ছবি: সংগৃহীত
জনবান্ধব বাজেট না হলে জনগণ আরও বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি আয়োজিত ‘কেমন বাজেট চাই?’ শীর্ষক গোলটেবিল ও ছায়াবাজেট-এর উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।
শুক্রবার (৫ জুন) সকারে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আয়োজনে অতিথিবৃন্দ আরও বলেন, নির্মম হলেও সত্য গত ৫৫ বছরের একটি বাজেটও স্বাস্থ্য-শিক্ষা-খাদ্য-ধর্ম-মানবতা বা সভ্যতাবান্ধব হয়নি কেবলমাত্র আমলাদের পাশাপাশি সর্বস্তরের রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের অসাধু কর্মকাণ্ডের কারণে। স্বাধীনতার পর থেকে ক্রমশ আমরা রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা যেভাবে প্রতারিত হয়েছি, ঠিক সমান্তরালভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি কিছু লুটেরাশ্রেণির কারণে। এরা রাজনীতি-শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি-কূটনীতি-ধর্ম এবং অর্থনীতির রন্দ্রে রন্দ্রে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠির ক্ষতি করেছে সবসময়।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই দেশ ও জনবিরোধী-স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ। সেই ষড়যন্ত্রে কারণে আজ বন্দর, সেন্টমার্টিন এমনকি বাণিজ্য খাতটা পর্যন্ত আমেরিকাসহ দেশবিরোধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করছে; তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী ছিলো।
এতে অতিথি ছিলেন ডেইলি নিউ নেশন-এর উপদেষ্টা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ তোশারফ আলী।
সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ তরিকত-এ ইসলামের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মঈনুদ্দীন টিপু।
বক্তব্য রাখেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, প্রেসিডিয়াম মেম্বার কাজী মুন্নি আলম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন বৈরাগী, হরিদাস সরকার, রাজনীতিক শহিদুল ইসলাম রতন, তৌহিদুল ইসলাম শাহীন নূরী, নতুনধারার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির জীবন, আফতাব মন্ডল, জাতীয় শ্রমিকধারার আহ্বায়ক বাবুল মিয়া, আলেয়া বেগম আলো প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মোমিন মেহেদী বলেন, ২২ পরিবারের হাত থেকে ২২ হাজার আমলার খপ্পড়ে পরেছে বাংলাদেশ। যেই আমলাদের গাড়ি-বাড়ি-কাড়িকাড়ি টাকা করার নেশায় আমাদের শিক্ষা ধ্বংস হয়েছে; তাদের সন্তানরা পড়ালেখা করছে উন্নত বিশ্বের দেশে; আমাদের সমাজ ধ্বংস হয়েছে, তাদের সন্তানরা বাড়ি করছে দেশের বাইরে; মাদকে সয়লাব হয়েছে বাংলাদেশ আর তারা তাদের পুরো পরিবারকে স্যাটেল করেছেন উন্নত দেশগুলোতে। তাদের পাশাপাশি কিছু অসাধু রাজনীতিকও পুরো গোষ্ঠিসহ দেশের বাইরে গিয়ে উঠেছেন দেশকে দেউলিয়া করে। আসন্ন বাজেটের আগে এই সব লুটেরা রাজনীতিক ও প্রশাসনিক সাবেক ও বর্তমান কর্তাদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের অবৈধ অর্থ-সম্পদ সব দেশের রাজস্বখাতে যুক্ত করাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। যদি তা করতে না পারে সরকার; তাহলে সেই বাজেট জনগণের কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না।
এসএন/