আগামী ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই লক্ষ্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৈরি নির্বাচন পর্যবেক্ষক নীতিমালা-২০২৩ রহিত করে দেশি-বিদেশি দুই পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন নীতিমালায় আনা হচ্ছে পরিবর্তন। এরই মধ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষক নীতিমালা-২০২৩ (সংশোধিত) নামে খসড়া চূড়ান্ত করেছে ইসির এ-সংক্রান্ত কমিটি।
সংশোধিত নীতিতে পর্যবেক্ষক হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা এইচএসসি পাস নির্ধারণ এবং বিগত সরকারের সময়ের ৯৬ দেশি সংস্থার নিবন্ধন বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন বছর আগেই শেষ হতে যাচ্ছে এসব সংস্থার কার্যক্রম।
অন্যদিকে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত করার কর্তৃত্ব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইসিতে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি সংস্থার নিবন্ধন কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে সংস্থাটি।
গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালে দুই দফায় মোট ৯৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেয় ইসি। তার মধ্যে প্রথম দফায় ৬৭টি এবং দ্বিতীয় দফায় নিবন্ধন পায় ২৯টি সংস্থা। আইন অনুযায়ী এই সংস্থাগুলোর কার্যকালের মেয়াদ নিবন্ধন পাওয়ার দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। অর্থাৎ এই ৯৬টি সংস্থার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। সেই সময় পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত যেকোনো নির্বাচন তারা পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।
কিন্তু অভিযোগ ওঠে, ওই নির্বাচনকে বৈধতা দিতে এবং মিথ্যা তথ্যকে সত্য হিসেবে প্রচার ও প্রমাণ করতে আওয়ামী লীগের নামসর্বস্ব অনেক সংস্থা ও ব্যক্তিকে ইসির পর্যবেক্ষক হিসেবে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। পরে পর্যবেক্ষক নিয়োগে অনিয়ম অনুসন্ধান ও নীতিমালা পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের কমিটি করে ইসি। সেই কমিটি আগামী সংসদ নির্বাচনে কারা পর্যবেক্ষক হতে পারবে কিংবা পারবে না তা যাচাই-বাছাই করে নতুন করে খসড়া নীতিমালা তৈরি করে। লক্ষ্য পর্যবেক্ষক সংস্থা নিবন্ধনের সব ধারা পুনর্মূল্যায়ন করা।
২০২৩ সালে প্রথম ধাপে নিবন্ধন পাওয়া সংস্থাগুলো হলো মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সেবা সোশ্যাল ফাউন্ডেশন, অগ্রদূত সংস্থা, অ্যাকটিভিটি ফর রিফরমেশন অব বেসিক নিডস, হাইলাইট ফাউন্ডেশন, মুভ ফাউন্ডেশন, ডেমোক্রেসি ওয়াচ, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদ (জানিপপ), ডিজঅ্যাবিলিটি ইন কোজিশন অ্যাকটিভিটিজ , আজমপুর শ্রমজীবী উন্নয়ন সংস্থা, আব্দুল মমেন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, এসডাপ, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন, লুৎফর রহমান ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন, সমাজ উন্নয়ন প্রয়াস, যুব উন্নয়ন সংস্থা, শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র, বঞ্চিতা সমাজ কল্যাণ সংস্থা, কেরানীগঞ্জ হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, এসকে কল্যাণী ফাউন্ডেশন, সোসাইটি ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট অব রুরাল পিপল, সেতু রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, সোসাইটি ফর ট্রেনিং অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, রুরাল অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, ডেভেলপমেন্ট হেল্পিং কী, তালতলা যুব উন্নয়ন সংগঠন, স্বাস্থ্য শিক্ষাসেবা ফাউন্ডেশন, বাঁচতে শেখা, ডপস ফাউন্ডেশন, অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ভলানটারি অর্গানাইজেশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট, ক্রিয়েটিভ সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, জেন্ডার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি, ডেভেলপমেন্ট এডুকেশন অ্যান্ড পিস, বেসিক, হিউম্যান রাইটস ভয়েস, সমাজ উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রাজবাড়ী উন্নয়ন সংস্থা, ডেভেলপমেন্ট পার্টনার, গরিব উন্নয়ন সংস্থা, সমাহার, সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, হাফেজ্জি চ্যারিটেবল সোসাইটি ফর বাংলাদেশ, ডেভেলপমেন্ট অব মহিলা সোসাইটি, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, সোশ্যাল ইকুয়ালিটি ফর ইফেক্টিভ ডেভেলপমেন্ট, ইন্টিগ্রেটেড সোসাইটি ফর রেইজ অব হোপ, সমন্বিত নারী উন্নয়ন সংস্থা, পল্লী একতা উন্নয়ন সংস্থা, সোসাইটি ফর হিউম্যান ইম্প্রুভমেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড লাস্টিং ডেভেলপমেন্ট, সেঁজুতি হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, এসো জাতি গড়ি, ওয়েসভা, সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন, ফোরাম ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, প্রকাশ গণকেন্দ্র, রুরাল অ্যান্ড আরবান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, সার্ভিসেস ফর ইক্যুইটি অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট, তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা, হিউম্যান ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (হিডস), রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি ফর বাংলাদেশ, গ্রাম উন্নয়ন কর্ম, ইকো কনসার্ন অ্যাসোসিয়েশন, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র, এসো বাঁচতে শিখি ও মুভমেন্ট ফর সোশ্যাল জাস্টিস।
এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে নিবন্ধন পাওয়া ২৯টি সংস্থা হচ্ছে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডরপ), প্রত্যাশা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, সোসাইটি ফর রুরাল বেসিক নিডড, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম, রুরাল ভিশন (আরডি), তরফসরতাজ শান্তি সংঘ (টিএসএস) বগুড়া, পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা), পাথওয়ে, এমপাওয়ারমেন্ট থ্রু ল অব দ্য কমন পিপল (এলকপ), জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, নাইস ফাউন্ডেশন, নারী উন্নয়ন সংস্থা, সুফিয়া হানিফ ফাউন্ডেশন, সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিউনিটি অর্গানাইজেশন (সাকো), সবার তরে আমরা ফাউন্ডেশন (এসটিএএফ), বিয়ান মনি সোসাইটি, অগ্রগতি সেবা সংস্থা (আসেস), আল-কুরআন প্রচার সংস্থা (আকপস) বাংলাদেশ, ইন্টারন্যাশনাল আসফ লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন, এআরডি (অ্যাসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট), বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ (বামাসপ), রাজারহাট স্বাবলম্বী সংস্থা, সংগতি সমাজ কল্যাণ সংস্থা, উদ্ভাবনী মহিলা সংস্থা, ভলান্টারি অর্গানাইজেশন ফর দ্য নিডি (ভন), দিনাজপুর পল্লী উন্নয়ন প্ৰচেষ্টা (ডিপিইউপি), সেলফ ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এসডিআই) ও বেডো আর্থ সামাজিক কেন্দ্ৰ।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। ইসি কমিটির পর্যালোচনায় বিগত সময়ে নিবন্ধন পাওয়া বেশির ভাগ সংস্থার ব্যাপারে বিতর্ক উঠেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা এ কাজটি করবেন, তাদের বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে আমরা কোনো প্রশ্ন রাখতে চাই না। আর সে কারণেই পর্যবেক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শুদ্ধিকরণ আমরা জরুরি মনে করছি। এ জন্য আগের সবকিছু মুছে ফেলা হবে না। তবে কিছু পরিমার্জন ও পরিবর্তন করা প্রয়োজন। কাজটি করতে ইসি কমিটির পরামর্শে এরই মধ্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৩ সালে করা নীতিমালা রহিত করা হয়েছে। তাদের নিয়োজিত ৯৬টি দেশি সংস্থার নিবন্ধন বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাদ পড়া সংস্থাগুলোর জন্যও নতুন করে নিবন্ধনের জন্য আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা সবাই বাদ পড়বেন নাকি কিছু সংস্থা বহাল থাকবে তা চূড়ান্ত হবে কমিশনের বৈঠকে।’
বিতর্কিত সংস্থাগুলোর স্থলে কবে নাগাদ আপনারা নতুন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবেন- এ প্রশ্নের উত্তরে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এপ্রিল মাসের শেষ দিকে আমরা পুনরায় দেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে চাই। তবে খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করার আগে ঐকমত্য কমিশনের প্রতিবেদনে এ-সংক্রান্ত কী নির্দেশনা আসে সে জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আগামীতে নিবন্ধনের শর্তগুলো যথাযথভাবে পূরণসহ পর্যবেক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। কারণ আমরা চাই না ভুঁইফোড় কোনো সংস্থা ও ব্যক্তি এই কাজের দায়িত্ব পালন করুক। আবেদনকারীদের কোনো রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থসংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।’
বিদেশি পর্যবেক্ষক নীতিমালায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ইসি কমিটির পক্ষ থেকে একটি মাত্র পরিবর্তন আনার সুপারিশ করা হয়েছে। আগের আইনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী বিদেশি সংস্থা ও ব্যক্তিদের তালিকা করার দায়িত্বে ছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংশোধিত বিধিতে সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের সংস্থা ও ব্যক্তির মধ্য থেকে ইসির চূড়ান্ত করা তালিকা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে কেবলমাত্র অভিজ্ঞদেরই নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ রাখাসহ আগের আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক নীতিমালায় থাকা কোনো ধারায় পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়নি।
ভোট পর্যবেক্ষণে ২০০৮ সালে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে প্রথমবারের মতো পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠানের জন্য নিবন্ধন চালু করে নির্বাচন কমিশন। সে সময় ১৩৮টি সংস্থাকে নিবন্ধন দেয় এ টি এম শামসুল হুদার কমিশন। প্রথমে সংস্থাগুলোর মেয়াদ এক বছর নির্ধারণ করা হলেও পরে পাঁচ বছরে উন্নীত করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ২০১১ সালে নিবন্ধন পায় ১২০টি সংস্থা। পরে এসব সংস্থার নিবন্ধনের মেয়াদ ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার পর আরও ১ বছর বাড়ায় কাজী রকিবউদ্দিন আহমদের কমিশন। এরপর নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট পর্যবেক্ষণ করে দেশি ৭৫টি প্রতিষ্ঠান।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা কমে দাঁড়ায় ৩৫টিতে। এরপর ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আবেদনকারী ১৯৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিবন্ধন পায় ১১৯টি সংস্থা। তাদের কার্যকালের পূর্ণ মেয়াদ পাঁচ বছর শেষ হলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালে দুই দফায় মোট ৯৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেয় ইসি। প্রতি সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশীয় সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন নেওয়ার জন্য আহ্বান জানায় সংস্থাটি। এ ক্ষেত্রে নিবন্ধন পেয়ে সংস্থাগুলো পরবর্তী পাঁচ বছর স্থানীয় নির্বাচনও পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তবে প্রতিটি নির্বাচনের সময় নতুন করে পর্যবেক্ষণের অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হয়।
দেশি সংস্থার পাশাপাশি বিদেশি সংস্থাকেও অনুমতি দিয়ে থাকে ইসি। ইসির তথ্য অনুযায়ী ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে ৫৯৩ জন বিদেশি এবং ১ লাখ ৫৯ হাজার ১১৩ জন দেশি পর্যবেক্ষক ছিল। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে ছিলেন মাত্র ৪ জন বিদেশি এবং স্থানীয় ৩৫টি সংস্থার ৮ হাজার ৮৭৪ জন পর্যবেক্ষক। একাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে ৮১টি দেশি প্রতিষ্ঠানের ২৫ হাজার ৯০০ জন প্রতিনিধি।
এ ছাড়া ৩৮ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক, বিভিন্ন বিদেশি মিশনের ৬৪ কর্মকর্তা এবং দূতাবাস ও বিদেশি সংস্থায় কর্মরত ৬১ জন ভোট পর্যবেক্ষণ করেন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি পায় ৯৬টি দেশি সংস্থা এবং ১৩০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক।