ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান প্রায় চার সপ্তাহ বা তার বেশি স্থায়ী হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক ক্ষমতা ধ্বংস করার জন্য যা কিছু করা দরকার তা করবে।
সোমবার (২ মার্চ) হোয়াইট হাউসে একটি পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে প্রথমবারের মতো আমেরিকান জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প।
সেখানে তিনি ইরানে আক্রমণের সিদ্ধান্ত এবং এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে কথা বলেছেন।
তিনি বলেছেন, লক্ষ্য ছিল চারটি। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা এবং নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষমতা ধ্বংস করা; ইরানি নৌবাহিনীকে ধ্বংস করা; তেহরান কখনই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা; এবং এটি নিশ্চিত করা যে, তাদের সীমান্তের বাইরে কোনো গোষ্ঠীকে অর্থ বা অস্ত্র দিতে না পারে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে আরও জ্বালানি ভরার বিমান, যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েল হায়োম নিউজ আউটলেটের তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত ১৫টি জ্বালানি ভরার বিমান মোতায়েন করে মধ্যপ্রাচ্যে তার বাহিনীকে শক্তিশালী করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই বিমানগুলো যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক বিমানগুলোকে অবতরণ না করেই আকাশ থেকেই জ্বালানি সরবরাহ করার সুযোগ দেয়, যার ফলে দ্রুত জ্বালানি স্থানান্তর সম্ভব হয়।
তবে, এতে কতগুলো যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে তা বলা হয়নি।