ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি শহরেই বেশি হামের প্রকোপ মিরসরাইয়ে ১৫ দিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গে যমজ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে হাত-চোখ বেঁধে যুবককে নির্যাতন ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধরের অভিযোগে ওসি ক্লোজড চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নান্দাইল, ১৪৪ ধারা জারি খলিলুর রহমান কীভাবে সামলাবেন দুই দায়িত্ব গাছ থেকে পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ ঘুরতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের যে বিশ্বাস মানুষের জীবনে এনে দেয় অভাবনীয় ৬টি পরিবর্তন? জনমুখী শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় জাতীয় সংসদ: স্পিকার চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত ৫ জুন পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী গাজীপুরে বাসচাপায় অটোচালকসহ নিহত ২ আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়? প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ঈশ্বরগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় তরুণের মৃত্যু, চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের নামে মামলা
Nagad desktop

সিএনএনের বিশ্লেষণ ক্ষতবিক্ষত ইরান কি এখন পরমাণু বোমার পথে হাঁটবে

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১১:০৯ এএম
ক্ষতবিক্ষত ইরান কি এখন পরমাণু বোমার পথে হাঁটবে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

দুই দশকেরও বেশি আগে ইরানের গোপন পারমাণবিক কর্মসূচি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসার পর তেহরান বারবার দাবি করেছিল, তাদের উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ এবং তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না। দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এমনকি ইসলামি আইনের আওতায় একটি ফতোয়া জারি করে পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

কিন্তু গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তার মৃত্যুর পর পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অনেকের মতে, এতে করে ইরানের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের কঠোরপন্থি গোষ্ঠীগুলো নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পক্ষে অবস্থান নিতে পারে। ইতোমধ্যে দেশটির জনমত ও রাজনৈতিক আলোচনায় এ ধরনের প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘কুইয়েন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট’-এর বিশ্লেষক ট্রিটা পার্সি বলেন, ‘পারমাণবিক ফতোয়া কার্যত মৃত। ইরানের অভিজাত শ্রেণি ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। আলোচনার মাঝেই দুই পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রের হামলার মুখে পড়ার পর এমন পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয়।’

‘কৌশলগত ধৈর্য’ থেকে সম্ভাব্য নীতিগত পরিবর্তন
বিগত বছরগুলোতে খামেনি অভ্যন্তরীণ চাপ থাকা সত্ত্বেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অনুমোদন দেননি। বিশেষ করে ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পরও তিনি অপেক্ষাকৃত সংযত অবস্থান বজায় রাখেন।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, খামেনি ‘কৌশলগত ধৈর্য’ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। এর আওতায় ইরান ধীরে ধীরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি এগিয়ে নেয়, যা অস্ত্রমানের কাছাকাছি পৌঁছালেও সরাসরি বোমা তৈরির সীমা অতিক্রম করেনি।

নতুন নেতৃত্ব ও অনিশ্চয়তা
বর্তমানে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তার পারমাণবিক নীতির অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সম্প্রতি বলেন, নতুন নেতার ধর্মীয় বা রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ধারণা এটি আগের নীতির থেকে খুব বেশি আলাদা হবে না, তবে তার অবস্থান স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

এদিকে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত রয়েছেন, যা তার শারীরিক অবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছে। একই সময়ে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দেশের ক্ষমতার ওপর আরও শক্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে।

যুদ্ধের প্রভাব: কঠোর অবস্থানের উত্থান
গত বছর ইসরায়েলের নজিরবিহীন সামরিক অভিযানে ইরানের বহু সামরিক ও পারমাণুবিষয়ক কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর থেকেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দাবি জোরালো হতে থাকে। পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা এই চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।

এর আগেই ২০২৪ সালে আইআরজিসির একজন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক নীতি পরিবর্তন করতে প্রস্তুত। তিনি ইঙ্গিত দেন, ‘আগের বিবেচনা থেকে সরে আসা এবং নীতির পরিবর্তন সম্ভাব্য।’ বর্তমানে ইরানের কাছে ৪০০ কেজির বেশি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে ধারণা করা হয়, যা কয়েকটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য যথেষ্ট হতে পারে, যদি নতুন নেতৃত্ব ফতোয়া পরিবর্তন করে।

অভ্যন্তরীণ চাপ ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
ইরানের অভ্যন্তরে পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের দাবিও জোরদার হচ্ছে। কঠোরপন্থি বিশ্লেষক নাসের তোরাবি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, ‘আমরা নতুন একপর্যায়ে প্রবেশ করেছি। যুদ্ধের পর ইরানকে বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। আমাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পদক্ষেপ নিতে হবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক সংযমের একটি কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা। তবে এখন যখন সেই হামলাই বাস্তবে ঘটেছে, তখন এই সংযমের যৌক্তিকতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে।

বিশ্লেষক সিনা আজোদি বলেন, ‘যখন আক্রমণ যেভাবেই হোক ঘটেই গেছে, তখন তাদের কাছে আর সংযমের তেমন কোনো কারণ নেই। এই যুদ্ধ সবকিছু বদলে দিয়েছে।’

ইরান কি দ্রুত বোমা বানাতে পারবে?
পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ–ফতোয়া পরিবর্তন, পর্যাপ্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং কার্যকর বোমা তৈরির প্রযুক্তি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান চাইলে জটিল ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক অস্ত্রের বদলে তুলনামূলক সহজ একটি ‘ক্রুড’ বা প্রাথমিক বোমা তৈরি করতে পারে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে কম জটিল হলেও বাস্তব বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম হবে।

তবে এই ধরনের অস্ত্রের সামরিক ব্যবহার সীমিত হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হবে রাজনৈতিক–বিশ্বকে পারমাণবিক সক্ষমতা দেখানো এবং প্রতিরোধ তৈরি করা।

পারমাণবিক প্রতিরোধ কি কার্যকর হবে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক অস্ত্র থাকলেও ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরোধ করা সহজ হবে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, যেখানে ইরানের সম্ভাব্য অস্ত্রের সংখ্যা খুবই সীমিত হবে। আজোদি বলেন, ‘৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র দিয়েও এমন একটি দেশকে প্রতিরোধ করা যায় না, যার কাছে ৫ হাজার অস্ত্র রয়েছে।’ ইরানের প্রতিরোধনীতি ঐতিহাসিকভাবে মূলত ইরাক, ইসরায়েল এবং সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবকে ঘিরে গড়ে উঠেছে।

আঞ্চলিক পারমাণবিক প্রতিযোগিতার আশঙ্কা
ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব দ্রুতই একই পথে হাঁটতে পারে। ২০১৮ সালে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, ‘ইরান যদি পারমাণবিক বোমা তৈরি করে, আমরা দ্রুতই সেটি অনুসরণ করব।’

সব মিলিয়ে ইরান এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। যুদ্ধ, নেতৃত্ব পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ চাপ–সব মিলিয়ে দেশটির পারমাণবিক নীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তেহরান কি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে হাঁটবে, নাকি আগের নীতি বজায় রাখবে, তা নির্ভর করছে নতুন নেতৃত্বের অবস্থান এবং চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু ইরানের জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্যই বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় চারজন বিদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন।

এদের মধ্যে দুজন সিরীয় ও দুজন বাংলাদেশি।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)-কে উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

এনএনএ জানিয়েছে, একটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়া জেলার আব্বা ও আল-দুওয়াইর শহরের মধ্যবর্তী ওয়াতা আব্বার আল-মাশাল এলাকায় দুই দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে।

দিল্লির মালব্য নগরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হোটেল মালিক

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
দিল্লির মালব্য নগরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হোটেল মালিক
ছবি: সংগৃহীত

দিল্লির মালব্য নগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩ জুন) গভীর রাতে হোটেলটির মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

দিল্লি পুলিশ জানায়, ওই অগ্নিকাণ্ডের পরেই গা-ঢাকা দিয়েছিলেন লাভকেশ বাজাজ এবং তার স্ত্রী।

বুধবার সকালে আগুন লাগে মালব্য নগরের ঝাঁ চকচকে বেড-অ্যান্ড-ব্রেকফাস্ট হোটেলে। এ ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৮ জন বিদেশি নাগরিকসহ মোট ২১ জনের।

চিকিৎসার জন্য আসা দেশ-বিদেশের অনেকেই উঠতেন হোটেলটিতে। ধারণা করা হচ্ছে নিচ তলায় থাকা রেস্তোরাঁ থেকে সূত্রপাত আগুনের।

হোটেলটি থেকে প্রায় ৪০ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ এবং দমকলবাহিনী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে হোটেলটির বিরুদ্ধে। অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ঠিক না থাকাসহ অনুমোদন ছাড়া ঘর তৈরি করা।

আমান/

পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন ‘ব্যাপক হারে’ বাড়ানোর ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন ‘ব্যাপক হারে’ বাড়ানোর ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার
ছবি: সংগৃহীত

পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন ‘ব্যাপক হারে’ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার (৩ জুন) একটি নতুন পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন গিয়ে তিনি পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর এই ঘোষণা দেন।

কিম জং উন দাবি করেন, গত পাঁচ বছরে উত্তর কোরিয়া অস্ত্র তৈরির উপযোগী পারমাণবিক উপাদানের উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়েছে। এই নতুন প্ল্যান্টটি দেশের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কিম এই পাঁচ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন।

মার্কিন কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে প্রায় ৯০টি ওয়ারহেড তৈরির মতো পারমাণবিক উপাদান রয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে প্রায় ৫০টি ওয়ারহেড তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও (আইএইএ) সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ায় একাধিক পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের সক্রিয়তার কথা নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে কিমকে উন্নত প্রযুক্তির গ্যাস সেন্ট্রিফিউজের সারির মধ্য দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলভিত্তিক থিংক ট্যাংক 'কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশন'-এর সিনিয়র গবেষক হং মিন জানান, এই পরিদর্শনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে, তারা এখন আর গবেষণা পর্যায়ে নেই, বরং সরাসরি ‘গণহারে পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন’ শুরু করেছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ২০২৬ সালের বার্ষিক হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে এমন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম।

অন্যদিকে, 'নিউক্লিয়ার ওয়েপনস ব্যান মনিটর'-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। সুত্র: সিএনএন

আজহার/

ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি যাত্রী টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কয়েকজন আহত হওয়ায় বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় কতৃপক্ষ।

কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৌদ আবদুল আজিজ আল-আতওয়ান এ হামলাকে ‘অপরাধমূলক ইরানি আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 

তিনি বলেন, ড্রোন হামলায় ভবনটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আল-আতওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় আহতদের সংখ্যা উল্লেখ করেননি। তবে তিনি জানান, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল স্থগিত করেছে ও আগত ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে। কারণ টার্মিনাল ওয়ান ইরানি হামলার শিকার হয়ে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশ কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত। 

দেশটি জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পর থেকেই তারা ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।

তেহরান অভিযোগ করে বলেছে, কুয়েত তাদের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা চালাতে সহায়তা করছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৮

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০১:২১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৮
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত আট জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোরে ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, ‘ভোরে গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত আট জন শহীদ হয়েছেন।’ এর মধ্যে আবাসিক ভবনে হামলায় সাত জন ও গাজা সিটির পশ্চিমে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে একজন নিহত হন।

গত অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজা উপত্যকায় প্রতিদিনই সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত উপেক্ষা করে এর অর্ধেকেরও বেশি এলাকা বর্তমানে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। সূত্র: বাসস

আমান/