ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন চামড়া নিয়ে দুর্ভোগ আর দুর্গতির শেষ কোথায়
Nagad desktop

ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠক তাইওয়ান ইস্যুতে কঠোর হুঁশিয়ারি চীনের

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
তাইওয়ান ইস্যুতে কঠোর হুঁশিয়ারি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণী এই বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শি জিনপিং। তিনি সাফ জানিয়েছেন, তাইওয়ান ইস্যুটি যদি ‘সঠিকভাবে পরিচালনা’ করা না হয়, তবে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত, এমনকি যুদ্ধও বেঁধে যেতে পারে। 

এ ছাড়া বৈঠকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শি জিনপিং। তিনি বলেন, সংঘাত নয় বরং অংশীদারত্বই দুই দেশের সমৃদ্ধির পথ। বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে মতপার্থক্য ভুলে বড় শক্তি হিসেবে একে অপরকে সফল করতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিট রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। গত বছরের তীব্র বাণিজ্যযুদ্ধের পর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করা এবং বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তবে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল তাইওয়ান প্রশ্ন এবং ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি।

বৈঠক শেষে হোয়াইট হাউস একে ‘ফলপ্রসূ’ হিসেবে বর্ণনা করলেও তাইওয়ান প্রসঙ্গে তারা নীরব ছিল। তবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) শি জিনপিংয়ের বক্তব্যের একটি বিবরণ প্রকাশ করেছেন। সেখানে শি জিনপিং ট্রাম্পকে সরাসরি বলেন, ‘চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাইওয়ান ইস্যুটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করা হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। অন্যথায় দুই দেশ সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে, যা বিশ্বজুড়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে।’

শি জিনপিং আরও বলেন, ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’ এবং প্রণালির শান্তি কখনোই একসঙ্গে চলতে পারে না; যেমন আগুন এবং পানি পরস্পরবিরোধী। তিনি সতর্ক করে বলেন, তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এখন দুই দেশের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। উল্লেখ্য, তাইওয়ান একটি গণতান্ত্রিক দ্বীপরাষ্ট্র, যা বিশ্বের অধিকাংশ উন্নত সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ তৈরি করে। চীন দীর্ঘদিন ধরে এটিকে নিজেদের অংশ মনে করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে তা দখলের হুমকি দিয়ে আসছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে সামরিক সহায়তা দিলেও সরাসরি যুদ্ধে নামবে কি না, তা নিয়ে সব সময় অস্পষ্টতা বজায় রেখেছে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার’ হওয়া উচিত: জিনপিং

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন শি জিনপিং। তিনি বলেছেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার’ হওয়া উচিত। বৈঠকের শুরুতে দেওয়া বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র–দুই দেশই সহযোগিতা থেকে লাভবান হতে পারে এবং সংঘাত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ 

তিনি বলেন, এই বৈঠকের দিকে বিশ্বজুড়ে মানুষের নজর রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘নতুন যুগে বড় শক্তিধর দেশগুলো কীভাবে একসঙ্গে চলবে, আমাদের সেই সঠিক পথ খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের একে অপরকে সফল হতে সহায়তা করতে হবে এবং একসঙ্গে সমৃদ্ধ হতে হবে।’

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি সব সময় বিশ্বাস করেন যে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যের চেয়ে অভিন্ন স্বার্থই বেশি। তার ভাষায়, ‘এক দেশের সাফল্য অন্য দেশের জন্যও একটি সুযোগ।’ পাশাপাশি স্থিতিশীল চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বিশ্বের জন্যও উপকারী বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট জিনপিং জানান, দুই দেশের পাশাপাশি বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে তিনি আরও আলোচনা করতে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করে ‘চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিশাল জাহাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে’ চান বলেও উল্লেখ করেন।

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা
তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনা থাকলেও বাণিজ্য ইস্যুতে দুই নেতা ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। গত বছরের নজিরবিহীন বাণিজ্যযুদ্ধের পর যেখানে উভয় দেশ একে অপরের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল, সেখানে এবার নমনীয়তা দেখা গেছে। শি জিনপিং বলেন, ‘চীন-আমেরিকা অর্থনৈতিক সম্পর্ক দুই দেশের জন্যই লাভজনক। বাণিজ্যযুদ্ধে কারও জয় হয় না। আলোচনার মাধ্যমেই সব মতভেদ দূর করা সম্ভব।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও চীনের সঙ্গে ব্যবসা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে একটি চমৎকার ভবিষ্যৎ গড়তে যাচ্ছি।’ ট্রাম্পের এই সফরে তার সঙ্গে মার্কিন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল ছিল। টেসলার সিইও ইলন মাস্ক, এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং এবং অ্যাপলের বিদায়ী সিইও টিম কুকের মতো ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এই প্রধান নির্বাহীদের শি জিনপিংয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এনভিডিয়া চীনে তাদের উন্নত চিপ বিক্রির সুযোগ খুঁজছে। বৈঠক শেষে ইলন মাস্ক ও জেনসেন হুয়াং জানান, আলোচনা অত্যন্ত সফল হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে একমত দুই নেতা
বৈঠকে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেন জ্বালানি তেলের অবাধ প্রবাহ অব্যাহত থাকে, সে বিষয়ে দুই নেতা একমত হয়েছেন। শি জিনপিং স্পষ্ট করেছেন, চীন হরমুজ প্রণালিকে সামরিকীকরণ করার বিরোধী। তবে চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে, যাতে এই অঞ্চলের ওপর তাদের নির্ভরতা কমে। এ ছাড়া ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইরানের ওপর চীনের অর্থনৈতিক সমর্থন কমানোর জন্য তারা চাপ দিচ্ছেন। কারণ চীন হলো ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি সেখানে ব্যস্ত থাকায় বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ওয়াশিংটনের জন্য কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে।

দিনের শুরুতে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে ট্রাম্পকে রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ব্যান্ড দল, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং ছোট ছোট শিশুর পতাকা নাড়ানোর মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়। বৈঠক ও মন্দির পরিদর্শনের পর এক রাষ্ট্রীয় ভোজসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং তার স্ত্রীকে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ট্রাম্প শি জিনপিংকে একজন ‘মহান নেতা’ এবং ‘বন্ধু’ হিসেবে সম্বোধন করেন। তিনি বলেন, বেইজিং একটি সুন্দর এবং অবিশ্বাস্য জায়গা। যদিও পেছনে তাইওয়ান ও বাণিজ্য নিয়ে গভীর বিরোধ রয়ে গেছে, তবুও এই সফরের মাধ্যমে দুই পরাশক্তি সম্পর্কের বরফ গলানোর চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ২০১৭ সালের পর এটিই কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম চীন সফর। দুপক্ষই এখন চাইছে গত বছরের সংঘাতময় পরিস্থিতি কাটিয়ে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে। তবে তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অনড় অবস্থান আগামী দিনে এই বন্ধুত্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন
ছবি: সংগৃহীত

অবরুদ্ধ গাজায় গত ৪৮ ঘণ্টায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন।

গুরুতর আহত হয়েছেন অর্ধশত মানুষ।

 খবরটি নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার ছোড়া গুলিতে নিহত হয়েছে মাত্র ৭ মাস বয়সী এক শিশু। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার বাবা ও মা।

 অবশ্য ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, সৈন্যদের দিকে একটি গাড়ি এগিয়ে আসতে দেখেই নিরাপত্তার স্বার্থে গুলি ছোড়ে তারা।

গেলো বছরের অক্টোবর থেকে কথিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরাইলে অব্যাহত হামলায় প্রাণহানি হয়েছে প্রায় ১ হাজার মানুষের।

গুরুতর আহত হয়েছে প্রায় ৩ হাজারের কাছাকাছি।

এসএন/

হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর দিকে পাঠানো চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (৫ জুন) এর জবাবে ইরানের কয়েকটি উপকূলীয় নজরদারি রাডার কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর নীতির মধ্যে এ ঘটনা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, ‘আক্রমণকারী ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক চলাচলের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করেছিল।’

বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করিডোর হরমুজ প্রণালীতে ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বন্দর কার্যক্রমের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এর ফলে জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং মূল্যবৃদ্ধি মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে।

সেন্টকম জানায়, ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রণালীর একটি দ্বীপসহ একাধিক রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

এই ঘটনা সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার সবশেষ অধ্যায়, যা যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব এবং তা সম্প্রসারণের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সপ্তাহের শুরুতে একটি ইরানি ড্রোন কুয়েতের প্রধান বিমানবন্দরের একটি যাত্রী টার্মিনালে আঘাত হানলে একজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। ঘটনার পর বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

যদিও এসব হামলা যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে, তবুও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে পরিস্থিতি মোটামুটি ভালোভাবেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’

উইসকনসিনে কৃষকদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই ইরান ইস্যুর সমাধানে পৌঁছাব। সেটা আলোচনার মাধ্যমে হোক বা কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে- যেভাবেই হোক আমরা সফল হব।’

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, ট্রাম্প এমন একটি সংঘাতের মধ্যে ক্রমশ জড়িয়ে পড়ছেন, যা বর্তমানে অচলাবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে মার্কিন ও ইরানি আলোচকরা ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করার বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অতিরিক্ত শর্ত এবং ইরানের নীরব অবস্থান অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি তাদের জন্য খুবই কঠিন একটি সিদ্ধান্ত। তারা স্বাধীন, শক্তিশালী এবং গর্বিত জাতি। তবে বর্তমান বাস্তবতায় কিছু সিদ্ধান্ত তাদের নিতেই হবে।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের কাছে এখনও তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় ২১ থেকে ২২ শতাংশ অবশিষ্ট রয়েছে।

এদিকে, ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লেবানন সরকার ও ইসরায়েলের মধ্যে যে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে, তা নিয়েও মার্কিন প্রশাসন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। তবে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ওই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় এবং ৯টি গ্রামের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ৯জন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষের সময় তাদের দুই সৈন্য আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননের চলমান সংঘাত ইরান-সংক্রান্ত সংকট নিরসন এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালুর প্রচেষ্টাকেও প্রভাবিত করতে পারে। কারণ ইরান দাবি করে আসছে, যেকোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননের পরিস্থিতিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীতে ড্রোন প্রতিহত করার পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ভারত মহাসাগরে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলবাহী ট্যাংকারে অভিযান চালিয়েছে। এর লক্ষ্য ইরানের তেল রপ্তানি থেকে আয় সীমিত করা।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি খাতকে লক্ষ্য করে নতুন করে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও তেলবাহী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধবিরতির নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই কুয়েত ও বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার (৬ জুন) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সেন্টকমের দাবি, ইরানের ছোড়া সাতটি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ছয়টি মার্কিন ও মিত্রদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাঝআকাশেই ভূপাতিত করে। অপর ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই বিকল হয়ে পড়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন সেনা সদস্যের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন বাহিনী আরও জানিয়েছে, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ইরানের দাবি সত্য নয়।

এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর শনিবার ভোরে বাহরাইনজুড়ে জরুরি সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের শান্ত থাকার পাশাপাশি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানায়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের চারটি আত্মঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করার পর এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এর আগে হরমুজ প্রণালীর দিকে অগ্রসর হওয়া ড্রোনগুলো ধ্বংস করার পাশাপাশি মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপে অবস্থিত কয়েকটি উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালায়।

মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই ঘটনা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং চলমান যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টাকে করে তুলতে পারে আরও জটিল। সূত্র: বাসস

আমান/

অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম
অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশিসহ ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী সব বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৫ জুন) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশিসহ যেকোনো বিদেশি নাগরিক যদি ভারতে অবৈধভাবে অবস্থান করেন, তবে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের দেশে আইন রয়েছে। সেই আইন অনুযায়ীই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এক বিবৃতিতে দাবি করে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের ১০টি পৃথক চেষ্টা তারা প্রতিহত করেছে।

এ প্রসঙ্গে রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেন, ভারত একটি আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। এই প্রক্রিয়া অনুযায়ী যেকোনো নাগরিককে ফেরত পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তার জাতীয়তার সত্যতা নিশ্চিত হতে হয়। তিনি বলেন, ‘এসব মানুষকে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে একটি দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। আমরা যখন এই ধরনের মামলাগুলো বাংলাদেশ পক্ষের কাছে পাঠাই, তখন তারা ওই ব্যক্তিদের জাতীয়তা যাচাই করে। জাতীয়তা নিশ্চিত হওয়ার পরই আমরা ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যাই।’

মুখপাত্র আরও জানান, ‘আমাদের এই ধরনের অনেক অনুরোধ এখনো বাংলাদেশ পক্ষের কাছে ঝুলে রয়েছে। আমরা আশা করি, এই অনুরোধগুলো যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি করা হবে। এর ফলে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটি সুশৃঙ্খল ও দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।’

কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া সফর করবেন। দীর্ঘ সাত বছর পর পিয়ংইয়ং সফরে যাচ্ছেন চীনা প্রেসিডেন্ট। সফরকালে তিনি প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। উভয় দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে গতকাল শুক্রবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে। 

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, ‘কিম জং উনের আমন্ত্রণে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শি জিনপিং ৮ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া সফর করবেন।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বেইজিং সফরের কয়েক সপ্তাহ পরেই এই সফরে যাচ্ছেন শি।

চীন উত্তর কোরিয়ার একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অংশীদার। পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটি কোণঠাসা অবস্থায় আছে।

চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দুই দেশ একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ। চুক্তি অনুযায়ী কোনো দেশ আক্রান্ত হলে তারা একে অপরকে সহায়তা প্রদান করবে। এই বছর সেই চুক্তির ৬৫তম বার্ষিকী পালিত হবে।

কিমের কাছে শির সফরের প্রচারণাগত গুরুত্ব সুস্পষ্ট। মহামারি মোকাবিলা করে এবং রাশিয়ার পক্ষে ইউক্রেনের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার পর পিয়ংইয়ং বিশ্বমঞ্চে তার অবস্থান উন্নত করেছিল।

পিয়ংইয়ং ও মস্কো উভয়ের সঙ্গেই বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কিম ও পুতিনের মধ্যে গড়ে ওঠা জোট নিয়ে শি সন্দিহান। কিন্তু পিয়ংইয়ংয়ের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার বেইজিংই কিমের জন্য প্রধান জীবনরেখা হয়ে আছে। আশা করা হচ্ছে, কিম স্থল সীমান্ত দিয়ে আরও বেশি বাণিজ্য এবং তার নবনির্মিত সমুদ্রসৈকত ও স্কি রিসোর্টগুলো প্রাণবন্ত করতে আরও বেশি চীনা পর্যটক চাইবেন।

কিম গর্বের সঙ্গে তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগার প্রদর্শন করে আসছেন। তিনি সফররত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের রাজধানী পিয়ংইয়ংও প্রদর্শন করছেন। তিনি বিশ্বকে জানাতে চান, এই সবকিছু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতজানু না হয়ে বা দক্ষিণের সঙ্গে কোনো সম্পর্কে না জড়িয়েই অর্জন করা হয়েছে। পিয়ংইয়ং স্পষ্ট করেছে যে তারা তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে সরে আসবে না।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই সপ্তাহেই একটি নতুন পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সময় কিম বলেছেন, গত পাঁচ বছরে উত্তর কোরিয়ার ‘অস্ত্র-গ্রেড পারমাণবিক উপকরণ উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে’। সূত্র: বিবিসি