ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে বলাৎকার, ওয়ার্ডবয় আটক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঠেকালো বিজিবি, বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পুশইনের আশঙ্কা: বিজিবির নজরদারি জোরদার দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব ও বুবলী হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের গোপন সভা, গ্রেপ্তার ২ রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক ভেঙে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ,ভরসা বাঁশের সাঁকো বরগুনায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত টাঙ্গুয়ার হাওরে অপরিকল্পিত হাউজবোট চলাচল: বেলার উদ্বেগ প্রকাশ পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা গাছ লাগান, সওয়াব কামান পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে পর্যটকদের নিরাপত্তায় ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর নৌকাঘাট ব্যবহারের নির্দেশ জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ বিদ্যুৎসংকটে লাখো ফটিকছড়িবাসী
Nagad desktop

ফ্যাসিস্টদের লুটপাট-অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতায় হামের এই প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৬ পিএম
আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
ফ্যাসিস্টদের লুটপাট-অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতায় হামের এই প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের লুটপাট ও অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতায় দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে এ মন্তব্য করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীত দুই সরকারের ব্যর্থতা ও ভ্যাকসিন ক্রয় প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণেই দেশে হামের এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের লুটপাট ও অন্তর্বর্তীর সরকারের ব্যর্থতার কারণে আজকে হামের এই প্রাদুর্ভাব।

তিনি জানান, দেশে হামের ভ্যাকসিন মজুত স্থিতিশীল রয়েছে, ইউনিসেফ থেকে ৪১৯ কোটি টাকার ভ্যাকসিন ক্রয় প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা পেয়েছে সরকার। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোভিডের সময় বরাদ্দ ৬০০ কোটি টাকা হামের টিকা ক্রয়ে ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে প্রাথমিক চিকিৎসা জোরদারে পল্লী চিকিৎসা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে বিবেচনার কথাও বলেন মন্ত্রী।

এদিকে, বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, টিকাদানে অবহেলা এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন বকেয়া থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু সভা নয়, মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করে না। অতীতের মতো গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের কোনো মানসিকতা সরকারের নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সিএমউজের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনস্থ কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার বাস্তবায়ন এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সফলতায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অতীতে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিতায় সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন একটি বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। চলতি বছরে যারা সুযোগ পাবেন না, তাদের আগামী বছর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধকের বক্তব্যে বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ও সংবাদমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেমন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ সুগম করেন। দীর্ঘদিন ধরে যারা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন, তাদের সবাইকে একটি বৃহত্তর সাংবাদিক পরিবারের অংশ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। 

এসএন/

সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব আহসান। ছবি: খবরের কাগজ

দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত তৎপরতা ও পূর্বপ্রস্তুতির কারণেই কোনো প্রাণহানি ঘটেনি বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব আহসান।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবার সহযোগিতা, সচেতনতা এবং তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমের কারণে আজকের ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। নৌপুলিশ, বিআইডব্লিউটিসি, ফায়ার সার্ভিস, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুততার সঙ্গে কাজ করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ঈদুল ফিতরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বাসডুবিতে ২৬ জনের প্রাণহানির পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা ছিল, ফেরিতে যানবাহন ওঠানোর আগে সব যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে। সেই নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করায় আজকের ঘটনায় বাস নদীতে পড়ে গেলেও যাত্রীদের কোনো ক্ষতি হয়নি।’

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব রফিকুল করিমের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটিতে বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসির প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে থাকবেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস, বাংলাদেশ কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আসলাম মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। তবে ফেরিতে ওঠার আগেই সব যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল একই নৌরুটে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পদ্মা নদীতে ডুবে গেলে নারী ও শিশুসহ ২৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর আবারও বাস ডুবির ঘটনায় এই নৌরুটের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সুমন বিশ্বাস/রিফাত/

নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল
ছবি: সংগৃহীত

জনবান্ধব বাজেট না হলে জনগণ আরও বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি আয়োজিত ‘কেমন বাজেট চাই?’ শীর্ষক গোলটেবিল ও ছায়াবাজেট-এর উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।

শুক্রবার (৫ জুন) সকারে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আয়োজনে অতিথিবৃন্দ আরও বলেন, নির্মম হলেও সত্য গত ৫৫ বছরের একটি বাজেটও স্বাস্থ্য-শিক্ষা-খাদ্য-ধর্ম-মানবতা বা সভ্যতাবান্ধব হয়নি কেবলমাত্র আমলাদের পাশাপাশি সর্বস্তরের রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের অসাধু কর্মকাণ্ডের কারণে। স্বাধীনতার পর থেকে ক্রমশ আমরা রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা যেভাবে প্রতারিত হয়েছি, ঠিক সমান্তরালভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি কিছু লুটেরাশ্রেণির কারণে। এরা রাজনীতি-শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি-কূটনীতি-ধর্ম এবং অর্থনীতির রন্দ্রে রন্দ্রে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠির ক্ষতি করেছে সবসময়।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই দেশ ও জনবিরোধী-স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ। সেই ষড়যন্ত্রে কারণে আজ বন্দর, সেন্টমার্টিন এমনকি বাণিজ্য খাতটা পর্যন্ত আমেরিকাসহ দেশবিরোধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করছে; তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী ছিলো। 

এতে অতিথি ছিলেন ডেইলি নিউ নেশন-এর উপদেষ্টা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ তোশারফ আলী।

সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ তরিকত-এ ইসলামের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মঈনুদ্দীন টিপু।

বক্তব্য রাখেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, প্রেসিডিয়াম মেম্বার কাজী মুন্নি আলম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন বৈরাগী, হরিদাস সরকার, রাজনীতিক শহিদুল ইসলাম রতন, তৌহিদুল ইসলাম শাহীন নূরী, নতুনধারার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির জীবন, আফতাব মন্ডল, জাতীয় শ্রমিকধারার আহ্বায়ক বাবুল মিয়া, আলেয়া বেগম আলো প্রমুখ। 

সভাপতির বক্তব্যে মোমিন মেহেদী বলেন, ২২ পরিবারের হাত থেকে ২২ হাজার আমলার খপ্পড়ে পরেছে বাংলাদেশ। যেই আমলাদের গাড়ি-বাড়ি-কাড়িকাড়ি টাকা করার নেশায় আমাদের শিক্ষা ধ্বংস হয়েছে; তাদের সন্তানরা পড়ালেখা করছে উন্নত বিশ্বের দেশে; আমাদের সমাজ ধ্বংস হয়েছে, তাদের সন্তানরা বাড়ি করছে দেশের বাইরে; মাদকে সয়লাব হয়েছে বাংলাদেশ আর তারা তাদের পুরো পরিবারকে স্যাটেল করেছেন উন্নত দেশগুলোতে। তাদের পাশাপাশি কিছু অসাধু রাজনীতিকও পুরো গোষ্ঠিসহ দেশের বাইরে গিয়ে উঠেছেন দেশকে দেউলিয়া করে। আসন্ন বাজেটের আগে এই সব লুটেরা রাজনীতিক ও প্রশাসনিক সাবেক ও বর্তমান কর্তাদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের অবৈধ অর্থ-সম্পদ সব দেশের রাজস্বখাতে যুক্ত করাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। যদি তা করতে না পারে সরকার; তাহলে সেই বাজেট জনগণের কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। 

এসএন/

জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। ছবি: খবরের কাগজ

ফ্যাসিবাদের সময়ে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির শিকার হয়েছে। সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ শেষ হলে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ঘাটে ঘাটে, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর যে অবস্থান- সেটা বাংলাদেশকে অনেক বেশি আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ স্মৃতি জাদুঘর। জাদুঘরটি আজ পরিদর্শনে এসেছি। তবে পরিপূর্ণভাবে দেখতে পারিনি। এখানে অনেক রুম আমরা খালি দেখেছি। কারণ এটা রেনোভেশন হচ্ছে। সুন্দর করে রেনোভেট করে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জিনিসগুলো সংরক্ষণ করা হবে। 

তিনি বলেন, জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা করে। এটা একটা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল। ভবিষ্যতে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স আমরা নতুন করে করব ইনশাআল্লাহ। জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যে মহান ঘোষণাটি দিয়েছিলেন, সেই ঘোষণার পর একটার পর একটা উনার পদক্ষেপ ছিল। উনি যুদ্ধ করেছেন, বীরউত্তম হয়েছেন। উনি সেনাপ্রধান হয়েছেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য একসময় বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে ফেলেছিলেন। যদিও ফ্যাসিবাদ এসে বারবার সেটি ভূলুণ্ঠিত করেছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সবকিছু করবে। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, জেলা প্রশাসক, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।  

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের মেরামত কাজ কবে শেষ হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। এজন্য মাননীয় মন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা আজ জাদুঘরটি পরিদর্শনে এসেছি। এ স্থাপনাটি এবং জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স যেটিকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শন। আগামী প্রজন্মের আসলে এগুলো জানতে হবে। তাদের এখানে আসতে হবে, দেখতে হবে। ইতিহাস যদি না জানি তাহলে জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারব না। ভূমিকম্পের কারণে এখানে কিছু ডেমেজ হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে মেরামত করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেব ইনশাআল্লাহ। 

এসএন/

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত
মো. নুরুল আমিন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২২ জনের মধ্যে এক বাংলাদেশি রয়েছেন। তার নাম মো. নুরুল আমিন (৪৪)। তিনি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের বাসিন্দা।

নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, গত বুধবারের ওই অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দেশের ২২ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া এবং নিহতের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। 

বৃহস্পতিবার রাতে মিশন থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহতের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

হাইমিশন জানায়, গত ৩ জুন সংঘটিত ওই অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাংলাদেশি পরিবার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিবার দুটি নয়াদিল্লির কাছাকাছি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং ওই হোটেলেই অবস্থান করছিলেন।

ভারতের রাজধানীতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত বাংলাদেশি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাইমিশন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সব বাংলাদেশি নাগরিককে দেখতে যান। এ সময় তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

এসএন/