ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কোদালিয়া গ্রাম থেকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. গোলাম হায়দারকে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
সোমবার (২ জুন) রাতে অভিযান চালিয়ে নিজের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তার সহযোগী ফরহাদ খানসহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজু মোল্ল্যা সোমবার (২ জুন) সন্ধ্যায় তার বিরুদ্ধে থানায় একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দেন। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী রাতে অভিযান চালিয়ে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাসহ তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও বলেন, 'ইউনিয়ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন মেজর হায়দার। এতে রাজি না হলে রবিবার (১ জুন) তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।'
এদিকে, কোদালিয়া গ্রামে যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় মসজিদের মাইক ব্যবহার করে ফরহাদ হোসেন ‘মেজরের বাড়িতে ডাকাত পড়েছে’ বলে গুজব ছড়ান। এতে আশপাশের এলাকার মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে পুলিশ সাইরেন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে জানায় এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব, এখানে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (৩০) মে নগরকান্দা উপজেলার ডাংগি ইউনিয়নের ভবুকদিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেত্রীর বোনকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী পৌঁছলে গোলাম হায়দার লোকজন নিয়ে সেনা কমান্ডারের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন গোলাম হায়দার।
সঞ্জিব/রিফাত/