ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত হান্নানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তথ্য ফাঁস, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি! দোয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কটাক্ষের শিকার আনুশকা কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে বলাৎকার, ওয়ার্ডবয় আটক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঠেকালো বিজিবি, বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পুশইনের আশঙ্কা: বিজিবির নজরদারি জোরদার দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব ও বুবলী হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের গোপন সভা, গ্রেপ্তার ২ রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক ভেঙে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ,ভরসা বাঁশের সাঁকো বরগুনায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত
Nagad desktop

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত, আহত ২

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত, আহত ২
ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে দিগুড়া আইল্যান্ডের একটি নির্মাণাধীন কোম্পানির লেবার কোয়ার্টারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূরনবী সরকার।

আহতরা হলেন- জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।

শুক্রবার মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে সেহরি খাওয়ার জন্য রান্না করতে গেলে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর লেবার কোয়ার্টারে থাকা ৩৮ জন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ৭ জন গুরুতর অগ্নিদ্বগ্ধ হয়। এসময় বাকিরা অন্য রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ জানান, ‘পাঁচজন প্রবাসী ভাইকে হারিয়ে আমরা খুবই মর্মাহত। আহত দুইজনের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে এবং অপরজনকে ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।’

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে বর্তমানে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল ওই দ্বীপে অবস্থান করছেন। একই সঙ্গে যারা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন তাদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
 
মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার ফলে মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

রিফাত/

অস্ট্রেলিয়ার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
অস্ট্রেলিয়ার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভিক্টোরিয়ার ওয়েরিবি ম্যাসনিক সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- অস্ট্রেলিয়া বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এ. এস. এম. তৌহিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোহাম্মদ হায়দার আলী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা) মোহাম্মদ ফেরদৌস অমি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি ভিক্টোরিয়ার আহ্বায়ক মোহাম্মদ আরিফ খান এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর শরীফ শিহান দোয়া সঞ্চালনায় ছিলেন মোহাম্মদ হাফেজ মাহমুদ যুগ্ম আহ্বায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভিক্টোরিয়া।

আলোচনা সভায় আরোও বক্তব্য রাখেন পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভিক্টোরিয়া শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ তেলাল খান পল, সদস্য মোঃ বদিউজ্জামান শিপন, সদস্য মোঃ রাশিদুল আমিন, সদস্য মোহাম্মদ সিমন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ভিক্টোরিয়া শাখার আহ্বায়ক মোঃ রহমত উল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভিক্টোরিয়া শাখার আহ্বায়ক আরিফ খান।
আলোচনা সভায় বক্তারা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদান, জাতীয়তাবাদী আদর্শ এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গঠনে তার ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহীদ জিয়ার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আপ্যায়নের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে ভিক্টোরিয়ায় বসবাসরত বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

এসএন/বিজ্ঞপ্তি

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের ২ যুবক নিহত

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের ২ যুবক নিহত
নিহত হারুন ও রাসেল। ছবি: সংগৃহীত

‎সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী এলাকার দুই প্রবাসী যুবক হারুন ও রাসেল নিহত হয়েছেন। তারা প্রতিবেশী ছিলেন।

‎সোমবার (১ জুন) দুর্ঘটনার খবর দেশে পৌঁছালে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন হারুন ও রাসেল। রবিবার (৩১ মে) রাতে তারা রাজধানী রিয়াদের একটি সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় একটি উটের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এতে তারা মোটর সাইকেল থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

‎নিহত হারুনের বাবা তছলিম উদ্দীন ছৈয়াল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে বিদেশে গিয়ে আমাদের স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করছিল। আজ সে লাশ হয়ে ফিরবে এটা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। সরকারের কাছে অনুরোধ, দ্রুত যেন মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়।

‎এলাকাবাসী জানান, হারুন ও রাসেল ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রতিবেশী। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, প্রবাসী দুই যুবকের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে আনা ও আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করা হলে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

‎তিনি আরও জানান, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। পাশাপাশি সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী তাদের পরিবারের জন্য সম্ভাব্য সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

রফিকুল ইসলাম/নাঈম

গ্রীষ্মকালের ফিনল্যান্ডে সেরা গন্তব্য স্যোমেনলিন্না দুর্গ দ্বীপ

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
গ্রীষ্মকালের ফিনল্যান্ডে সেরা গন্তব্য স্যোমেনলিন্না দুর্গ দ্বীপ
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ও তুষারাচ্ছন্ন শীতের পর যখন ফিনল্যান্ডে গ্রীষ্মের আগমন ঘটে, নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় পুরো দেশ। রাতের অন্ধকার সরে গিয়ে দিনের আলো দীর্ঘ হয়, প্রকৃতি সেজে ওঠে সবুজে, আর ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে যায় দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে।

এ সময় রাজধানী হেলসিংকির উপকূলে অবস্থিত স্যোমেনলিন্না দুর্গ দ্বীপ হয়ে ওঠে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ইতিহাস, প্রকৃতি, স্থাপত্য ও সমুদ্রের এক অনন্য সমন্বয় এই স্যোমেনলিন্না। এটি শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং ফিনল্যান্ডের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জীবন্ত সাক্ষী।

তিন শতাব্দীর ইতিহাসের ধারক

স্যোমেনলিন্না দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৭৪৮ সালে, যখন ফিনল্যান্ড ছিল সুইডেনের অংশ। রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তির মোকাবিলায় বাল্টিক সাগর উপকূল রক্ষার উদ্দেশ্যে এই বিশাল সমুদ্র দুর্গ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সময় দুর্গটির নাম ছিল “Sveaborg”।

সুইডিশ সামরিক প্রকৌশলী অগাস্টিন এরেন্সভার্ডের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠা এই দুর্গে নির্মিত হয় শক্তিশালী প্রাচীর, কামান ঘাঁটি, সামরিক ব্যারাক, গুদামঘর এবং গোপন টানেল। ১৮০৮ সালে ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অধীনে গেলে দুর্গটিও রুশ সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন সামরিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত এর কৌশলগত গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। ১৯৭৩ সালে দুর্গটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয় এবং ১৯৯১ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

ছয় দ্বীপের অপূর্ব সমাহার

স্যোমেনলিন্না মূলত ছয়টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তীর্ণ দুর্গ এলাকা। প্রায় ৮০০ বাসিন্দা এখনও এখানে বসবাস করেন। দ্বীপজুড়ে রয়েছে শত শত ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রাচীন কামান, সুড়ঙ্গপথ, পাথরের দেয়াল এবং সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এখানে হাঁটতে হাঁটতে মনে হবে যেন ইতিহাসের কোনো অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন। একদিকে শতাব্দীপ্রাচীন স্থাপত্য, অন্যদিকে নীল সমুদ্র ও সবুজ প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

প্রতি বছর লাখো পর্যটকের পদচারণা

স্যোমেনলিন্না ফিনল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যগুলোর অন্যতম। প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখেরও বেশি দর্শনার্থী এখানে আসেন। গ্রীষ্মকালে এই সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হয়। ফিনল্যান্ডের বিভিন্ন শহর ছাড়াও জার্মানি, সুইডেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন থেকে হাজার হাজার পর্যটক এই দ্বীপে ভ্রমণ করেন। কেউ ইতিহাস জানতে, কেউ প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে, আবার কেউ ছবি তুলতে আসেন।

দেখার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থান

স্যোমেনলিন্না মিউজিয়াম

এখানে দুর্গের প্রায় ২৫০ বছরের ইতিহাস সংরক্ষিত রয়েছে। মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা দুর্গের ইতিহাস জানতে পারেন।

কিংস গেট

দ্বীপের অন্যতম বিখ্যাত নিদর্শন। সুইডেনের রাজা অ্যাডলফ ফ্রেডরিকের আগমনের স্মরণে এটি নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের ছবি তোলার সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান।

সাবমেরিন ভেসিক্কো

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত ফিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক সাবমেরিন। বর্তমানে এটি একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে।

বাষ্টিয়ন জ্যান্ডার

খোলা আকাশের নিচে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মঞ্চ, যেখানে গ্রীষ্মকালে নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

গোপন টানেল ও কামানঘাঁটি

দুর্গের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে থাকা এসব স্থাপনা যুদ্ধকালীন কৌশল ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাক্ষ্য বহন করে।

গ্রীষ্মকালীন উৎসবের প্রাণকেন্দ্র

গ্রীষ্মকালে স্যোমেনলিন্না প্রাণ ফিরে পায় নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে। এখানে অনুষ্ঠিত হয়-

• উন্মুক্ত নাট্য মঞ্চ
• লাইভ কনসার্ট ও জ্যাজ অনুষ্ঠান
• শিল্প ও ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী
• শিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
• স্থানীয় হস্তশিল্প মেলা

যেভাবে যাবেন

হেলসিংকির কেন্দ্রস্থল Kauppatori (Market Square) থেকে নিয়মিত ফেরি সেবা পরিচালিত হয়। যাত্রা সময় মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট। একই HSL পরিবহন টিকিট ব্যবহার করেই ফেরিতে ভ্রমণ করা যায়।

ভ্রমণকারীদের জন্য পরামর্শ

• আরামদায়ক জুতা পরুন
• একটি পুরো দিন হাতে রাখুন
• আবহাওয়া অনুযায়ী পোশাক সঙ্গে রাখুন
• ক্যামেরা নিতে ভুলবেন না
• গাইডেড ট্যুরে অংশ নিলে অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হবে

স্যোমেনলিন্না শুধু একটি দুর্গ নয়, এটি ফিনল্যান্ডের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং জাতীয় পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে সমুদ্রের গর্জন, শতাব্দীপ্রাচীন প্রাচীর এবং প্রকৃতির শান্ত সৌন্দর্য একসঙ্গে মিলে তৈরি করেছে এক অনন্য পরিবেশ।

আমান/

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ফিনল্যান্ড বিএনপির আলোচনা সভা

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ফিনল্যান্ড বিএনপির আলোচনা সভা
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ফিনল্যান্ড বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

আগামী মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৪টায় ভানতার Subway Martinlaakso, Kivivuorentie 4, 01620 Vantaa, Finland-এ এ অনুষ্ঠান হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে। 

একই সঙ্গে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (৩০ মে) ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান জনি এবং সাধারণ সম্পাদক জামান সরকার এক যৌথ বিবৃতিতে ফিনল্যান্ডে বসবাসরত বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন ফিনল্যান্ড বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মবিন মোহাম্মদ, সহসভাপতি তাপস খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুল গাজী ও মো. রবিউল ইসলাম।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং প্রবাসে জাতীয়তাবাদী চেতনা আরও সুদৃঢ় করতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফিনল্যান্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানটি সফল করার লক্ষ্যে সকল নেতাকর্মী, সমর্থক ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

অমিয়/

শেষ হলো ৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ১০:৫৫ এএম
আপডেট: ২৭ মে ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
শেষ হলো ৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা
প্রজন্মের পাঠকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মিলনমেলায়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য পরিবেশে চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বইমেলা শেষ হয়েছে। 

সোমবার (২৫ মে) জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা’র সমাপনী দিনের আয়োজনে সকাল থেকেই ছিল দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়।

বইপ্রেমী, লেখক, প্রকাশক, শিল্পী, গবেষক, সংস্কৃতিকর্মী এবং নতুন প্রজন্মের পাঠকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মিলনমেলায়।

চার দিনের এই আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য উৎসব শুরু হয় ২২ মে। উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন। 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান।

এছাড়া রওনক জাহান, ফরিদুর রেজা সাগর, সুবোধ সরকার, দীপেন ভট্টাচার্য, তৌফিক ইমরোজ খালিদী, ফারুক মঈনউদ্দীন, সাদাত হোসাইন, বব হোলম্যানসহ দেশ-বিদেশের বহু লেখক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। 

প্রথম দিনেই সমবেত সংগীত, নৃত্যানুষ্ঠান, কবিতা পাঠ, আজীবন সম্মাননা এবং ৩৫ বছরের ইতিহাসকে ধারণ করে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বিশ্বজিত সাহাকে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে বইমেলার মহৎ সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি হয়।

প্রথম দিনের পর টানা দুই দিন নিউইয়র্কে বৃষ্টিপাত হলেও বইমেলার প্রাণচাঞ্চল্যে কোনো ভাটা পড়েনি। বরং বৃষ্টির মধ্যেও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি প্রমাণ করে প্রবাসে বাংলা বই ও সংস্কৃতির প্রতি মানুষের গভীর অনুরাগ। 

বিভিন্ন সেমিনার, সাহিত্য আড্ডা, নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, নাটক, সংগীতানুষ্ঠান এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা বইমেলাকে বৈচিত্র্যময় করে তোলে।

দ্বিতীয় দিনে ‘গদ্যের অন্দরমহল’ শীর্ষক লেখক-পাঠক আড্ডায় অংশ নেন ইমদাদুল হক মিলন, দীপেন ভট্টাচার্য, সাদাত হোসাইন, ফেরদৌস সাজেদীন, মোস্তফা সারওয়ার, বিরূপাক্ষ পাল, আশরাফ কায়সারসহ অনেকে।

একই দিনে শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং কবিতা পাঠ দর্শকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। 

সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ‘কলম ও কৌতূহল’ সাহিত্য আলোচনা এবং রবীন্দ্রনাথের ‘রক্তকরবী’ নাটকের মঞ্চায়ন। রাতের আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অদিতি মহসিনের একক সংগীতানুষ্ঠান।

তৃতীয় দিনে বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিশু-কিশোর-যুবাদের চিত্রাঙ্কন ও বাংলা লিখন প্রতিযোগিতা। বাংলা ভাষা, একুশ, শহিদ মিনার এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিপুলসংখ্যক শিশু-কিশোর অংশগ্রহণ করে। 

পাশাপাশি ছিল কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, নতুন বই নিয়ে আলোচনা এবং সমকালীন বাংলা সাহিত্য নিয়ে বিশেষ সেমিনার।

এদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৬। ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা এবং ঔপন্যাসিক ড. আবদুন নূর সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেন। 

শেষ দিন ঘোষিত ‘চিত্তরঞ্জন সাহা শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা পুরস্কার’ অর্জন করে বাতিঘর। 

পুরস্কার ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে মিলনায়তন। 

অনুষ্ঠানে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা বাংলা প্রকাশনা শিল্পে অবদানের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করেন। 

একইদিনে অনুষ্ঠিত হয় ইমদাদুল হক মিলনের স্মারক বক্তৃতা, জীবনানন্দ দাশ বিষয়ক আলোচনা এবং নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

সমাপনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইনের মুখোমুখি অনুষ্ঠান। ‘কলম ও কৌতূহল” শীর্ষক এই সাহিত্য আড্ডায় দর্শকদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। সাহিত্য, নতুন প্রজন্মের পাঠাভ্যাস, সামাজিক পরিবর্তন, লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং সৃজনশীলতার নানা দিক নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্বজিত সাহা। দর্শকদের প্রশ্নোত্তর পর্বও ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত।

শেষ দিনটি কার্যত শিশু-কিশোর ও যুবাদের উৎসবে রূপ নেয়। দিনব্যাপী রংতুলিতে শিশু-কিশোর-যুব উৎসব, ছোটদের গল্পলেখার কর্মশালা, সংগীত, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি এবং তরুণদের লেখালেখি বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ বইমেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ সৃষ্টি করে।

বিশেষভাবে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ‘সৃজনশীলতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। শতাধিক টিনএজার ও তরুণ সেখানে অংশ নিয়ে সাহিত্য, প্রযুক্তি, ভবিষ্যতের শিক্ষা, মানবসৃজনশীলতা এবং এআই-এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করে। তরুণদের অংশগ্রহণে এই সেশনটি বইমেলার অন্যতম আলোচিত পর্বে পরিণত হয়। 

বক্তারা বলেন, ভবিষ্যতের সাহিত্য ও জ্ঞানচর্চায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও মানবিক বোধ, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক শিকড়কে ধরে রাখাই হবে আগামী প্রজন্মের বড় চ্যালেঞ্জ।

শেষ দিনের আবহাওয়াও ছিল মনোরম। টানা দুই দিনের বৃষ্টির পর উজ্জ্বল রোদ ও সুন্দর আবহাওয়ায় দর্শনার্থীদের উপস্থিতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বইমেলার বিভিন্ন স্টলে ছিল ব্যাপক বই বিক্রি। প্রকাশকরা জানান, শেষ দিনে পাঠকদের আগ্রহ ও বিক্রি ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক। বিশেষ করে নতুন বই, গবেষণাগ্রন্থ, শিশুতোষ বই এবং প্রবাসজীবনভিত্তিক প্রকাশনাগুলোর প্রতি পাঠকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আগামী বছরের ৩৬তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার তারিখও ঘোষণা করা হয়। জানানো হয়, ২০২৭ সালের বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত।

চার দিনের এই বইমেলা আবারও প্রমাণ করলো- বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি শুধু ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালির হৃদয়ে এটি এক জীবন্ত সাংস্কৃতিক বন্ধন। নিউইয়র্কের এই বইমেলা এখন শুধু একটি বইমেলা নয়, বরং প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

অমিয়/