ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ড. ইউনূসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ প্রতিদিন ১০০ কোটি লিটার পানি ঢাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে : মির্জা ফখরুল মাঠের ফুটবল যখন মনের ব্যাধি ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা পাঁচ বছর না খেয়েও যেভাবে বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের প্রাণী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নারী-শিশুসহ নিহত ৪ ধামরাইয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা আবারও ম্যাচ চলাকালে মাঠে লুটিয়ে পড়লেন এরিকসেন উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক রাজধানীর বনানীতে আরএফএল ‘বেস্ট বাই’ এর নতুন শোরুম চালু গজারিয়ায় পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার তুরিন আফরোজ ফুটপাথের দোকানীকে সাধারণ ভাববেন না! হতে পারে... ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প রামুতে জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আবারও ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার পিক্সেল স্টুডিও অ্যাপ বন্ধ করল গুগল রাবিতে ছাত্রলীগের পোস্টারিং শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের ঝটিকা মিছিল গরম গরম শিঙাড়া বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস আজ, জানুন এর বিভিন্ন দিক চার লাখ টাকার বেশি বেতনে চাকরি দিচ্ছে টিআইবি যশোরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা হাজার বছরের রহস্য, উত্তর মিলল পায়রার যকৃতে! জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান তেল আবিবের হামলায় পাল্টা আক্রমণ তেহরানের আজকের মুদ্রার বাজার: ৮ জুন, ২০২৬
Nagad desktop

চুক্তি না হলে আবারও বোমা ফেলা শুরু হবে: ট্রাম্প

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
চুক্তি না হলে আবারও বোমা ফেলা শুরু হবে: ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যদি কোনো চুক্তি না হয় তাহলে আবারও বোমা হামলা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তারাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

আগামী সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যদি কোনো চুক্তি না হয় তবে তিনি কী করবেন, এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি না। ... তবে হয়তো আমি এর মেয়াদ বাড়াব না, ফলে একটি অবরোধ তৈরি হবে এবং দুর্ভাগ্যবশত আমাদের আবার বোমা ফেলা শুরু করতে হবে।’ 

কিন্তু ওয়াশিংটনগামী এয়ারফোর্স ওয়ানে তার সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের তিনি এও বলেছেন, একটি চুক্তি ‘হবেই’।

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো বিধিনিষেধ বা টোল আরোপের ধারণাকে তিনি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ইরান জানায়, তারা বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণরূপে খুলে দিয়েছে। কিন্তু শনিবারও প্রশ্ন থেকে গেছে যে, জাহাজগুলো আসলে এই জলপথ দিয়ে কতটা অবাধে চলাচল করতে পারবে। কারণ তেহরান এই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানি জাহাজ ও বন্দরের ওপর অবরোধ বহাল রাখে তবে প্রণালীটি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল পরিবহনের পথ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের শুক্রবারের ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন লেবাননে ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ জঙ্গি গোষ্ঠীর মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচিসহ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে না আসা পর্যন্ত অবরোধ ‘পূর্ণ বলবৎ থাকবে’।

এর আগে ট্রাম্প ইরানের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন যে, প্রণালীটি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং পূর্ণ চলাচলের জন্য প্রস্তুত’। কিন্তু কয়েক মিনিট পরেই তিনি আরেকটি পোস্ট দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর অবরোধ অব্যাহত থাকবে ‘যতক্ষণ না ইরানের সঙ্গে আমাদের লেনদেন শতভাগ সম্পন্ন হচ্ছে’।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক্সে এক পোস্টে বলেন, জাহাজগুলো ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র কর্তৃক নির্ধারিত পথ ব্যবহার করবে। এ থেকে বোঝা যায়, ইরান প্রণালীটির কিছুটা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার পরিকল্পনা করছে। জাহাজগুলোকে টোল দিতে হবে কিনা তা স্পষ্ট ছিল না।

ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, এই অবরোধ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। 

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক্সে পোস্ট করেছেন, এই অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালী ‘খোলা থাকবে না’।

ডেটা সংস্থা কেপলার জানিয়েছে, প্রণালীটি দিয়ে চলাচল ইরানের অনুমোদন সাপেক্ষে করিডোরেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত ১৩ এপ্রিল অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাহিনী ২১টি জাহাজ ইরানে ফেরত পাঠিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা
ছবি: আলজাজিরা

ইরানের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

সোমবার (৮ জুন) সকালে ইসরায়েল মাহশাহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সটি ফ্লেক্সিবল ফোম এবং রিজিড ফোম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উৎপাদন করে। এটি কোন ধরনের শিল্পকে প্রভাবিত করতে পারে, তা বলতে গেলে গাড়ির সিট, ম্যাট্রেস, ইনসুলেশন ইত্যাদির কথা ভাবা যেতে পারে। এই রাসায়নিকগুলোর মধ্যে একটি, অর্থাৎ টলুইন ডাইআইসোসায়ানেট (টিডিআই)-এর ক্ষেত্রে ইরানই এই অঞ্চলে একমাত্র উৎপাদক, তাই এটি মধ্যপ্রাচ্যের অভ্যন্তরীণ বাজারকে বেশি প্রভাবিত করবে। বৈশ্বিক সরবরাহের ক্ষেত্রে, এই রাসায়নিকের ইরানি রপ্তানি মোট বাজারের ২ শতাংশেরও কম, তাই এর প্রভাব ততটা গভীর নয়।

আইআরজিসি বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলের হাইফায় একটি রাসায়নিক কারখানায় হামলা চালিয়েছে। তারা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, এই অঞ্চলে বেসামরিক ও জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আরও হামলা হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী থাকবে।

থিও

ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম
ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরও তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই হামলার কারণে চুক্তির ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটন যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছালে, তা মেনে নেওয়া ছাড়া ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর আর কোনো উপায় নেই বলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

একই সঙ্গে আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনা না বাড়িয়ে নেতানিয়াহুকে শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মূল চাবিকাঠি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র তার হাতেই।

টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘নেতানিয়াহুর সামনে আর কোনো বিকল্প থাকবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমিই নিই। সব সিদ্ধান্ত আমার। তিনি এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ নন‘’

গত এপ্রিলের শুরুর দিকে হওয়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলের ওপর ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই কড়া বক্তব্য সামনে এল।

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের কড়া বার্তা

ফক্স নিউজ ও অ্যাক্সিওসকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার নির্দেশ দেবেন। তবে ট্রাম্পের এই অবস্থান ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দেওয়া বিবৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানায়, ট্রাম্প টেলিফোনে নেতানিয়াহুকে আপাতত শান্ত থাকতে বলেছেন কারণ ‘একটি ভালো চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি আমরা’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী প্রথমে এর বিরোধিতা করলেও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের কথায় ‘এক প্রকার রাজি’ হয়েছেন।

মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই মুহূর্তে ইসরায়েল থেকে বড় কোনো হামলার আশঙ্কা নেই।’

ট্রাম্পের ইরান পরিকল্পনা

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তির ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। তবে (ইসরায়েলে হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো) এমন কোনো বড় আঘাত ছিল না যা সব ওলট-পালট করে দেবে।’

তবে গত এপ্রিলের শুরুতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে ইরানের সঙ্গে প্রথম দফার আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পকে যতটুকু আশাবাদী দেখাচ্ছিল, তেহরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির বিষয়ে এবার তার কণ্ঠে ততটা দৃঢ়তা শোনা যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় চুক্তিটি এগিয়ে চলছে। দেখা যাক কী হয়।’

ইরানের এই হামলা তার নিজস্ব সমীকরণে কোনো প্রভাব ফেলবে না উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি তার নিজস্ব যোগ্যতায় সফল হতেও পারে, আবার নাও পারে। তবে এই হামলার কারণে এতে কোনো প্রভাব পড়বে না।’

ইরান অভিযানের প্রস্তুতি

যদি এই চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়, তবে কী করা হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানে কমান্ডো অভিযানের কথা বিবেচনা করবেন। তিনি বলেন, ‘সেক্ষেত্রে দুটি বিষয় ঘটতে পারে। প্রথমত, আমরা সরাসরি সেখানে ঢুকে সামরিকভাবে বাকি জায়গাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেব, যা আগে করা হয়নি। অথবা আমরা ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ বজায় রাখব। কারণ এই অবরোধ সম্ভবত দেশটির ওপর হওয়া যেকোনো সামরিক হামলার চেয়েও বেশি শক্তিশালী।’

গত সপ্তাহে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের একটি তুমুল উত্তপ্ত ফোনালাপের পর তার এই মন্তব্যগুলো সামনে এল। জানা গেছে, সেই ফোনালাপে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে নেতানিয়াহুকে বলেন, ‘তুমি কি পাগল হয়ে গেছ? আমি না থাকলে আজ তুমি জেলে থাকতে। এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। এসবের কারণে সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে সেই ফোনালাপের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং ফোনালাপের ভেতরের এসব বক্তব্যের বিবরণ নিয়ে কোনো দ্বিমত পোষণ করেননি। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

আবারও ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
আবারও ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কানাডা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এই পরিস্থিতি চলমান আলোচনা এবং শান্তির সম্ভাবনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

সোমবার (৮ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কানাডার পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তর জানিয়েছে, আমরা উভয় পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন, উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এই সংকটের সমাধান এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি টেকসই কূটনৈতিক সমাধান অপরিহার্য।

এদিকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। জবাবে ইরানের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা 

সালমান/

তেল আবিবের হামলায় পাল্টা আক্রমণ তেহরানের

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
তেল আবিবের হামলায় পাল্টা আক্রমণ তেহরানের
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় আরও হামলার সম্মুখীন হতে হবে- তেহরানের এমন সতর্কবার্তার পর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী টেলিগ্রামে একাধিক পোস্টে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রবিবার (৭ জুন) রাত প্রায় ১০টা থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক দফা হামলা চালানো হয়, যার ফলে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে সাইরেন বেজে ওঠে।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান তাদের ভূখণ্ডের দিকে দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং দেশজুড়ে সাইরেন বেজে উঠেছে। তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর ইরানের ওপর ইসরায়েলি হামলা চালানো হলো।

লোহিত সাগরে ইসরায়েলি নৌচলাচল নিষিদ্ধ করবে হুথিরা

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী জানিয়েছে যে, তারা লোহিত সাগরে ইসরায়েলি নৌচলাচল নিষিদ্ধ করবে এবং এই জলপথে ইসরায়েল-সমর্থিত জাহাজগুলো আবারও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

তারা এক বিবৃতিতে আরও বলেছে যে, তারা ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছে। হুথিরা আরও যোগ করেছে যে, উত্তেজনা বাড়লে তারাও পাল্টা উত্তেজনা দিয়ে জবাব দেবে।

মধ্যপ্রাচ্যে ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রয়োজন নেই’: ইইউ-এর শীর্ষ কূটনীতিক

ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইইউ-এর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি কায়া কালাস দেশ দুটিকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। 

কালাস বলেন, রবিবার রাতেই আমরা আবারও উত্তেজনা বাড়তে দেখেছি। আমি মনে করি, এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই, বরং পক্ষগুলোর উচিত আলোচনার টেবিলে বসে একটি চুক্তিতে আসা।

ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে

ইরানের মেহর নিউজ অ্যাজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানান হয়, দেশের পশ্চিমাঞ্চলের কেরমানশাহ শহরের চারপাশের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রু লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে সক্রিয় করা হয়েছে।

ইরানি গুপ্তচর সন্দেহে ইসরায়েলে এক ব্যক্তি অভিযুক্ত

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, তেল আবিবের এক ব্যক্তি ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২৬ সালের শুরু থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি অর্থের বিনিময়ে ইরানের জন্য নিরাপত্তা-সম্পর্কিত দায়িত্ব পালনে সম্মত হয়েছিলেন।

ইসরায়েলি হামলায় ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান

ইসরায়েলি হামলায় মাহশাহরের পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এখানকার সব কর্মীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাবরিজ, কারাজ, ইসফাহান এবং রাজধানী তেহরানসহ মোট চারটি শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

আইআরজিসি এবং অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে বলছেন, ইসরায়েলের ওপর হামলা ছিল একটি সতর্কতামূলক সংকেত। কিন্তু এরপর কী ঘটতে পারে তা স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান বলছে, লেবাননসহ একটি আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি অবশ্যই হতে হবে। যদি ইসরায়েলিরা লেবাননে, বিশেষ করে বৈরুতের দাহিয়েতে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ইরানিরা প্রতিক্রিয়া দেখাবে এবং পাল্টা জবাব দেবে।

তারা আরও বলছে, 'আমরা জানি যে আমরা অত্যন্ত নাজুক ও ভঙ্গুর পরিস্থিতির সম্মুখীন। যদিও আমাদের যুদ্ধবিরতি খুব অল্প সময়ের জন্য ছিল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যে আমরা আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধির দ্বারপ্রান্তে রয়েছি'।

থিও/অমিয়/

ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় তেহরান-তেল আবিবে নতুন উত্তেজনা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:১৩ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:২৯ এএম
ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় তেহরান-তেল আবিবে নতুন উত্তেজনা
ছবি: সংগৃহীত

তেহরান থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার এক দিন পর, ইসরায়েল ইরানের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আইআরএনএ জানায়, তেহরানে অন্তত দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পাশাপাশি ইসফাহান, কারাজ ও তাবরিজ শহরেও অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলের হামলার পর তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আশেপাশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, পারস্য উপসাগরে থাকা সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, ইসরায়েল এই হামলায় আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। যদিও তারা এ হামলার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য দেয়নি। 

এ ছাড়াও হামলার সময় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয় এবং লাখো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যায়। দেশটির সেনাবাহিনী গণমাধ্যমকে জানায়, তারা অন্তত তিন দফায় আসা অন্তত ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। 

রবিবার (৭ জুন) ইসরায়েল লেবাননের বৈরুতে হামলা চালিয়েছে। এতে দুজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইসরায়েল হুশিঁয়ারি দিয়ে বলেছে, তারা পুরো লেবানন জুড়ে অভিযান চালিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েল প্রথমে হামলা চালানোর পর ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর আগে ইসরায়েল লেবাননের বৈরুত শহরের দক্ষিণাঞ্চলে কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই হামলা চালিয়েছিল। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাও জটিল হয়ে পড়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

থিও/