যশোরের শার্শা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন গ্রুপের ১৫ কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে উপজেলার নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির ও সাবেক এমপি মফিকুল হাসান তৃপ্তি গ্রুপের জনি ও জিয়ার নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন সমর্থক রবিবার রাত ৯টার দিকে নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে দেশীয় অস্ত্র, লোহার পাইপ নিয়ে বিএনপি কর্মী আব্দুর রাজ্জাককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেন। এ সময় রাজ্জাককে বাঁচাতে বিএনপি কর্মী রুহুল আমিনসহ অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
জনির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ স্থানীয়দের।
আহতদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক, রুহুল আমিন, টিটু, নাজমুলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই আমার সমর্থক রাজ্জাকসহ ১৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে হাসান ও তৃপ্তির লোকজন। এ ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
নজরুল ইসলাম/অমিয়/