ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি সবার সক্রিয় ভূমিকায় রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার শার্শায় বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মবিরতিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎকরা মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার ইসলামে মায়ের গুরুত্ব ও মর্যাদা সমুদ্রের তলদেশে বিচিত্র এক সুতোয় বাঁধা ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা বিতরণ দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয় স্মৃতির মলাটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত পাশে ছিলেন সহপাঠীরা বেরোবির বিশেষ বাসসেবায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রথম দিনে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জাতীয় বাজেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র আর্মেনিয়ায় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে রাতে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপির টহল ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ১ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু জিপিএসের নির্দেশ মেনে সোজা রেললাইনে গাড়ি, ভাইরাল বৃদ্ধার গাড়িচালনা
Nagad desktop

মেগাস্টার ধর্মেন্দ্রর ৭ আইকনিক সিনেমা

প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
মেগাস্টার ধর্মেন্দ্রর ৭ আইকনিক সিনেমা
অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

বলিউড সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। হিন্দি সিনেমার এই মেগাস্টার গতকাল (২৪ নভেম্বর) ৮৯ বছর বয়সে মারা গেছেন। ছয় দশকের বেশি সময়জুড়ে তিনি বলিউডে তৈরি করেছেন এক অসামান্য উত্তরাধিকার, যেখানে ৩০০টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি রয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকা অসংখ্য চরিত্র।

ম্যাটিনি আইডল থেকে মেগাস্টার- দীর্ঘ এই যাত্রায় ধর্মেন্দ্র রুপালি পর্দায় জনপ্রিয়তার প্রায় প্রতিটি স্তরকেই ছুঁয়ে গেছেন। ষাটের দশকের সাদাকালো রোমান্স থেকে সত্তর-আশির দশকের টেকনিকালার ব্লকবাস্টার পর্যন্ত তার কাজ হিন্দি সিনেমার বিবর্তনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

ভক্তদের কাছে ‘হি-ম্যান’ নামে পরিচিত এই অভিনেতা অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক গল্প- চলচ্চিত্রের সব ধারাতেই তার বিরল বহুমুখী অভিনয়-দক্ষতার জন্য খ্যাতিমান ছিলেন। বলিপাড়ায় খুব কম অভিনেতাই আছেন, যারা তার মতো দীর্ঘস্থায়ী ও তারকাখ্যাতির ব্যাপ্তি অর্জন করতে পেরেছেন। ৮৯ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেও এই তারকা চলচ্চিত্রে রেখে গেলেন ছয় দশকের মহাকাব্যিক উত্তরাধিকার। 

এবার দেখে নেওয়া যাক এই মহানায়ক অভিনীত বলিউডের কয়েকটি আইকনিক সিনেমা, যা দর্শক থেকে শুরু করে সমালোচকদের কাছেও ভূয়সী প্রশংসিত হয়েছে। যেগুলোর আবেদন চলচ্চিত্রজগতে এখনো বিদ্যমান। 

ফুল অর পাথর (১৯৬৬) 
এই ছবির মাধ্যমেই পুরোদস্তুর নায়ক হিসেবে সিনেমায় জনপ্রিয়তা পান ধর্মেন্দ্র। তীব্রতা ও কোমলতার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা তার চরিত্রটি তিনি এতই ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলেন, যা সেই সময়ের দর্শক ও সমালোচকদের ব্যাপক দৃষ্টি কাড়ে। 

আঁখে (১৯৬৮)
বাণিজ্যিকভাবে সফল এই সিনেমাটি ধর্মেন্দ্রর তারকাখ্যাতিকে মজবুত অবস্থায় নিয়ে যায়। বক্স অফিস ইতিহাসের অন্যতম বড় হিট হিসেবে এটি বিবেচিত হয় এবং এই সিনেমাকে অভিনেতার ক্যারিয়ারের অন্যতম সফল কাজ হিসেবে ধরা হয়। 

সত্যকম (১৯৬৯)
গভীর ও সংবেদনশীল চরিত্রায়ণের জন্য এ ছবিটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একজন আদর্শবাদী ব্যক্তির চরিত্রে ধর্মেন্দ্র এতে অভিনয় করেছেন, যার নীতিবোধ যেন সিনেমাটিরই ওজন বহন করে। এখনো ‘সত্যকম’ তার সেরা গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে গণ্য হয়। 

মেরা গাঁও মেরা দেশ (১৯৭১) 
গ্রামীণ প্রেক্ষাপটের প্রতিশোধমূলক এই চলচ্চিত্রে ধর্মেন্দ্রর উদ্যমী নায়ক চরিত্র তাকে বক্স অফিসের নির্ভরযোগ্য মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। সিনেমাপ্রেমীদের স্মৃতিতে ছবিটি আজও শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। 

সীতা অর গীতা (১৯৭২)
হেমা মালিনীর যমজ চরিত্রের বিপরীতে ধর্মেন্দ্রর স্বচ্ছন্দ অভিনয় ও রোমান্টিক উপস্থিতি ছবিটিকে জনমনে জনপ্রিয় করে তোলে। কমেডি, সংগীত ও তারকাখ্যাতির মিশেলে এটিও দর্শকের প্রিয় তালিকায় রয়েছে। 

চুপকে চুপকে (১৯৭৫) 
হাস্যরস ও সূক্ষ্ম অভিনয়ের জন্য এই কমেডি সিনেমায় ধর্মেন্দ্রর উপস্থিতি বিশেষ প্রশংসা পায়। তার নিখুঁত সময়জ্ঞান এবং স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় ছবিটির আকর্ষণে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। 

শোলে (১৯৭৫)
ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসেরই অন্যতম আইকনিক ছবি হিসেবে এর নাম আজও মানুষের মুখে মুখে। কালজয়ী এই ছবিটি ধর্মেন্দ্রর ক্যারিয়ারেও অন্যতম বড় সফলতা হিসেবে ধরা দেয়। এতে ‘বীরু’ চরিত্রে ধর্মেন্দ্রর প্রাণবন্ত, হাস্যরসাত্মক ও স্মরণীয় অভিনয় তাকে রীতিমতো জাতীয় আইকনে পরিণত করে। শোলে অভিনেতার ক্যারিয়ারের অনিবার্য শ্রেষ্ঠত্বগুলোর অন্যতম। 

হিন্দি চলচ্চিত্রে ধর্মেন্দ্রর অবদান কেবল জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতেই নয়, বরং ধারাবাহিক শিল্পনৈপুণ্য ও বহুমুখী অভিনয়ের কারণেও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে বলিউডে একটি যুগের অবসান ঘটল। তবে রেখে গেলেন এমন এক উত্তরাধিকার, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করবে। 

/এমএস 

মা হচ্ছেন সোহিনী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
মা হচ্ছেন সোহিনী
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। ভালোবেসে বিয়ে করেছেন গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়কে। কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল মা হতে যাচ্ছেন সোহিনী সরকার। তবে এ নিয়ে মুখ খোলেননি এতদিন। চুপ ছিলেন তার স্বামী শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ও। তবে বিষয়টি নিয়ে টলিপাড়ায় ফিসফাস চলছেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চলতি বছরই মা হবেন সোহিনী। তবে চাইছেন না আগেভাগে কেউ জানুক। এ জন্য সাবধানতা অবলম্বন করে চলছেন তারা। কোথাও খুব একটা দেখাও যায় না সোহিনীকে। যান না কোনো সিনেমার প্রিমিয়ারেও। হঠাৎ ঘরকুনো হতে দেখেই গুঞ্জন আরও বেশি করে পাখা মেলেছে। 
এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে সোহিনীর সিনেমা ‘ফেরা’। সিনেমাটির পরিচালক পৃথা চক্রবর্তী। এতে আরও অভিনয় করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সঞ্জয় মিশ্র প্রমুখ। সম্প্রতি সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানেও ছিলেন না অভিনেত্রী।
শোভনের সঙ্গে সোহিনী বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। বছর খানেক প্রেমের পর গাঁটছড়া বাঁধেন তারা। তার দুই বছরের এল অতিথি আগমনের সুখবর। এ সুখবরে সোহিনীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা।

হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

হত্যা করা হয়েছে বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা জেমস হ্যান্ডিকে। ‘জুমানজি’ ও ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’ খ্যাত এই অভিনেতাকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানা এলাকায় নিজের বাড়ির সামনের বাগানে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন জেমস হ্যান্ডি। তার বুকে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।
এ ঘটনায় জেমস হ্যান্ডির প্রেমিকার ছেলে, মাইকেল গ্লেডহিলকে গ্রেপ্তার করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর মাইকেল গ্লেডহিলকে ভ্যান নাইস কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জরুরি নম্বর ৯১১-এ ফোন করে এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমি একজন পাপী মানুষকে হত্যা করেছি’। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুলিশ সদস্যরা। তদন্তকারীদের ধারণা, এটি একটি পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সাধারণ মানুষের জন্য কোনো হুমকি নেই বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া জেমস হ্যান্ডি দীর্ঘ ছয় দশক ধরে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা ও সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। এই অভিনেতার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘এনওয়াইপিডি ব্লু’, ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’, ‘সিএসআই: এনওয়াই’, ‘ক্যাসল’, ‘দ্য ওয়েস্ট উইং’ সিনেমা। জেমস হ্যান্ডি অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘টপ গান: মাভেরিক’। সিনেমাটি ২০২২ সালে মুক্তি পায়। এতে তিনি ‘জিমি’ নামের এক বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেন।

 

মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার রেনেসাঁ ড্রামা সোসাইটি, মেলবোর্নের আমন্ত্রণে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে বাংলাদেশের আলোচিত নাট্য সংগঠন স্বপ্নদল। ৬ জুন শনিবার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় চ্যান্ডলার অডিটোরিয়ামে ‘হেলেন কেলার’ নাটকের প্রদর্শনী করবে দলটি। অপূর্ব কুমার কুণ্ডুর রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যজন জাহিদ রিপন। নাটকটিতে এককভাবে অভিনয় করেছেন জুয়েনা শবনম। নাটক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ভ্রমণ ও নাটকের আদ্যোপান্ত বিষয় নিয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেত্রী জুয়েনা শবনম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ মিজান

 

হেলেন কেলার নাটকটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এর আগেও বিভিন্ন দেশে প্রদর্শনী হয়েছে। এবার প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়টি কেমন লাগছে?

 ‘হেলেন কেলার’ এর আগেও জাপানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আমন্ত্রণে টোকিওতে, ভারতে চারটি আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে এবং ছয়টি আন্তর্জাতিক  ভার্চুয়াল থিয়েটার ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনী করেছি। এবার অস্ট্রেলিয়ার রেনেসাঁ ড্রামা সোসাইটি, মেলবোর্নের আমন্ত্রণে মঞ্চায়ন হচ্ছে। এখানকার দর্শকদের মধ্যে ‘হেলেন কেলার’ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করছি। এটা  আমাকে বেশ আনন্দ দিচ্ছে। 

নাটকটিতে এককভাবে অভিনয় করেছেন। একটি নাটকের মধ্যে কয়েকটি চরিত্রে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা কেমন আর বিষয়টি কীভাবে সমন্বয় করেছেন?
নাটকটিতে ঘটনার পরম্পরায় অনেকগুলো চরিত্র মঞ্চে আবির্ভূত হয়। যেমন চার্লি চ্যাপলিন, জর্জ বার্নার্ড শ, হিটলার, কেনেডি, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শিক্ষক অ্যান সুলিভান। কখনো কখনো চরিত্রগুলোর মতো হয়ে উঠতে হয়েছে, কখনো চরিত্রগুলো কথকরূপে হেলেন কেলারের বর্ণনায় উঠে আসে। এমন ভিন্নধর্মী এবং চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে সত্যিই আনন্দ লাগছে। 

চরিত্রগুলো ধারণ কতটা চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে?
নির্মাণের সময়ে চরিত্রগুলো ধারণ করতে আমাকে ব্যবহারিক গবেষণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। পঠন-পাঠন-অনুধাবন-ভিডিও-অডিও-কল্পনা প্রভৃতির মাধ্যমে চরিত্রগুলো যথাসম্ভব ধারণ করার চেষ্টা করেছি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মঞ্চ নাটক নিয়মিত আমন্ত্রণ পাচ্ছে। এটা দেশের মঞ্চ নাটকের জন্য কতটা ইতিবাচক বলে আপনি মনে করেন?
এটাকে আমি খুবই ইতিবাচক মনে করি। দুই দেশের সাংস্কৃতিক ভাববিনিময়ের মধ্য দিয়ে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, সেটা বাংলা সংস্কৃতির একটা বিজয় বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি অভিজ্ঞতার আনন্দ আমাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করে।

দেশের মঞ্চ নাটককে কোথায় দেখতে চান?
দেশের মঞ্চ নাটককে আমি অনন্য এক উচ্চতায় দেখতে চাই। বাংলানাট্যের শক্তি যেন বিশ্ব নতুনভাবে অনুধাবন ও অনুসরণ করতে পারে। আমি চাই পৃথিবীর সব উল্লেখযোগ্য নাট্যোৎসবে বাংলা নাটককে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

মঞ্চ নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী এবং আপনার স্বস্তির জায়গাটা কেমন?
মঞ্চের জন্য আমি নুতন নতুন আরও অনেক কাজ করতে চাই। মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই। আমাদের হাজার বছরের যে ঐতিহ্যবাহী বাংলানাট্য উত্তরাধিকারী আমরা, সেই নাট্য নিয়ে আক্ষরিক অর্থে দেশের পাশাপাশি বিশ্বজয় করতে চাই।

শাকিবের অভিনয় প্রশংসিত ‘রকস্টার’ যেন মাদকের বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
‘রকস্টার’ যেন মাদকের বিজ্ঞাপন
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি সিনেমাতেই নিজেকে নতুনভাবে হাজির করার চেষ্টা করেন ঢাকাই ছবির সুপারস্টার শাকিব খান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যাকশনধর্মী গল্পের সিনেমায় দেখা গেলেও এবার তিনি ‘রকস্টার’ সিনেমায় হাজির হয়েছেন একজন সংগীতশিল্পীর ভূমিকায়। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’ সেই অর্থে শাকিব খানের জন্য ভিন্নধর্মী এক পরীক্ষাও।

সিনেমার শুরুতে দেখা যায়, স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকদের ‘আগুন, আগুন’ চিৎকার। এ সময় অনুষ্ঠান আয়োজকরা গ্রিনরুমে খুঁজছেন জনপ্রিয় সংগীত তারকা আগুনকে (শাকিব খান)। এদিকে মাদকের জন্য অপেক্ষা তার। এরপর মাদক নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে গাড়ি চালিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন আগুন (শাকিব খান)। বিশাল কনসার্ট, দর্শকদের উন্মাদনা আর মাদকে আসক্ত এক তারকাকে দিয়েই গল্পের সূচনা। পরে ফিরে যায় অতীতে। সংগীতনির্ভর পরিবারে বেড়ে ওঠা আগুন বাবা ওস্তাদ জুনায়েদের (তারিক আনাম খান) শাস্ত্রীয় সংগীতের পথ অনুসরণ না করে বেছে নেয় রক সংগীতের জগৎ। শৈশবের পারিবারিক অস্থিরতা, মঞ্চভীতি ও ব্যক্তিগত সংগ্রাম পেরিয়ে সে হয়ে ওঠে জনপ্রিয় গায়ক। একই সঙ্গে জীবনে আসে প্রেম। কিন্তু খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় তার পতনের গল্পও।

ছবিটি মিউজিক্যাল ও রোমান্টিক ড্রামার হলেও সংগীতশিল্পীর জীবনকে কেন্দ্র করে প্রেম, বিচ্ছেদ ও আত্মধ্বংসের গল্পই এখানে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

চলচ্চিত্রটির অন্যতম শক্তি এর ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা। কনসার্ট, ব্যান্ডের অনুশীলন কিংবা বিদেশের মঞ্চ—সবকিছুই যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে। চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের কাজ প্রশংসার দাবিদার। বিভিন্ন দৃশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহারও চোখে পড়ে। সংগীতপ্রেমী আগুনের ঘরের দেয়ালে কিংবদন্তি শিল্পী ও ব্যান্ডের পোস্টার চরিত্রটিকে আরও বাস্তবসম্মত করেছে।

সিনেমার প্রথমার্ধে নির্মাতা নায়কের মাদক গ্রহণকে এমনভাবে তুলে ধরেছেন, এর বাইরে দর্শকের অন্য কিছু নজরে আসা কঠিন ছিল। ছবিতে কয়েক ধরনের মাদকদ্রব্য ব্যবহারের চিত্র নগ্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এসব দেখে মনে হতে পারে মাদক নেওয়াটা একধরনের শিল্প। আর গল্পের নায়ক শাকিব যেন সেই শিল্পেরই ধারক-বাহক। বলতে গেলে রকস্টার সিনেমাটি যেন মাদকের বিজ্ঞাপন হিসেবেই নির্মিত হয়েছে। শাকিব খানের মতো বড় তারকার সিনেমায় যদি গল্পের দোহাই দিয়ে এভাবে মাদককে প্রমোট করা হয় তাহলে মাদকের বিস্তার দিনে দিনে বাড়বে। শুধু শাকিব খানই নয়, বরং সিনেমার প্রায় প্রতিটি পার্শ্ব চরিত্রকেই মাদক গ্রহণের দৃশ্যে অভিনব কায়দায় দেখানো হয়েছে।

তবে এসব ছাপিয়ে সিনেমায় শাকিব খানের আকর্ষণ ছিল তার অভিনয়। দীর্ঘদিন পর অ্যাকশনের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহে নিজেকে ভালোভাবেই প্রমাণ করেছেন এই তারকা। বিশেষ করে চরিত্রের ভাঙন, হতাশা ও অসহায়ত্বের দৃশ্যগুলোতে নিজের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন যথেষ্ট। গায়ক ও রোমান্টিক নায়ক দুই ভূমিকাতেই তিনি ছিলেন সরব।

মীরা চরিত্রে সাবিলা নূরও সাবলীল। শাকিব খানের সঙ্গে তার রসায়ন বেশ কয়েকটি দৃশ্যকে প্রাণ দিয়েছে। ছোট পরিসরে তানজিয়া মিথিলাও নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন ভালোভাবেই। গায়িকা সুনিধি নায়েক-এর উপস্থিতিও ছিল খুবই অল্প। তারিক আনাম খান আর রোজী সিদ্দিকীর চরিত্র খুবই ছোট, তাই তাদের বেশি কিছু করারও ছিল না। আগুনের বন্ধু আসলাম চরিত্রে কাজী সাবিরও ভালো করেছেন।

সিনেমাটিতে মোট ১০টি গান রয়েছে। আহমেদ হাসান সানির লেখা ও সুর করা একাধিক গান গল্পের আবহ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। রোমান্টিক, আধ্যাত্মিক ও বিচ্ছেদধর্মী—বিভিন্ন ঘরানার গান এতে স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া আছে রাজীব হাসান, হাসান রোবায়েত এবং অংকনের লেখা গানও। সংগীত পরিচালনায় আছেন জাহিদ নিরব। এর মধ্যে ‘পিরিতি’, ‘আমাকে উড়িয়ে দাও’, ‘আমি যাব হারিয়ে’ আর ‘বেশ কিছুদিন’ গানগুলো বেশ ভালো হয়েছে।

সিনেমাটিতে সংগীতশিল্পী হিসেবে আগুন কীভাবে এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, তার ব্যাখ্যা যথেষ্ট স্পষ্ট নয়। কয়েকটি চরিত্রের উপস্থিতিও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গল্প কিংবা নায়ক-নায়িকার পরিবার, তাদের সম্পর্কের রসায়নের সঙ্গে সব সময় জুড়ে যাওয়া কঠিন ছিল। সিনেমায় বেশ কিছু চরিত্র ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এলেও তাদের সঙ্গে সম্পর্কটা ঠিক কী, তা বোঝা যাচ্ছিল না। একের পর এক গান বেজে গেছে ঠিকই, কিন্তু সবকটির সঙ্গে একাত্ম হওয়া মুশকিল। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত আবহসংগীত সংলাপকে আড়াল করেছে। কিছু দৃশ্য তুলনামূলক দীর্ঘ মনে হয়। তবে বেশ কিছু দৃশ্যে কমেডি করার চেষ্টা ছিল, যা উপভোগ্য ছিল।

প্রথমার্ধে নির্মাতা একের পর এক ঘটনা দেখিয়ে গেলেও সিনেমার প্রধান চরিত্র আগুন কীভাবে এতটা জনপ্রিয়তা পেলেন, সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে গল্প এগিয়েছে বেশ সাবলীল।

সব মিলিয়ে ‘রকস্টার’ নিখুঁত নয়, কিন্তু এটি একটি সাহসী চেষ্টা। প্রথম চলচ্চিত্রে পরিচালক আজমান রুশো প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে একজন সংগীতশিল্পীর গল্প বলতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে দর্শকদের সামনে হাজির করেছেন ভিন্ন এক শাকিব খানকে। সেই চেষ্টাই ছবিটির সবচেয়ে বড় অর্জন।

নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি!

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি!
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মিমি চক্রবর্তী। এবার তিনি আইনি জটিলতায় পড়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মিমি চক্রবর্তী ও আয়োজক তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া আইনি বিরোধ আবারও নতুন মোড় নিয়েছে। অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠিত হয়েছে। 
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২ জুন বনগাঁ আদালতে চার্জশিট গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অভিযোগ, এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না মিমি চক্রবর্তী। তার পরিবর্তে আদালতে হাজির হন তার আইনজীবী।
বিষয়টি নিয়ে তনয় শাস্ত্রী বলেন, ‘একদিনও মিমি চক্রবর্তী আদালতে আসেননি।
গত ২ জুন মিমির পরিবর্তে আদালতে এসেছিলেন তার আইনজীবী। তিনি একের পর এক তারিখ নিয়ে যাচ্ছেন আদালতের কাছ থেকে। এভাবেই তিনি গোটা ব্যাপারটা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অবশেষে আমার আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি চার্জশিট গঠনের আবেদন করেন আদালতে।’
তনয়ের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কারণে তাকে জেলেও যেতে হয়েছে। তাই তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।অ
তিনি বলেন, ‘মিমি অন্যায় করেছেন তার শাস্তি পেতেই হবে। আদালতে হাজিরা দিতেই হবে ওকে। আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। উনি অপরাধ করেছেন। বিনা অপরাধে আমাকে জেলে পাঠিয়েছেন। এর জন্য ওকে শাস্তি ভোগ করতেই হবে।’
উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। আয়োজকদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে অনুষ্ঠানে পৌঁছান মিমি চক্রবর্তী। তনয় শাস্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠান পরিচালনার অনুমতি ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত। সময় শেষ হয়ে আসায় তিনি অভিনেত্রীকে মঞ্চ থেকে নামতে অনুরোধ করেছিলেন। তনয় দাবি করেছেন, তিনি কোনো অসম্মানজনক আচরণ করেননি। তবে অনুষ্ঠান শেষে মিমি স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তনয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে মিমির বিরুদ্ধে বনগাঁ আদালতে দুটি মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। মামলাগুলোর একটি মানহানি এবং অন্যটি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অনুষ্ঠানের জন্য অগ্রিম দেওয়া ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত চেয়েছেন তনয়।