ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মাঠে উল্লাস, বাইরে মৃত্যু বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ৩ লাল কার্ড, জয়ে শুরু মেক্সিকোর বিশ্বকাপ ফুটবল ও গাজাবাসীর বাস্তবতা কানাডার স্বপ্নযাত্রা নাকি বসনিয়ার চমক? রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হলেন মরিনিও পেনাল্টি শূন্য ম্যারাডোনা কুইনোনসের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে মেক্সিকো ৬০০ ভক্তের যাতায়াত খরচ দেবেন জার্মানির ফুটবলাররা ‘ফিফা বিশ্বের রাজা নয়’ শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা বিইউপি মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাবের আয়োজনে আনস্ক্রিপ্টেড ১.০ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬ সরকারের এই বাজেট ঐতিহাসিক প্রস্তাবিত বাজেট রাজনৈতিক চমকবাজি ছাড়া আর কিছু নয়: জাসদ ক্রিকেটার নাসির-তামিমাকে খালাস দেওয়ার পেছনে বিচারকের পর্যবেক্ষণ জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ কোটি টাকা বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বড় বাজেটের বোঝা কী জনগণের ঘাড়েই, প্রশ্ন বাসদের আবাসন বৃত্তির অর্থ পাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা ‘ফাঁপা’ বাজেটে বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা
Nagad desktop

টিকে গেল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি!

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৫, ০১:২২ পিএম
টিকে গেল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি!
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ-সমর্থিত ইরানের শাহবিরোধী আন্দোলনের দুই নেতা ১৯৭৮ সালের অক্টোবরে একটি বৈঠকে বসেন বিপ্লবের শেষ পর্যায়ের পরিকল্পনা করতে। বৈঠকটি হয়েছিল প্যারিসের উপশহর ন্যুফলে-লো-শ্যাতোতে। এই দুই নেতার মধ্যে মিল ছিল খুব সামান্য। তবে তাদের জাতীয়তা, বয়স ও শাহকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সংকল্প ছিল অভিন্ন। করিম সানজাবি ছিলেন সেকুলার লিবারেল ‘ন্যাশনাল ফ্রন্ট’-এর নেতা এবং আইন বিষয়ের অধ্যাপক। অপরজন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। যিনি ১৯৬০-এর দশক থেকে ইরানি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধাচারী প্রধান শিয়া ধর্মীয় নেতা ছিলেন।

সানজাবি একটি খসড়া ঘোষণাপত্র নিয়ে প্যারিসে যান। যেখানে লেখা ছিল- এই বিপ্লব হবে ‘গণতান্ত্রিক ও ইসলামি’ ভিত্তিতে। কিন্তু পরে তিনি ইতিহাসবিদদের জানান, খামেনি নিজ হাতে সেখানে তৃতীয় একটি মূলনীতি যুক্ত করেন। সেটি হলো- ‘স্বাধীনতা’। 

ইরানের ঔপনিবেশিক শোষণের ইতিহাস থেকে উৎসারিত এই ‘স্বাধীনতার’ নীতি- যা বর্তমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্রবিরোধে আপাতদৃষ্টিতে এক জটিল প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেয়। আর তা হলো- কেন ইরান জেদ ধরে পারমাণবিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার চায়। দুই দশক ধরে পশ্চিমাদের সঙ্গে এই ইস্যুতে তাদের আলোচনা থেমে থেমে চলেছে। যা শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের অধীনে স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশনের (জেসিপিওএ) মাধ্যমে নিষ্পত্তি পায়। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্পের একতরফাভাবে সেই চুক্তি বাতিল ও এরপর ইসরায়েল এবং এখন আমেরিকার সামরিক হামলা এই বিরোধকে আবারও চাঙ্গা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রর চোখে বিষয়টি অনেকটা এমন- ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ চেষ্টার পেছনে গুপ্তভাবে পারমাণবিক বোমা তৈরির উদ্দেশ্য আছে। যদিও দেশটির সর্বোচ্চ নেতা এই ধরনের অস্ত্রকে ‘ইসলামবিরোধী’ বলে ফতোয়া দিয়েছেন। তবে এটিকে অনেক আমেরিকান ধোঁয়াশা বলে মনে করেন। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির চাহিদা এক জিনিস, কিন্তু উচ্চ পর্যায়ের সমৃদ্ধিকরণ চাওয়া, বিশেষ করে যখন কেউ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির নিয়ম লঙ্ঘন করে, এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন।’

তবে কেন ইরান এই উচ্চ পর্যায়ের সমৃদ্ধির পথে গেল?
ইরান বলেছে, এটি ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের চুক্তি বাতিলের পাল্টা প্রতিক্রিয়া। যেখানে চুক্তিভঙ্গ করে ইরানকে নিষেধাজ্ঞা থেকে যে স্বস্তি দেওয়ার কথা ছিল, তা দেওয়া হয়নি। ইউরোপের সঙ্গেও বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ইরানের রাজনীতিতে বিশ্বাস জন্মায় যে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং ইরান প্রতারিত হয়েছে।

স্বাধীনতা- জাতীয় পরিচয়ের মূল স্তম্ভ
ভালি নাসরের নতুন বই ‘ইরানস গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি’তে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বুঝতে হলে দেশটির ঔপনিবেশিক অতীত ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে বোঝা জরুরি। ১৯ ও ২০ শতকে ব্রিটিশ এবং রুশ প্রভাব, ১৯৫৩ সালে মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের সিএআই প্ররোচিত পতন- সবকিছু ইরানিদের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত করে দেয়। যার সার কথা- ইরানকে নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই রচনা করতে হবে।

একটি পশ্চিমা ধারণা, কিন্তু এখন জাতীয় গর্ব
আশ্চর্যজনকভাবে, ইরানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রথম আনেন মার্কিন ও ব্রিটিশরাই। ‘অ্যাটমস ফর পিস’ নামে একটি কর্মসূচির অধীনে শাহ ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা করেন। তখনো বিষয়টি পশ্চিমা আধুনিকতার প্রতীক ছিল। কিন্তু ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর খোমেনি এটিকে পশ্চিমা ভোগবাদ ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন। ‘ঘারবজাদেগি’- পশ্চিমমোহ-এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে প্রকল্প বাতিল করা হয়। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই ইরানে বিদ্যুৎ সংকট, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে গোপনে আবার শুরু হয় পারমাণবিক কর্মসূচি। ১৯৯০-এর দিকে ইরান ঘোষণা করে, ২০০৫ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ পারমাণবিক শক্তি থেকে উৎপন্ন হবে। হাশেমি রাফসানজানি বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানান দেশে ফিরে আসতে। এই কর্মসূচি তখন পরিণত হয় ‘জাতীয় গৌরবে’। ২০০২ সালে বিরোধী দলের এক ফাঁস ও সম্ভবত ইসরায়েলি গোয়েন্দা মোসাদের মাধ্যমে জানা যায়, ইরানে দুটি গোপন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র রয়েছে- নাতাঞ্জ ও কাশানে। যদিও ইরান তখন বলেছিল, এগুলো অপারেশনাল নয় বলে আইএইএকে জানানোর প্রয়োজন ছিল না।

শুরু হয় দীর্ঘ কূটনৈতিক লড়াই
২০০৩-২০০৫ সালে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়। ইরান সাময়িকভাবে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখলেও এই স্থগিতাদেশকে ‘স্বেচ্ছাকৃত আত্মবিশ্বাস তৈরির পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখা হয়, কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়। ২০০৫ সালে মাহমুদ আহমাদিনেজাদ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ইরান তার অবস্থান আরও শক্ত করে। তিনি বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি দরকার- বিদ্যুৎ, চিকিৎসা ও কৃষিতে ব্যবহারের জন্য।’

পরমাণু প্রযুক্তি: গর্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক মর্যাদার প্রতীক
জাতিসংঘের আণবিক সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ আল বারাদি বলেন, ইরান প্রকৃতপক্ষে পারমাণবিক সক্ষমতা চায় তার আঞ্চলিক প্রভাব ও মর্যাদা অর্জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য। হাসান রুহানিও ওয়াশিংটন পোস্টে বলেন, ‘পারমাণবিক জ্বালানির মালিকানা শুধু শক্তি বৈচিত্র্যের জন্য নয়, বরং এটি ইরানি জাতির সম্মান ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক।’

তবে কি এই কর্মসূচি ইরানের জন্য আত্মঘাতী হলো?
যদি এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা অর্জন হয়, তাহলে এর জন্য ইরান চূড়ান্ত মূল্য দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে। তবুও আত্মনির্ভরতা ও আত্মমর্যাদা অর্জনের স্বপ্ন আজও দেশটির পরমাণু কর্মসূচির কেন্দ্রে রয়ে গেছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বলেছেন, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ক্ষেত্রে ‘শূন্য থেকে শুরু করছে।’ গতকাল মঙ্গলবার দ্য জেরুজালেম পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্মোট্রিচ বলেন, এই যুদ্ধ একটি ব্যতিক্রমী সাফল্য। তারা (ইরান) এখন পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র দুই ক্ষেত্রেই শূন্য থেকে শুরু করছে। তবে আমি মনে করি না তারা এই কর্মসূচিগুলো আবার শুরু করার সাহস দেখাবে। কারণ তাতে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হতে হবে।

লেখক: দ্য গার্ডিয়ানের ডিপ্লোম্যাটিক এডিটর

আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে (পিওকে) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৭ জন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কাশ্মীরের ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। বিবিসি জানিয়েছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ৪ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

শরণার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক সংসদীয় আসন সংরক্ষণের বিরুদ্ধে আসন্ন নির্বাচনের আগে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী সংগঠনের জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলনকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির নেতাদের গ্রেপ্তারে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।

তবে এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও হাজারও মানুষ আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের অভিমুখে মিছিল শুরু করেন। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন নিহত হন। 

স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিয়ে একটি বিশাল বহর রাওয়ালাকোট শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে।

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বিবিসি উর্দুকে জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী টহল দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বহরকে রাওয়ালাকোট হয়ে মুজাফফরাবাদে যেতে দেওয়া হবে না। বিবিসি উর্দুর প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, স্থানীয় মসজিদগুলো থেকে লাউড স্পিকারে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও কমিশনার খান দাবি করেছেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।’
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী মুজাফফরাবাদ ও রাওয়ালাকোটে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টার টহল চালানো হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে আটা, চাল, বিদ্যুৎ এবং মৌলিক অধিকারের দাবিতে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভটি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে তা সহিংস হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২০০ জন।

 সূত্র: বিবিসি ও এনডিটিভি

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/