ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার যাচ্ছেন আজ মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর মুগ্ধতা ছড়ানো ৭ ছবি রোকনপুর সীমান্তে নদীপথে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাসে গণশুনানি অনুষ্ঠিত বরিশালে ইজিবাইক ও অটোরিকশার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গণমুখী বাজেট উপস্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ফিনল্যান্ড বিএনপির অভিনন্দন রাঙ্গুনিয়ায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভ্যানগাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ সাম্বার ছন্দে থেমে যাবে আটলাসের গর্জন? লাইসেন্স বাতিলে আদ্-দ্বীন ছাড়ছেন রোগীরা রাজশাহী ফুটবলপ্রেমীদের রঙিন শোভাযাত্রা ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কে ‘জলপরী’ প্রদর্শনী নিয়ে বিতর্ক চা শ্রমিকের সন্তানদের মধ্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ চট্টগ্রামে সরকারি খামারে প্রাণীর খাদ্য সরবরাহ বিশেষ চক্রের কাছে জিম্মি রাষ্ট্রীয় ব্যয় ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার গৌরীপুর ও মুক্তাগাছায় পানির প্রকল্প: ২ বছরে অগ্রগতি মাত্র ২০ শতাংশ রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের দাবি ইউক্রেনের সাম্বার অপেক্ষায় বিশ্ব অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস আমন্ত্রণে শিক্ষা ও গবেষণা সম্প্রসারণে ১৪ দিনের সফরে বেরোবি উপাচার্য জাকসু ভিপি ও জিএস: ছাত্রত্ব শেষে পদে বহাল থাকা নিয়ে বিতর্ক রমনার বন আসরা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ১৪ জুন ১৩ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৩ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল অর্থবিল বিশ্লেষণ: পার পাচ্ছেন সম্পদশালীরা হাকিমি: আফ্রিকার আশা, মরক্কোর প্রাণ ভিনিসিয়ুস: এবার হলুদ জার্সিতে প্রমাণের পালা প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর
Nagad desktop

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা এমপাওয়ার ফাইন্যান্সিংয়ের

প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:৫৫ পিএম
আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২৪, ০৫:০১ পিএম
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা এমপাওয়ার ফাইন্যান্সিংয়ের
ঢাকার গুলশানের ইএমকে সেন্টারে এমপাওয়ার ফাইন্যান্সিং ও ইউএস কমার্শিয়াল সার্ভিস আয়োজিত অনুষ্ঠানে কর্মকর্তারা। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিতে সহায়তা করে আসছে এমপাওয়ার ফাইন্যান্সিং। দেশটিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এমপাওয়ার ফাইন্যান্সিং ও ইউএস কমার্শিয়াল সার্ভিস ঢাকার গুলশানের ইএমকে সেন্টারে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আর্থিক চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে এমপাওয়ার ফাইনান্সিং শিক্ষার্থীদেরকে কীভাবে সহায়তা করে চলেছে সে বিষয়ে অনুষ্ঠানে আলোচনা করা হয়।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।  

এমপাওয়ার ফাইন্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা অনুমোদনের হার অন্যান্যদের/আঞ্চলিক গড়ের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা করে চলেছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এমপাওয়ার ফাইন্যান্সিং গ্যারান্টার বা জামানতের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত উপার্জনের সম্ভাবনার দিকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাঋণ দিয়ে থাকে। বিদেশে পড়াশোনা শুরু করার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এমপাওয়ার ফাইনান্সিং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাঋণ ছাড়াও বিনামূল্যে তহবিল ডকুমেন্টেশন, ভিসা নির্দেশিকা এবং চাকরি পেতে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে, অর্থায়নের জটিলতা ও ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে শিক্ষার্থীরা ইউএস কমার্শিয়াল সার্ভিস অ্যান্ড ‘এডুকেশনইউএসএ’ ও এমপাওয়ার ফাইনান্সিং-এর বিশেষজ্ঞ ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পায়।

ঢাকায় নিযুক্ত ইউএস কমার্শিয়াল সার্ভিসের সিনিয়র কমার্শিয়াল অফিসার জন ফে বলেন, ‘এমপাওয়ার ফাইনান্সিং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করছে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে ভূমিকা রাখছে।’

এমপাওয়ারের ডিজিটাল মার্কেটিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডানকান মস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিতে আগ্রহী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়ে আমরা আনন্দিত। এই ইভেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক বা ভিসাজনিত সমস্যা তাদের স্বপ্ন পূরণে বাধা হতে না পারে, সেজন্য সঠিক তথ্য প্রদান করাই এমপাওয়ারের মূল লক্ষ্য।’ বিজ্ঞপ্তি

মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাসে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২১ এএম
মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাসে গণশুনানি অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ দূতাবাস, মানামায় বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার এনডিসির সভাপতিত্বে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) মানামায় বাংলাদেশে দূতাবাসের হল রুমে এ গণশুনানি হয়। 

এ অনুষ্ঠানে সাধারণ প্রবাসীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতাসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার, এনডিসি তার বক্তব্যে গণশুনানিতে উপস্থিত সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, গণশুনানির মাধ্যমে দূতাবাস সরাসরি প্রবাসী কর্মীদের সমস্যা সর্ম্পকে অবহিত হতে পারবে। দূতাবাসের কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে প্রবাসীদের গঠনমূলক পরামর্শ দূতাবাসের সেবার মানকে আরও ত্বরান্বিত করবে। এছাড়া, তিনি কোন সমস্যা হলে সরাসরি দূতাবাসের অফিসার দের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। 

রাষ্ট্রদূত সকলকে বাহরাইনের আইন কানুন মেনে চলা এবং বৈধভাবে এই দেশে অবস্থান করার অনুরোধ জানান। বিদেশের মাটিতে কারও দ্বারা যেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখার পাশাপাশি বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণ করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

এ গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মহোদয়ের নিকট সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। 

এ সময় দূতাবাসের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রশ্নের তাৎক্ষণিক সমাধান দিয়েছেন। প্রবাসীরা তাদের প্রস্তাবনা, মতামত, অভিযোগ, পরামর্শ সরাসরি ই-মেইলে ([email protected]) পাঠাতে পারবেন।

অন্তরা/

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও পরিবেশ বিষয়ক ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ১০ ও ১১ জুন ২০২৬ তারিখে দু’দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 
পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, র‌্যালি, স্পোগোমি টুর্নামেন্ট, গোলটেবিল আলোচনা এবং বিইউএফটি ও চারটি পরিবেশবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান। এতে সভাপতিত্ব করেন মনোনিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মোহাম্মদ নাছির, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন, প্রাণ-প্রকৃতি পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল জলিল, রেজিস্ট্রার মো. রফিকুজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা।

অন্তরা/

আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন
আলহাজ আব্দুল মোনেম-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ আব্দুল মোনেম-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

আব্দুল মোনেম ২০২০ সালের ৩১ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

দেশের অবকাঠামো নির্মাণে তার প্রতিষ্ঠান অনন্য অবদান রেখেছে। নির্মাণ খাতের পাশাপাশি তিনি খাদ্য, পানীয় এবং ওষুধ শিল্পের মতো বিভিন্ন খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন।

পেশায় প্রকৌশলী আব্দুল মোনেম ১৯৩৭ সালের ৫ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। এই দূরদর্শী উদ্যোক্তা ১৯৫৬ সালে আব্দুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) প্রতিষ্ঠা করেন।

বিজ্ঞপ্তি/

সুশাসন জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং টেকসই মূলধন কাঠামো গঠনের অঙ্গীকার ইউসিবির

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
সুশাসন জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং টেকসই মূলধন কাঠামো গঠনের অঙ্গীকার ইউসিবির
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত অনুমোদনে ব্যাংকের সুশাসন জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং টেকসই মূলধন কাঠামো গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) সকাল ৯টায় রাজধানীর কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত এজিএমে সভাপতিত্ব করেন ইউসিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শরীফ জহীর। সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ভাইস-চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন, পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মো. তানভীর খান, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ইমাম হাসান এফসিএ, স্বতন্ত্র পরিচালক ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও ফারুক আহাম্মদ, এফসিএ ।

সভায় জানানো হয়, নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২০২৫ সালে ইউসিবি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এই সময়ে ব্যাংকটি তার ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৩ শতাংশ আমানত প্রবৃদ্ধি অর্জন করে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের গড় প্রবৃদ্ধির (১১ শতাংশ) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এর ফলে ব্যাংকের মোট আমানত প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৮,৩৯৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয় এবং একই সময়ে প্রায় ৬ লাখ ৭৮ হাজার নতুন গ্রাহক হিসাব যুক্ত হয়।

দক্ষ ব্যালান্স শিট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ব্যাংকটি তার ঋণ-আমানত অনুপাত ৯১.৩ শতাংশ থেকে ৮৩ শতাংশে নামিয়ে এনে তারল্য অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে। ঋণ ও অগ্রিম খাতে ৮ শতাংশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি খেলাপি বা রাইট-অফ ঋণ থেকে প্রায় ১১৪ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় তিনগুণ। নতুন নিয়ন্ত্রক নীতিমালার কারণে এক পর্যায়ে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ১৯ শতাংশে পৌঁছালেও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের বিশেষ তৎপরতায় তা প্রায় ৪ শতাংশ কমিয়ে ১৫.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

ইসলামি ব্যাংকিং কার্যক্রমেও অসাধারণ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যেখানে আমানত ১৬৩ শতাংশ এবং বিনিয়োগ ১৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ইউসিবির এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম প্রথমবারের মতো মুনাফার মুখ দেখেছে এবং সুশৃঙ্খল ব্যয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অন্যান্য পরিচালন ব্যয় প্রায় ৯৭ কোটি টাকা হ্রাস করা হয়েছে। মাত্র ৩ শতাংশ জনবল বৃদ্ধি করেই এই অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত খাতে দেশের প্রথম মাইক্রোসার্ভিসভিত্তিক ‘ওপেন এপিআই ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম’ এবং ইউসিবি ওয়ান অ্যাপ চালুর মাধ্যমে ইউসিবি তার ডিজিটাল সক্ষমতা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যার ফলে বর্তমানে ব্যাংকের মোট লেনদেনের প্রায় ৬৫ শতাংশই ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ইউসিবির সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। 

সভা শেষে কোম্পানি সেক্রেটারি তানভীর এ সিদ্দিকী এফসিএ শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সহযোগিতা ও আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পরে চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে তিনি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

সুশাসন জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং শক্তিশালী মূলধন কাঠামোর মাধ্যমে একটি টেকসই ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের মধ্যে দিয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা শেষ হয়।

আমান/

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা
জাকিয়া সুলতানা। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক বা পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাকিয়া সুলতানা।

বুধবার (১০ জুন) প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নিয়োগটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের স্থলাভিষিক্ত হয়ে মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন জাকিয়া সুলতানা। অন্যদিকে মাস্টারকার্ডে দীর্ঘ ১৩ বছরের দায়িত্ব পালন শেষে সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল চলতি বছরের শেষ দিকে অবসরে যাচ্ছেন।

গত এক দশকের বেশি সময় তিনি বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দেশের ডিজিটাল পেমেন্টস ইকোসিস্টেমের ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। তার সেই অবদানের ভিত্তিতেই মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম ও অংশীদারত্বের পরবর্তী ধাপকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন জাকিয়া।

২০১৫ সাল থেকে মাস্টারকার্ডের সঙ্গে কাজ করে আসছেন জাকিয়া সুলতানা। সর্বশেষ মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার সহযোগিতায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবসা সম্প্রসারণসংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি এবং অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করেছে।

নতুন দায়িত্বে জাকিয়া সুলতানা বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবেন। ডিজিটাল পেমেন্টসের ব্যবহার আরও বিস্তৃত করা, গ্রাহক ও ইকোসিস্টেম অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সংযুক্ত পেমেন্টস পরিবেশ গড়ে তোলা হবে তার অগ্রাধিকার। তিনি বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সান্দুন হাপুগোদাকে রিপোর্ট করবেন।

মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়া ডিভিশন প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল বলেন, ‘দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর এবং উদ্ভাবনী পেমেন্ট সল্যুশনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে বাংলাদেশ মাস্টারকার্ডের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চ সম্ভাবনাময় একটি বাজার। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। জাকিয়া সুলতানার নিয়োগ উচ্চ সম্ভাবনাময় বাজারগুলোয় স্থানীয় নেতৃত্বকে আরও ক্ষমতায়নের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বাংলাদেশের বাজার সম্পর্কে তার গভীর জ্ঞান এবং শক্তিশালী ইকোসিস্টেম-ভিত্তিক সম্পর্ক আমাদের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং দেশজুড়ে অংশীদারত্ব আরো গভীর করতে সহায়ক হবে।’

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন একটি সময়ে এ দায়িত্ব নিতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের গ্রাহক, অংশীদার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করে আমরা নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী পেমেন্ট সমাধান প্রদান অব্যাহত রাখব, যা দেশের ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, টেলিযোগাযোগ, আর্থিক সেবা এবং বৃহৎ পরিসরের রূপান্তরমূলক কর্মসূচিতে জাকিয়া সুলতানার ২৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক চালু করা, দ্রুত বর্ধনশীল কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা ও পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন খাতে তার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বিকাশমান পেমেন্টস ইকোসিস্টেমে আরও গভীর সহযোগিতা ও সমন্বয় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জাকিয়া সুলতানা কর্মজীবন শুরু করেন গ্রামীণফোনে প্রজেক্ট অ্যান্ড চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট বিভাগে। পরবর্তীতে প্রায় এক দশক এয়ারটেলে হেড অব অপারেশনাল এক্সেলেন্স (পিএমও ও কিউএ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি বাংলালিংকের ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন এবং এয়ারটেল ও বাংলালিংক উভয় প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব ও বোর্ড-পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া তিনি এইচএসবিসিসহ শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

অন্তরা/