দেশে একের পর এক ধর্ষণকাণ্ড ঘটেই যাচ্ছে। গণপিটুনি, মিছিল-মিটিং, লেখালেখি, প্রতিবাদ–কিছুই যেন থামাতে পারছে না এই মহামারিকে। সমাজের কিছু পুরুষ আজ যেন আগ্রাসী আতঙ্কের নাম, নারীদের জন্য এক ভয়ংকর বোঝা। নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান যেন তলানিতে এসে ঠেকেছে। নারী মানেই যেন ভোগের বস্তু, নির্যাতনের শিকার, হত্যাযোগ্য এক অসহায় প্রাণ! এ যেন নতুন এক আইয়ামে জাহেলিয়াত! আছিয়া থেকে রামিসা, ৭ থেকে ৭০–কেউ আজ নিরাপদ নয়। দেশের বিচারব্যবস্থার ভঙ্গুরতা ধর্ষকদের আরও সাহসী করে তুলছে। প্রতিনিয়ত ধর্ষণকাণ্ড ঘটলেও বিচারের হার প্রায় শূন্যের কোঠায়। ক্ষমতার দাপট, নেতাগিরি ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে একে একে সবাই পার পেয়ে যাচ্ছে। তাই তো ধর্ষিতার বাবা আজ বিচার চাইতেও ভয় পান। ধর্ষিতার মা বুকভরা কষ্ট নিয়ে পাথর হয়ে থাকেন। অসহায় কণ্ঠে বলেন, ‘বিচার চাইব কার কাছে? দেশে কি আদৌ বিচার আছে?’
আমরা চাই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির অবসান হোক। সমাজে নারীরা নিরাপদে বাঁচুক। রাষ্ট্র নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক। আমরা আর কোনো ধর্ষণ দেখতে চাই না। চাই না কোনো কর্তিত, খণ্ডিত, গলা কাটা দেহ। বন্ধ হোক ধর্ষণ। বন্ধ হোক ধর্ষিতার আর্তচিৎকার।
রফিকুল ইসলাম
মনোয়ারা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, মানিকগঞ্জ
[email protected]