কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টা থেকে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এর পর বাদ যোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
সেখান থেকে ফরিদা পারভীনের মরদেহ কুষ্টিয়ায় নিয়ে মা-বাবার কবরের পাশে তার দাফন করা হবে।
গণমাধ্যমকে শিল্পীর মেজো ছেলে ইমাম নাহিল সুমন জানান, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে ফরিদা পারভীনের মরদেহ নেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে। সেখানে বাদ যোহর জানাজার নামাজ শেষে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কুষ্টিয়ায়।
ফরিদা পারভীনের জন্ম ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোর জেলার সিংড়া থানার শাঔঁল গ্রামে। শৈশব কেটেছে কুষ্টিয়া ও মাগুরায়। লালনের গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেলেও ১৪ বছর বয়সে তার পেশাদার সংগীতজীবনের শুরু হয়েছিল নজরুলসংগীত দিয়ে। ১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারে শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। দেশাত্মবোধক গানের জন্যও তিনি জনপ্রিয় ছিলেন।
সংগীতে অবদানের জন্য ফরিদা পারভীন ১৯৮৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।
বেশকিছু দিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন ফরিদা পারভীন। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি, ডায়াবেটিসসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। অবশেষে ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঝরে গেলেন বাংলার সংগীত আকাশের উজ্জ্বলতম এই নক্ষত্র।
অমিয়/