ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও
Nagad desktop

হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর দিকে পাঠানো চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (৫ জুন) এর জবাবে ইরানের কয়েকটি উপকূলীয় নজরদারি রাডার কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর নীতির মধ্যে এ ঘটনা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, ‘আক্রমণকারী ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক চলাচলের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করেছিল।’

বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করিডোর হরমুজ প্রণালীতে ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বন্দর কার্যক্রমের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এর ফলে জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং মূল্যবৃদ্ধি মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে।

সেন্টকম জানায়, ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রণালীর একটি দ্বীপসহ একাধিক রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

এই ঘটনা সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার সবশেষ অধ্যায়, যা যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব এবং তা সম্প্রসারণের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সপ্তাহের শুরুতে একটি ইরানি ড্রোন কুয়েতের প্রধান বিমানবন্দরের একটি যাত্রী টার্মিনালে আঘাত হানলে একজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। ঘটনার পর বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

যদিও এসব হামলা যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে, তবুও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে পরিস্থিতি মোটামুটি ভালোভাবেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’

উইসকনসিনে কৃষকদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই ইরান ইস্যুর সমাধানে পৌঁছাব। সেটা আলোচনার মাধ্যমে হোক বা কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে- যেভাবেই হোক আমরা সফল হব।’

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, ট্রাম্প এমন একটি সংঘাতের মধ্যে ক্রমশ জড়িয়ে পড়ছেন, যা বর্তমানে অচলাবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে মার্কিন ও ইরানি আলোচকরা ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করার বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অতিরিক্ত শর্ত এবং ইরানের নীরব অবস্থান অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি তাদের জন্য খুবই কঠিন একটি সিদ্ধান্ত। তারা স্বাধীন, শক্তিশালী এবং গর্বিত জাতি। তবে বর্তমান বাস্তবতায় কিছু সিদ্ধান্ত তাদের নিতেই হবে।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের কাছে এখনও তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় ২১ থেকে ২২ শতাংশ অবশিষ্ট রয়েছে।

এদিকে, ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লেবানন সরকার ও ইসরায়েলের মধ্যে যে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে, তা নিয়েও মার্কিন প্রশাসন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। তবে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ওই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় এবং ৯টি গ্রামের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ৯জন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষের সময় তাদের দুই সৈন্য আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননের চলমান সংঘাত ইরান-সংক্রান্ত সংকট নিরসন এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালুর প্রচেষ্টাকেও প্রভাবিত করতে পারে। কারণ ইরান দাবি করে আসছে, যেকোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননের পরিস্থিতিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীতে ড্রোন প্রতিহত করার পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ভারত মহাসাগরে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলবাহী ট্যাংকারে অভিযান চালিয়েছে। এর লক্ষ্য ইরানের তেল রপ্তানি থেকে আয় সীমিত করা।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি খাতকে লক্ষ্য করে নতুন করে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও তেলবাহী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে তার সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পর ইরাক তার আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ‘ইরাকের সব বিমানবন্দর থেকে যাত্রীবাহী ও বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিচ্ছে’ এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি ‘নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন’ করা অব্যাহত রাখবে।

৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের প্রথম ঘটনা হিসেবে রবিবার সন্ধ্যায় ইরান ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ইরাক ৭২ ঘণ্টার জন্য তার আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ছবি: সংগৃহীত

এপ্রিলে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সামরিক কমান্ড।

তেহরান থেকে এএফপি জানায়, সোমবার (৮ জুন) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খাতামুল আম্বিয়া সদর দপ্তর জানায়, ইরান ইসরায়েলকে ‘বেদনাদায়ক জবাব’ দিয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ‘সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে’।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তবে জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, যদি দক্ষিণ লেবাননসহ অন্য কোথাও আগ্রাসন ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও বিধ্বংসী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রিফাত/

শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিতে প্রথমদিকে অনিচ্ছুক ছিল তেল আবিব। অনেকের মতে, ইসরায়েল শুধু যুদ্ধ অব্যাহত রাখতেই আগ্রহী ছিল না, বরং এই সংঘাত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান ও ভাবমূর্তির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।

সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার একটি ফোনালাপের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর ইসরায়েলের ভেতরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এতে এমন ধারণা তৈরি হয় যে, নেতানিয়াহু অনেক ক্ষেত্রে ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ধারণা করা হয়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত না করতে এবং বৈরুতকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা থেকে বিরত থাকতে কঠোরভাবে সতর্ক করেছিলেন। 

এ তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর ইসরায়েলের একটি অংশের কাছে নেতানিয়াহুর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে শুধু একজন শক্তিশালী নেতা হিসেবেই নয়, বরং ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকেও উপেক্ষা করতে প্রস্তুত একজন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছেন।

ফলে যখন তাকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়, তখন বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তার জন্য খুব ইতিবাচক বার্তা বহন করেনি। 

অনেক ইসরায়েলির মধ্যে এমন প্রত্যাশাও ছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য সমঝোতা বা আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার জন্য নেতানিয়াহুর হাতে কোনো না কোনো গোপন কৌশল রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী অংশের স্বার্থ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। 

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলের ঘোষিত কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই সংঘাত অপরিহার্য। এসব লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারি প্রতিষ্ঠা।

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, এর পেছনে কেবল নিরাপত্তা বা কৌশলগত বিবেচনাই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও কাজ করছে। বিশেষ করে সম্ভাব্য নির্বাচন এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রশ্নে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

থিও/

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু এবং ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) এই দুর্যোগের ফলে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ও পরিবহন অবকাঠামো ভেঙে পড়ে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বেশ কিছু অংশে সুনামি সতর্কতা জারি করার পর জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাও অঞ্চলের উপকূলবর্তী এলাকা, যা ওই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও পরিবহন কেন্দ্র ‘জেনারেল সান্তোস সিটি’র কাছাকাছি অবস্থিত।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পের ফলে বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়াসহ ব্যাপক কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আটকেপড়াদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়াসহ ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে পরবর্তীতে সমুদ্রের ঢেউয়ের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে অনেক জায়গার সতর্কতা তুলে নেওয়া হয় বা কমিয়ে আনা হয়।

তা সত্ত্বেও, পূর্বসতর্কতা হিসেবে উপকূলীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের ওপরও। নিরাপত্তার স্বার্থে ‘জেনারেল সান্তোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’-এর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়, যার ফলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পে ডজন খানেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৩০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে পুনরায় প্রবেশ না করার জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।

জনপ্রিয় পর্যটন ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রগুলোতে এ ধরনের বড় আকারের প্রাকৃতিক বিপর্যয় কী ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, এই ঘটনাটি আবারও তা মনে করিয়ে দিল।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ফিলিপাইন ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ফলে এখানে প্রায়শই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

মিন্দানাওজুড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। এরই মধ্যে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে সব ধরনের সহায়তা দিতে এবং চলমান ঝুঁকিগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করতে সরকারি সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্র: আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ও হেলথ ইনস্যুরেন্স জার্নাল

তামান্না রুপা/

ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা
ছবি: আল জাজিরা থেকে

ইরানের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

সোমবার (৮ জুন) সকালে ইসরায়েল ইরানের মাহশাহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করার পর এই হামলা চালাল ইরান।

কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সটি ফ্লেক্সিবল ফোম এবং রিজিড ফোম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উৎপাদন করে। এই রাসায়নিকগুলোর মধ্যে একটি হলো টলুইন ডাইআইসোসায়ানেট (টিডিআই), যা এই অঞ্চলে একমাত্র ইরানই উৎপাদন করে থাকে।

বৈশ্বিক সরবরাহের ক্ষেত্রে, এই রাসায়নিকের ইরানি রপ্তানি মোট বাজারের ২ শতাংশেরও কম, তাই এর প্রভাব ততটা গভীর নয়।

ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলের হাইফায় একটি রাসায়নিক কারখানায় হামলা চালিয়েছে।

তারা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, এই অঞ্চলে বেসামরিক ও জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আরও হামলা হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী থাকবে।

থিও/অমিয়/