ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বানিয়াচংয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত ৫০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ২ প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান, জানালা, বই-খাতা বিক্রির অভিযোগ শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা হাম-উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় পানিতে ডুবে ১৩ মাসের শিশুর মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ পুশইন বন্ধে ভারতকে ১০-১২টি চিঠি দিয়েছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ ঘোষণা সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ভাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা, এলাকাবাসীর তৎপরতায় রক্ষা বিল-ঝিলে পদ্ম ও শাপলার মায়াবী রূপ শরীয়তপুরে মাটি গরম হয়ে ধোঁয়া ওঠা স্থানে গ্যাস নেই: বাপেক্স শার্শায় আওয়ামী লীগ নেতা টিংকু গ্রেপ্তার শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু! মানিকগঞ্জে বাবার মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্ত ছেলে ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০ ড. ইউনূসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ প্রতিদিন ১০০ কোটি লিটার পানি ঢাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে : মির্জা ফখরুল মাঠের ফুটবল যখন জীবনের ব্যাধি হয়ে দাঁড়ায় ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা পাঁচ বছর না খেয়েও যেভাবে বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের প্রাণী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নারী-শিশুসহ নিহত ৪ ধামরাইয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা
Nagad desktop

অমিত শাহর শঙ্কা এবার জেন জি বিক্ষোভ হবে ভারতে!

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৮ এএম
এবার জেন জি বিক্ষোভ হবে ভারতে!
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ- শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালে ছাত্র ও তরুণদের নেতৃত্বে যেভাবে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটেছে, তা নিয়ে চরমভাবে সতর্ক হয়েছে ভারত। প্রতিবেশী দেশগুলোর এই ধারাবাহিক ঘটনা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ভারতে একই ধরনের জেনারেশন জেডের (জেন জি) নেতৃত্বাধীন আন্দোলন হতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই ভবিষ্যতে বড় বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ উদ্দেশ্যে অমিত শাহ সম্প্রতি দেশের পুলিশের গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যুরোকে (বিপিআরঅ্যান্ডডি) একটি বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ১৯৭৪ সালের পর ভারতের ভেতরে যেসব বড় গণ-আন্দোলন হয়েছে, তার পেছনের কারণ, গতিপ্রকৃতি, ফলাফল ও আর্থিক সংযোগ খতিয়ে দেখে গবেষণা করতে হবে। সেই গবেষণার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য গণ-আন্দোলন প্রতিরোধে একটি ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (এসওপি) তৈরি করা হবে।

এই গবেষণার জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা হচ্ছে, যারা রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে পুরোনো মামলার নথিপত্র, সিআইডির প্রতিবেদন এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করবে। পাশাপাশি আন্দোলনের আর্থিক দিক খতিয়ে দেখার জন্য ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট), এফআইইউ-আইএনডি (ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট) এবং সিবিডিটি (সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস)-কেও যুক্ত করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, বর্তমান যুগে আন্দোলন শুধু আদর্শের ভিত্তিতে নয়, বরং এর পেছনে অর্থের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই আন্দোলনে আর্থিক লেনদেন ও বিদেশি মদদ থাকলে তা আগেভাগেই শনাক্ত করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলন, নেপালের ডিজিটাল নিষেধাজ্ঞাবিরোধী বিক্ষোভ এবং শ্রীলঙ্কার আর্থিক সংকটে গড়ে ওঠা ‘আরাগালায়া’- সব আন্দোলনেই তরুণদের নেতৃত্ব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার এবং বিকেন্দ্রীভূত সংগঠনের প্রবণতা ছিল স্পষ্ট।

অমিত শাহ এ বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে এসব আন্দোলনের কৌশল বিশ্লেষণের নির্দেশ দিয়েছেন। যাতে একই ধরনের ঘটনা ভারতেও ঘটলে তা শুরুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এই গবেষণায় অংশ নিচ্ছে এনআইএ, বিএসএফ, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোসহ কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরের একাধিক সংস্থা। এদের মাধ্যমে আন্দোলনের নেপথ্যের অর্থ, সংযোগ, পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য নেতৃত্ব বিশ্লেষণ করা হবে।

অন্যদিকে, পাঞ্জাব অঞ্চলের জন্য আলাদাভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন অমিত শাহ। তিনি চেয়েছেন, ধর্মীয় সমাবেশ ও খালিস্তানি উগ্রপন্থার মতো বিষয়গুলো নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণ চালাতে। বিশেষত যেসব ধর্মীয় জমায়েতে পদদলনের মতো দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে, সেসব নিয়েও আলাদা গবেষণা হবে। এর মাধ্যমে সমাবেশ পর্যবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য একটি পৃথক এসওপি তৈরি করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রস্তুতির পেছনে রয়েছে ভারতের তরুণ সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ। বেকারত্ব, দুর্নীতি, বৈষম্য, রাজনৈতিক স্বজনপ্রীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বহু তরুণের মাঝে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, জেন জি প্রজন্ম ডিজিটাল যোগাযোগ, হ্যাশট্যাগ ক্যাম্পেইন এবং বিকেন্দ্রীভূতভাবে সংগঠিত হওয়ার ক্ষমতায় পারদর্শী। ফলে সরকার মনে করছে, পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে যেকোনো সময় বড় গণ-আন্দোলনের সূত্রপাত হতে পারে।

এ কারণে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অস্থিরতা রোধে তথ্যভিত্তিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুরো পরিকল্পনার পেছনে মূল লক্ষ্য হলো-  দেশে আর যেন কলম্বো, ঢাকা কিংবা কাঠমান্ডুর মতো দৃশ্য না দেখা যায়। ভারতের রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-এই তরঙ্গ কি এবার দিল্লিতেও আছড়ে পড়বে?

কলম্বো থেকে ঢাকা হয়ে কাঠমান্ডু, জেন জি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মত
কয়েকদিন আগেই জেন জি বিক্ষোভে সরকার পতন হয় নেপালে। এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে এবং ২০২২ সালে প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কায় একই ঘটনা ঘটেছিল। এসব দেশে সরকারপ্রধানের বিলাসবহুল বাড়ি ছিল দুর্ভেদ্য ক্ষমতার এক প্রতীক, যা ছিল সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে সরকার পতনের সঙ্গে সঙ্গে সাময়িকভাবে সেই বাড়ির মালিক হয়ে ওঠেন জনগণ। দক্ষিণ এশিয়ায় তরুণদের বিক্ষোভে সম্প্রতি পতন হয়েছে একাধিক সরকারের। এ ঘটনা বিস্তৃত এক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। ঘনবসতি দক্ষিণ এশিয়া কি জেনারেশন জেড (জেন-জি) বিপ্লবের গ্রাউন্ড জিরো বা বিপ্লবের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে?

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পল স্ট্যানিল্যান্ড দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে চোখে পড়ার মতো ঘটনা। এখানে এক ধরনের নতুন অস্থিতিশীল রাজনৈতিক ধারা দেখা যাচ্ছে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি নাটকীয় পরিবর্তন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি একেবারেই ভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ধারা। যেখানে আগে রাজনৈতিক সংকট মানেই ছিল সামরিক অভ্যুত্থান বা অন্য ধরনের সংঘাত, সেখানে এখন একেবারে নতুন ধারা দেখা যাচ্ছে।’

স্ট্যানিল্যান্ড বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলনের সবচেয়ে সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো- একটি ভালো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের কল্পনা করার ক্ষমতা, আর তাদের স্বপ্নের সঙ্গে বাস্তবতার বিশাল ফারাকটা দেখতে পাওয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘তরুণদের শক্তি ছিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা, বাস্তবতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা, আর একে অপরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুভূতি।’

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলীর মতে, দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশে তরুণদের আন্দোলনে সরকার পতনের পেছনে একটি সাধারণ ভিত্তি রয়েছে। তা হলো অমীমাংসিত সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্য আর রাজনৈতিক অভিজাতদের দুর্নীতি, যা তাদের তরুণ প্রজন্মের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল।

জেন জিদের অনেকেই জীবনে দুটি বড় অর্থনৈতিক মন্দার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। প্রথমটি ২০০৮-০৯ সালে এবং দ্বিতীয়টি কভিড-১৯ মহামারির সময়। গাঙ্গুলি বলেন, ‘এ প্রজন্মকে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ বছর কাটাতে হয়েছে একাকিত্বে, সহপাঠী ও বন্ধুদের থেকে শারীরিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে। তবে সেই মহামারির সময়ই তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাত্রা নজিরবিহীনভাবে বেড়ে যায়।’

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ইন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স প্রোগ্রামের ফ্যাকাল্টি ডিরেক্টর রুমেলা সেন আল-জাজিরাকে বলেন, ‘তরুণপ্রধান জনসংখ্যা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার জেন জি প্রজন্ম সহজভাবেই কমিউনিটি, সংগঠন ও আত্মপ্রকাশের জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে কাজে লাগাতে পেরেছে। এসব দেশের সরকার ইন্টারনেট বা নির্দিষ্ট যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করার চেষ্টা করলেও, তা উল্টো ফল বয়ে এনেছে।’ 

তিনি বলেন, ‘নেপালের তরুণ প্রজন্ম দেখছিল যে, কিছু সুবিধাভোগী পরিবার বা রাজনৈতিক অভিজাতদের সন্তানরা (নেপোকিড) বিলাসী জীবনযাপন করছে, বিদেশে পড়াশোনা করছে। কিন্তু এই সুযোগ-সুবিধার ভিত্তি গড়ে উঠেছে সাধারণ তরুণদের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে। তাই তারা এসব অন্যায় আর চোখ বন্ধ করে এড়িয়ে যেতে চায়নি।’ এখন শেষ এবং একমাত্র প্রশ্ন হলো- এরপর জেন জি আন্দোলন কোথায়? সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, আল-জাজিরা

শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিতে প্রথমদিকে অনিচ্ছুক ছিল তেল আবিব। অনেকের মতে, ইসরায়েল শুধু যুদ্ধ অব্যাহত রাখতেই আগ্রহী ছিল না, বরং এই সংঘাত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান ও ভাবমূর্তির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।

সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার একটি ফোনালাপের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর ইসরায়েলের ভেতরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এতে এমন ধারণা তৈরি হয় যে, নেতানিয়াহু অনেক ক্ষেত্রে ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ধারণা করা হয়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত না করতে এবং বৈরুতকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা থেকে বিরত থাকতে কঠোরভাবে সতর্ক করেছিলেন। 

এ তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর ইসরায়েলের একটি অংশের কাছে নেতানিয়াহুর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে শুধু একজন শক্তিশালী নেতা হিসেবেই নয়, বরং ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকেও উপেক্ষা করতে প্রস্তুত একজন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছেন।

ফলে যখন তাকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়, তখন বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তার জন্য খুব ইতিবাচক বার্তা বহন করেনি। 

অনেক ইসরায়েলির মধ্যে এমন প্রত্যাশাও ছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য সমঝোতা বা আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার জন্য নেতানিয়াহুর হাতে কোনো না কোনো গোপন কৌশল রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী অংশের স্বার্থ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। 

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলের ঘোষিত কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই সংঘাত অপরিহার্য। এসব লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারি প্রতিষ্ঠা।

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, এর পেছনে কেবল নিরাপত্তা বা কৌশলগত বিবেচনাই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও কাজ করছে। বিশেষ করে সম্ভাব্য নির্বাচন এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রশ্নে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

থিও/

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু এবং ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) এই দুর্যোগের ফলে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ও পরিবহন অবকাঠামো ভেঙে পড়ে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বেশ কিছু অংশে সুনামি সতর্কতা জারি করার পর জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাও অঞ্চলের উপকূলবর্তী এলাকা, যা ওই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও পরিবহন কেন্দ্র ‘জেনারেল সান্তোস সিটি’র কাছাকাছি অবস্থিত।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পের ফলে বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়াসহ ব্যাপক কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আটকেপড়াদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়াসহ ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে পরবর্তীতে সমুদ্রের ঢেউয়ের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে অনেক জায়গার সতর্কতা তুলে নেওয়া হয় বা কমিয়ে আনা হয়।

তা সত্ত্বেও, পূর্বসতর্কতা হিসেবে উপকূলীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের ওপরও। নিরাপত্তার স্বার্থে ‘জেনারেল সান্তোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’-এর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়, যার ফলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পে ডজন খানেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৩০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে পুনরায় প্রবেশ না করার জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।

জনপ্রিয় পর্যটন ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রগুলোতে এ ধরনের বড় আকারের প্রাকৃতিক বিপর্যয় কী ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, এই ঘটনাটি আবারও তা মনে করিয়ে দিল।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ফিলিপাইন ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ফলে এখানে প্রায়শই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

মিন্দানাওজুড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। এরই মধ্যে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে সব ধরনের সহায়তা দিতে এবং চলমান ঝুঁকিগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করতে সরকারি সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্র: আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ও হেলথ ইনস্যুরেন্স জার্নাল

তামান্না রুপা/

ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা
ছবি: আল জাজিরা থেকে

ইরানের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

সোমবার (৮ জুন) সকালে ইসরায়েল ইরানের মাহশাহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করার পর এই হামলা চালাল ইরান।

কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সটি ফ্লেক্সিবল ফোম এবং রিজিড ফোম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উৎপাদন করে। এই রাসায়নিকগুলোর মধ্যে একটি হলো টলুইন ডাইআইসোসায়ানেট (টিডিআই), যা এই অঞ্চলে একমাত্র ইরানই উৎপাদন করে থাকে।

বৈশ্বিক সরবরাহের ক্ষেত্রে, এই রাসায়নিকের ইরানি রপ্তানি মোট বাজারের ২ শতাংশেরও কম, তাই এর প্রভাব ততটা গভীর নয়।

ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলের হাইফায় একটি রাসায়নিক কারখানায় হামলা চালিয়েছে।

তারা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, এই অঞ্চলে বেসামরিক ও জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আরও হামলা হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী থাকবে।

থিও/অমিয়/

ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম
ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরও তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই হামলার কারণে চুক্তির ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটন যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছালে, তা মেনে নেওয়া ছাড়া ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর আর কোনো উপায় নেই বলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

একই সঙ্গে আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনা না বাড়িয়ে নেতানিয়াহুকে শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মূল চাবিকাঠি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র তার হাতেই।

টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘নেতানিয়াহুর সামনে আর কোনো বিকল্প থাকবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমিই নিই। সব সিদ্ধান্ত আমার। তিনি এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ নন‘’

গত এপ্রিলের শুরুর দিকে হওয়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলের ওপর ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই কড়া বক্তব্য সামনে এল।

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের কড়া বার্তা

ফক্স নিউজ ও অ্যাক্সিওসকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার নির্দেশ দেবেন। তবে ট্রাম্পের এই অবস্থান ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দেওয়া বিবৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানায়, ট্রাম্প টেলিফোনে নেতানিয়াহুকে আপাতত শান্ত থাকতে বলেছেন কারণ ‘একটি ভালো চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি আমরা’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী প্রথমে এর বিরোধিতা করলেও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের কথায় ‘এক প্রকার রাজি’ হয়েছেন।

মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই মুহূর্তে ইসরায়েল থেকে বড় কোনো হামলার আশঙ্কা নেই।’

ট্রাম্পের ইরান পরিকল্পনা

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তির ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। তবে (ইসরায়েলে হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো) এমন কোনো বড় আঘাত ছিল না যা সব ওলট-পালট করে দেবে।’

তবে গত এপ্রিলের শুরুতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে ইরানের সঙ্গে প্রথম দফার আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পকে যতটুকু আশাবাদী দেখাচ্ছিল, তেহরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির বিষয়ে এবার তার কণ্ঠে ততটা দৃঢ়তা শোনা যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় চুক্তিটি এগিয়ে চলছে। দেখা যাক কী হয়।’

ইরানের এই হামলা তার নিজস্ব সমীকরণে কোনো প্রভাব ফেলবে না উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি তার নিজস্ব যোগ্যতায় সফল হতেও পারে, আবার নাও পারে। তবে এই হামলার কারণে এতে কোনো প্রভাব পড়বে না।’

ইরান অভিযানের প্রস্তুতি

যদি এই চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়, তবে কী করা হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানে কমান্ডো অভিযানের কথা বিবেচনা করবেন। তিনি বলেন, ‘সেক্ষেত্রে দুটি বিষয় ঘটতে পারে। প্রথমত, আমরা সরাসরি সেখানে ঢুকে সামরিকভাবে বাকি জায়গাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেব, যা আগে করা হয়নি। অথবা আমরা ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ বজায় রাখব। কারণ এই অবরোধ সম্ভবত দেশটির ওপর হওয়া যেকোনো সামরিক হামলার চেয়েও বেশি শক্তিশালী।’

গত সপ্তাহে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের একটি তুমুল উত্তপ্ত ফোনালাপের পর তার এই মন্তব্যগুলো সামনে এল। জানা গেছে, সেই ফোনালাপে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে নেতানিয়াহুকে বলেন, ‘তুমি কি পাগল হয়ে গেছ? আমি না থাকলে আজ তুমি জেলে থাকতে। এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। এসবের কারণে সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে সেই ফোনালাপের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং ফোনালাপের ভেতরের এসব বক্তব্যের বিবরণ নিয়ে কোনো দ্বিমত পোষণ করেননি। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

আবারও ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
আবারও ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কানাডা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এই পরিস্থিতি চলমান আলোচনা এবং শান্তির সম্ভাবনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

সোমবার (৮ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কানাডার পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তর জানিয়েছে, আমরা উভয় পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন, উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এই সংকটের সমাধান এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি টেকসই কূটনৈতিক সমাধান অপরিহার্য।

এদিকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। জবাবে ইরানের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা 

সালমান/