বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস প্রতি বছর ৮ মে পালিত হয়। এটি একটি বংশগত রক্তরোগ, যেখানে হিমোগ্লোবিন উৎপাদন কম হওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। রোগীরা দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট ও নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। থ্যালাসেমিয়া মূলত দুই প্রকার- আলফা ও বিটা; এর মধ্যে বিটা থ্যালাসেমিয়া বেশি গুরুতর। বাবা-মা বাহক হলে সন্তানের ঝুঁকি বাড়ে এবং নিকটাত্মীয়ের বিয়েতেও ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশে প্রায় ৮-১০ ভাগ মানুষ বাহক এবং হাজার হাজার শিশু প্রতি বছর আক্রান্ত হয়ে জন্মায়। প্রতিরোধের প্রধান উপায় বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা, জেনেটিক কাউন্সেলিং ও সচেতনতা বৃদ্ধি। নিয়মিত চিকিৎসা ও রক্ত সঞ্চালনে রোগনিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলেও নতুন রোগী প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক সচেতনতা, সরকারি উদ্যোগ ও শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
কলাম লেখক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক
[email protected]