ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সক্ষমতা বাড়াতে সুপরিকল্পিত বাজেটের তাগিদ প্রাকৃতিকভাবেই এইচআইভি দমনে সক্ষম দুই নারীর গল্প ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক নিশ্চিহ্নের পথে শেরেবাংলার জন্মভিটা শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ আম পাড়া নিয়ে ব্যস্ত মৌসুমি শ্রমিকরা মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি খুলনায় ধারাবাহিক খুন-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০ জয়পুরহাটে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা গ্রাহকের ব্যানারে আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ৪৫ শতাংশ সাভারে তিন কারখানা থেকে ১৮৬৮ শ্রমিক অব্যাহতি এখনো উৎপাদনে আসেনি বন্ধ চিনিকল ৭ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর শিল্প পার্ক ৭ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ‘বরফ চিবিয়ে’ দিন পার, হামাগুড়ি দিয়ে বেস ক্যাম্পে ফেরা, বেঁচে ফেরা পর্বতারোহীর রোমহর্ষক বর্ণনা বন্ধ কারখানা চালু হলে গতি ফিরবে অর্থনীতিতে ময়মনসিংহে বাড়তি ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের ভোগান্তি দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাবেশ যত আক্রোশ মুক্তিযুদ্ধে ৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ
Nagad desktop

রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেলে রমজান ২০২৬-এর বিশেষ আয়োজন

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেলে রমজান ২০২৬-এর বিশেষ আয়োজন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

রাজধানীর অন্যতম অভিজাত পাঁচতারকা হোটেল রেনেসন্স ঢাকার গুলশানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে রমজান উপলক্ষে বিশেষ ফুড টেস্টিংয়ের আয়োজন করেছে। 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এ আয়োজন করে পাঁচতারকা হোটেল রেনেসন্স। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল, দৈনিক পত্রিকা, লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন এবং জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সাররা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশেষভাবে পরিকল্পিত ইফতার, ডিনার, সাহরি এবং প্রিমিয়াম টেকঅ্যাওয়ে আয়োজন আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা এবং পরিবার, করপোরেট গ্রুপ ও সামাজিক আয়োজনের জন্য আকর্ষণীয় অফারগুলো তুলে ধরা।

ব্যবস্থাপনা ও কালিনারি টিমের উপস্থাপনার মাধ্যমে রমজানের বিশেষ আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় সিগনেচার ইফতার আইটেম, লাইভ স্টেশন, রমজানের ঐতিহ্যবাহী পদ ও বৈচিত্র্যময় ডেজার্ট। এরাবিয়ান, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় স্বাদের সমন্বয়ে সাজানো এই আয়োজন রমজানের ঐতিহ্য ও সৌহার্দ্যের আবহকে এক টেবিলে একত্রিত করে। চলতি বছরে হোটেলটি সব শ্রেণি ও সেগমেন্টের অতিথিদের জন্য বিশেষ অফার উপস্থাপন করছে।

হোটেলের প্রতিটি পদ প্রস্তুত করা হয়েছে ফার্ম-ফ্রেশ ও অর্গানিক উপকরণ ব্যবহার করে, যাতে অতিথিরা সাশ্রয়ী মূল্যে সর্বোচ্চ মানের খাবার উপভোগ করতে পারেন। অতিথিদের সচেতন ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহিত করতে বুফের প্রতিটি আইটেমের পাশে ক্যালোরি উল্লেখসহ বিশেষ ফুড লেবেল সংযুক্ত করা হয়েছে, যা ঢাকার হোটেল শিল্পে একটি অনন্য উদ্যোগ।

রমজান ২০২৬ উপলক্ষে ইফতারসহ বুফে ডিনারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৩,৯৯৯ টাকা (নেট), যেখানে সর্বোচ্চ ২৫% পর্যন্ত বিশেষ ছাড়ের সুবিধা থাকছে। ফ্যামিলি-ফ্রেন্ডলি এ আয়োজনের অংশ হিসেবে শিশুদের জন্য থাকছে “কিডস ইট ফ্রি” সুবিধা।

অতিথিদের জন্য আরও থাকছে বুফে সাহরি জনপ্রতি ২,৬৬৬ টাকা (নেট), যেখানে একইভাবে গ্রুপ ডিসকাউন্ট ও “কিডস ইট ফ্রি” সুবিধা
প্রযোজ্য।

এছাড়াও, ঘরোয়া ও করপোরেট আয়োজনের কথা বিবেচনা করে হোটেলটি উন্মোচন করেছে প্রিমিয়াম ইফতার টেকঅ্যাওয়ে বক্স। তিনটি
ভিন্ন ক্যাটাগরিতে বক্সগুলো পাওয়া যাবে, সিলভার : ৪,৫০০ টাকা (নেট), গোল্ড : ৬,৫০০ টাকা (নেট) ও প্লাটিনাম : ৮,৫০০ টাকা (নেট) । বক্সগুলোর ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ২৫% পর্যন্ত বিশেষ ছাড় প্রযোজ্য, যা বৃহৎ পরিসরের অর্ডারের জন্য একটি আদর্শ সমাধান।

পুরো রমজান মাসজুড়ে চলবে আকর্ষণীয় “ডাইন অ্যান্ড উইন” ক্যাম্পেইন, যেখানে প্রতিদিন থাকছে পুরস্কার জয়ের সুযোগ। অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে এক প্রাণবন্ত মিডিয়া ইন্টারঅ্যাকশন সেশন এবং রমজান স্পেশাল মেনু সমৃদ্ধ লাঞ্চের মাধ্যমে। অতিথিরা বৈচিত্র্যময় খাবারের সমাহার, নান্দনিক পরিবেশন ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

রমজান ২০২৬-কে কেন্দ্র করে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেল রাজধানীতে প্রিমিয়াম অথচ সাশ্রয়ী রমজান আতিথেয়তার নতুন মানদণ্ড স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে একসঙ্গে ইফতার ও মিলনমেলার আনন্দই হয়ে উঠবে উদযাপনের মূল প্রেরণা। সেরা পাঁচতারকা খাবার, সেরা দামে।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

দারাজ ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে থাকছে আকর্ষণীয় অফার, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিসকাউন্ট ও পুরস্কার

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
দারাজ ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে থাকছে আকর্ষণীয় অফার, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিসকাউন্ট ও পুরস্কার
৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্ট

দেশের অন্যতম শীর্ষ ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ শুরু করেছে প্রতীক্ষিত ‘৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্ট’, যেখানে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় ছাড়, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আরও বেশি সাশ্রয়ী কেনাকাটার অভিজ্ঞতা। 

শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন চলবে ১০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়জুড়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্যে থাকছে বছরের অন্যতম সেরা অফার।

মধ্যবর্ষের কেনাকাটাকে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক করতে এই ক্যাম্পেইনে থাকছে মেগা ডিল ও ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড় এবং হট ডিলে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়। পাশাপাশি গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন সাইটজুড়ে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট, নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি এবং বিশেষ ডিসকাউন্ট ভাউচার। ফলে ইলেকট্রনিকস, ফ্যাশন, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি ও লাইফস্টাইলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কেনাকাটা হবে আরও সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী।

ক্যাম্পেইনকে আরও আকর্ষণীয় করতে হারপিকের সহযোগিতায় থাকছে বিশেষ শপিং কনটেস্ট, যেখানে গ্রাহকরা জিতে নিতে পারবেন একটি স্যামসাং ৫৫ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি এবং একটি রিয়েলমি সি ১০০আই স্মার্টফোন। ৬ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলা এই আয়োজনের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী গ্রাহকদের মধ্য থেকে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে, যা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলবে।

ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী দিনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মাত্র ছয় ঘণ্টা পাওয়া যাবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট। এছাড়াও পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ক্যাটাগরি-ভিত্তিক বিশেষ কার্যক্রম। এর মধ্যে ৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে ওয়ালটন ব্র্যান্ড ডে এবং ৮ জুন ডেটল ব্র্যান্ড ডে, যেখানে গ্রাহকরা জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডগুলোর পণ্যে উপভোগ করতে পারবেন বিশেষ অফার। পাশাপাশি প্রতিদিন চলবে ক্যাটাগরি-নির্ভর বিশেষ ক্যাম্পেইন, যেখানে বিভিন্ন পণ্যে থাকছে বাছাইকৃত আকর্ষণীয় ডিল।

সাশ্রয়ী কেনাকাটার প্রতিশ্রুতি আরও শক্তিশালী করতে দারাজ তাদের এভরিডে লো প্রাইস (ইডিএলপি) উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দারাজ চয়েস চ্যানেলের মাধ্যমে। এই চ্যানেলে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন ‘বাই ৩ গেট ফ্রি ডেলিভারি’ এবং ‘বাই ৫ গেট ১ ফ্রি গিফট উইথ ফ্রি ডেলিভারি’ সুবিধা, যা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটায় আরও বেশি মূল্য ও সাশ্রয় নিশ্চিত করবে।

এ বছরের ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড। ডেটল, ইউনিলিভার এবং হিমালয়া রয়েছে এক্সক্লুসিভ প্লাটিনাম পার্টনার হিসেবে। ম্যারিকো যুক্ত হয়েছে গোল্ড স্পন্সর হিসেবে এবং ইমামি ও গোদরেজ রয়েছে সিলভার স্পন্সর হিসেবে। এসব অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকরা বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পণ্য আরও আকর্ষণীয় মূল্যে কেনার সুযোগ পাবেন।

ক্যাম্পেইনকে আরও লাভজনক করতে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন পেমেন্ট পার্টনার। অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের কার্ডধারীরা বিশেষ কালেক্টিবল ভাউচারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ছাড়ের সুবিধা পাবেন। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফার, যা কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী।

৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্ট উপলক্ষে দারাজ বাংলাদেশ দেশের সব প্রান্তের গ্রাহকদের দারাজ অ্যাপ ও ক্যাম্পেইন পেজ ভিজিট করে অফারগুলো উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়াও সর্বশেষ আপডেট, অফার এবং ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন আয়োজন সম্পর্কে জানতে গ্রাহকরা অনুসরণ করতে পারেন দারাজ বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলো।

বিজ্ঞপ্তি/

রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্টে শুরু হচ্ছে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্টে শুরু হচ্ছে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’
ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সপ্তাহান্ত উদযাপনের জন্য ঢাকার গুলশানে রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্ট নিয়ে এসেছে বিশেষ আয়োজন ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’। 

আগামী ১২ জুন ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে পুরো জুন মাসজুড়ে প্রতি শুক্রবার বাহার রেস্টুরেন্টে থাকবে এ আয়োজন।

জন প্রতি মূল্য ৩ হাজার ২৫০ টাকা নেট, যেখানে গ্রামীণফোন স্টার ও বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাব এলিট গ্রাহকরা, নির্বাচিত ব্যাংক কার্ডধারী এবং গ্রুপ বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫% পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।

পরিবারের সকল সদস্যের জন্য বিশেষভাবে সাজানো এই ব্রাঞ্চে থাকছে শিশুদের জন্য আলাদা কিডস অ্যাক্টিভিটি কর্নার, যেখানে থাকবে শেফের বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুদের মেনু। 

পাশাপাশি ছোটদের বিনোদনের জন্য থাকছে ম্যাজিক শো, পাপেট শো এবং ফেস পেইন্টিং, যা তাদের দিনটিকে আরও আনন্দময় করে তুলবে।

এই বিশেষ ব্রাঞ্চে অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় নানা স্বাদের সমাহার। লাইভ গ্রিল স্টেশনে থাকছে গার্লিক প্রনস, হানি মাস্টার্ড সি বাস ইন বানানা লিফ, বিফ টেন্ডারলয়েন এবং মঙ্গোলিয়ান গ্রিলড ল্যাম্ব কোফতা। 

এ ছাড়াও থাকবে স্মোকড স্যামন, বিভিন্ন ধরনের চিজ, সারকুটারি, অ্যান্টিপাস্তি এবং তাজা সালাদের সমৃদ্ধ আয়োজন।

হট বুফের আকর্ষণীয় পদগুলোর মধ্যে রয়েছে মাটন সুলেমানি কাবাব, বিফ বটি কাবাব, থাই গ্রিন বিফ কারি, অথেনটিক প্যাড থাই নুডলস, চাইনিজ স্টাইল চিলি চিকেন, মাটন বিরিয়ানি, বিফ মেজবানি, চিকেন ভুনা, ক্লাসিক বিফ গুলাশ, চিকেন পারমিজিয়ানা এবং মিক্সড সিফুড লাসানিয়া।

শিশুদের জন্য আলাদা বুফেতে থাকছে মিনি বিফ বার্গার, চিকেন নাগেটস, ম্যাক অ্যান্ড চিজ, মিনি চিকেন হট ডগ এবং ভেজিটেবল ফ্রাইড রাইস।

মিষ্টান্নপ্রেমীদের জন্য থাকছে চকলেট রাস্পবেরি ডিলাইট, বেকড চিজকেক, ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক, রেড ভেলভেট কেক, ক্রেম ক্যারামেল, জাফরানি রসগোল্লা, রাইস পুডিং, পাশাপাশি লাইভ ওয়াফল ও প্যানকেক স্টেশন এবং বিভিন্ন স্বাদের আইসক্রিম কাউন্টার।

সুস্বাদু খাবার, মনোমুগ্ধকর বিনোদন এবং পরিবারের সকল সদস্যের জন্য আনন্দঘন অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’ হতে যাচ্ছে ঢাকার অন্যতম আকর্ষণীয় উইকএন্ড ডেস্টিনেশন।

রিজার্ভেশন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে হবে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেলের হট লাইন নম্বরে: +৮৮০ ১৭০৪-১১২৬৪৮।

বিজ্ঞপ্তি/

তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ তিনটি পুরস্কার জিতেছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। টানা তৃতীয় বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজনে স্বীকৃতি পেল প্রতিষ্ঠানটি।

এ অর্জনের মাধ্যমে দেশের জুতা শিল্পে নিজেদের শীর্ষ অবস্থান আরও দৃঢ় করল এপেক্স। এ বছর ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’, ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার অব দ্য ইয়ার’ এবং ‘সাসটেইনেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’—এই তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস প্রতিবছর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের রিটেইল খাতে অসামান্য সাফল্য, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দেয়। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে টানা দুই বছর ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার অব দ্য ইয়ার’ ও ‘সাসটেইনেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছিল এপেক্স।

এবার প্রথমবারের মতো ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতেও স্বীকৃতি পেল প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে পুরস্কারের তালিকায় যুক্ত হলো নতুন একটি অর্জন।

অ্যাওয়ার্ড-এর জন্য এপেক্সের বিভিন্ন কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। বিচারক প্যানেলে ছিলেন ইওয়াই-পার্থেনন, ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনাল, কেপিএমজি, আরএসএম সিঙ্গাপুর, কার্নেই, পিডব্লিউসি অস্ট্রেলিয়া, এবং প্রতিনিধিরা।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফিরোজ মোহাম্মদ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এপেক্সের হেড অব মার্কেটিং মো. রায়হান কবির এবং হেড অব রিটেইল বিজনেস আরবাবুর রহমান।

এবারের স্বীকৃতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ঈদ উপলক্ষে চালু করা ‘এপেক্স এআই স্টাইলিস্ট’ উদ্যোগ। বাংলাদেশের রিটেইল খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর ব্যবহারে এটি একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ।

এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ৮৩ হাজারের বেশি সেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং এআই সাজেশনের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার বার ক্রেতাদের পণ্য বেছে নিতে সহায়তা করেছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ টি ডিজিটাল অর্ডার সম্পন্ন করেছে এপেক্স, যেখানে গ্রাহক সন্তুষ্টির হার ছিল ৯০ দশমিক ৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের পণ্য বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

পুরস্কারপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ মোহাম্মদ বলেন, “বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত হওয়ায় আমরা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গর্বিত। টানা তিন বছর ধরে রিটেইল এশিয়া এপেক্সকে ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার’, ‘সাসটেইনেবিলিটি’ এবং এবার ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করেছে। এই অর্জন আমাদের প্রতিটি এপেক্সিয়ান এবং সেই সব গ্রাহকের, যারা বিশ্বাস করেন বাংলাদেশি মান বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। বছরের পর বছর আমাদের পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।”

পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে এপেক্স। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৪৬ লাখ লিটার ভূগর্ভস্থ পানি সাশ্রয় করছে। এ ছাড়া দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ এলডব্লিউজির গোল্ড সনদপ্রাপ্ত বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) পরিচালনা করছে তারা।

সৌরশক্তির ব্যবহার এবং পিইটি-টু-প্রোডাক্ট সার্কুলার ইকোনমি উদ্যোগের আওতায় ৪৫১ টন বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে গত এক বছরে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ২০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের খুচরা বাজারেও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে এপেক্স। ২০২৫ সালের ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে ৫৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের বিক্রির মাইলফলক স্পর্শ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে সারা দেশে এপেক্সের খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে পরিচালিত কৌশলগত বিপণণ (স্ট্র্যাটেজিক মার্কেটিং)-এর মাধ্যমে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছেছে এপেক্স। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বিস্তৃত রিটেইল নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছেন ৭০ লাখের বেশি ক্রেতা। এর মধ্যে ৫৮ লাখ নিবন্ধিত লয়্যালটি গ্রাহকের ৫৭ শতাংশ নিয়মিত পুনরায় কেনাকাটা করেন, যা জুতার বাজারে এপেক্সের অবস্থানকে আরও শক্ত করেছে।

আমান/

ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই- টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সঙ্গে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে অনুমোদন দিলো শেয়ারহোল্ডারগণ।

এর মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিপণ্য খাতের শীর্ষ এই দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া কার্যকর করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের লক্ষ্যে বুধবার (৩ জুন, ২০২৬) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজন করে।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে ইজিএমে ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন প্রদান করেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম, পিএইচডি, এফসিএমএ ও জোহরা বিবি।

এছাড়াও ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডবিউ), কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ইজিএমে অংশ নেন।

সভা সঞ্চালনা করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, এফসিএস।

সভায় অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের নিকট ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনার প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং সুবিধাসমূহ তুলে ধরে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক পুঁজিবাজারের একটি কমপ্লায়েন্সনির্ভর, মৌলভিত্তিসম্পন্ন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি), ইলেকট্রিক বাইকসহ অসংখ্য আইসিটি পণ্য, এক্সেসরিজ এবং প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

তিনি জানান, ডিজি-টেক একীভূতকরণের ফলে ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির বাজার সম্প্রসারণ, কার্যক্ষমতাৎ বৃদ্ধি এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যার সুফল পাবেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ওয়ালটন ডিজি-টেককে ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে একীভূত করার এই প্রস্তাবটি মূলত একটি সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন।

এই সিদ্ধান্ত ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। এই একীভূতকরণ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়; এটি আমাদের প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা-উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একটি অভিন্ন শক্তিতে রূপান্তর ঘটাবে।

এর ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে দ্রুততর, সম্পদের ব্যবহার হবে আরও দক্ষ এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া নয়; বরং বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত প্রযুক্তিপণ্যের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।

আমরা বিশ্বাস করি, এই একীভূতকরণ সেই অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। ইজিএমে অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারগণ ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সাধুবাদ জানান। ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী করা, হাই-টেকের ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি, সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের উদ্যোগকে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী, বিচক্ষণ ও সময়োপযোগি এক ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে অভিহিত করেন শেয়ারহোল্ডারগণ।

এমন উদ্যোগের জন্য ওয়ালটন হাই-টেক এবং ডিজি-টেকের পরিচালনা পর্ষদকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানান তারা। ইজিএমে জানানো হয়, ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ৩৮.৪৫ শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের ১টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সেই হিসাবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি শেয়ার ইস্যু করা হবে।

আমান/

বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির দিকনির্দেশনা নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬।

বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকার হোটেল সারিনায় অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে দেশের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও সরাসরি সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করে।

জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময়ের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল দেশের বহু দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্যোক্তা ও তরুণ ব্যবসায়ী নেতার অংশগ্রহণ, যারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নিয়ে তাদের ভাবনা, উদ্বেগ ও প্রত্যাশা সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, যিনি অতীতে দলের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন।

আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রধান কৌশলবিদ আশফাক জামান। 

তিনি নীতিনির্ধারক এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নির্মাণে ভূমিকা রাখা নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

গোলটেবিল আলোচনায় বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্কার, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, পুঁজিবাজারের বিকাশ, সৃজনশীল অর্থনীতি, সবুজ অর্থনীতি এবং নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিয়েও মতবিনিময় করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি অংশগ্রহণমূলক ও অংশীদারিত্বভিত্তিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং বেসরকারি খাত দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। তিনি উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং সর্বস্তরের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ব্যবসাবান্ধব ও সুযোগভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো ডিরেগুলেশন বা অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস করে ব্যবসা পরিচালনাকে সহজতর করা, যাতে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হয়। পাশাপাশি তিনি নারী উদ্যোক্তাদের বৃহত্তর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সমাজের সব স্তরে অর্থনৈতিক সুযোগের গণতন্ত্রীকরণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনার এক পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপকল্পে কয়েকটি অপ্রচলিত কিন্তু সম্ভাবনাময় খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রুগাল ইনোভেশন, সৃজনশীল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার- যেগুলোকে তিনি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতারা নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগকে স্বাগত জানান এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস, বাজেট-সংক্রান্ত সুপারিশ, উদ্যোক্তা বিকাশ এবং উদীয়মান ব্যবসার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন বাস্তবধর্মী মতামত তুলে ধরেন।

ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রতিনিধিরা বলেন, একটি টেকসই, প্রতিযোগিতামূলক ও ভবিষ্যতমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে অর্থবহ সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই রাউন্ডটেবিলে উত্থাপিত মতামত ও সুপারিশসমূহ দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৃহত্তর নীতিগত আলোচনায় ইতিবাচক অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানটি একটি নেটওয়ার্কিং ডিনারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা, নতুন অংশীদারত্ব এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোগ নিয়ে আরও বিস্তৃত মতবিনিময় করেন।

অমিয়/