ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তাম্মি খালাস চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে নেই পুশইনের চেষ্টা, সতর্ক বিজিবি পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছেন না রোনালদো মাধবপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২ অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২ বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা ইংল্যান্ড ফেবারিট না হলেও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে: টুখেল যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত! হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের আজকের মুদ্রার বাজার: ১০ জুন, ২০২৬ বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি কেমন ছিল নবিজি (সা.)-এর গায়ের বর্ণ? আবারও কমল সোনার দাম, নতুন দর কত? ক্লিন ইমেজের আলী রেজাও দুদকের জালে দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে আত্মহত্যা প্রেমিকার শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নেবে বিসিসিসিআই ইসলামী ব্যাংকের সিআরআরে বড় ধরনের ঘাটতি
Nagad desktop

যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দেওয়ার পর জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকার ইরানের সেনাবাহিনীর

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দেওয়ার পর জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকার ইরানের সেনাবাহিনীর

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বকে নতুন করে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে এবং কৌশলগত অবকাঠামো ও জনসম্পদ সুরক্ষায় থাকবে। চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য এলো।

আজ শনিবার আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনী ইসরায়েল ও “শত্রুভাবাপন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী”কে দেশের জননিরাপত্তা বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে। 

বিবৃতিতে বলা হয়, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে শুরু হওয়া সাম্প্রতিক সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমনে সরকার যখন জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখন এসব শক্তি পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চায়। এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “সর্বোচ্চ সেনাপতির নির্দেশনায় সেনাবাহিনী অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে, অঞ্চলজুড়ে শত্রুদের তৎপরতা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি দৃঢ়ভাবে জাতীয় স্বার্থ, দেশের কৌশলগত অবকাঠামো এবং জনসম্পদ রক্ষা করবে।”

ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) (যারা সেনাবাহিনী থেকে আলাদাভাবে কাজ করে) শনিবার সতর্ক করে জানায়, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের অর্জন ও দেশের নিরাপত্তা রক্ষা একটি “লাল রেখা”; রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এমনটাই জানায়।

এর আগে শনিবারই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের জনগণের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর তিনি এই বক্তব্য দেন।

“যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে,” রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন।

রুবিওর এই পোস্ট আসে কয়েক ঘণ্টা পরই, যখন ট্রাম্প ইরানের নেতাদের নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তোমরা যদি গুলি চালানো শুরু করো, আমরা-ও গুলি চালানো শুরু করব।”

ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতারা “বড় বিপদে” পড়েছেন বলে মনে হচ্ছে এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে সামরিক হামলার আগের হুমকিও তিনি পুনরায় দেন। তিনি বলেন, “আমার মনে হচ্ছে, মানুষ এমন কিছু শহরের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে, যেগুলো কয়েক সপ্তাহ আগেও কেউ কল্পনা করেনি।”

গত ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানের বিভিন্ন শহরে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব বিক্ষোভে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে দেশ শাসন করে আসা ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসানের দাবিও জোরালো হয়েছে।

শনিবার রাতেও অস্থিরতা অব্যাহত থাকে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, তেহরানের পশ্চিমে কারাজ শহরে “দাঙ্গাকারীরা” একটি পৌর ভবনে আগুন দিয়েছে—রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

প্রেস টিভি শিরাজ, কুম ও হামেদান শহরে বিক্ষোভে নিহত বলে দাবি করা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজা ও দাফনের ফুটেজ সম্প্রচার করে। 

রয়টার্স জানায়, ইরানের বাইরে থেকে সম্প্রচারিত ফার্সি ভাষার টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত ভিডিওতে উত্তরাঞ্চলের তাবরিজ ও পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ শহরে নতুন বিক্ষোভে বিপুল মানুষের অংশগ্রহণ দেখা গেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের “ভাঙচুরকারী” ও “নাশকতাকারী” বলে আখ্যা দেন।

প্রেস টিভিতে সম্প্রচারিত এক ভাষণে তিনি বলেন, ট্রাম্পের হাত “এক হাজারের বেশি ইরানির রক্তে রঞ্জিত” যা ইঙ্গিত করে গত জুনে ইসরায়েলের ইরানে চালানো হামলার দিকে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দেয় এবং নিজেও হামলায় অংশ নেয়।

খামেনি ভবিষ্যদ্বাণী করেন, “অহংকারী” এই মার্কিন নেতা (ট্রাম্প) একদিন ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আগে ইরান শাসন করা রাজতান্ত্রিক শাসকদের মতোই ক্ষমতাচ্যুত হবেন।

তিনি বলেন, “সবাই জানে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র শত শত হাজার সম্মানিত মানুষের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসেছে; নাশকতাকারীদের সামনে এটি কখনোই পিছু হটবে না।”

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শুক্রবার লেবানন সফরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে বিভাজনমূলক ও সহিংস রূপ দেওয়ার জন্য সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এই অভিযোগকে “ভ্রান্ত কল্পনা” বলে উড়িয়ে দেন। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫২ এএম
পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের নতুন করে বিমান হামলায় শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, 'গত রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আবারও আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কুনার, খোস্ত ও পক্তিকা প্রদেশে বেসামরিক বাড়িঘরে বোমা হামলা চালিয়েছে'।

খোস্ত প্রদেশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, স্পেরা জেলায় একটি বাড়িতে হামলায় ৯ জন নিহত ও আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

পাশের পক্তিকা প্রদেশের বারমাল জেলায় পৃথক আরেকটি হামলায় তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

তবে ইসলামাবাদ বরাবরই দাবি করে আসছে, আফগানিস্তানে তাদের হামলার লক্ষ্য সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী এবং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করে না।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। সে সময় সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ লড়াই এবং পাকিস্তানের নজিরবিহীন বিমান হামলা চালানো হয়, যার লক্ষ্য ছিল আফগান রাজধানী কাবুল এবং দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার শহর।

থিও/অমিয়/

বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা
যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভে একটি বাসে অগ্নিসংযোগ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরে এক সুদানি নাগরিকের ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। অভিবাসনবিরোধী উগ্র বিক্ষোভকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে।

উত্তর বেলফাস্টে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগে ওই সুদানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করার পর এই অশান্তির সূত্রপাত হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) শহরজুড়ে শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন, যাদের অনেকে মুখোশ পরিহিত ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা একটি বাস এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

শহরের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ডাস্টবিনে আগুন ধরায় এবং পরে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। বেলফাস্ট থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অ্যানট্রিম এলাকাতেও বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হন।

উত্তর আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও'নিল এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মুখোশধারী একদল মানুষের এভাবে সাধারণ পরিবারগুলোকে তাদের বাড়িঘর থেকে আগুনে পুড়িয়ে উচ্ছেদ করা চরম কাপুরুষতা ও ঘৃণ্য অপরাধ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বর্ণবাদ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সহিংসতা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা সম্পূর্ণ ভুল। আজ রাতের এই হামলার কোনো অজুহাত বা যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আমাদের রাস্তায় কেউ এই দৃশ্য দেখতে চায় না এবং আমি আবারও সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ সূত্র: আল জাজিরা

আজহার/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:২৮ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম
ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।

বুধবার (১০ জুন) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ১১ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৬০ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়ায়।

গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালায়। 

বাজার বিশ্লেষক প্রিয়াঙ্কা সচদেভা বলেন, সবশেষ হামলার ফলে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আবারও যুদ্ধঝুঁকি এবং সম্ভাব্য জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নের দিকে ফিরে গেছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সামরিক সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে নতুন করে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির প্রভাব যুক্ত হয়েছে।

এদিকে, তেহরান সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে তারা আবারও সংঘাতে জড়াবে। ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান বন্ধ না হওয়ায় বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আইএনজির পণ্য কৌশলবিদরা বলছেন, দ্রুত কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা না থাকায় এবং বৈশ্বিক তেলের বাজার প্রতিদিন আরও সংকুচিত হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে এই বিঘ্ন যদি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত স্থায়ী হয়, যখন তেলের চাহিদা সাধারণত বেশি থাকে।

উল্লেখ্য, ইরান এখনও হরমুজ প্রণালী দিয়ে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল সীমিত রেখেছে। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ বজায় রেখেছে। সূত্র: রয়টার্স

থিও/অমিয়/

হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:১১ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪২ এএম
হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানি বাহিনীর হামলায় একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছে। এতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও যুদ্ধের পরিবর্তে একটি সমঝোতামূলক সমাধানের পক্ষে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, হামলায় হরমুজ প্রণালীর আশেপাশে অবস্থিত ইরানের একাধিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং নজরদারি রাডারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। 

এর পরপরই তেহরান ঘোষণা দেয় যে, তারা কোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে থাকবে না।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের জাস্ক ও বন্দর আব্বাস এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে হামলা সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের তাসনিম সংবাদসংস্থা জানায়, কেশম দ্বীপেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে দক্ষিণ ইরানের সিরিকসহ আরও কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস, মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানায়, মার্কিন বাহিনী তিন দফায় হামলা চালিয়েছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার স্থাপনা।

অন্যদিকে, ইরানের ফার্স সংবাদসংস্থা জানায়, সিরিকের বেমানি জেলায় দুটি পানির ট্যাঙ্কও হামলায় ধ্বংস হয়েছে।

এদিকে, কুয়েতে অবস্থিত আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতেও ইরানি ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।

জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের

সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘সংকল্প’ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে থাকবে না।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে চলে যান।’

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মার্কিন হামলার জবাবে তারা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। 

এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে এবং মার্কিন ‘আগ্রাসন’ চলতে থাকলে আরও কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইআরজিসি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র জাস্ক, সিরিক ও কেশম দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। এতে সিরিকের বেমানি জেলায় একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুটি পানির ট্যাঙ্ক ধ্বংস হয়েছে।

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তর জানিয়েছে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসির যৌথ অভিযানে অঞ্চলের কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ইরান দাবি করে, তারা জর্ডানে মার্কিন সেনা উপস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও জর্ডান বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আইআরজিসির দাবি, তারা জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে দূরপাল্লার কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। 

সংস্থাটির ভাষ্য, হামলায় ঘাঁটিতে থাকা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি প্রধান কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

এদিকে, বাহরাইন হামলার ঘটনা নিশ্চিত করে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে শান্ত থাকার পাশাপাশি নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, আগের দিন একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ করেছে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে একটি ইরানি ড্রোন অ্যাপাচি গানশিপটিকে আঘাত করেছিল, যার ফলে এটি হরমুজ প্রণালীর কাছে বিধ্বস্ত হয়। তবে ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, এই হামলাগুলো ছিল আঞ্চলিক জলসীমায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ‘আনুপাতিক জবাব’।

সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষিপ্ত নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং নজরদারি রাডার স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মার্কিন বাহিনী ইরানের অযৌক্তিক আগ্রাসন প্রতিহত করতে সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।’ সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত
ছবি:সগৃহীত

লেবাননে ইসরায়েলের সর্বশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। ১০০তম দিনেও গতকাল ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের উপকূলীয় শহর টায়ারে বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত আটজন নিহত হন। টায়ার শহরের বাসিন্দাদের নতুন করে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। এর মধ্যে শহরের খ্রিষ্টান অধ্যুষিত বন্দরসংলগ্ন এলাকাও রয়েছে, যা আগে এমন নির্দেশনার বাইরে ছিল।

এই ১০০ দিনে দক্ষিণ লেবাননের বহু গ্রাম সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলি হামলায় ৩ হাজার ৬০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্তত ২৪৫ জন শিশু। এ ছাড়া ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে প্রায় শিশু ৯০০ জন।

নিহতদের বড় একটি অংশ বেসামরিক নাগরিক। কমপক্ষে ১৩১ জন প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন। তাদের কেউ কেউ একই স্থানে পরপর দুই বা তিন দফা হামলার শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া ১৭টি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনটি হাসপাতাল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। গত ১০০ দিনে সাংবাদিকদেরও হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বর্তমানে সংঘাত বন্ধে নানা পর্যায়ে চেষ্টা চলছে। কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ও লেবানন সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনায় বসেছে। ইসরায়েল ও লেবাননের সরাসরি আলোচনার পাশাপাশি ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির সঙ্গে তারা লেবাননের সংঘাতের বিষয়টিকেও যুক্ত করবে।

কিন্তু হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারের ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিরোধী। সম্প্রতি সংগঠনটি যুদ্ধ ক্ষেত্রে ফাইবার-অপটিক প্রযুক্তিনির্ভর ড্রোন ব্যবহার শুরু করেছে, যা সংঘর্ষের ধরন বদলে দিয়েছে।

আটলান্টিক কাউন্সিলের গবেষক ও হিজবুল্লাহবিষয়ক বইয়ের লেখক নিকোলাস ব্লানফোর্ড বলেন, ‘তারা আবার গেরিলা যুদ্ধের শিকড়ে ফিরে গেছে। নব্বইয়ের দশকের মতো এখন তাদের লক্ষ্য হলো ইসরায়েলি বাহিনীকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেওয়া। ইসরায়েল যেসব নতুন প্রতিরক্ষা বা আক্রমণাত্মক ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেগুলো অতিক্রম করে তারা ইসরায়েলি সেনাদের হতাহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

ইসরায়েলের এই সামরিক অভিযান শুরু হয় ২ মার্চ। হিজবুল্লাহ ইসরায়েলকে টার্গেট করে ছয়টি রকেট নিক্ষেপ করলে এই সংঘাত শুরু হয়। এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে এটিই ছিল ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর প্রথম সরাসরি প্রতিক্রিয়া।

হিজবুল্লাহর দাবি, ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছিল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ শুরুর সময় ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনাও তাদের প্রতিক্রিয়ার কারণ ছিল।

অন্যদিকে লেবানন সরকার দেশজুড়ে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চাপও বাড়ছে।

গত ২ মার্চ লেবানন সরকার হিজবুল্লাহর সামরিক কর্মকাণ্ডকে অবৈধ ঘোষণা করে। তবে এখন পর্যন্ত সংগঠনটির সামরিক সক্ষমতার ওপর এর উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি। হিজবুল্লাহর প্রধান সমর্থক ইরানও লেবাননের পরিস্থিতিকে নিজেদের যুদ্ধবিরতি আলোচনার অংশ করার চেষ্টা করছে। লেবানন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতার ওপর আস্থা রেখে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।  সূত্র: আল-জাজিরা