সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে রেলওয়ের রোপওয়ের বাঙ্কারের সংরক্ষিত এলাকায় পাথর লুটের ঘটনায় তিন বারকি শ্রমিককে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় পাথর উত্তোলনে ব্যবহার করা ৫০টি বারকি নৌকা বিনষ্ট করা হয়। এর আগে পৃথক আরেকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে আড়াই লাখ ঘনফুট বালু ও একটি পেলোডার জব্দ করা হয়।
শনিবার (১০ মে) বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুন্নাহার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত শেষে সন্ধ্যায় এই দণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডিতরা হলেন- কোম্পানীগঞ্জের নৌবাগী পাড়ুয়া বাজার গ্রামের মোহাম্মদ আজিজুল (৩৬), একই গ্রামের আলাউদ্দিন (৩৫) ও মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (৩৪)। তারা তিনজনই বারকি শ্রমিক।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান খবরের কাগজকে বলেন, দণ্ডিতদের রবিবার সকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, তেলিখাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে উত্তোলন করা দুই লাখ ৫০ হাজার ঘনফুট বালু ও একটি পেলোডার (বালু ওঠানো–নামানোর যন্ত্র) জব্দ করা হয়। এ ছাড়া বালু পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাকের কাগজপত্র না থাকায় মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর সন্ধ্যার দিকে রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাথর উত্তোলন ও পরিবহনে জড়িত থাকার দায়ে তিনজনকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ইউএনও আজিজুন্নাহার বলেন, অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। এরই অংশ হিসেবে আজকের এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের অভিযোগে ৯ জনকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অমিয়/