ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার মতলবে ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তাহীনতায় লাখো মানুষ জয় দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্থায় প্রত্যাহার খুলশী থানার ওসি আরিফুল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের ২৫ মে থেকে বছরব্যাপী 'নজরুল বর্ষ' পালনের ঘোষণা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সোহেল-স্বপ্নার আপিল আজ ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মা-মেয়েকে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’ টিভিতে আজকের খেলা হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে স্কটল্যান্ড র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফের অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ব্রাজিল-মরোক্কো ম্যাচের সেরা ৭ ছবি চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির বাংলাদেশ নারী দলের টি-টোয়েন্টি অভিযান আজ শুরু বিশ্ববাজারে কেন কমছে সোনার দাম? হাতিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার
Nagad desktop

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৭ এএম
আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:১০ পিএম
নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি গ্রেপ্তার
ভক্তপুরের গুন্ডুতে তার বাসভবন থেকে ওলিকে হেফাজতে নেয় নেপাল পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অলির সঙ্গে তার প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শনিবার (২৮ মার্চ) ২০২৫ সালে প্রাণঘাতী জেন জি বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে নেপাল পুলিশ ভক্তপুরের গুন্ডুতে তার বাসভবন থেকে ওলিকে হেফাজতে নেয়।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বালেন্দ্র শাহের শপথ গ্রহণের একদিন পর তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

অলির গ্রেপ্তারের কয়েক মিনিট পর নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি মানে প্রতিশ্রুতি’ এবং ‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।’

তিনি এক্স-এ এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এটা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়; এটা ন্যায়বিচারের সূচনা মাত্র। আমি বিশ্বাস করি, এখন দেশ একটি নতুন পথে এগিয়ে যাবে।’

তবে অলি গণমাধ্যমকে বলেছেন, তাঁকে ‘প্রতিহিংসামূলকভাবে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ‘আমি আইনি লড়াইটা লড়ব’।

গত বছর ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের দুর্নীতিবিরোধী যুব অভ্যুত্থানে অন্তত ১৯ জন তরুণসহ ৭০ জনেরও বেশি নিহত হন। এই অভ্যুত্থানটি একটি সংক্ষিপ্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে শুরু হলেও, এটি অর্থনৈতিক দুর্দশা নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভকে উসকে দিয়েছিল। পরের দিন সংসদ ও সরকারি দপ্তরগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলে এই অস্থিরতা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে কেপি ওলি সরকারের পতন ঘটে।

বালেন্দ্র শাহ নির্বাচিত হওয়ার আগে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি অল্প সময়ের জন্য নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া বলেন্দ্র শাহ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নেপালের সংসদীয় নির্বাচনে জয়লাভ করার পরপরই , দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন সহিংসতার তদন্তের জন্য একটি প্যানেল গঠন করা হয়। 

শুক্রবার বলেন্দ্র শাহের সভাপতিত্বে নেপালের নবগঠিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে উচ্চ-পর্যায়ের কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনটি অবিলম্বে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিবেদনটিতে উচ্চ পদে থাকা সত্ত্বেও অভ্যুত্থান চলাকালীন অবহেলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের, যার মধ্যে অলি এবং লেখকও রয়েছেন, সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের সুপারিশ করা হয়েছিল।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ‘গুলি চালানোর কোনো আদেশ ছিল বলে প্রমাণিত হয়নি’, তবে ‘গুলি চালানো বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করার কোনো চেষ্টা করা হয়নি এবং তাদের অবহেলামূলক আচরণের কারণে কিশোররাও প্রাণ হারিয়েছে।’

তদন্ত কমিশন তৎকালীন নেপাল পুলিশের মহাপরিদর্শক চন্দ্র কুবের খাপুং-সহ আরও অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশ মেনে অবশেষে ওয়াশিংটন ডিসির বিখ্যাত কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম।

পারফর্মিং আর্টস থিয়েটার কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ পুরোপুরি কার্যকর করা হয়েছে এবং ভবন, ওয়েবসাইটসহ সমস্ত নথিপত্র থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

গত মে মাসের শেষভাগে মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার এক রুলে জানান, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের নাম পরিবর্তন করা সম্পূর্ণ অবৈধ। আদালত ১২ জুনের মধ্যে ট্রাম্পের নামফলক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

শুক্রবার (১২ জুন) থেকেই ক্রেন ও স্ক্যাফোল্ডিং এনে কাজ শুরু হয়, যা শনিবারের মধ্যে শেষ হয়।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আপিল করা হলেও আদালত তা খারিজ করে দেন।

২০২৫ সালে ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের অংশ হিসেবে কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরবর্তীতে একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি সেন্টারের ট্রাস্টি বোর্ডের কয়েকজন সদস্যকে সরিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, এই সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গীত হওয়ায় ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘হ্যান্ডস অব দ্য আর্টস’ নামক একটি সংগঠন আইনি লড়াইয়ে নামে এবং শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে ট্রাম্পের নামফলক সরিয়ে নেওয়া হয়। সূত্র: বিবিসি

তামান্না রুপা/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:২২ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা হোসেইনি খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান এবং বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ধমনী হরমুজ প্রণালী সচল করার লক্ষ্যে রবিবার (১৪ জুন) একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়ে কিছুটা ভিন্ন সুর শোনা গেছে ইরানের গলায়।

গতকাল শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘আগামীকালই (রবিবার) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। আর চুক্তি সম্পন্ন হওয়া মাত্রই হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’ 

ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে উপযুক্ত সময়ে ইরানের ভূগর্ভস্থ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র থেকে পারমাণবিক বর্জ্য অপসারণ ও তা ধ্বংস করা হবে।

শান্তি আলোচনার অন্যতম মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও ট্রাম্পের এই আশাবাদের প্রতিধ্বনি করেছেন। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘‘আমরা একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এবং পাকিস্তান ইতোমধ্যেই এর ‘ইলেকট্রনিক সিগনেচার’ বা ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’

তবে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে তেহরান ইতিবাচক হলেও এর নির্দিষ্ট সময় নিয়ে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ট্রাম্পের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, ‘চুক্তি স্বাক্ষরের সমঝোতা স্মারকের সঠিক তারিখের জন্য আমাদের আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটি আগামীকালই (রবিবার) ঘটছে না।’

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অবশ্য শুক্রবারই নিশ্চিত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তার মতে, এই চুক্তির আওতায় লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটবে, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার হবে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি দেখা দেয়।

গত এপ্রিল মাসে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলেও চলতি সপ্তাহেও উভয় পক্ষ কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি হামলায় লিপ্ত হয়। ফলে রবিবারের এই সম্ভাব্য চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে পারে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব।

তামান্না রুপা/অমিয়/

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা এবং দাফন প্রক্রিয়া জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা শনিবার (১৩ জুন) এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪ ও ৫ জুলাই তেহরানে একটি বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এরপর ৬ জুলাই তেহরানে এবং ৭ জুলাই কোম শহরে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে ইমাম রেজার মাজারে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠানের পর খামেনির মরদেহ সেখানে দাফন করা হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের শুরুতেই তেহরানে নিজের সরকারি বাসভবনে খামেনি নিহত হন। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হন তারই ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা আলী খামেনি। তবে বাবার মৃত্যুর পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হামলায় তিনিও আহত হয়েছেন। সূত্র: আল-জাজিরা

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪০ এএম
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ/ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ধীরাজ শেঠ। বর্তমানে তিনি ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ (ভিসিওএএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আগামী ৩০ জুন বিকেলে বর্তমান সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হবেন। গতকাল শনিবার এই নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু। 

ধীরাজ শেঠ ১ এপ্রিল ২০২৬ সালে উপ-সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি এর আগে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল কমান্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে আর্মার্ড কোরে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি নানা ধরনের দায়িত্ব পালন করেছেন, যার মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ও বিদ্রোহ দমন কার্যক্রমে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তিনি মরু অঞ্চলে একটি আর্মার্ড রেজিমেন্ট, একটি আর্মার্ড ব্রিগেড এবং জম্মু-কাশ্মীরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে তিনি মর্যাদাপূর্ণ সুদর্শন চক্র কোরের কমান্ডার ছিলেন। পরবর্তীতে দিল্লি এরিয়ার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আর্মি কমান্ডার পদে উন্নীত হওয়ার পর তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। খুব কম কর্মকর্তাই এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল কমান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

প্রচলিত যুদ্ধ পরিচালনা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং কৌশলগত নেতৃত্বে বিস্তৃত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ধীরাজ শেঠ এমন এক সময়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, যখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করতে গণভোট

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করতে গণভোট
ছবি: সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করার পরিকল্পনা হ্যাঁ ভোটের পোস্টার

কোনো দেশ কি তাদের জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিতে পারে? সুইজারল্যান্ডের ভোটাররা আজ রবিবার ঠিক এই প্রশ্নটিরই মুখোমুখি হচ্ছেন। দেশটির জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ১ কোটিতে (১০ মিলিয়ন) সীমিত করার একটি প্রস্তাবের ওপর আজ (১৪ জুন) গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই প্রস্তাবের পেছনে মূল সমর্থন রয়েছে দেশটির ডানপন্থি দল ‘সুইস পিপলস পার্টি’র। তারা এটিকে একটি ‘স্থায়িত্বের উদ্যোগ’ হিসেবে বর্ণনা করছে। যার লক্ষ্য হলো আবাসন, সরকারি সেবা এবং পরিবেশের ওপর তৈরি হওয়া অতিরিক্ত চাপ কমানো।

তবে সুইস সরকার, অন্যান্য প্রধান রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী নেতা এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এই প্রস্তাবকে একটি ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্যোগ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তাদের যুক্তি, এই প্রস্তাব পাস হলে দেশের হাসপাতাল ও হোটেলগুলোতে প্রয়োজনীয় কর্মীর তীব্র সংকট দেখা দেবে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের কষ্টার্জিত সম্পর্কে ফাটল ধরবে।

২০০২ সালে সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা ছিল ৭৩ লাখ। বর্তমানে তা দ্রুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ লাখে, যার মধ্যে ২৭ শতাংশই বিদেশি নাগরিক। গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভিড়, ফ্ল্যাটের চড়া দাম এবং স্বাস্থ্য খাতের ক্রমবর্ধমান খরচের কারণে সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশই এখন বেশ উদ্বিগ্ন।

সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, এই গণভোটে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। জরিপে দেখা গেছে, ভোটারদের ৫২ শতাংশ এই প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। অন্যদিকে ৪৫ শতাংশ ভোটার এই প্রস্তাবের পক্ষে সায় দিয়েছেন এবং একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

অনিন্দ্যসুন্দর এই দেশটির ভোটারদের বড় অংশই এখনো নিশ্চিত নন যে এই জনসংখ্যা সীমা ঠিক কীভাবে কার্যকর করা হবে। কোনো দেশের জনসংখ্যার ওপর এমন কঠোর আইনি সীমা আরোপের নজির বিশ্বের কোথাও নেই। যদিও চীন অতীতে তাদের ‘এক সন্তান নীতি’র মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি ধীর করার চেষ্টা করেছিল এবং পরবর্তী সময়ে তা বাতিল করে।

সুইস এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের আগে দেশটির জনসংখ্যা কোনোভাবেই ১ কোটি অতিক্রম করতে পারবে না এবং জনসংখ্যা ৯৫ লাখে পৌঁছামাত্রই সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে থাকতে পারে সুইজারল্যান্ডে রাজনৈতিক আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) মঞ্জুরের সংখ্যা সীমিত করা এবং বিদেশি শ্রমিকদের পরিবারকে সঙ্গে রাখার অধিকার বাতিল করা।সূত্র: বিবিসি