ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করলেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী তুমি এলে বসন্তে একটা শুক্রবারের দিবাভাগ তোমাকে দেখার স্বাদ মিটবে না লাবণ্য ধরে রাখো কীভাবে? খুব বেশি কিছু না দায়বদ্ধ রেফারিদের মাথায় কী? হৃদয়ের ভাঙা নীলিমা সময় একটি সাধনাযোগ্য শিল্প বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা কুষ্টিয়ার সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা সাতচল্লিশের অস্বাভাবিকতার মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেছি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ কিশোর গ্রেপ্তার প্রাচ্য-প্রতিচ্যের দ্বন্দ্ব ও সমকালীন চিন্তার বহুমাত্রিক পাঠ ১৭ বছর পর বিএনপি সরকারের বাজেট, সোনারগাঁয় আনন্দ মিছিল কারাগারে স্ত্রীকে গাঁজা পৌঁছে দিতে গিয়ে স্বামী আটক চুয়াডাঙ্গায় অপারেশনের মাঝপথে চলে যান চিকিৎসক সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে কোরিয়ার চেকমেট টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক টিভিতে আজকের খেলা সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০ দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড় আধুনিক বাজেট বনাম ইসলামের বায়তুল মাল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ থেকে জিদানের ঢুস কর্মসংস্থানকে প্রধান অগ্রাধিকার বরাদ্দ কমিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে উচ্চাভিলাষ!
Nagad desktop

ভারত-পাকিস্তান সর্বাত্মক যুদ্ধের পথে

প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৫, ০৯:২২ এএম
আপডেট: ০৮ মে ২০২৫, ০৯:৪১ এএম
ভারত-পাকিস্তান সর্বাত্মক যুদ্ধের পথে
ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের পাঞ্জাবের মুরিদকে শহরে বিধস্ত সরকারি ভবন (ওপরের বাঁয়ে)। ভবনের পাশে নিরাপত্তা জোরদার (ডানে) বিমান চলাচল বন্ধ হওয়ায় করাচি বিমানবন্দরে যাত্রীদের অপেক্ষা (নিচে বাঁয়ে)। আংশিক বিধস্ত পাঞ্জাবে বাহাওয়ালপুরের একটি ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র (নিচে ডানে)। ছবি: ডন

ভারতের কাশ্মীরের পাহালগামে বন্দুকধারীদের হামলাকে কেন্দ্র করে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জড়াল ভারত ও পাকিস্তান।

গত মঙ্গলবার (৬ মে) দিনগত রাত ১টা ৫ মিনিটে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়েছে ভারত। ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামের ওই সামরিক অভিযানে মাত্র ২৫ মিনিটে পাকিস্তানের ৯টি স্থানে ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ভারত। তবে পাকিস্তান জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত ও ৪৬ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ভারতের হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে দেশটি। পাকিস্তানের হামলায় ভারতের কাশ্মীরে অন্তত ১৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

অন্যদিকে শেহবাজ শরিফ বুধবার দেশটির পার্লামেন্টে বলেছেন, তার দেশের সেনাবাহিনী ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। ভারতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে পাকিস্তানের কামানের গোলা হামলায় ১৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪৩ জন আহত হয়েছেন। কাশ্মীরের পুঞ্চ ও তাংধরের বেসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাতিসংঘ এই হামলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। জাতিসংঘ সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরার জন্য ভারত ও পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়ায় সামরিক বাহিনীকে ‘সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ’ গ্রহণের অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি (এনএসসি)। দেশটির এই কমিটি বলেছে, ভারতের হামলার জবাবে সময় অনুযায়ী যথাযথ স্থানে পছন্দমতো পাকিস্তান প্রতিক্রিয়া জানাবে।

বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এনএসসির বৈঠকে পাল্টা হামলার অনুমোদন দেওয়া হয় বলে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর ফলে এখন সর্বাত্মক যুদ্ধের পথে এগোচ্ছে ভারত-পাকিস্তান।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এর ফলে পরমাণু শক্তিধর দেশ দুটি সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টারের সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব ডেমোক্রেসির পরিচালক নিতাশা কাউল বলেছেন, ‘এসব হামলা খুবই উদ্বেগজনক। এসব হামলা কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের ওপর চরম দুঃখ-কষ্ট বয়ে আনবে।’ 

হামলা হয়েছে ৯ স্থানে 

ভারতের গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানে ভারতীয় সেনারা ৯টি স্থানে হামলা চালিয়েছে। সেগুলো হলো পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে, শিয়ালকোট ও কোটলি এবং কাশ্মীরের মুজফ্‌ফারাবাদ, গুলপুর, ভিমবের, চাক আমরু ও বাগ। প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগিয়ে ওই ৯টি স্থানকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এই জায়গাগুলো ঠিক করে দিয়েছিল। 

মোদির পাশে কংগ্রেস ও তৃণমূল

পাকিস্তানে হামলাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশে এসে দাঁড়ালেন ভারতের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলের নেতা। পাকিস্তানে সামরিক হামলা চালানোর জন্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করেছেন প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা ও দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। গতকাল সকালে এক এক্স পোস্টে রাহুল লেখেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য গর্বিত। জয় হিন্দ।’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর তিনি বলেন, বিভেদ ভুলে এখন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার সময়।

জবাব দেওয়ার অনুমতি পেল পাক সশস্ত্র বাহিনী

প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির (এনএসসি) বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীকে হামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান বলেছে, জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের আওতায় তাদের আত্মরক্ষার অধিকার আছে। দেশটি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছে, সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং বেসামরিক প্রাণহানির প্রতিশোধ নিতে ‘নিজস্ব সময়, স্থান ও পদ্ধতি’তে ভারতের হামলার জবাব দেওয়ার অধিকার তারা রাখে।

পাকিস্তানের বিবৃতির বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে ‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পূর্ণ অনুমোদন’ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে পাকিস্তানের এনএসসির বৈঠকের পর এ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

যেসব অস্ত্র ব্যবহার করল ভারত

ভারত পাকিস্তানে হামলায় যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছে তার মধ্যে রয়েছে, স্কাল্প ক্রুজ মিসাইল, হেমার স্মার্ট বোমা ও লোটারিং মিউনিশন বা আত্মঘাতী ড্রোন। স্কাল্প মিসাইল ২৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, হেমার বোমা ৫০-৭০ কিলোমিটার দূরের শক্ত ঘাঁটি ধ্বংসে ব্যবহৃত হয় এবং লোটারিং মিউনিশন শত্রুর অবস্থান শনাক্ত করে আত্মঘাতী হামলা চালায়। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলাগুলো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অপারেশন সেন্টারে চালানো হয়েছে, কোনো সামরিক স্থাপনায় নয়। তবে এর পাল্টা জবাবে গত মঙ্গলবার রাতেই পাকিস্তান হামলা চালায় ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে। এতে ১৫ জন নিহত ও ৪৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। 

যা বললেন পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরা

সামরিক হামলার পর প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রী এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ভারতের তরফে এই পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, ‘প্রতিশোধ নেওয়ার সব অধিকার পাকিস্তানের রয়েছে।’ তিনি ভারতের এই হামলাকে ‘অ্যাক্ট অব ওয়ার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের পুরো জনগণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়িয়েছে এবং দেশের মনোবল একেবারে মজবুত রয়েছে।’ পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমি পাকিস্তানের ভূখণ্ড এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ভারতের কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। এ ধরনের আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে।’ তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার অভিযোগ তুলেছেন, ভারত পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে ‘সন্ত্রাসী শিবির নয়, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে’।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিবের ব্রিফিং

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে ভারত হামলার অধিকার প্রয়োগ করেছে। গতকাল সকাল ১০টায় এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, পাহালগামের হত্যাকাণ্ডের পর সীমান্তপার থেকে আরও সম্ভাব্য হামলা ঠেকানোর পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদী কাঠামো ধ্বংস করাই ছিল হামলার উদ্দেশ্য।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘ভারত যে হামলা চালিয়েছে তা পরিমিত, সমানুপাতিক, দায়িত্বশীল এবং যা ছড়িয়ে পড়বে না, এমন। ভারতের লক্ষ্য ছিল সন্ত্রাসবাদীদের অবকাঠামো ভেঙে দেওয়া, যাতে সন্ত্রাসীদের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাঠানো ঠেকানো যায়।’ বিক্রম মিশ্রি আরও বলেন, ‘পাহালগামে হামলায় জড়িতদের শাস্তি ও বিচারের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গত ২৫ এপ্রিল যে বিবৃতি দিয়েছিল, তার ভিত্তিতেই ওই হামলা চালানো হয়েছে।’

যা বললেন ভারতের সেনা মুখপাত্র 

বুধবার ব্রিফিংয়ের সময় পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সেনা ও বিমানবাহিনীর দুই নারী কর্মকর্তা কর্নেল সোফিয়া কুরেশি ও উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং। তারা বলেন, ‘মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিট থেকে শুরু করে রাত দেড়টা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপাশে মোট ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে ভারতীয় বাহিনী হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছে।’
ব্রিফিংয়ে পাকিস্তান অংশে ধ্বংস করা ঘাঁটির ছবিও দেখান তারা। ওই দুই কর্মকর্তা বলেন, অপারেশন সিঁদুর কোনো পাকিস্তানি সেনাঘাঁটির ওপর আক্রমণ করেনি। সাধারণ মানুষকেও নিশানা করা হয়নি। বেছে বেছে নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা করা হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।’

সোফিয়া ও ব্যোমিকা দাবি করেন, ‘হামলার প্রথম লক্ষ্য ছিল ভাওয়ালপুরের মারকাজ ‘সুবহান আল্লাহ্’। এখানে রয়েছে জইশ-এ-মহম্মদের জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ শিবির। বিলাল মসজিদে ছিল লস্কর-ই-তাইয়েবার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। কোটলিতে যেখানে হামলা হয়েছে, তা লস্করের ঘাঁটি। 

ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের অভ্যন্তরেও হামলা চালিয়েছে জানিয়ে সোফিয়া ও ব্যোমিকা আরও দাবি করেন, শিয়ালকোটের যে সার্জাল ক্যাম্পে হামলা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ছয় কিলোমিটার ভেতরে। এ ছাড়া হামলা চালানো হয় মেহমুনা জোয়া ক্যাম্পে। এই শিবিরে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীরাই পাহালগামে হামলা চালিয়েছিল।’

কতটা ক্ষয়ক্ষতি হলো পাকিস্তানের

পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় ভারতের হামলায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৪৬ জন। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক আহমেদ শরিফ চৌধুরী এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাহাওয়ালপুরের আহমেদপুর ইস্ট শহরে হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুটি তিন বছরের শিশু, সাতজন নারী ও চারজন পুরুষ। এ ছাড়া ৩৭ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী।

মুজাফফরাবাদে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দিতে গিয়ে আইএসপিআরের মহাপরিচালক বলেন, সেখানকার বিলাল মসজিদকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এ হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া এক কিশোর ও এক কিশোরী আহত হয়েছে।

কোটলিতে আব্বাস মসজিদকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ওই হামলায় ১৬ ও ১৮ বছর বয়সী দুজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামলায় এক নারী ও তার মেয়ে আহত হয়েছেন।

আহমেদ শরিফ বলেন, পাঞ্জাবের মুরিদকেতে উমালকুরা মসজিদকে লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। আরও দুই ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। হামলায় স্থানীয় মৃৎশিল্পীরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
শিয়ালকোট ও শাকারগড়ে হামলার ঘটনায় বড় কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানান আহমেদ শরিফ। তিনি বলেন, সেখানকার একটি দোকানে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। 

সেনাবাহিনীর এ মুখপাত্র আরও বলেন, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছোড়া গুলিতে পাঁচজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশুও রয়েছে।

আজহারের পরিবারের ১০ সদস্য নিহত

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরের ‘সুবহান আল্লাহ’ মসজিদে ভারতের হামলায় মাওলানা মাসুদ আজহারের পরিবারের ১০ সদস্য ও ৪ ঘনিষ্ঠ সহযোগী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পাকিস্তানভিত্তিক জয়শ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) পক্ষ থেকে গতকাল এক বিবৃতিতে এ খবর দেওয়া হয়। মাওলানা মাসুদ আজহার সংগঠনটির প্রধান। জাতিসংঘ মাসুদ আজহারকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তার (মাসুদ আজহারের) বড় বোন, বড় বোনের স্বামী, ভাতিজা, ভাতিজার স্ত্রী, ভাতিজি এবং পরিবারের পাঁচ শিশুও রয়েছেন। এ বিষয়ে ভারত বা পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। জেইএমের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলায় মাসুদ আজহারের তিন ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তাদের একজনের মা নিহত হয়েছেন।

পাঁচ যুদ্ধবিমান ‘ভূপাতিত’

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ফ্রান্সের তৈরি রাফাল, একটি রাশিয়ার তৈরি সু-৩০ ও অন্যটি মিগ-২৯। সু-৩০ ও মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান সোভিয়েত আমলে তৈরি। পাকিস্তানের এ দাবির বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কিছু বলা হয়নি। তবে স্থানীয় সরকারের চারটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের কাশ্মীরে গতকাল তিনটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। 

পাঞ্জাবে জরুরি অবস্থা 

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তানের জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হাসপাতালসহ জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ গতকাল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। ভারতের হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত হয়তো এটা শুরু করেছে, কিন্তু আমরা এটা শেষ করব।’ খবর: রয়টার্স/ডন/আল-জাজিরা/বিবিসি।

আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে (পিওকে) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৭ জন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কাশ্মীরের ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। বিবিসি জানিয়েছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ৪ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

শরণার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক সংসদীয় আসন সংরক্ষণের বিরুদ্ধে আসন্ন নির্বাচনের আগে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী সংগঠনের জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলনকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির নেতাদের গ্রেপ্তারে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।

তবে এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও হাজারও মানুষ আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের অভিমুখে মিছিল শুরু করেন। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন নিহত হন। 

স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিয়ে একটি বিশাল বহর রাওয়ালাকোট শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে।

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বিবিসি উর্দুকে জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী টহল দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বহরকে রাওয়ালাকোট হয়ে মুজাফফরাবাদে যেতে দেওয়া হবে না। বিবিসি উর্দুর প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, স্থানীয় মসজিদগুলো থেকে লাউড স্পিকারে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও কমিশনার খান দাবি করেছেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।’
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী মুজাফফরাবাদ ও রাওয়ালাকোটে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টার টহল চালানো হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে আটা, চাল, বিদ্যুৎ এবং মৌলিক অধিকারের দাবিতে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভটি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে তা সহিংস হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২০০ জন।

 সূত্র: বিবিসি ও এনডিটিভি

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/