ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লাজ ফার্মায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আজই আবেদন করুন বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করলেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনার টেবিলে ট্রাম্প-ইরান; বাতিল মার্কিন হামলা তুমি এলে বসন্তে একটা শুক্রবারের দিবাভাগ তোমাকে দেখার স্বাদ মিটবে না ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ লাবণ্য ধরে রাখো কীভাবে? খুব বেশি কিছু না দায়বদ্ধ রেফারিদের মাথায় কী? হৃদয়ের ভাঙা নীলিমা সময় একটি সাধনাযোগ্য শিল্প জাবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ মিছিল জুলাইয়ের পর ভারত-ইসরায়েল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভটভটি উল্টে প্রাণ গেল চালকের মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা কুষ্টিয়ার সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা সাতচল্লিশের অস্বাভাবিকতার মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেছি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ কিশোর গ্রেপ্তার প্রাচ্য-প্রতিচ্যের দ্বন্দ্ব ও সমকালীন চিন্তার বহুমাত্রিক পাঠ ১৭ বছর পর বিএনপি সরকারের বাজেট, সোনারগাঁয় আনন্দ মিছিল কারাগারে স্ত্রীকে গাঁজা পৌঁছে দিতে গিয়ে স্বামী আটক চুয়াডাঙ্গায় অপারেশনের মাঝপথে চলে যান চিকিৎসক সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে কোরিয়ার চেকমেট টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক টিভিতে আজকের খেলা
Nagad desktop

নতুন পোপ নির্বাচনের প্রক্রিয়া ‘কনক্লেভ’ শুরু

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৫, ০৩:১৬ পিএম
আপডেট: ০৬ মে ২০২৫, ০৩:২৮ পিএম
নতুন পোপ নির্বাচনের প্রক্রিয়া ‘কনক্লেভ’ শুরু
ছবি: সংগৃহীত

গত ২১ এপ্রিল ৮৮ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ধর্মের সর্বোচ্চ নেতা পোপ ফ্রান্সিস। এর ফলে, ১৩৯ কোটি ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের পরবর্তী নেতা কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা দেখা দিয়েছে।

ঐতিহ্য অনুসারে—কোনো পোপের মৃত্যুর পর পরবর্তী পোপ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সময়কালকে ‘সেদে ভ্যাকান্তে’ বা ‘শূন্য আসন’ সময়কাল বলা হয়। এ সময় একজন জ্যেষ্ঠ কার্ডিনাল ‘ক্যামারলেঙ্গো’ নামে পরিচিত হন। তিনি পোপের মৃত্যু নিশ্চিত করেন এবং সাময়িকভাবে ভ্যাটিকানের অর্থ ও প্রশাসনিক বিষয়ের দায়িত্ব নেন। তবে চার্চের নীতি পরিবর্তন বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তার থাকে না।

বর্তমান ক্যামেরলেঙ্গো হলেন আয়ারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া কার্ডিনাল কেভিন ফ্যারেল। তিনি বর্তমানে ভ্যাটিকানের সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে নতুন পোপ বেছে নিতে ইতালির রাজধানী রোমে ইতোমধ্যে পৌঁছে গেছেন ১৩৩ জন কার্ডিনাল। সোমবার( ৫ মে) ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বুধবার (৭ মে) শুরু হবে পোপ নির্বাচনের প্রক্রিয়া, যা ‘কনক্লেভ’ নামে পরিচিত। বুধবার এই ১৩৩ জন কার্ডিনাল ভ্যাটিকানের সিস্টাইন চ্যাপেলে একত্র হবেন। পোপ ফ্রান্সিসের উত্তরসূরি নির্বাচন করবে জ্যেষ্ঠ ক্যাথলিক যাজকদের নিয়ে গঠিত কার্ডিনালদের এই ‘কলেজ’। যাদের বেশির ভাগকেই পোপ ফ্রান্সিস নিজে নিযুক্ত করে গেছেন।

পোপ হওয়ার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই ব্যাপ্টাইজ হওয়া, পুরুষ এবং রোমান ক্যাথলিক হওয়ার শর্ত পূরণ করতে হবে। ভ্যাটিক্যানের কয়েক শ বছরের ঐতিহ্য অনুসারে, কার্ডিনালরা তাদের নিজেদের মধ্য থেকেই একজনকে পোপ হিসেবে নির্বাচন করে আসছেন।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২৪০ জনের বেশি কার্ডিনাল রয়েছেন। তারা সাধারণত আমৃত্যু এই পদেই দায়িত্ব পালন করে থাকেন। ৮০ বছরের কম বয়সী এসব কার্ডিনালরা পোপের মৃত্যু বা পদত্যাগের পর ভোট দেন।

এই প্রক্রিয়া ‘পেপাল কনক্লেভ’ নামে পরিচিত। পোপ নির্বাচনের জন্য এদিন একবার এবং পরবর্তী প্রতিদিন চারবার পোপ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভোট দেওয়া হবে। পোপ নির্বাচিত হওয়ার আগপর্যন্ত তারা বহির্বিশ্বের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না। বাইরের প্রভাব এড়াতে কনক্লেভ সিসটিন চ্যাপেলের ভেতরে তারা আবদ্ধ থাকবেন।

৯ জন নির্বাচিত কার্ডিনালের তদারকিতে তারা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন। নতুন পোপ নির্বাচিত হতে ঐতিহ্যগতভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হয়। এই সংখ্যক সমর্থন অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ভোট চলতে থাকে।

প্রতি দফা ভোটের পর এক বিশেষ রাসায়নিক দিয়ে ব্যালটগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়। এতে কালো বা সাদা ধোঁয়া তৈরি হয়। কালো ধোঁয়া মানে—কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, আর সাদা ধোঁয়া মানে—নতুন পোপ নির্বাচিত হয়েছেন। 

পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর একজন জ্যেষ্ঠ কার্ডিনাল সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা থেকে তার নাম ঘোষণা করেন।

সাধারণত ক্ষমতাসীন পোপের মৃত্যু বা পদত্যাগের দুই বা তিন সপ্তাহ পর এটি ঘটে। এতে নয় দিনের শোক পালন এবং কার্ডিনালদের বিশ্বজুড়ে ভ্যাটিকানে আসার সময় পাওয়া যায়। ২০১৩ সালের কনক্লেভে ফ্রান্সিস পোপ নির্বাচিত হন। তিনিই ছিলেন দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম পোপ। তার পূর্বসূরি ষোড়শ বেনেডিক্টের পদত্যাগের মাত্র ১২ দিন পর এই কনক্লেভ শুরু হয়।

এই প্রক্রিয়া কয়েক দিন, সপ্তাহ বা তার বেশি সময়ও নিতে পারে। এটি কার্ডিনালদের মধ্যে বিভক্তির ওপর নির্ভর করে। প্রতিদিন কনক্লেভে চার দফা পর্যন্ত ভোট হতে পারে। এতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের চেষ্টা করা হয়। ৩৩ দফা ভোটের পরও যদি কোনো সিদ্ধান্ত না হয়, তবে শীর্ষ দুই প্রার্থীর মধ্যে রান-অব ভোট হয়।

গত তিন পোপের নির্বাচন তুলনামূলকভাবে দ্রুতই হয়েছে। প্রতিটি নির্বাচনেই কয়েক দিনের বেশি সময় নেওয়া হয়নি। তবে অনেক পোপের নির্বাচন অনেক দীর্ঘ হয়েছে। যেমন, ১২৭১ সালে পোপ দশম গ্রেগরির নির্বাচনে প্রায় তিন বছর লেগে যায়। এর কারণ ছিল তীব্র রাজনৈতিক কোন্দল।

কনক্লেভে ভোট দেওয়ার যোগ্য ১৩৮ জন কার্ডিনালের মধ্যে ১১০ জনকে পোপ ফ্রান্সিস নিয়োগ করেন। এই দলটি পূর্বের নির্বাচকদের চেয়ে অনেক বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ। এতে এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব বেশি। সবচেয়ে কম বয়সী কার্ডিনাল নির্বাচকের বয়স মাত্র ৪৫ বছর। তিনি অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ইউক্রেনীয় যাজক।

ফলে, বিগত এক শতকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পরবর্তী পোপ আফ্রিকা বা এশিয়া থেকে আসতে পারেন। অথবা চার্চের নেতৃত্বে ঐতিহ্যগতভাবে স্বল্প প্রতিনিধিত্ব থাকা অন্য কোনো অঞ্চল থেকে আসতে পারেন। 

আফ্রিকার যে কার্ডিনালদের নাম আলোচনায় আছে তাদের মধ্যে রয়েছেন—ঘানার পিটার টার্কসন। তিনি পন্টিফিকাল কাউন্সিল ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিসের সাবেক প্রধান। এ ছাড়া, আছেন—গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ফ্রিডোলিন অ্যাম্বোঙ্গো। তিনি কিনশাসার আর্চবিশপ। দুজনেই রক্ষণশীল এবং নিজ নিজ দেশে শান্তির জন্য সোচ্চার।

আরেক শক্তিশালী প্রার্থী হলেন—ফিলিপাইনের কার্ডিনাল লুইস তাগলে। তিনি ম্যানিলার সাবেক আর্চবিশপ। পোপ ফ্রান্সিসের মতো তাগলেও সামাজিক ন্যায়বিচার এবং দরিদ্রদের সেবার ওপর জোর দেন। হাঙ্গেরির কার্ডিনাল পিটার এরডোকে শীর্ষস্থানীয় রক্ষণশীল প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিনি পূর্ব ইউরোপের খ্রিষ্টানদের সঙ্গে পশ্চিম ইউরোপ ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারেন।

আলোচনায় আছেন—কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিনও। তিনি হোলি সি’র সেক্রেটারি অব স্টেট। তার শীর্ষ কূটনৈতিক ভূমিকার কারণে সকল কার্ডিনাল তাকে ভালোভাবে চেনেন।

অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ইতালির মাত্তেও জুপ্পি। তিনি বোলোগনার আর্চবিশপ। আছেন মাল্টার সিনড অব বিশপসের সেক্রেটারি-জেনারেল মারিও গ্রেচ। তিনি পোপ ফ্রান্সিসের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

দিনা/

যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনার টেবিলে ট্রাম্প-ইরান; বাতিল মার্কিন হামলা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০২:০৫ পিএম
যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনার টেবিলে ট্রাম্প-ইরান; বাতিল মার্কিন হামলা
ছবি: সংগৃহীত

শেষ মুহূর্তে ইরানের ওপর পূর্বনির্ধারিত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাতিলের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের চরম উত্তেজনার মাঝে এক নাটকীয় মোড়।

সামরিক অভিযানের পথ থেকে সরে এসে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেতের পর দুই দেশ এখন একটি সমঝোতা চুক্তির দিকে এগোচ্ছে বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে।

তবে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চূড়ান্ত চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে বহাল থাকবে।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল' এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন- "ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং তা অনুমোদিত হয়েছে। এই বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি আজ সন্ধ্যায় ইরানের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সমস্ত বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণ বাতিল করছি।"

তিনি আরও যোগ করেন, প্রস্তাবিত চুক্তির মূল এবং চূড়ান্ত বিষয়গুলো তাত্ত্বিক ও বিস্তারিত উভয়ভাবেই সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষের দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE), কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান এবং মিশরসহ অন্যান্য দেশ সরাসরি জড়িত রয়েছে।

ট্রাম্প জানান, চুক্তি স্বাক্ষরের সময় ও স্থান খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এড়াতে এবং বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই ট্রাম্প প্রশাসন শেষ মুহূর্তে এই কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতি থমথমে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তামান্না রুপা/

জুলাইয়ের পর ভারত-ইসরায়েল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:১৭ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০১:২১ পিএম
জুলাইয়ের পর ভারত-ইসরায়েল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা
ছবি: সংগৃহীত

আগামী জুলাই মাসের পর ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রস্তাবিত বিস্তৃত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে। সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলীর ওপর নজর রাখছেন এমন নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে ‘এনডিটিভি প্রফিট’ এই তথ্য জানায়।

আগামী দফায় দুই দেশের প্রতিনিধি দলের এই মুখোমুখি বৈঠকটি ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের কারণে পূর্বনির্ধারিত এই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকটির সময়সূচি পরিবর্তন করে চলতি গ্রীষ্মের শেষের দিকে নির্ধারণ করতে হয়েছে।

তবে মুখোমুখি বৈঠক পিছিয়ে গেলেও দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক যোগাযোগ কিন্তু থেমে থাকেনি। ভার্চুয়াল বৈঠক এবং কারিগরি স্তরের পর্যালোচনার মাধ্যমে উভয় দেশই এই আলোচনার গতি সচল রেখেছে। ইসরায়েলে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় দফার এই বৈঠকে মূলত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং বাণিজ্য স্তম্ভগুলোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

আলোচনার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:

বাজার সুবিধা : দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়াতে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা।

সেবা ও শুল্ক : আন্তঃসীমান্ত পেশাদার সেবা আদান-প্রদান সহজ করা এবং শুল্ক প্রক্রিয়াকে জটিলতামুক্ত করা।

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন : উভয় দেশের প্রযুক্তিগত খাতের সক্ষমতাকে যৌথভাবে কাজে লাগানো।

মেধাস্বত্ব : দুই দেশের নতুন নতুন উদ্ভাবন সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী মেধাস্বত্ব কাঠামো তৈরি করা।

এর আগে গত নভেম্বরে তেল আবিব সফরের সময় ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, "এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি পণ্য ও সেবা—উভয় খাতেই বৃহত্তর বাজার সুবিধা এবং পুঁজি প্রবাহের পথ উন্মুক্ত করবে। এটি ব্যবসা-বাণিজ্যের বাধাগুলো দূর করার পাশাপাশি আমাদের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে স্পষ্টতা ও নির্ভরযোগ্যতা আনবে।"

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে (২০২৫) ভারত ও ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ‘টার্মস অফ রেফারেন্স’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রস্তাবিত চুক্তির প্রাথমিক রূপরেখা চূড়ান্ত করে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে (পিওকে) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৭ জন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কাশ্মীরের ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। বিবিসি জানিয়েছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ৪ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

শরণার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক সংসদীয় আসন সংরক্ষণের বিরুদ্ধে আসন্ন নির্বাচনের আগে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী সংগঠনের জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলনকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির নেতাদের গ্রেপ্তারে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।

তবে এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও হাজারও মানুষ আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের অভিমুখে মিছিল শুরু করেন। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন নিহত হন। 

স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিয়ে একটি বিশাল বহর রাওয়ালাকোট শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে।

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বিবিসি উর্দুকে জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী টহল দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বহরকে রাওয়ালাকোট হয়ে মুজাফফরাবাদে যেতে দেওয়া হবে না। বিবিসি উর্দুর প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, স্থানীয় মসজিদগুলো থেকে লাউড স্পিকারে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও কমিশনার খান দাবি করেছেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।’
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী মুজাফফরাবাদ ও রাওয়ালাকোটে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টার টহল চালানো হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে আটা, চাল, বিদ্যুৎ এবং মৌলিক অধিকারের দাবিতে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভটি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে তা সহিংস হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২০০ জন।

 সূত্র: বিবিসি ও এনডিটিভি

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/