ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও জবানের যে ছোট্ট কথায় অফুরন্ত সওয়াব মেলে সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গৃহকর্মী রোবট! দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন বাজি রাখছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রামিসার মৃত্যু, অপরাধীর শাস্তি এবং সমাজের দায় বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে নাচোলে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মৎস্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন জাতিসংঘ: উন্নয়ন অংশীদার নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নদী-খাল কিছু নেই তবুও নির্মাণ হচ্ছে ব্রিজ শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কেটে নিলেন পৌর বিএনপির নেতা বানিয়াচংয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত ৫০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ২ প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র নর্ডিক দেশসমূহ: প্রকৃতি, সমৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান, জানালা, বই-খাতা বিক্রির অভিযোগ শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা হাম-উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
Nagad desktop

ময়মনসিংহে সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ

প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:১৩ এএম
আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:২৩ এএম
ময়মনসিংহে সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ
উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদক।ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের মাসকান্দা এলাকার সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তলসহ বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার (২২ ডিসেম্বর) রাত দেড়টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়। 

এ সময় প্রতিষ্ঠানটির নৈশ্যপ্রহরীর রুম থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র ও মাদক জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মধ্যরাতে গোপন সংবাদে অস্ত্র ও মাদক কেনাবেচার তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়। এ সময় পাগলা থানাধীন নীগুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা ও প্রতিষ্ঠানটির নৈশ্যপ্রহরী হৃদয় মিয়ার শোবার ঘর থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি এয়ারগান, বিপুল পরিমাণ দেশিয় অস্ত্র, বিদেশি মদ, ফেন্সিডিল ও গাঁজা জব্দ করা হয়। নৈশ্যপ্রহরী হৃদয় মিয়াকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী ফারজানা শান্তাকে আটক করা হয়েছে। 

হৃদয় মিয়া চাকরির সুবাদে তার স্ত্রীকে নিয়ে সরকারি এই খামারে থাকতেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, নৈশ্যপ্রহরী হৃদয় মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। চক্রটির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা চলছে।

এগুলোর বিষয়ে কিছুই জানা নেই উল্লেখ করে সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটির ব্যবস্থাপক হাছেন আলী বলেন, এখানে অস্ত্র ও মাদক কেনাবেচা হলেও আমি কখনোই কিছু টের পাইনি। এই চক্রের সঙ্গে জড়িতের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।

কামরুজ্জামান মিন্টু/মেহেদী

রামুতে জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
রামুতে জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে পাহাড়তলী এলাকার আলোচিত আসিফ ও হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক।

গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

আ ম ফারুক জানান, গত ২ জুন রাতে পাহাড়তলী এলাকার ইসলামপুরে আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া আত্মগোপনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তার অপরাধের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ জোড়া হত্যা মামলাসহ তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় দুটি হত্যা মামলা, একটি মাদক মামলা এবং বিভিন্ন অভিযোগে মোট আটটি মামলা রয়েছে।

তারেকুর রহমান/খাদিজা রুমি/

যশোরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
যশোরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা
যশোর

যশোরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে ছামিনা আক্তার নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী নিজ শরীরেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে শহরের শেখহাটি তমালতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। 

নিহত ছামিনা আক্তার পাশের গ্রাম তরফ নওয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আর স্বামী সুজনের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসায় অবস্থানকালে নেশার টাকার বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী ছামিনা আক্তারকে ধারালো ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। 

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছামিনাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর সুজন নিজ শরীরেও ছুরি দিয়ে একাধিক স্থানে আঘাত করে গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে একই হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহত ছামিনার মামা পিয়াস জানান, সুজন আগে বিদেশে কর্মরত ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে ভালোবেসে তারা বিয়ে করেন এবং পরে আলাদা ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে সুজন বেকার ছিলেন এবং পুনরায় বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর মধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। 

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাকিরুল ইসলাম জানান, ছামিনাকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া সুজনের শরীরেও একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা আত্মীয়তার সম্পর্কের মধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আলাদাভাবে বসবাস করতেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এইচ আর তুহিন/অন্তরা

গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত ছোট ভাই, আশঙ্কাজনক বড় ভাই

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:২১ এএম
গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত ছোট ভাই, আশঙ্কাজনক বড় ভাই
প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধা জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই রুমন (১৮) নিহত হয়েছেন। আহত বড় ভাই রুহিতের (২০) অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ সময় খুনিরা পালিয়ে গেলেও দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাইবান্ধা সদরের পূর্ব পিয়ারাপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী খবরের কাগজকে জানান, পূর্ব পিয়ারাপুর গ্রামের রাকিবের সঙ্গে মৃত ফারুকের ছেলে রুহিতের দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এক পর্যায়ে রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হলে রাকিব  ছুরি দিয়ে রুহিতকে আঘাত করেন।

এ সময় রুহিতের ছোট ভাই রুমন এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাকিব। পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় সহোদর রুহিত ও রুমনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রুহিত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন রবিবার রাত সাড়ে ১২টায় খবরের কাগজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, এ ঘটনায় খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাকিবের মা বেবি বেগম ও তার স্ত্রী ইতি বেগমকে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে' বলেও জানান তিনি।

মিলন খন্দকার/থিও

রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগ -যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২১

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:২০ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩২ এএম
রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগ -যুবলীগ নেতাসহ  গ্রেপ্তার ২১
ছবি: খবরের কাগজ

রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাসহ ডেভিল হান্ট, মাদকসেবী, কিশোরগ্যাং ও জুয়া খেলার অপরাধে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ জুন) রাতে কোতোয়ালি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানের পরপরই থানার সামনে ভিড় জমাতে থাকে গ্রেপ্তারদের স্বজনরা। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসময় থানার মূল ফটক বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

এদের মধ্যে রাঙামাটি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বাবু ত্রিপুরা ও ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নরেশ মজুমদারকে গ্রেপ্তার করে। 

এছাড়া অপর ১৮ জনকে মাদকসেবন, কিশোরগ্যাং ও অনলাইনে জুয়ার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন বলেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগের তিন নেতাসহ ডেভিল হান্ট, মাদকসেবী, কিশোরগ্যাং ও জুয়ার অপরাধে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা  করে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

জিয়াউর রহমান/খাদিজা রুমি/ 

মতিঝিলে ব্যাংকের সামনে দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে দুর্ধর্ষ ছিনতাই

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:০১ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
মতিঝিলে ব্যাংকের সামনে দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে দুর্ধর্ষ ছিনতাই
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মতিঝিলের প্রাণকেন্দ্র শাপলা চত্বর এলাকায় মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার বেলা ৩টার দিকে জনতা ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যবসায়ী মো. লোকমানের হাতের কনুইয়ের নিচে একটি এবং হাঁটুর নিচে দুটি গুলি লেগেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। 

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী লোকমান সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তার ছিনতাই হওয়া ব্যাগে বৈদেশিক মুদ্রাসহ ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা ছিল। তবে পুলিশ বলছে, ওই ব্যবসায়ীর ব্যাগে ১৭ হাজার ডলার ছিল বলে প্রাথমিকভাবে তারা তথ্য পেয়েছে। 

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ছিনতাইকারী চক্রটি ব্যবসায়ী লোকমানকে অনুসরণ করছিল বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। জনতা ব্যাংকের সামনে আসামাত্রই একটি মোটরসাইকেলে দুজন এসে লোকমানের গতিরোধ করে। এরপর চক্রের অন্যরা তাকে ঘেরাও করে অনেকটা ফিল্মি স্টাইলে গুলি করে ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বিকেলে মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ী লোকমান কালো একটি ব্যাগ হাতে নিয়ে শাপলা চত্বরের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ চারটি মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরে তার সঙ্গে থাকা কালো ব্যাগটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে ধস্তাধস্তি শুরু হলে পিস্তল বের করে লোকমানের ওপর গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। গুলির শব্দে আতঙ্কে আশপাশের লোকজন দ্রুত এলাকা ছাড়েন। একপর্যায়ে প্রকাশ্যেই লোকমানের হাতে গুলি করে ব্যাগটি নিয়ে এলাকা ত্যাগ করে দুর্বৃত্তরা। পরে খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ব্যবসায়ীকে হাসপাতালে পাঠায়। এ ছাড়া র‌্যাব, ডিবি পুলিশ, সিটিটিসি ও পিবিআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। 

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।