ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেরপুরে মেসির প্রতিকৃতি আর আর্জেন্টিনার রঙে সেজেছে বাস চট্টগ্রামে ট্রেন দুর্ঘটনায় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও ২১ শিশু ভর্তি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে নামবেন হাতিয়ার লক্ষাধিক জেলে প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে এলো অত্যাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ২৮ ঘণ্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ইতালির স্বপ্নে লিবিয়ায় নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল চট্টগ্রামে পিডিবি প্রকৌশলী লাঞ্ছিত সর্বত্র রাজস্ব জাল বিছানো হয়েছে খেলোয়াড়ের চেয়ে কম বয়সী কোচ নিয়ে বিশ্বকাপ চ্যালেঞ্জ জার্মানির ফেনীতে গ্যাসবোঝাই ট্রাক-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ২ চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল স্বাস্থ্যকর্মীর পুলিশি অভিযানে পণ্ড আ.লীগ নেতা-কর্মীদের খিচুড়ি পার্টি, আটক ২ স্বপ্ন, উন্মাদনা আর বিশ্বজয়ের লড়াই, বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ ৯ লাখ লোকের স্বপ্নের  ‘বামনী ক্লোজার’ এখন দৃশ্যমান মেহেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দেশের পোশাক খাতের নগদ প্রণোদনার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ওয়ানডে আজ ভৈরবে প্রায় ৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ দুই দম্পতি আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুশইন ঠেকাতে রাতেও বিজিবির মাইকিং সেরা করদাতাদের সম্মাননা দেওয়া হবে ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা রাজত্ব কার, লাতিন না ইউরোপের? নড়াইলে যুবদল নেতাকে  কুপিয়ে গুরুতর যখম ক্রিকেট খেলে প্রস্তুতি ইংলিশ ফুটবলারদের ফ্রিল্যান্সিং খাতে কর অব্যাহতি
Nagad desktop

গাজা থেকে বিশ্ববাসীর নজর সরাতে ইরানে হামলা: খাজা আসিফ

প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
গাজা থেকে বিশ্ববাসীর নজর সরাতে ইরানে হামলা: খাজা আসিফ
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ইরানের ওপর হামলা চালানোর মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মূলত গাজা থেকে বিশ্ববাসীর নজর ভিন্ন দিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেছেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এখন ইরানকে নিয়ে ব্যস্ত, যা নেতানিয়াহুকে গাজা ও পশ্চিম তীরে তার গণহত্যা চালানোর এজেন্ডা নীরবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। 

খাজা আসিফ আরও বলেন, নেতানিয়াহুর পৈশাচিক ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা ফিলিস্তিনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে মানব ইতিহাসের এক চরমতম ট্র্যাজেডির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৩১ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর, পাল্টা জবাবে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট 'হরমুজ প্রণালী'- তে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এক চরম ও বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এই নজিরবিহীন সামরিক উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে।

আমেরিকার আকস্মিক বিমান হামলা
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানায়, কমান্ডার-ইন-চীফের সরাসরি নির্দেশে বুধবার মার্কিন বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মেরিন ক্রপস যৌথভাবে ইরানের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরানের সামরিক নজরদারি ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে এই ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালানো হয়, যা আঞ্চলিক জলসীমায় মার্কিন সেনা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ, জাহাজে আঘাত
মার্কিন হামলার জবাবে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ইরানের সামরিক কমান্ড জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেটিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ইতোমধ্যে অবৈধভাবে প্রণালীটি পার হওয়ার চেষ্টা করায় দুটি জাহাজে আঘাত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানি নৌ কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাত ও বাহরাইনে সাইরেন
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করে, মার্কিন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে তারা কুয়েতের ‘আলি আল-সালেম’ ও ‘আহমেদ আল-জাবের’ এবং বাহরাইনের ‘শেখ ঈসা’ বিমান ঘাঁটাসহ মোট ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়। ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর বাহরাইনজুড়ে জরুরি বিমান হামলার সতর্কবার্তা বা সাইরেন বাজানো হয়। বাহরাইন সরকার দেশটির নাগরিকদের আতঙ্কিত না হয়ে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত আলটিমেটাম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "ইরানি নেতাদের অনুরোধে সাময়িকভাবে বোমা হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে ইরান যদি দ্রুত আমেরিকার দেওয়া শর্তে শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করে, তবে পরবর্তী দিন থেকে আবারও স্মরণকালের ভয়াবহতম বোমা হামলা শুরু করা হবে।"  ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি কর্মকর্তারা নিজেই তাঁর সাথে যোগাযোগ করে বোমাবর্ষণ বন্ধের অনুরোধ জানান। যদিও ইরান এই ধরণের যোগাযোগের দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে একে ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ বলে আখ্যা দেন এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিরোধের ঘোষণা দেন।

অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব
দুই পরাশক্তির মুখোমুখি অবস্থানের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। বুধবার (১০জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ২ ডলার বেড়ে গেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ও ইউএস ক্রুড উভয়ের দামই ২ শতাংশের কাছাকাছি বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ৯৪ ও ৯০ ডলার পার হয়ে গেছে। অন্যদিকে, এই যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে বড় পতন দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই, দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি এবং অস্ট্রেলিয়ার শেয়ারবাজার সূচক লেনদেনের শুরুতেই বড় ধরনের পতনের সম্মুখীন হয়। যা পরবর্তীতে সামান্য পুনরুদ্ধার হলেও বাজার এখনো চরম অস্থিতিশীল রয়েছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করেন, দুই পক্ষ যদি এখনই শান্ত না হয়, তবে এই সংঘাত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যা পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা!

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম
কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা!
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বড়সড় ভাঙনের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই চরম রাজনৈতিক সংকটের মাঝেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই দলের একীভূত হওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, কংগ্রেসের তরফ থেকে মমতাকে দলে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এ প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কংগ্রেসের নেতারা। 

অন্যদিকে একীভূত হওয়ার এই জল্পনা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই জল্পনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমানে তার প্রতি তৃণমূলের ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। ঋতব্রত স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের দল কোনোভাবেই কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছে না। শুধু বিধায়ক নন, তৃণমূলের বহু সংসদ সদস্যও (লোকসভার এমপি) কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিপক্ষে বলে তিনি দাবি করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এমপি এই মার্জারের (একীভূত) বিরোধী। দলটির এমপি, বিধায়ক, পৌর প্রতিনিধি, জেলা পরিষদ কিংবা পঞ্চায়েত সদস্য–কারও মধ্যেই কংগ্রেসে যাওয়ার কোনো চিন্তা নেই।

একই সুর শোনা গেছে তৃণমূলের নেতা (সাময়িক বরখাস্ত) ঋজু দত্তের কণ্ঠেও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি এই মার্জারের খবর নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ঋজু দত্ত লেখেন, এটি একটি আকর্ষণীয় পরিস্থিতি। তৃণমূলের ১৫ জনের বেশি বিদ্রোহী এমপি এবং ৬৪ জনের বেশি বিদ্রোহী বিধায়ক কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না। তাহলে তৃণমূল থেকে আসলে কারা কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন বা মিশে যাচ্ছেন? 

এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তার একটি বৈঠক হয়, যা রাজনৈতিক মহলে দুই দলের একীভূত হওয়ার গুঞ্জন বাড়িয়ে দেয়। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর এটিই ছিল তাদের প্রথম একান্ত বৈঠক। বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী তৃণমূল নেত্রীকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার এবং বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

কংগ্রেস সূত্রের খবর, সোনিয়া গান্ধী মমতাকে স্পষ্ট করে বলেছেন এই আহ্বান কোনো দলীয় মার্জার বা একীভূতকরণের জন্য নয়, বরং এটি বিরোধী জোটের মধ্যে রাজনৈতিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা। এর আগে গত সোমবার দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা বৈঠক করেন। সেখানেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলগুলোর ঐক্যের ওপর জোর দেন। মমতা বলেন, জোটের শরিকদের উচিত অতীতের সব তিক্ততা ও ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। এবার তিনি কংগ্রেসকে বিরোধী জোটের প্রধান নোঙর বা চালিকাশক্তি হিসেবে মেনে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল এমপি ও দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান। পরে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বৈঠকের ছবি ও তথ্য প্রকাশ করা হয়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সম্পর্কটি কয়েক দশকের জনসেবা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব যদি এই চরম দুঃসময়ে মমতাকে ‘গ্রহণ’ করে, তাহলে প্রদেশ নেতৃত্ব কি আদৌ সেই সিদ্ধান্ত মানবে? রাজ্যের যে কংগ্রেস কর্মীরা এতদিন তৃণমূলের দ্বারা অত্যাচারিত, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের নেত্রী হিসেবে মানবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। সূত্রের দাবি, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে মহাবিপর্যয়ের পর কংগ্রেসকে আঁকড়ে বাঁচতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ও কংগ্রেসের সংযুক্তিকরণ নিয়ে ইতোমধ্যেই দুই দলের শীর্ষস্তরে আলোচনা হয়েছে। কংগ্রেসের তরফ থেকে মমতাকে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত প্রদেশ নেতৃত্ব।

প্রদেশের একটি অংশ মনে করছেন, মমতাকে দলে নেওয়ার বা এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত ধরার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এই সময় মমতাকে সঙ্গে নেওয়ার অর্থ, তৃণমূলের ১৫ বছরের দুর্নীতি ও অপশাসনের দায় নিজেদের গায়ে মাখা। অধীর চৌধুরী ও আবদুল মান্নানের মতো প্রবীণ নেতারা এই দলে রয়েছেন। আবদুল মান্নান যেমন সাফ বলে দিচ্ছেন, ‘আমার কংগ্রেস নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে। নো অ্যালায়েন্স উইথ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ একই সুর শোনা গেছে অধীর চৌধুরীর গলাতেও।

তিনি বলছেন, ‘যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় কংগ্রেস ভাঙিয়েছিলেন, তাকেই এবার গান্ধী পরিবারের কাছে গিয়ে হাতেপায়ে ধরতে হচ্ছে। পাপের ফল ভোগ করতে হবেই।’ তবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সুর তুলনায় কিছুটা নরম। তিনি সাফ বলছেন, যদি কেউ দলে আসতে চান, তাহলে তাকে আগে মেনে নিতে হবে যে রাহুল গান্ধীই কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতা এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ।

শুভঙ্করের বক্তব্য, ‘রাহুল গান্ধীকে ভাবি প্রধানমন্ত্রী মেনে নিয়ে যারাই কংগ্রেসে আসবেন তাদের প্রত্যেককে স্বাগত।’ তবে অভিষেকের ক্ষেত্রে শুভঙ্করও বেশ কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তার সাফ কথা, ‘কারও গায়ে যদি দুর্নীতির দাগ লেগে থাকে, কেউ যদি নিজেকে বাঁচাতে কংগ্রেসের ছাতার তলায় আসতে চান, তাহলে তার জন্য দরজা খোলা হবে না।

সূত্র: এইটিন নিউজ

ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্বের জন্য বিপদ: এরদোয়ান

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্বের জন্য বিপদ: এরদোয়ান
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান

সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা তুরস্কের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। এরদোয়ান বলেন, যারা ইসরায়েলের বিশৃঙ্খলার নৌকায় উঠে পড়েছে এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে কিছু অবাস্তব স্বপ্নের পেছনে ছুটছে। 

ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্বের জন্যই বিপদ এবং তা বন্ধ করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।

বুধবার (১০ জুন) এরদোয়ান এই মন্তব্য করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করে দ্য জেরুজালেম পোস্ট এবং ডন।

এরদোয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তার নেটওয়ার্কের সহিংস কার্যক্রম লেবানন ও সিরিয়াকে এমন অবস্থায় নিয়ে গেছে যে তা এখন তুরস্ককেও প্রভাবিত করছে। তিনি দাবি করেন, তুরস্কের নিরাপত্তা ওই দুই দেশের স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইসরায়েল আফ্রিকার দেশগুলো ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে এবং সাইপ্রাস দ্বীপে বিভাজন উসকে দিচ্ছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক বা তুর্কি সাইপ্রিয়টদের অধিকার লঙ্ঘন করে তাহলে আঙ্কারার প্রতিক্রিয়া হবে খুব স্পষ্ট এবং খুব কঠোর।

তিনি বিশ্ব নেতাদের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা ইসরায়েলকে আরও উৎসাহিত করছে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু এক্স (টুইটার) পোস্টে এরদোয়ানের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ইহুদিবিদ্বেষী স্বৈরশাসক বলে আখ্যা দেন এবং অভিযোগ করেন যে তিনি কুর্দিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাচ্ছেন ও রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করছেন।

এসএন/

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আশঙ্কা: আন্তোনিও গুতেরেস

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আশঙ্কা: আন্তোনিও গুতেরেস
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ শুরু হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

বুধবার (১০ জুন) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে তিনি বলেন, এই অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং উত্তেজনা দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যেন ভুলে না যাই, একটি ছোট আগুন বড় আগুনে পরিণত হতে পারে, বা অন্য কথায় বলতে গেলে- পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ।’

জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে যেকোনো ভুল হিসাব বা ভুল পদক্ষেপ বড় ধরনের সংঘাত ডেকে আনতে পারে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর সম্ভাবনা বাড়ছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ সংস্থা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম
অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর সম্ভাবনা বাড়ছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ সংস্থা
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে।

বুধবার (১০ জুন) এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

সংস্থা্র পরিচালক কার্লো বুয়োনটেম্পো সর্বশেষ মাসিক এল নিনো পূর্বাভাস সম্পর্কে বলেন, ‘১ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সব মডেল কার্যত তাদের পূর্বাভাস ঊর্ধ্বমুখী করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে শক্তিশালী বা সম্ভাব্যভাবে রেকর্ড ভাঙা মাত্রার এল নিনো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু প্রক্রিয়া, যার ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় অঞ্চলের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং বিশ্বব্যাপী বাতাস, চাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরণে পরিবর্তন আসে।

সর্বশেষ হালনাগাদে কোপার্নিকাস জানিয়েছে, পূর্বাভাসে অংশগ্রহণকারী বৈশ্বিক আবহাওয়াবিদদের ৭৫ শতাংশ মনে করছেন নভেম্বরের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা গড়ের চেয়ে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি বাড়তে পারে।

আধুনিক যুগে ১৮৭৭-৭৮ সালে প্রথম বড় এল নিনো রেকর্ড করার পর থেকে ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালে মাত্র তিনবার তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমা অতিক্রম করে।

নাঈম/