ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা সাতচল্লিশের অস্বাভাবিকতার মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেছি প্রাচ্য-প্রতিচ্যের দ্বন্দ্ব ও সমকালীন চিন্তার বহুমাত্রিক পাঠ সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে কোরিয়ার চেকমেট টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক টিভিতে আজকের খেলা সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০ দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড় আধুনিক বাজেট বনাম ইসলামের বায়তুল মাল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ থেকে জিদানের ঢুস কর্মসংস্থানকে প্রধান অগ্রাধিকার বরাদ্দ কমিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে উচ্চাভিলাষ! বাজেটে দুদকের বরাদ্দ বাড়েনি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সাহসী রোডম্যাপ জুয়ার পূর্বাভাস, ভাঙতে পারে সব রেকর্ড মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে ১২ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল নতুন বাজেট পুঁজিবাজারকে আস্থায় আনতে নানা পদক্ষেপ ১২ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ইস্পাত রক্ষণ প্রাণে আলমিরন ফুটবলের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে রাজনীতি? প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা কার? সব উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি হয় সাফল্যের রেসিপি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ ১২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০টি কালজয়ী মন্তব্য
Nagad desktop

গাংনীতে অকেজো ৭ কোটি টাকার ব্রিজ

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৫ এএম
আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
গাংনীতে অকেজো ৭ কোটি টাকার ব্রিজ
ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুরের গাংনীতে লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি কমাতে তৈরি ব্রিজে সংযোগ সড়ক না থাকায় বেড়েছে দ্বিগুণ ভোগান্তি। জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় ৪ বছরেও হয়নি সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ। মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর থমকে দাঁড়িয়ে ৭ কোটি টাকার ব্রিজটি।

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে গাংনী উপজেলার বেতবাড়ীয়া ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মধুগাড়ি গ্রামের মধ্যবর্তী মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর ৭৫ মিটার গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ কোটি ২৯ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৯ টাকা। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

এলজিইডি সূত্র আরও জানায়, মেসার্স কহিনূর অ্যান্ড কফিল এন্টারপ্রাইজ ব্রিজের ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন করে। ব্রিজ তৈরির আগে স্থানীয় দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ও আমিরুল ইসলাম সংযোগ সড়কের জন্য বিনামূল্যে তাদের জমি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নির্মাণের পর বেঁকে বসেছেন। এখন তারা জমির বর্তমান বাজারমূল্য বেশি দাবি করায় বন্ধ হয়ে গেছে সংযোগ সড়কের কাজ।

গাংনী ও দৌলতপুরের শেষ সীমানায় আছে বেতবাড়ীয়া ও মধুগাড়ি গ্রাম। ব্রিজ নির্মাণের পর দৌলতপুর অংশের মধুগাড়িতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়েছে। তবে গাংনী অংশের বেতবাড়ীয়ায় কোনো সংযোগ সড়ক হয়নি। নদীর এপার এবং ওপারে কৃষিকাজ, স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে লক্ষাধিক মানুষের প্রতিনিয়ত যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এই জায়গাটি। ভোগান্তি কমানোর জন্য ব্রিজ নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুণ। ৫ মিনিটের জায়গায় যাতায়াতের জন্য মানুষকে ৯ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে।

বেতবাড়ীয়া গ্রামের ইয়াকুব আলী বলেন, ‘ব্রিজ হওয়ার খবরে এলাকাবাসীর মতো আমিও খুশি হই। তবে রাস্তা না হওয়ায় সেই খুশি আর নেই।’ গোবরগাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলাম বলেন, ‘ব্রিজ আছে, কিন্তু রাস্তা নেই। এর ফলে ফসল নিয়ে যেতে যে আমাদের কি কষ্ট হয়, সেটা বোঝানোর মতো নয়।’

মধুগাড়ি গ্রামের আকরামুল ইসলাম জানান, এই ব্রিজ পার হতে ৫ মিনিট সময় লাগে। কিন্তু সড়ক না থাকায় ঘুরতে হয় ৯ কিলোমিটার। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজ পার হচ্ছেন।

গাংনী উপজেলা এলজিইডি বিভাগের প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘আমি শুনেছি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মাধ্যমে বিষয়টি মন্ত্রণালয় বরাবর পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়াধীন বিষয়টি শেষ হলে অধিগ্রহণ শুরু হবে।’

সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:০০ এএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার ও গ্যাস চুরির অভিযোগে এক চুন কারখানার মালিককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগে আরও কয়েকটি কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১জুন) দিনব্যাপী তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক বিক্রয় বিভাগ, সোনারগাঁয়ের আওতাধীন এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ শনাক্ত ও বিচ্ছিন্ন করতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

জেলা প্রশাসক, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে সোনারগাঁ জাদুঘর সংলগ্ন ইছাপাড়া এলাকায় অবস্থিত একটি চুন কারখানায় অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কারখানাটির মালিক মেসার্স প্রান্ত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আবু বক্করকে (২৬) আটক করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, বৈধ অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে তিনি অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে গ্যাস ব্যবহার করেন। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০-এর ১২(১) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল। আদালত তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

কর্মকর্তারা জানান, ইছাপাড়া এলাকার কারখানাটির পাশাপাশি দিঘিরপাড় এলাকায় একটি এবং পিরোজপুর ইউনিয়নের মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থিত আরও দুটি চুন কারখানায় অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া যায়।

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল বলেন, "রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাস চুরি এবং অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানের সময় তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে এলাকায় থাকা কয়েকটি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

ইমরান/তামান্না রুপা

মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৪১ এএম
মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনায় ১০ যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামালপুর আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলো, উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের চরসুখনগরী বারখাদা এলাকার শাহজাহান মুন্সির ছেলে মনিরুল ইসলাম বাবু (২০), হবি মুন্সির ছেলে সবুজ মিয়া (২১), হবি মণ্ডলের ছেলে হোসেন আলী (১৮), জগলুল পাশার ছেলে সাজিবুল হাসান সজিব (২০), জোড়খালী ইউনিয়নের খিলকাটি গয়েসপাড়া এলাকার মহব্বত আলীর ছেলে আনন্দ হাসান (১৮) এবং তাছের মণ্ডলের ছেলে ইউনুস মিয়া (১৮)। অপহৃত কিশোরী ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। অপহরণের পর থেকে তাকে নিয়ে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছে।

অপহৃত কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জোড়খালী ইউনিয়নের খিলকাটি গয়েসপাড়া গ্রামের নাইম ইসলাম (১৮) দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কিশোরী এতে সাড়া না দিয়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে নাইমের স্বজনদের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারা কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এক পর্যায়ে কিশোরীকে অপহরণের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। 

আরও জানা গেছে, বুধবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাইমসহ কয়েকজন যুবক ওই কিশোরীর বাড়িতে প্রবেশ করে। পরে তারা জোরপূর্বক কিশোরীকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে ছয়জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে নাইমসহ অন্যরা কিশোরীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের থানায় নিয়ে আসে। 

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, এ ঘটনায় অপহৃত কিশোরীর মা বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আজ বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আসমাউল আসিফ/অন্তরা

টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১১:১৩ এএম
টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্ত এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ মায়ানমারের মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাচালান চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫।

গ্রেপ্তাররা হলেন, মায়ানমারের মংডু শহরের হারি পাড়া এলাকার মো. সাজেদ (৩২) এবং এনামুল হাসান (৩৩)।

১১ জুন বিকেল ৪টায় কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

র‌্যাব জানায়, মাদক, অপহরণ, খুন, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র‌্যাব-১৫ নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় কিছু সংঘবদ্ধ চক্র মায়ানমার থেকে বড় ধরনের মাদক চালান অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করিয়ে স্থানীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে।

এই মাদক দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে যুব সমাজকে আসক্ত করে তুলছে এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। দেশব্যাপী মাদক বিস্তার রোধে র‌্যাব-১৫ তাদের দায়িত্বাধীন এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় র‌্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে মায়ানমারের কতিপয় কুখ্যাত মাদক কারবারি চক্রের সদস্যরা একটি বড় ইয়াবার চালান নিয়ে টেকনাফের দিকে প্রবেশ করছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে র‌্যাব সাবরাং ইউনিয়নের মন্ডল পাড়া এলাকায় মো. কবির হোসেনের জমিতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ইয়াবা কারবারীরা দেশে প্রবেশকালে তাদের আটক করার চেষ্টা করা হয়।

র‌্যাব সদস্যরা মায়ানমার কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত ২জন মায়ানমারের নাগরিককে আটক করে। এ সময় আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত মাদক কারবারি পালিয়ে যায় এবং তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা অবৈধভাবে মিয়ানমার থেকে নাফনদী পার হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ইয়াবার বড় চালানটি নিয়ে আসে। অভিযান শেষে মোট ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শাহীন/তামান্না রুপা

সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৪১ এএম
সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ জন টেটাবিদ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টার দিকে বয়রাগাদি ইউনিয়নের কুমারখালি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমারখালি গ্রামের শিরু মিয়ার ছেলে জয়নাল এবং একই এলাকার বিসা মাতবরের ছেলে দেলোয়ার হোসেনের মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার বিরোধপূর্ণ জমিটি সার্ভেয়ার দিয়ে মাপা হলে তা নিয়ে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডা হয়।

পরে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে অন্তত ১০ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে টেটাবিদ্ধ হয়েছেন মো. আবুল হোসেন (৬০), মো. আমির আলী (৫৫), মো. সেলেম (৫৮) ও মো. ইয়ামিন (১৫)। তাদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে ঘটনার বিষয়ে খবরের কাগজের প্রতিনিধি উভয় পক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে কারো বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন খবরের কাগজকে জানান, এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। উভয় পক্ষই অভিযোগ দিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুমন/থিও

দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড়

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:০৫ এএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১০:১৫ এএম
দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড়
ছবি: প্রতীকী

স্থানীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনে উৎসাহ এবং দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি শুল্ক ও কর কাঠামোয় ব্যাপক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে কর সুবিধা বাড়ানো এবং স্থানীয় উৎপাদকদের সুরক্ষায় বিভিন্ন পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। ইলেকট্রিক গাড়িসহ পরিবহন, স্বাস্থ্য খাতেও সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করেন গতকাল জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।   

কৃষি খাতের উন্নয়নে দেশে স্থানীয়ভাবে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর পুরোপুরি মওকুফ করার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। স্থানীয়ভাবে জিংক সালফেট সার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এর মূল কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফের প্রস্তাব করা হয়। এমনকি কাজুবাদাম চাষকে উৎসাহ দিতে আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ ও দেশীয় শিল্পের প্রসারে আমদানি  করা পাঙাশ মাছের ফিলেটের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়।

পোলট্রি, ডেইরি ও মৎস্যজাত খাদ্য উৎপাদনকারী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধার প্রস্তাব করা হয়। এ ছাড়া পোলট্রি ও ডেইরি শিল্পের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানের কতিপয় উপকরণ আমদানিকে রেয়াতি সুবিধা শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়।
কৃষির মতো স্বাস্থ্য খাতেও বিভিন্ন সুবিধার প্রস্তাব করা হয় বাজেটে। দেশে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশের স্বার্থে এই শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় কিছু কাঁচামাল আমদানিতে ১৫ শতাংশ এবং অন্যকিছু কাঁচামাল আমদানিতে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বলবৎ রাখার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

এ ছাড়া কিডনি রোগে আক্রান্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে আরোপিত বিদ্যমান ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়। এমনকি মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত মর্চুয়ারির আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়।

ক্যানসারের ওষুধ তৈরির নতুন ৯টি কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধার প্রস্তাব করা হয়। দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পকে স্থানীয়ভাবে আন্তর্জাতিক মানের ও সাশ্রয়ী মূল্যের ক্যানসার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদনে সক্ষম ও স্বাবলম্বী করে তুলতে আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়। এ ছাড়া অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) তৈরির নতুন ৫১টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়। জনস্বাস্থ্য খাতেও ঢাকা ও বিভাগীয় শহরে শিল্প-কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’ বাস্তবায়নে সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়। 

ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি) জনপ্রিয় করতে শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। পরিবেশ দূষণ রোধ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে বিদ্যমান সমুদয় শুল্ক-কর এবং অন্যান্য ইলেকট্রিক বাস-ট্রাকের ক্ষেত্রে ভ্যাট ব্যতীত সমুদয় শুল্ক-কর অব্যাহতি সুবিধা ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করা হয়।

প্রযুক্তি খাতে উন্নত বাংলাদেশ এবং আইটি খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার ও কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রেও সমুদয় আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। 
স্থানীয় শিল্পের বিকাশেও কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়। ওয়াশিং মেশিন, ইলেকট্রিক ওভেন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন প্রস্তুতকারী শিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল ফ্লোট গ্লাস  আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং এলপিজি সিলিন্ডার, অটো ট্যাঙ্ক এবং ভাল্ব উৎপাদনকারী শিল্পের উপকরণ ও কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি ও শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়।

স্থানীয় ট্রান্সফরমার শিল্পকে শক্তিশালী করতে ১ কেভিএ পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফরমার আমদানির ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা এবং অতিরিক্ত ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্থানীয় ওয়াশিং মেশিন শিল্পকে সুরক্ষা দিতে সব ধরনের হাউসহোল্ড টাইপ ওয়াশিং মেশিন আমদানির ওপর নতুন করে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সাইকেলের যন্ত্রাংশ ‘ফ্রি হুইল’-এর বাজার সুরক্ষায় আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে।

দেশীয় কাগজ শিল্পের সুরক্ষায় গ্রিজপ্রুফ পেপার ও গ্লাসিন পেপার আমদানির ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার পাশাপাশি ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। কপার তার ও টিউব উৎপাদনকারী শিল্পের সুরক্ষায় কপারের তার আমদানিতে ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক এবং কপার টিউব আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

রি-ফ্র্যাক্টরি সিমেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল বল ক্লেসহ পাঁচটি কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। ডিটারজেন্ট শিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল লিনিয়ার অ্যালকাইল বেনজিন (এলএবি) আমদানির ক্ষেত্রে মাত্র ১ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ ও দেশীয় ফ্লোট গ্লাস শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ধরনের কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় টায়ার ও টিউব উৎপাদনকারী শিল্পের দুটি কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে স্কিন কেয়ার ও বিউটি প্রোডাক্টস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দুটি কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নকে উৎসাহ দিতে ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) পরিচালনায় প্রয়োজনীয় রাসায়নিক আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে দেশের বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ও কর রেয়াত সুবিধার মেয়াদ ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এভাবে বাজেট বক্তৃতায় বিভিন্ন খাতে সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।