গাজীপুর চৌরাস্তায় সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যার ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে এই মামলায় মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বল নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) উপ-কমিশনার রবিউল হাসান।
রাতে গ্রেপ্তার তিনজন হলেন শাহজালাল, ফয়সাল হাসান ও সুমন। এর আগে গ্রেপ্তার করা হয় কেটু মিজান, তার স্ত্রী গোলাপী, স্বাধীন ও আলামিনকে।
গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তায় মসজিদ মার্কেটের সামনে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় সাংবাদিক তুহিনকে।
জিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় এক নারী ও তার চক্রের সদস্যরা বাদশা নামে এক লোককে টার্গেট করেন। এ সময় বাদশা ওই নারীর ফাঁদে না পড়ে তাকে থাপ্পড় দেন। এ সময় ওই চক্রের সদস্যরা বাদশার ওপর হামলা করে তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। এ সময় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন সড়ক থেকে সেই ভিডিও ধারণ করতে গেলে ওই চক্রের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।’
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ত্রাসীরা তুহিনকে দেখে ভিডিও মুছে ফেলতে বলে। তুহিন ভিডিও মুছতে অস্বীকার করলে তাকে ধাওয়া দেয়। এ সময় তুহিন দৌড়ে পালাতে থাকে। সন্ত্রাসীরাও তার পিছু নেয়। একপর্যায়ে চান্দনা চৌরাস্তার মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি দোকানের কাছে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তুহিনের মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়।
এর আগে বুধবার গাজীপুর সদর এলাকায় আনোয়ার হোসেন নামের এক সাংবাদিককে পাথর দিয়ে থেঁতলে ও কিলঘুষি মেরে আহত করা হয়।
>হানিট্র্যাপের ঘটনার ভিডিও করাই কাল হলো সাংবাদিক তুহিনের
অমিয়/