ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মা-মেয়ে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’ টিভিতে আজকের খেলা হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে স্কটল্যান্ড র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফের অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির বাংলাদেশ নারী দলের টি-টোয়েন্টি অভিযান আজ শুরু বিশ্ববাজারে কেন কমছে সোনার দাম? হাতিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার দুপুরের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা কোন চিহ্ন দেখে নবিজিকে চিনেছিলেন সালমান (রা.) নিজের বিরুদ্ধেও অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের আহ্বান এমপি মুশফিকুর রহমানের মরক্কো-ব্রাজিল দ্বৈরথে কাঁপল মেটলাইফ, গ্যালারিতে ৮০ হাজারের মহাসমুদ্র! চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে যুবক আটক, বিএসএফের মারধরের অভিযোগ রংপুরে চিকিৎসককে মারধর: মায়ের মরদেহ পেতে কান ধরে উঠবস যুবকের সিলেট সিটি করপোরেশনে চলতি বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে: সিসিক প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু সুবর্ণচরে নারীকে পিটিয়ে পদ হারালেন যুবদল নেতা সেনবাগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের মধুখালীতে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই ‘রোদে লিচু পোড়ায় ক্ষতির মুখে চাষি-ব্যবসায়ী’ প্রস্তাবিত বাজেটে বিএনপির নেতা-কর্মীরা খুশি ‘ফেবারিট’ তুরস্কের সামনে আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রেলিয়া পরিদর্শন নেই, অরক্ষিত রেলপথ বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
Nagad desktop

উখিয়া-টেকনাফে ভোটের লড়াই জমজমাট, কড়া নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
উখিয়া-টেকনাফে ভোটের লড়াই জমজমাট, কড়া নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
নিরাপত্তা জোরদারে টহল বৃদ্ধি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: খবরের কাগজ

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সমানতালে ভোটের লড়াই চলছে। নির্বাচনি মাঠে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ইয়াবা কারবারিদের প্রকাশ্য তৎপরতা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, উখিয়া ও টেকনাফে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা চোখে পড়ছে না।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ৮২৫ জন। এর মধ্যে টেকনাফ উপজেলায় ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৬৫৫ জন এবং উখিয়া উপজেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ১৭০ জন। টেকনাফে মোট ৬১টি এবং উখিয়ায় ৫৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।

এ আসনে শুরুতে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে একজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বর্তমানে চারজন প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের নুর আহমদ আনোয়ারী (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের নুরুল হক (হাতপাখা) এবং এনডিএমের সাইফুদ্দিন খালেদ (সিংহ)। এর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের ঘিরেই মূল রাজনৈতিক আলোচনা কেন্দ্রীভূত। স্থানীয়ভাবে এই দুই প্রার্থীকে সমান শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে টেকনাফ উপজেলায় প্রশাসন ভোট কেন্দ্র গুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত না করলেও অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ১৯টি কেন্দ্রকে চিহ্নিত করেছে। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, টেকনাফ পৌরসভা, সাবরাং, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও সদর ইউনিয়নের অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন, নজরদারি বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।

ছবি: খবরের কাগজ

প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও পুলিশের সমন্বয়ে প্রায় ৬০০ জন সদস্য নিয়ে যৌথ বাহিনী মাঠে কাজ করছে।

যৌথ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করছেন এবং নির্বাচনি এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এই সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার রাখা হবে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের প্রকাশ্য তৎপরতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে টেকনাফ উপজেলার টেকনাফ পৌরসভা, সদর, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও সাবরাং ইউনিয়নে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত মাদক কারবারিদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এসব এলাকার একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিকে বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে। তারা মিছিল, সভা ও নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও তাদের প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ ভোটারদের ওপর চাপ সৃষ্টির ঘটনাও ঘটছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

এই পরিস্থিতি দেখে স্থানীয় সাধারণ মানুষ গভীর হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের এমন প্রকাশ্য সম্পৃক্ততা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। একই সঙ্গে এতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার ঝুঁকিও বাড়ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ৯ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যাম্পের বাইরে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ সময় রাজনৈতিক সভা, মিছিল বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশ নিলে নিবন্ধিত কার্ড বাতিলসহ কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের যোগসাজশে কিছু ভোটকেন্দ্র এখনও ঝুঁকিতে রয়েছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও আলোচিত-সমালোচিত আবদুর রহমান বদির পরিবারের সদস্য এবং তার ঘনিষ্ঠ অনুসারীদের কারাগার থেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিচ্ছেন এবং ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অপরদিকে, টেকনাফ উপজেলায় আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নিতে দেখা যায়নি। মামলা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে তারা আপাতত নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছেন। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অধিকাংশ নেতাকর্মীরা বর্তমানে এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন।

কক্সবাজার-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, সারা দেশের মানুষ বিএনপির ওপর ভরসা রাখে। উখিয়া-টেকনাফের মানুষ নাফ নদী ও পাহাড়ে যেতে পারছে না। এসব সমস্যার সমাধান বিএনপি ছাড়া আর কেউ করতে পারবে বলে জনগণ মনে করে না। যোগ্যতার কারণে মানুষ বিএনপি ও ধানের শীষকে বেছে নিয়েছে। আমি দেখছি, ভোটাররা অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। উখিয়া-টেকনাফে বিএনপির বড় সংগঠন রয়েছে। আমার নেতাকর্মীরাই আমার জন্য ভোট করবে। ভোট কারচুপির কোনো সুযোগ নেই। কেউ কারচুপির চেষ্টা করলে পরিস্থিতি রক্তক্ষয়ী হতে পারে।

শাহজাহান চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলেই আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে, যেন বিশ্ব দেখতে পায় বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আমি ভোট ডাকাতি করে এমপি হইনি, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র তেমন দেখছি না। তবে টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়া একটি অপরাধ, সেটিও বন্ধ হওয়া উচিত।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে থাকবে নিরাপত্তা বাহিনীর ৬০০ সদস্য। ছবি: খবরের কাগজ

অন্যদিকে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনের জন্য আমরা প্রার্থী ও কর্মীরা আমাদের মতো প্রস্তুতি নিয়েছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের মতো প্রস্তুত। তবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হবে কিনা এবং শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠু ভোট হবে কিনা, তা নিয়ে আমাদের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে।

তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কিছু কেন্দ্রের তথ্য আমরা সরকারকে দিয়েছি। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও এমন তথ্য দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্তরিক হলে সুষ্ঠু ভোট আশা করা যায়। তবে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দূর করতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা উল্লেখ করে নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, এখানে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তাদের যোগসাজশ আছে। খুন, গুমসহ নানা অপরাধ ঘটছে। যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। তাই সরকার ও প্রশাসন যেন উখিয়া-টেকনাফে বিশেষ নজর দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা নেয়।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।   

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী ও উলুচামরি এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আনোয়ার প্রকাশ লেড়ায়া ডাকাতের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী একাধিক ফাঁকা গুলি ছুড়ে। পরে নৌবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

শাহীন/মাহফুজ

 

চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মা-মেয়ে হত্যা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মা-মেয়ে হত্যা
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড চেনামতি গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

নিহত ব্যক্তিরা হলেন, ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। নিহত প্রিয়ন্তী মাহাতা পাঠনিকোটা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আনোয়ারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ জানান, 'হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।'

ইফতেখারুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ছুরিকাঘাতে নিহত আরিফ বেপারীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানোর উদ্দেশ্যে উদ্ধার করা হচ্ছে। —ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আরিফ বেপারী (৩০) কে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে মুন্সীগঞ্জ সদরের পূর্ব শিলমন্দি জসিমনগর এলাকায় বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত জমিতে আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। 

নিহত আরিফ স্থানীয় হাট-বাজারে কসাইয়ের কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, স্থানীয় নুর মহোম্মদ নামের আরেক কসাইয়ের সঙ্গে টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিলো আরিফের ছোট ভাই আকাশের সঙ্গে । এ নিয়ে গতকাল শনিবার সকালে দুই পক্ষ মুন্সিরহাট বাজারে সংঘর্ষে জড়ায়।

স্বজনদের অভিযোগ আকাশকে না পেয়ে প্রতিপক্ষ ও তার লোকজন তার ভাই আরিফকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ ও ক্রাইম  জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। শরীরে একাধিক আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার শেষে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

মঈনুদ্দিন আহমেদ/আজহার/

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফের অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফের অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস রোড থেকে আবারও এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার কেওয়াটখালী ব্রিজ-১ সংলগ্ন এলাকায়, মাওয়ামুখী লেনের সার্ভিস রোডে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, তাৎক্ষণিক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

এর আগে গত ১২ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই এক্সপ্রেসওয়ের কামারখোলা এলাকায় সার্ভিস রোডে এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। পরে তাকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ উভয় ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে।

সুমন/খাদিজা রুমি/

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:০৫ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির
ছবি: খবরের কাগজ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার জয়নগর সীমান্ত দিয়ে ১১ জন বাংলাভাষী ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির তৎপরতা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরে তাদেরকে সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

রবিবার (১৪ জুন) ভোরে দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট সংলগ্ন ৭৭ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ভোর প্রায় ৪টার দিকে সীমান্তের ভারতীয় অংশে ১১ জন বাংলাভাষী ব্যক্তিকে জড়ো করে বিএসএফ। তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা যায়। বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয় বিজিবি সদস্যরা। এ সময় স্থানীয় গ্রামবাসীরাও বিজিবির সঙ্গে অবস্থান নেন।

বিজিবির কঠোর অবস্থান ও স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে শেষ পর্যন্ত পুশইনের পরিকল্পনা থেকে সরে আসে বিএসএফ। পরে জড়ো করা ১১ জনকে শূন্যরেখা এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, বিএসএফের পক্ষ থেকে ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজিবি তা প্রতিহত করেছে। পরবর্তীতে তাদেরকে সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মিজানুর রহমান/খাদিজা রুমি/ 

হাতিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
হাতিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১২) ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ও তাদের পেষোয়াদের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ভুক্তভোগীর পরিবারটি। 

গত কয়েক মাস আগে এই ঘটনা ঘটলেও ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি তারা। 

শনিবার (১৩ জুন) ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মায়ের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণসহ একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলমকে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা ও ভাই জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নাবান্নার কাজ করত। সে সুবাদে কিশোরীও সেখানে মাঝে মধ্যে যাতায়াত করতো। 

ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, সে যখন স্কুলে বা বিকালে দোকানে যেতো, তখন খোরশেদ আলম তদন্ত কেন্দ্রের পাশের রাস্তার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে প্রায়ই বাসার তিনতলার ব্যালকনি থেকে ডাকতেন। প্রথম দিকে ভুক্তভোগী ভয়ে যেতো না। পরবর্তীতে বাসার ঘর ঝাড়ু দেওয়া, কাপড় ধোয়া এবং বিছানা ঠিক করার অজুহাতে ডেকে নেওয়া হতো। বাসায় ডেকে নিয়ে খোরশেদ আলম তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। কিশোরী এতে বাধা দিলে তাকে ও মাকে একেবারে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ধর্ষণের পর তাকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য ৫০০ বা ১০০০ টাকা দিয়ে বিদায় করা হতো এবং 'মোবাইল' কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হতো। 

লোকলজ্জা ও সামাজিক মানসম্মানের ভয়ে ভুক্তভোগী প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানায়নি উল্লেখ করে বলেন, সর্বশেষ ৫ জানুয়ারি বিকালে কিশোরীর মা খোরশেদ আলমের বাসার দরজার সামনে গিয়ে ভুক্তভোগীকে ডাকলে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধমক দিয়ে বাথরুমে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য করেন এবং তার মাকে মিথ্যা কথা বলে বিদায় করে দেন। পরবর্তীতে রাতে মা তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে কিশোরী সব সত্য ঘটনা খুলে বলেন। 

কিশোরীর মা বলেন, আমার মেয়েকে ধর্ষণের বিষয়টি আমরা পুলিশের হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে জানিয়েছিলাম। এ বিষয়ে তার কাছে লিখিত জবানবন্দিও দিয়েছি। কিন্তু তিনি টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়েছেন। স্থানীয় রাকিব ও স্বর্ণকার কবির নামে দুই জন পুলিশের পক্ষ নিয়ে আমাদের থেকে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছিল। আমরা এখন ভয়ে বাড়িতে যেতে পারি না। গত চার মাস ধরে আমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি। 

তবে অভিযোগের বিষয়ে আইসি খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানা যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন,  অনেক আগে এ ধরনের একটি অভিযোগ উঠেছিল। তখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তা একটি তদন্ত করেছিলেন। তদন্তে এর সত্যতা মেলেনি বলে জানতে পেরেছি। কিন্তু রবিবার (১৪ জুন) আবার এই ধরনের একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বর্তমানে কোনও লিখিত কিংবা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী কিশোরী কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকেও আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।

নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনা সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

সাকিব/খাদিজা রুমি