সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বর্তমানে পিআরএল ভোগরত জিয়াউর রহমানের আয়কর নথি জব্দ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আক্তারুজ্জামানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের পৃথক আবেদন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাবেক এএসপি জিয়াউর রহমানের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর।
আবেদনে বলা হয়, ৪ কোটি ২ লাখ ৭৪ হাজার ২৯৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নিজ ভোগদখলে রেখে এক কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ২৪৯ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। কিন্তু এ সংক্রান্ত তথ্য গোপন ও একাধিক ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক লেনদেন করার অপরাধে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
এতে আরও বলা হয়, আসামি একজন আয়করদাতা। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে শুরু থেকে সর্বশেষ ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত তার আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় মূল রেকর্ডপত্রসহ সব তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।
এ ছাড়া, আওয়ামী লীগ নেতা আক্তারুজ্জামানের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লক করার আবেদন করেন অনুসন্ধানী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম।
আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আক্তারুজ্জামানের সম্পদ বিবরণী যাচাই বা অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তার নিজ নামে বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। অবৈধভাবে অর্জিত ওইসব সম্পত্তি হস্তান্তর করে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
এতে আরও বলা হয়, সম্পদ হস্তান্তর করে বিদেশে পালিয়ে গেলে অভিযোগে উল্লেখিত বিভিন্ন দুর্নীতির রেকর্ডপত্র এবং সম্পদ বেহাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।
উজ্জ্বল/এসজি/