মুক্তি অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেওয়াসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়। এসব উদ্যোগের অনেকটা সফলতাও এসেছে।
বিগত সরকারের প্রভাবিত বিচার বিভাগ নিয়ে বিতর্ক ছিল সব মহলে। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর সেই বিতর্ক কাটিয়ে বিচার বিভাগের মর্যাদা ফেরাতে প্রথম উদ্যোগ নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা। তারা বিতর্কিত বিচারপতিদের সরিয়ে সেখানে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন বিচারপতিদের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে যেতে বাধ্য হন। সেই সময়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সরকার পতনের পর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সরকারি বাসভবন ছেড়ে আত্মগোপনে যান।
৬ আগস্ট কয়েকজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেন। ৭ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এ এম আমিন উদ্দিন। পর দিন ৮ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান। ওই দিন সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৭ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। ওই দিনই নতুন সরকারের বৈধতা প্রশ্নে ভার্চ্যুয়ালি শুনানির মাধ্যমে বিশেষ মতামত (স্পেশাল রেফারেন্স) দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ আপিল বিভাগের ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ।
এর পর ১০ আগস্ট সকালে ফুল কোর্ট সভা ডাকেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি। বিষয়টি ৯ আগস্ট রাতের মধ্যেই ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়। ‘জুডিশিয়াল ক্যু’র পরিকল্পনায় এই সভা ডাকা হয়েছে অভিযোগ করে পর দিন সকালে বিক্ষোভে উত্তাল হয় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণসহ আশপাশের এলাকা। বৈষম্যবিরোধী হাজারও ছাত্র সকাল ৯টার মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের দোসর উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সব বিচারপতি এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিতর্কিত বিচারপতিদের দুপুরের মধ্যে পদত্যাগের আলটিমেটাম দেন। অবশেষে আন্দোলনের মুখে বিকেলে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের ৬ বিচারপতি পদত্যাগে বাধ্য হন।
নাটকীয় ঘটনার দিন: ১০ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত ঘিরে দিনভর নাটকীয় ঘটনার সংবাদ আসতে থাকে। প্রধান বিচারপতি সকালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে ফুলকোর্ট সভা আহ্বান করলেও আন্দোলনকারীরা ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়ার পর তা স্থগিত করা হয়। কিন্তু তাতেও শান্ত হননি বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা। তারা আপিল বিভাগের সব বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাও করেন। দাবি মানা না হলে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ঘেরাওয়েরও হুঁশিয়ারি দেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। আন্দোলন চলাকালে দুপুরের পর বিচারপতি ওবায়দুল হাসান পদত্যাগ করেছেন বলে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় খবর দেন অন্তর্বতী সরকারের আইন ও বিচার উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এরপর বেলা আড়াইটার দিকে আন্দোলনকারীরা সুপ্রিম কোর্ট এলাকা ছেড়ে চলে যান। সন্ধ্যার পর আপিল বিভাগের আরও পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। রাতেই প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। দেশে হাইকোর্টের কোনো বিচারপতি আপিল বিভাগে অন্তর্ভুক্ত না হয়ে সরাসরি প্রধান বিচারপতি হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। আইনগত কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকলেও আগে এমনটা ঘটেনি। সাধারণত আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকেই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে এক দিন পর আপিল বিভাগে আরও চার বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আগের সব আইন কর্মকর্তা বাদ: যারা পদত্যাগ করেননি, সেসব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি), সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের (এএজি) নিয়োগ বাতিল করে সবশেষ ২৮ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে আরও ৬৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও ১৬১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) নিয়োগ দেয় সরকার। এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল, ৩ জন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও ৯ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলসহ মোট ২৪০ জনকে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিচারক রদবদল: অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর আগস্ট মাসে বিচার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। তবে ৯ সেপ্টেম্বর ব্যাপক রদবদল করা হয়। ওই এক দিনেই অধস্তন আদালতের ২৫২ জন বিচারককে বদলি করা হয়। একই দিন আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ ছাড়া যুগ্ম সচিব (প্রশাসন-১) মো. গোলাম রব্বানীকে আইন সচিবের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুনদের পদায়ন করা হয়।
২৩ অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ: হাইকোর্টের বিতর্কিত বিচারপতিদের সরিয়ে দিতে একদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের দাবি অব্যাহত ছিল, অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের বিএনপি-জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের বিক্ষোভ চলছিল। এর একপর্যায়ে গত ৯ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে ২৩ জনকে নিয়োগ দেয় সরকার।
১২ বিচারপতি বিচারিক দায়িত্বের বাইরে: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে গত ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের ১২ জন বিচারপতিকে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। আগের দিন ১৬ অক্টোবর বিকেলে হাইকোর্টের বর্ধিত ভবনের সামনে বিক্ষোভের স্থানে উপস্থিত সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের যে দাবি, আপনাদের যে লিডার, তারা আমার চেম্বারে বসেছিলেন। আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি। পরবর্তী পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি। সঙ্গে দুজন সহকর্মী ছিলেন। আপনারা জানেন, বিচারপতির পদত্যাগ বা অপসারণ- এটার একটা প্রক্রিয়া আছে। বর্তমানে দেশে এ-সংক্রান্ত কোনো আইন বিদ্যমান নেই। বিগত সরকার সংসদের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল। একটা সংশোধনী হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সেটা বাতিল করে দিয়েছেন। সেটা আবার সরকার রিভিউ আকারে পেশ করেছে। রবিবার (২০ অক্টোবর) সেটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগে শুনানির ১ নম্বর আইটেমে রাখা হয় সেটি।’ এ ঘোষণায় আশ্বস্ত আন্দোলনকারীরা হাইকোর্ট এলাকা ছাড়েন।
এই ঘোষণার আগে প্রধান বিচারপতি ওই ১২ বিচারপতিকে চায়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন। তারা হলেন- বিচারপতি আতাউর রহমান খান, বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস, বিচারপতি খিজির হায়াত, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান, বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলন।
সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ মতামতে যা আছে: গত ২১ অক্টোবর একটি জাতীয় পত্রিকায় শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এ নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কোথাও কোথাও অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পরে ওই দিনই রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেখ হাসিনার পদত্যাগ, দেশত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক বৈধতার ওপর যত ধরনের প্রশ্ন জনমনে উদ্রেক হয়েছে সেগুলোর যাবতীয় উত্তর স্পেশাল রেফারেন্স নং-০১/২০২৪-এ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গত ৮ আগস্ট-২০২৪-এর আদেশে প্রতিফলিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত চাওয়া হয় রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ আপিল বিভাগের সাতজন বিচারপতি অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পক্ষে মতামত দিয়ে স্পেশাল রেফারেন্স প্রদান করেন। স্পেশাল রেফারেন্সে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতি বলেন, দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিগত ৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়েছেন, সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৩) অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করা সম্ভবপর নয়।
সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করার বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে ৮ আগস্ট ১০.০০.০০০০.১২৭,৯৯.০০৭.২০.৪৭৫ নম্বর স্মারকে প্রেরিত পত্রে বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত জনগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত যাচাই করা হয়েছে।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের কোনো বিধান না থাকায় উল্লিখিত প্রশ্নের বিষয়ে “বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ‘উপদেশমূলক’ এখতিয়ার প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই মতামত প্রদান করছে যে, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার নিমিত্ত অন্তর্বর্তীব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টা নিযুক্ত করতে পারবেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি উক্ত রূপে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাকে শপথবাক্য পাঠ করাতে পারবেন।”