বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ ঘটনার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
এর আগে গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের গুলিয়াখালী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- আবু মুসা হাওলাদার, রাকিবুল ইসলাম খলিফা ও সালমা বেগম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. মেহেদী হাসান বলেন, গুলিয়াখালী গ্রামের আ. সালাম হাওলাদারের ছেলে আবু মুসা হাওলাদার তার কবলাকৃত সম্পত্তিতে বাড়িঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু ওই সম্পত্তির কাল্পনিক দাবিদার সেজে একই এলাকার সালে আহম্মদ গাজী ও তার লোকজন বিভিন্ন সময় জবরদখলের চেষ্টা, হুমকি-ধমকি ও হয়রানি করে আসছেন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন (৩ জুন) বুধবার সকালে আবু মুসা হাওলাদার তার স্ত্রীকে নিয়ে বসতবাড়ির ঘেরা বেড়া দিচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ সালে আহম্মদ গাজী ও তার লোকজন লোহার রড, দা, শাবল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করে জীবননাশের হুমকি-ধমকি দিতে থাকে এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।
এ সময় আবু মুসার স্ত্রী সালমা বেগম তাদের গালমন্দ করতে নিষেধ করলে প্রতিপক্ষের লোকজন একযোগে হামলা চালান। তারা আবু মুসা হাওলাদারকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। এ সময় সালমা বেগমের ভাতিজা রাকিবুল ইসলাম খলিফা তার ফুফুকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করে আহত করা হয়।
আহতদের ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুর রহমান বলেন, “আমি এ ঘটনার কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রিফাত মাহামুদ/অমিয়/