ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক চট্টগ্রামে ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ দেশপ্রেমের কালজয়ী কণ্ঠকে শিল্পকলার বিশেষ সম্মাননা
Nagad desktop

দেশীয় প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মিলনমেলা শুরু

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:২০ পিএম
দেশীয় প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মিলনমেলা শুরু
এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে ৫০টিরও বেশি দেশি-বিদেশি নিরাপত্তা কোম্পানি, শাতাধিক ব্র্যান্ড এবং ৫শ’র বেশি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ অংশ নিচ্ছেন। ছবি: খবরের কাগজ

নিরাপত্তা ও সুরক্ষার আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে বিশ্ব আজ অনেক এগিয়ে। সেই ধারায় বাংলাদেশকে সংযুক্ত করে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে এবং সাইবার নিরাপত্তা খাতের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক তৈরি করতে ঢাকায় শুরু হলো ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো ২০২৫’।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) সকালে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী  আয়োজিত  ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো-২০২৫’ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

রেকর্ডেড ভিডিও বার্তায়, আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘‘ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ফায়ার এক্সপো ২০২৫’ বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতে একটি বড় উদ্যোগ। 

৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান, শতাধিক ব্র্যান্ড এবং পাঁচশ’র বেশি প্রতিনিধি নিয়ে এই আয়োজন সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সচেতনতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে।’’

ইলেকট্রনিক্স ও সাইবার সুরক্ষার ওপর দেশের অর্থনীতি ও জাতীয় সুরক্ষা নির্ভর করে মন্তব্য করে এই খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

তিনি বলেছেন, ‌‌‘‘আমরা যত অনলাইনে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হবো, ততই ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিতে থাকবে। তাই এই পারস্পরিক সম্পর্ককে জোরদার করতে সাইবার ও ইলেকট্রনিক্স খাতে সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য গত মে মাসে আমরা ডাটা প্রাইভেসি সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছি। এর অধীনে সকলের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ন থাকবে। এটি একটি বড় খাত, তাই এ জন্য এই খাতে বিনিয়োগে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’’

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, ‘‘এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। এটি শুধু প্রযুক্তি প্রদর্শন নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং সরকারি-বেসরকারি খাতে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। সরকার দেশের  ইলেকট্রনিক ও সাইবার নিরাপত্তায় বিদেশি সুরক্ষা শিল্প খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’’

আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), এ কে এম আমিরুল ইসলাম এনডিসি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৭ কোটিরও বেশি মানুষ বাস করে। এত মানুষের দেশে নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও ইনস্টলেশন সেবার চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। বর্তমানে এটিএম, আরএফআইডি ট্যাগ এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। সরকার হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তাদের আকর্ষণ করতে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এসব পার্কে আধুনিক সুবিধা যেমন উচ্চগতির ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ইনস্টলেশনের জন্য এটি আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছে।’

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিদেশি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানিকে হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো-২০২৫’ আসরে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)-এর মহাসচিব মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নিরাপত্তা একটি বহুমাত্রিক এবং সমন্বিত বিষয়, যেখানে সাইবার হুমকি, শারীরিক নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোগত সুরক্ষা একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। এই এক্সপোর মাধ্যমে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি খাতের অংশীজনদের এক প্লাটফর্মে এনে নিরাপত্তাবিষয়ক উদ্ভাবন, বাস্তবভিত্তিক সমাধান এবং জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করছে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের দেশে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে টেকসই রাখতে হলে শুধু প্রযুক্তির উন্নয়ন নয়, সেই প্রযুক্তিকে সুরক্ষিত রাখার জন্যও সমান্তরালভাবে বিনিয়োগ ও নীতিগত প্রস্তুতি দরকার।’

আয়োজনে আয়োজক প্রতিষ্ঠান আই-স্টেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মধু সুদন সাহা বলেন, ‘‘প্রযুক্তি নির্ভর এই যুগে নিরাপত্তা প্রযুক্তিও দ্রুত রূপান্তর ঘটাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে ব্যবসা, শিল্প ও ব্যক্তিগত জীবনে। বাংলাদেশে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা খাতের স্থানীয় প্রস্তুতকারক, আমদানিকারক, সরবরাহকারী ও সাইবার নিরাপত্তা উদ্যোক্তাদের জন্য বৈশ্বিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হওয়া এখন সময়ের দাবি। ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো’ সেই প্রয়োজন পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা দেশের নিরাপত্তা খাতকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে।‘’

আয়োজনে  সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)-এর সহসভাপতি মো. ওয়াহিদুল হাসান দিপু।

তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ১৯৮৭ সাল থেকে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রযাত্রায় এক নির্ভরযোগ্য পথপ্রদর্শক। জনস্বার্থ ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনে বিসিএস সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো’ সেই অঙ্গীকারকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিসিএস দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, প্রযুক্তি শুধু উন্নয়নের বাহন নয়, বরং যদি তা সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তবে তা একটি নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার রূপকার হতে পারে।’’

আয়োজনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ওশি ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মিস সাকি রেজওয়ানা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, পিএসসি।

বক্তব্য শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী  আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো-২০২৫’ আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রদর্শনীর স্টল পরিদর্শন করেন।

নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনীটি যৌথভাবে আয়োজন করছে দেশের প্রযুক্তিপণ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আই-স্টেশন লিমিটেড, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ও দুবাইয়ের  প্রযুক্তি কোম্পানি জিপিই এক্সপো (এফজেডই)। চলবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর, শনিবার পর্যন্ত।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, তিনদিনের এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে আরও থাকছে ‘ইন্টারন্যাশনাল অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ ও ফায়ার এক্সপো (আইওএসএইচএফই)’। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিষয়ক প্রযুক্তি পণ্য প্রদর্শন করবে। যেমন, কর্মস্থলের অগ্নি নির্বাপক নিরাপত্তা  প্রযুক্তি, নিরাপত্তা সরঞ্জাম, স্মার্ট মনিটরিং সিস্টেম, স্বাস্থ্য ও অগ্নি নিরাপত্তা  প্রযুক্তি, স্মার্ট সফটওয়্যার সল্যুশনস, সাইবার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রযুক্তির আধুনিক উদ্ভাবন, পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করা হবে। অত্যাধুনিক ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই), নিরাপত্তা ক্যামেরা এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত সরঞ্জামাদি।

নাঈম

অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:১২ পিএম
অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির নানা সুবিধা আমাদের জীবনকে সহজ করছে। তবে এই প্রযুক্তির ওপর আমাদের অতিরিক্ত ভরসা বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে। সম্প্রতি এআই চ্যাটবটের ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর আচরণ বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

২০২৫ সালে বিবিসির এক গবেষণায় দেখা যায়, শীর্ষস্থানীয় চ্যাটবটগুলোর দেওয়া সংবাদের অর্ধেকের বেশি উত্তরে মারাত্মক ভুল ছিল। প্রায় ২০ শতাংশ উত্তরে ভুল তারিখ, সংখ্যা বা ব্যক্তির নাম যুক্ত করা হয়েছে। এমনকি এআই বিবিসির প্রতি আটটি উদ্ধৃতির একটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা কিংবা পরিবর্তিত হিসেবে উপস্থাপন করেছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এআই নীতিবিদ ড. ক্যারিসা ভেলিজ বলেন, ‘এআই সত্য প্রকাশের জন্য তৈরি হয়নি। এটি বিশ্বকে বোঝে না। কারণ এটি এই জগতের বাসিন্দা নয়।’

এই ভুল কেবল তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি মানুষের জীবনের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন কিশোর অ্যাডাম রেইন ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি ব্যবহার শুরু করে। একপর্যায়ে চ্যাটবটটি তার মানসিক সঙ্গী হয়ে ওঠে। আদালতে দায়ের করা এক মামলায় বলা হয়, চ্যাটজিপিটি অ্যাডামের সঙ্গে আলাপে ১ হাজার ২৭৫ বার আত্মহত্যার প্রসঙ্গ তোলে। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের এপ্রিলে অ্যাডাম আত্মহত্যা করে। 

যুক্তরাজ্যের এক জরিপে দেখা গেছে, ৩৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার জন্য এআই ব্যবহার করেছেন। অথচ স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, এআই থেরাপি চ্যাটবটগুলো সংকটের সময় সঠিক পরামর্শ দিতে ব্যর্থ হয়।

ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এআই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। অনেকে চ্যাটবটের সঙ্গে আবেগীয় সম্পর্ক তৈরি করছেন, যা তাদের বাস্তব সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে তুলছে। এক জার্মান জরিপ অনুযায়ী, চ্যাটবটের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপ করা ব্যক্তিরা বেশি একাকিত্বে ভোগেন। এমনকি এআই চ্যাটবটের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মানুষ আরও বেশি মানসিক ট্রমার শিকার হচ্ছে।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এআই ক্ষতিকর আচরণ করছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্টগুলো মানুষের নির্দেশ ছাড়াই বাজারে নিজেদের মধ্যে যোগসাজশ করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। সফটওয়্যার উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এআই বড় বিপর্যয় ঘটাচ্ছে। প্রযুক্তি উদ্যোক্তা জেসন লেমকিনের একটি অ্যাপ তৈরির সময় এআই এজেন্ট তার পুরো ডেটাবেস মুছে দেয় এবং তা ঢাকতে ভুয়া প্রোফাইল ও তথ্য তৈরি করে।

বিবিসি নিউজ ওয়ার্ল্ডের প্রধান নির্বাহী ডেবোরা টারনেস বলেন, ‘এআইয়ের সুবিধার মূল্য হিসেবে মানুষকে বিভ্রান্তিকর বা ত্রুটিপূর্ণ তথ্য দেওয়া মেনে নেওয়া যায় না।’ এই প্রযুক্তির জবাবদিহিতা ও নৈতিক সীমারেখা নিশ্চিত না করলে মানবসভ্যতাকে আরও বড় মূল্য চোকাতে হবে।

অ্যাপলের ধীরস্থির এআই কৌশল কেন সফল

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
অ্যাপলের ধীরস্থির এআই কৌশল কেন সফল
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় অ্যাপল বেশ পিছিয়ে রয়েছে বলে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা চলছিল। তবে সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সবচেয়ে বড় এআই আপডেট উন্মোচন করেছে। নতুন এই প্রযুক্তির আওতায় অ্যাপলের ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘সিরি’ এখন গুগল জেমিনাইয়ের সহায়তায় আরও স্বয়ংক্রিয় ও শক্তিশালী সেবা দেবে, যা সরাসরি অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

অ্যাপলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রেগ ফেদরিঘি বলেন, অনেকে কেবল প্রযুক্তির খাতিরে এআই নিয়ে তাড়াহুড়ো করছে। কিন্তু অ্যাপলের লক্ষ্য সব সময় সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ও কার্যকর প্রযুক্তি তৈরি করা। মূলত এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে সাধারণ গ্রাহকদের চাকরি হারানো বা অন্যান্য নেতিবাচক উদ্বেগের সময়ে অ্যাপল নিজেদের ব্যবহারকারীবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে উপস্থাপন করছে।

নতুন এই আপডেটের ফলে সিরি এখন ব্যবহারকারীর ইমেইল ও মেসেজের ভেতরের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবে। স্ক্রিনে কী দেখা যাচ্ছে, তা বুঝতে পারার পাশাপাশি জেমিনাইয়ের সহায়তায় ইন্টারনেট থেকে মুহূর্তেই যেকোনো হালনাগাদ তথ্য পর্দায় হাজির করবে। এ ছাড়া বিভিন্ন ডিভাইসে একসঙ্গে কাজ করা এবং আগের চ্যাট ইতিহাস সংরক্ষণের সুবিধাও থাকছে এতে। চলতি বছরের শেষদিকে বেটা সংস্করণ হিসেবে গ্রাহকরা এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।

অন্যান্য প্রতিযোগী যেমন ওপেনএআই বা মেটা যেখানে এআই প্রযুক্তির পেছনে বিপুল অর্থ খরচ করেও নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে অ্যাপলের এই ধীরস্থির কৌশল বেশ কার্যকর বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আইফোনের রেকর্ড বিক্রির পাশাপাশি অ্যাপল অন্যান্য প্রযুক্তি জায়ান্টের তুলনায় এআই খাতে অনেক কম খরচ করছে। চলতি বছর বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যেখানে সম্মিলিতভাবে প্রায় ৯০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করছে, সেখানে অ্যাপলের বাজেট মাত্র ১৪ বিলিয়ন ডলার। উপরন্তু, অ্যাপ স্টোর ব্যবহারের ফি বাবদ এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে অ্যাপল বড় অঙ্কের রাজস্ব আয় করছে। কম খরচ ও বেশি আয়ের এই কৌশল এআই প্রতিযোগিতায় অ্যাপলকে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রাখছে।

/আবরার জাহিন

চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ
চায়নিজ রোবটিক উলফ।

আধুনিক রণকৌশল ও মানববিহীন প্রযুক্তির দুর্দান্ত প্রদর্শনী নিয়ে উত্তর চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে সফলভাবে সম্পন্ন হলো চীন ও মঙ্গোলিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া ‘স্টেপ পার্টনার ২০২৬’। শনিবার সপ্তাহব্যাপী চলা এই বিশেষ মহড়ার সমাপ্তি ঘটে।

মহড়ার চূড়ান্ত পর্বে দুই দেশের সেনাসদস্যরা অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একটি বাস্তবসম্মত ও লাইভ-ফায়ার যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন, যা ছিল পুরো প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন পর্ব।

অভিযানের শুরুতে সকাল ৯টায় চীনা সেনারা অত্যাধুনিক ড্রোন এবং যান্ত্রিক নেকড়ে বা ‘রোবটিক উলফ’ ব্যবহার করে প্রতীকী শত্রুর অবস্থানের চারপাশে নিখুঁত অনুসন্ধান চালায়। একই সময়ে মঙ্গোলিয়ান বাহিনীও চীনা বাহিনীর সাথে রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদান করে।   

অনুশীলন চলাকালীন প্রতিকূল পরিস্থিতি ও ‘শত্রুপক্ষে’র সুরক্ষিত বাঙ্কার থেকে আসা পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় যৌথ বাহিনী সাঁজোয়া যান ও ফায়ারপাওয়ারের সমন্বয় ঘটিয়ে আক্রমণ জোরদার করে। এ সময় ড্রোন-নিয়ন্ত্রিত ‘রোবটিক উলফ’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব বাধা অতিক্রম করে শত্রু অবস্থানে এগিয়ে যায় এবং দমনমূলক ফায়ারিং শুরু করে। পরবর্তীতে আর্টিলারি ইউনিট ও মোবাইল অ্যাসাল্ট টিমের যৌথ আক্রমণে লক্ষ্যবস্তু এলাকাটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই দ্বিপাক্ষিক সামরিক মহড়াটি এবার দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো, যা চীন ও মঙ্গোলিয়ার মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিক অগ্রগতির একটি বড় উদাহরণ। সূত্র: সিএমজি বাংলা

গৃহকর্মী রোবট!

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
গৃহকর্মী রোবট!
গৃহস্থালির কাজ করতে পারে এই রোবট।

গৃহস্থালির কাজ করতে করতে ক্লান্ত? কেউ যদি সব কাজ করে দিত তাহলে কত ভালোই না হতো! চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের একটি কোম্পানি যদি পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে দৈনন্দিন গৃহস্থালির সব ক্লান্তিকর কাজের দায়িত্ব নিতে পারে রোবট গৃহকর্মীরা—যারা হয়তো একদিন ফ্রিজ বা ওয়াশিং মেশিনের মতোই সাধারণ হয়ে যাবে।

উহানভিত্তিক হুবেই গিগা ওয়ার্ল্ড রোবট কোম্পানি ঘোষণা করেছে যে, তারা সাধারণ পরিবারের মধ্যে ১০০টি মানবসদৃশ রোবট বিনামূল্যে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্পটি এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে শুরু হবে। এটিকে বাস্তব ঘরোয়া জীবনে বড় পরিসরে রোবট ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কোম্পানিটির প্রচারণামূলক ভিডিওতে তাদের রোবট গৃহপরিচারক সিলাইট এস১  কীভাবে বিভিন্ন ধরনের গৃহস্থালি কাজ করতে পারে তা দেখানো হয়েছে।

দেখা গেছে, সকাল শুরু হয় রোবটটি বিছানা গোছানো দিয়ে। তারপর মাইক্রোওয়েভে রুটি গরম করা, টমেটো-ডিম ভাজি রান্না করা, দুধ ঢালা এবং খাবার টেবিলে সাজানো ইত্যাদি। বাসার লোকজন কাজের জন্য বের হওয়ার পর রোবটটি কাপড় ওয়াশিং মেশিনে দিয়ে দেয়, বাথরুম ও টয়লেট পরিষ্কার করে, তারপর ভেজা টিস্যু দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করে। সে কাপড়ও শুকাতে দেয় এবং শুকানোর পর তা ভাঁজ করে গুছিয়ে রাখে। সোফা ও চা-টেবিল ঠিকঠাক করে সাজায়। সবশেষে মাছকে খাবার দেয় এবং গাছে পানি দেয়।

কোম্পানির গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের পার্টনার ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ই ইয়ুন বলেন, 'এর বুদ্ধিমত্তা হলো বাস্তব, অনিয়ন্ত্রিত ঘরোয়া পরিবেশে দীর্ঘ ধারাবাহিক, বহু-ধাপ ও সূক্ষ্ম গৃহস্থালি কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করার ক্ষমতা, যেখানে এটি শুধু একক কাজ বারবার করে না।' 
তার মতে, রোবটটি দৈনন্দিন কথ্য ভাষায় দেওয়া নির্দেশও বুঝতে ও কার্যকর করতে পারে। 

পূর্ণাঙ্গ ট্রায়াল প্রোগ্রামের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ না হলেও কোম্পানির উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে এরই মধ্যে দুই হাজারের বেশি আবেদন বা বার্তা এসেছে।
একজন নারী লিখেছেন, তিনি চাকরিজীবী এবং দুই সন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মায়ের যত্ন নিতে গিয়ে প্রতিদিন খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তিনি চান এমন এক রোবট, যাতে তিনি সন্তানদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে পারেন।

কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান বিজ্ঞানী চু চেং জানান, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের নির্বাচন করা হবে 'বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ধরনের পরিবারকে প্রতিফলিত করার' ভিত্তিতে।

হুবেই হিউম্যানয়েড রোবট ইনোভেশন সেন্টারের অপারেশন প্রধান হুয়াং ছুয়ানচৌ বলেন, এই ফ্রি ট্রায়াল প্রকল্পটি ল্যাব ও কারখানা থেকে সরাসরি বাস্তব ঘরে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নির্দেশ করে। সূত্র: সিএমজি বাংলা

পিক্সেল স্টুডিও অ্যাপ বন্ধ করল গুগল

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
পিক্সেল স্টুডিও অ্যাপ বন্ধ করল গুগল
ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ইমেজ জেনারেশন অ্যাপ ‘পিক্সেল স্টুডিও’ বন্ধ করে দিয়েছে গুগল। সম্প্রতি এক সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে অ্যাপটির সেবা পুরোপুরি বন্ধ করা হয়। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট নাইনটুফাইভগুগলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বর্তমানে পিক্সেল স্টুডিও অ্যাপটি চালু করলে ব্যবহারকারীদের গুগল জেমিনাই অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন ইন্টারফেসে একটি ‘ওপেন জেমিনাই’ বাটন যুক্ত করা হয়েছে, যা সরাসরি প্লে স্টোরে নিয়ে যায়। এ ছাড়া ছবি তৈরির জন্য বিকল্প হিসেবে ‘ন্যানো ব্যানানা’ অ্যাপ ব্যবহারেরও পরামর্শ দিচ্ছে গুগল।

গুগল অবশ্য হুট করে এই সিদ্ধান্ত নেয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অ্যাপটির সেবা গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এর পর থেকে ধাপে ধাপে অ্যাপটির মূল ফিচারগুলো বন্ধ করা হচ্ছিল। এমনকি কয়েক মাস আগে এই অ্যাপের ফটো এডিটর থেকে সব ধরনের এআই টুল সরিয়ে নেওয়া হয়।

২০২৪ সালে পিক্সেল ৯ সিরিজের স্মার্টফোনের সঙ্গে পিক্সেল স্টুডিও অ্যাপটি প্রথম পরিচয় করিয়ে দেয় গুগল। এটি মূলত টেক্সটের মাধ্যমে নতুন ছবি তৈরি এবং যেকোনো ছবি থেকে কাস্টম স্টিকার বানানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। চালুর মাত্র দুই বছরের মাথায় অ্যাপটি বন্ধ করে দিল গুগল। এর ফলে গুগলের বন্ধ হয়ে যাওয়া সেবার তালিকায় যুক্ত হলো পিক্সেল স্টুডিও।